ঢাকা ১২:০৪ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৬ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

হারানো আইফোন বন্ধ থাকলেও খুঁজে পাওয়ার সহজ উপায় ও প্রয়োজনীয় সেটিংস

  • ডেস্ক নিউজ
  • Update Time : ১১:০০:০১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ৫১৬

iPhone

আইফোন হারিয়ে গেলে বা চুরি হয়ে গেলে সেটি বন্ধ দেখালে অনেক ব্যবহারকারীই চরম দুশ্চিন্তায় পড়ে যান। তবে অ্যাপলের কিছু নিরাপত্তা সুবিধা আগে থেকেই চালু থাকলে ফোন বন্ধ হয়ে গেলেও নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত এর অবস্থান শনাক্ত করা সম্ভব।

এর জন্য আইফোনের সেটিংস থেকে নিজের অ্যাপল আইডিতে প্রবেশ করে ফাইন্ড মাই মেনুতে যেতে হবে। সেখানে ‘ফাইন্ড মাই আইফোন’ এবং ‘ফাইন্ড মাই নেটওয়ার্ক’-দুটো অপশনই চালু রাখতে হবে। ‘ফাইন্ড মাই নেটওয়ার্ক’ সুবিধার মাধ্যমে আশপাশের অন্যান্য অ্যাপল ডিভাইসের ব্লুটুথ সিগন্যাল ব্যবহার করে অফলাইন অবস্থাতেও ফোনের অবস্থান নির্ণয় করা যায়।

একই সঙ্গে সেন্ড লাস্ট লোকেশন অপশনটিও চালু রাখা উচিত। এতে ব্যাটারি শেষ হওয়ার ঠিক আগে ফোন তার সর্বশেষ অবস্থানের তথ্য অ্যাপলের সার্ভারে স্বয়ংক্রিয়ভাবে পাঠিয়ে দেয়। এ ছাড়া লোকেশন সার্ভিসেস এবং ব্লুটুথ চালু থাকতে হবে। পাশাপাশি গত সাত দিনের মধ্যে অন্তত একবার ফোনের লোকেশন ‘ফাইন্ড মাই’ সেবায় আপডেট হওয়াও জরুরি।

এই সেটিংস ঠিকভাবে কাজ করছে কি না তা বোঝার জন্য ফোনের ডান দিকের ওপর থেকে নিচে সোয়াইপ করে কন্ট্রোল সেন্টার খুলুন এবং পাওয়ার আইকন চেপে ধরুন। পাওয়ার-অফ স্ক্রিনে ‘আইফোন ফাইন্ডেবল আফটার পাওয়ার অফ’ বার্তাটি দেখা গেলে বুঝতে হবে, ফোন বন্ধ হয়ে গেলেও সেটির অবস্থান শনাক্ত করা সম্ভব হবে।

চোর যেন লক স্ক্রিন থেকেই কন্ট্রোল সেন্টার খুলে এয়ারপ্লেন মোড চালু করে ফোনকে অফলাইনে নিতে না পারে, সেজন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া উচিত। সেটিংস থেকে ফেস আইডি অ্যান্ড পাসকোড মেনুতে গিয়ে অ্যালাউ অ্যাকসেস হোয়েন লকড অপশনে প্রবেশ করে কন্ট্রোল সেন্টার বন্ধ করে রাখা ভালো। এতে ফোন লক থাকা অবস্থায় সহজে নেটওয়ার্ক সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা যাবে না।

বন্ধ আইফোন খোঁজার এই সুবিধা সাধারণত আইফোন ১১ বা এর পরবর্তী মডেল এবং আইওএস ১৫ বা পরবর্তী সংস্করণে সমর্থিত। তবে কিছু আইফোন এসই মডেলে এই সুবিধা নাও থাকতে পারে। ফোনে চার্জ থাকা অবস্থায় ম্যানুয়ালি বন্ধ করা হলে প্রায় ২৪ ঘণ্টা পর্যন্ত এর অবস্থান শনাক্ত করা সম্ভব।

আর ব্যাটারি সম্পূর্ণ শেষ হয়ে গেলেও আইওএস ১৫.২ বা পরবর্তী সংস্করণে চলা উপযুক্ত আইফোন প্রায় পাঁচ ঘণ্টা পর্যন্ত স্বল্পশক্তির ব্লুটুথ সিগন্যাল পাঠাতে পারে। এ সময় আশপাশের অন্যান্য অ্যাপল ডিভাইসের মাধ্যমে হারানো ফোনের অবস্থান শনাক্ত করা যায়।

এ ছাড়া ‘ফাইন্ড মাই’ অ্যাপে সর্বশেষ শনাক্ত হওয়া লোকেশন সাত দিন পর্যন্ত দেখা যায়। এর বেশি সময় কোনো নতুন আপডেট না এলে সাধারণত ‘নো লোকেশন ফাউন্ড’ বার্তা প্রদর্শিত হয়।

ফোন খুঁজে না পেলে অন্য কোনো অ্যাপল ডিভাইস বা ‘ফাইন্ড মাই’ ওয়েবসাইট থেকে সেটিকে লস্ট মোড-এ রাখা যায়। এতে ফোনটি আবার চালু হলে মালিকের দেওয়া বার্তা লক স্ক্রিনে প্রদর্শিত হবে।

এ ছাড়া স্টোলেন ডিভাইস প্রোটেকশন চালু থাকলে লস্ট মোড বন্ধ করতে ফেস আইডি বা টাচ আইডি প্রয়োজন হবে। তাই ব্যক্তিগত নিরাপত্তার স্বার্থে ফোন বিক্রি বা অন্য কাউকে দেওয়ার প্রয়োজন না হলে ফাইন্ড মাই সুবিধাটি কখনই বন্ধ না রাখাই ভালো।

জনপ্রিয় সংবাদ

হারানো আইফোন বন্ধ থাকলেও খুঁজে পাওয়ার সহজ উপায় ও প্রয়োজনীয় সেটিংস

Update Time : ১১:০০:০১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬

আইফোন হারিয়ে গেলে বা চুরি হয়ে গেলে সেটি বন্ধ দেখালে অনেক ব্যবহারকারীই চরম দুশ্চিন্তায় পড়ে যান। তবে অ্যাপলের কিছু নিরাপত্তা সুবিধা আগে থেকেই চালু থাকলে ফোন বন্ধ হয়ে গেলেও নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত এর অবস্থান শনাক্ত করা সম্ভব।

এর জন্য আইফোনের সেটিংস থেকে নিজের অ্যাপল আইডিতে প্রবেশ করে ফাইন্ড মাই মেনুতে যেতে হবে। সেখানে ‘ফাইন্ড মাই আইফোন’ এবং ‘ফাইন্ড মাই নেটওয়ার্ক’-দুটো অপশনই চালু রাখতে হবে। ‘ফাইন্ড মাই নেটওয়ার্ক’ সুবিধার মাধ্যমে আশপাশের অন্যান্য অ্যাপল ডিভাইসের ব্লুটুথ সিগন্যাল ব্যবহার করে অফলাইন অবস্থাতেও ফোনের অবস্থান নির্ণয় করা যায়।

একই সঙ্গে সেন্ড লাস্ট লোকেশন অপশনটিও চালু রাখা উচিত। এতে ব্যাটারি শেষ হওয়ার ঠিক আগে ফোন তার সর্বশেষ অবস্থানের তথ্য অ্যাপলের সার্ভারে স্বয়ংক্রিয়ভাবে পাঠিয়ে দেয়। এ ছাড়া লোকেশন সার্ভিসেস এবং ব্লুটুথ চালু থাকতে হবে। পাশাপাশি গত সাত দিনের মধ্যে অন্তত একবার ফোনের লোকেশন ‘ফাইন্ড মাই’ সেবায় আপডেট হওয়াও জরুরি।

আরও পড়ুন  ঈশ্বরদী থেকে নাসায় মাহমুদা সুলতানার অনন্য সাফল্য

এই সেটিংস ঠিকভাবে কাজ করছে কি না তা বোঝার জন্য ফোনের ডান দিকের ওপর থেকে নিচে সোয়াইপ করে কন্ট্রোল সেন্টার খুলুন এবং পাওয়ার আইকন চেপে ধরুন। পাওয়ার-অফ স্ক্রিনে ‘আইফোন ফাইন্ডেবল আফটার পাওয়ার অফ’ বার্তাটি দেখা গেলে বুঝতে হবে, ফোন বন্ধ হয়ে গেলেও সেটির অবস্থান শনাক্ত করা সম্ভব হবে।

চোর যেন লক স্ক্রিন থেকেই কন্ট্রোল সেন্টার খুলে এয়ারপ্লেন মোড চালু করে ফোনকে অফলাইনে নিতে না পারে, সেজন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া উচিত। সেটিংস থেকে ফেস আইডি অ্যান্ড পাসকোড মেনুতে গিয়ে অ্যালাউ অ্যাকসেস হোয়েন লকড অপশনে প্রবেশ করে কন্ট্রোল সেন্টার বন্ধ করে রাখা ভালো। এতে ফোন লক থাকা অবস্থায় সহজে নেটওয়ার্ক সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা যাবে না।

আরও পড়ুন  ফোন হারালে কী করবেন? দ্রুত নিন এই জরুরি পদক্ষেপ

বন্ধ আইফোন খোঁজার এই সুবিধা সাধারণত আইফোন ১১ বা এর পরবর্তী মডেল এবং আইওএস ১৫ বা পরবর্তী সংস্করণে সমর্থিত। তবে কিছু আইফোন এসই মডেলে এই সুবিধা নাও থাকতে পারে। ফোনে চার্জ থাকা অবস্থায় ম্যানুয়ালি বন্ধ করা হলে প্রায় ২৪ ঘণ্টা পর্যন্ত এর অবস্থান শনাক্ত করা সম্ভব।

আর ব্যাটারি সম্পূর্ণ শেষ হয়ে গেলেও আইওএস ১৫.২ বা পরবর্তী সংস্করণে চলা উপযুক্ত আইফোন প্রায় পাঁচ ঘণ্টা পর্যন্ত স্বল্পশক্তির ব্লুটুথ সিগন্যাল পাঠাতে পারে। এ সময় আশপাশের অন্যান্য অ্যাপল ডিভাইসের মাধ্যমে হারানো ফোনের অবস্থান শনাক্ত করা যায়।

আরও পড়ুন  রাতের বেলা টিনের চালে লাফালাফি করে কে? ভূত নাকি অন্য কিছু?

এ ছাড়া ‘ফাইন্ড মাই’ অ্যাপে সর্বশেষ শনাক্ত হওয়া লোকেশন সাত দিন পর্যন্ত দেখা যায়। এর বেশি সময় কোনো নতুন আপডেট না এলে সাধারণত ‘নো লোকেশন ফাউন্ড’ বার্তা প্রদর্শিত হয়।

ফোন খুঁজে না পেলে অন্য কোনো অ্যাপল ডিভাইস বা ‘ফাইন্ড মাই’ ওয়েবসাইট থেকে সেটিকে লস্ট মোড-এ রাখা যায়। এতে ফোনটি আবার চালু হলে মালিকের দেওয়া বার্তা লক স্ক্রিনে প্রদর্শিত হবে।

এ ছাড়া স্টোলেন ডিভাইস প্রোটেকশন চালু থাকলে লস্ট মোড বন্ধ করতে ফেস আইডি বা টাচ আইডি প্রয়োজন হবে। তাই ব্যক্তিগত নিরাপত্তার স্বার্থে ফোন বিক্রি বা অন্য কাউকে দেওয়ার প্রয়োজন না হলে ফাইন্ড মাই সুবিধাটি কখনই বন্ধ না রাখাই ভালো।