ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদে আরও চারটি সংসদীয় স্থায়ী কমিটি গঠন করা হয়েছে। এর মধ্য দিয়ে জাতীয় সংসদের মোট ৫০টি সংসদীয় স্থায়ী কমিটি গঠনের প্রক্রিয়া সম্পন্ন হলো। নতুন গঠিত কমিটিগুলো গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি মন্ত্রণালয় ও সরকারি প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রম তদারক করবে।
বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) সংসদে চিফ হুইপ মো. নুরুল ইসলাম একটি কমিটি গঠন এবং বিদ্যমান দুটি কমিটি পুনর্গঠনের প্রস্তাব দেন। পরে কণ্ঠভোটে প্রস্তাবটি পাস হয়।
নবগঠিত চারটি কমিটি হলো—প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটি, বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটি, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটি এবং সরকারি প্রতিষ্ঠান সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটি।
প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি করা হয়েছে নরসিংদী-৫ আসনের মো. আশরাফ উদ্দিনকে। বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত কমিটির সভাপতি হয়েছেন শরীয়তপুর-৩ আসনের মিয়া নুরুদ্দিন আহমেদ অপু।
অন্যদিকে, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতির দায়িত্ব পেয়েছেন শরীয়তপুর-১ আসনের সাঈদ আহমেদ। সরকারি প্রতিষ্ঠান সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি করা হয়েছে বরগুনা-২ আসনের সদস্য ও চিফ হুইপ মো. নুরুল ইসলামকে।
নতুন কমিটি গঠনের পাশাপাশি কয়েকটি বিদ্যমান সংসদীয় স্থায়ী কমিটিও পুনর্গঠন করা হয়েছে। এসব কমিটির মধ্যে রয়েছে বেসরকারি সদস্যদের বিল ও বেসরকারি সদস্যদের সিদ্ধান্ত প্রস্তাব সম্পর্কিত কমিটি, পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত কমিটি, কৃষি মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত কমিটি, মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত কমিটি, যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত কমিটি, শিক্ষা মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত কমিটি এবং পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত কমিটি।
পুনর্গঠিত কমিটিগুলোর সভাপতির পদে বড় কোনো পরিবর্তন আনা হয়নি। তবে বেসরকারি সদস্যদের বিল এবং বেসরকারি সদস্যদের সিদ্ধান্ত প্রস্তাব সম্পর্কিত কমিটির সভাপতি করা হয়েছে বিরোধী দল জামায়াতে ইসলামীর সংসদ সদস্য শাহজাহান চৌধুরীকে (চট্টগ্রাম-১৫)।
জাতীয় সংসদে বর্তমানে মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত ৩৯টি স্থায়ী কমিটি রয়েছে। এর পাশাপাশি রয়েছে আরও ১১টি বিষয়ভিত্তিক কমিটি। সব মিলিয়ে সংসদে মোট ৫০টি সংসদীয় কমিটি রয়েছে। এসব কমিটি সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়, সরকারি প্রতিষ্ঠান ও বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে সংসদীয় নজরদারি এবং পর্যালোচনার দায়িত্ব পালন করে।

























