থাইল্যান্ডের এশিয়ান ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজির (এআইটি) এআই সেন্টার পরিদর্শন করেছেন মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (মাভাবিপ্রবি) উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম শহিদুল ইসলাম। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই), উচ্চশিক্ষায় আন্তর্জাতিক সহযোগিতা এবং গবেষণায় যৌথভাবে কাজের সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা করতেই তাঁর এই সফর।
শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের অনুমোদনক্রমে গত ৫ সেপ্টেম্বর পাঁচ দিনের এ সফর শুরু করেন মাভাবিপ্রবি উপাচার্য। সফরটি ৯ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত চলার কথা রয়েছে।
সফরসূচির অংশ হিসেবে মঙ্গলবার সকালে থাইল্যান্ডের রাজধানী ব্যাংককের এআইটি ক্যাম্পাসে যান অধ্যাপক ড. এ বি এম শহিদুল ইসলাম। সেখানে তিনি প্রতিষ্ঠানটির এআই সেন্টার পরিদর্শন করেন এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রযুক্তি, গবেষণা ও উচ্চশিক্ষার বিভিন্ন বিষয় সম্পর্কে খোঁজখবর নেন।
উপাচার্যের এই সফরের মধ্য দিয়ে মাভাবিপ্রবি ও এশিয়ান ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজির মধ্যে সহযোগিতার নতুন সুযোগ তৈরির পরিকল্পনা করা হয়েছে। বিশেষ করে গবেষণা, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রযুক্তি এবং উচ্চশিক্ষায় পারস্পরিক সহযোগিতা বাড়ানোর লক্ষ্যে দুই প্রতিষ্ঠানের মধ্যে একটি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) স্বাক্ষরের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।
বিশ্ববিদ্যালয় সূত্র জানিয়েছে, আগামী নভেম্বরের প্রথম সপ্তাহে এআইটির প্রেসিডেন্ট বাংলাদেশ সফরে এলে দুই প্রতিষ্ঠানের মধ্যে এই সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হতে পারে।
এমওইউ স্বাক্ষর হলে দুই প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-গবেষকদের মধ্যে যৌথ গবেষণা, জ্ঞান ও প্রযুক্তি বিনিময় এবং উচ্চশিক্ষার বিভিন্ন ক্ষেত্রে সহযোগিতার সুযোগ তৈরি হতে পারে।
বর্তমানে উচ্চশিক্ষা ও গবেষণায় কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ব্যবহার দ্রুত বাড়ছে। শিক্ষা, গবেষণা, প্রযুক্তি ও উদ্ভাবনের বিভিন্ন ক্ষেত্রে এআইকে কাজে লাগানোর মাধ্যমে নতুন সম্ভাবনা তৈরি হচ্ছে। এ কারণে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় ও গবেষণা প্রতিষ্ঠানের মধ্যে সহযোগিতাও গুরুত্ব পাচ্ছে।
মাভাবিপ্রবি উপাচার্যের এআইটি সফরকে দুই প্রতিষ্ঠানের মধ্যে সম্ভাব্য একাডেমিক ও গবেষণা সহযোগিতার একটি গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ হিসেবে দেখা হচ্ছে।
সফরের মাধ্যমে এআই প্রযুক্তি বিষয়ে অভিজ্ঞতা বিনিময় এবং ভবিষ্যতে যৌথ গবেষণার ক্ষেত্র চিহ্নিত করার সুযোগ তৈরি হচ্ছে। একই সঙ্গে আন্তর্জাতিক উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর সঙ্গে মাভাবিপ্রবির যোগাযোগ আরও শক্তিশালী করার সম্ভাবনাও তৈরি হয়েছে।
বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, আগামী নভেম্বরের সম্ভাব্য এমওইউ স্বাক্ষরের মধ্য দিয়ে এই সহযোগিতা প্রাতিষ্ঠানিক রূপ পেতে পারে। তবে চুক্তির চূড়ান্ত বিষয়বস্তু ও সহযোগিতার ক্ষেত্রগুলো স্বাক্ষরের সময় নির্ধারিত হবে।


























