ঢাকা ০৫:০৩ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০৯ অগাস্ট ২০২৬, ২৪ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

রাতের বেলা টিনের চালে লাফালাফি করে? ভূত নাকি অন্য কিছু?

  • ডেস্ক নিউজ
  • Update Time : ০৪:১৩:০৫ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৯ অগাস্ট ২০২৬
  • ৫০২

রাতের বেলা টিনের চালে বৃষ্টি পড়ছে। ছবি সংগৃহীত

রাতের নীরবতায় টিনের চালে হঠাৎ লাফালাফির শব্দ শুনে অনেকেই ভাবেন, হয়তো কোনো অদ্ভুত কিছু ঘুরে বেড়াচ্ছে। কিন্তু এই শব্দের পেছনে থাকতে পারে আমাদের পরিচিত নিশাচর প্রাণী গন্ধগোকুল বা গাছখাটাশ। গাছে চড়া ও দ্রুত দৌড়ানোর দক্ষতার কারণে রাতের বেলায় বাড়ির আশপাশে এদের চলাফেরা চোখে পড়ে।

গন্ধগোকুলের ইংরেজি নাম Common Palm Civet। এরা সাধারণত রাতে সক্রিয় থাকে এবং ফলের পাশাপাশি ইঁদুর, ব্যাঙ, ছোট পাখি ও কাঠবিড়ালিও খায়। কলা, পেয়ারা, সফেদা কিংবা পেঁপে খেতে অনেক সময় লোকালয়ের বাগানেও চলে আসে। ভয় পেলে এরা শরীরের বিশেষ গ্রন্থি থেকে দুর্গন্ধযুক্ত তরলও ছিটাতে পারে।

তবে বন ও বড় গাছ কমে যাওয়ায় এই প্রাণীর প্রাকৃতিক আবাসস্থল ক্রমেই সংকুচিত হচ্ছে। খাবারের সঙ্গে বিষ মিশিয়ে বা অকারণে তাড়া করে অনেক গন্ধগোকুলকে মেরে ফেলা হয়। অথচ প্রকৃতির ভারসাম্য রক্ষায় তারাও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

বন্যপ্রাণীপ্রেমীদের মতে, লোকালয়ে গন্ধগোকুল দেখা গেলে তাকে আঘাত না করে নিরাপদে চলে যাওয়ার সুযোগ দেওয়া উচিত। আহত বা বিপদে পড়লে স্থানীয় বন্যপ্রাণী উদ্ধারকর্মীদের খবর দেওয়াই সবচেয়ে ভালো।

জনপ্রিয় সংবাদ

রাতের বেলা টিনের চালে লাফালাফি করে? ভূত নাকি অন্য কিছু?

Update Time : ০৪:১৩:০৫ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৯ অগাস্ট ২০২৬

রাতের নীরবতায় টিনের চালে হঠাৎ লাফালাফির শব্দ শুনে অনেকেই ভাবেন, হয়তো কোনো অদ্ভুত কিছু ঘুরে বেড়াচ্ছে। কিন্তু এই শব্দের পেছনে থাকতে পারে আমাদের পরিচিত নিশাচর প্রাণী গন্ধগোকুল বা গাছখাটাশ। গাছে চড়া ও দ্রুত দৌড়ানোর দক্ষতার কারণে রাতের বেলায় বাড়ির আশপাশে এদের চলাফেরা চোখে পড়ে।

গন্ধগোকুলের ইংরেজি নাম Common Palm Civet। এরা সাধারণত রাতে সক্রিয় থাকে এবং ফলের পাশাপাশি ইঁদুর, ব্যাঙ, ছোট পাখি ও কাঠবিড়ালিও খায়। কলা, পেয়ারা, সফেদা কিংবা পেঁপে খেতে অনেক সময় লোকালয়ের বাগানেও চলে আসে। ভয় পেলে এরা শরীরের বিশেষ গ্রন্থি থেকে দুর্গন্ধযুক্ত তরলও ছিটাতে পারে।

আরও পড়ুন  লজ্জাবতী গাছ স্পর্শ করলে কুঁকড়ে যায় কেন?

তবে বন ও বড় গাছ কমে যাওয়ায় এই প্রাণীর প্রাকৃতিক আবাসস্থল ক্রমেই সংকুচিত হচ্ছে। খাবারের সঙ্গে বিষ মিশিয়ে বা অকারণে তাড়া করে অনেক গন্ধগোকুলকে মেরে ফেলা হয়। অথচ প্রকৃতির ভারসাম্য রক্ষায় তারাও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

বন্যপ্রাণীপ্রেমীদের মতে, লোকালয়ে গন্ধগোকুল দেখা গেলে তাকে আঘাত না করে নিরাপদে চলে যাওয়ার সুযোগ দেওয়া উচিত। আহত বা বিপদে পড়লে স্থানীয় বন্যপ্রাণী উদ্ধারকর্মীদের খবর দেওয়াই সবচেয়ে ভালো।

আরও পড়ুন  কম দামে ছোট আকারের নতুন এসইউভি আনতে কাজ করছে টেসলা