ভারতের কানপুর শহরে এক হৃদয়বিদারক ঘটনায় ১১ বছর বয়সী যমজ দুই কন্যাকে হত্যার অভিযোগ উঠেছে তাদের বাবার বিরুদ্ধে। রোববার (১৯ এপ্রিল) ভোরে নিজ বাসায় এই ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় সংবাদমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, অভিযুক্ত শশী রঞ্জন ঘটনার পর নিজেই জরুরি নম্বরে ফোন করে দুই মেয়েকে হত্যার কথা জানান। তিনি পেশায় একজন মেডিকেল রিপ্রেজেন্টেটিভ।
পুলিশ জানায়, তিনি স্ত্রী ও সন্তানদের নিয়ে শহরের একটি ফ্ল্যাটে বসবাস করতেন। প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, দাম্পত্য জীবনে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল এবং স্ত্রীর প্রতি সন্দেহ থেকেই পারিবারিক অশান্তি সৃষ্টি হয়।
অভিযুক্তের স্ত্রী জানান, তার স্বামী দীর্ঘদিন ধরে মানসিক চাপে ভুগছিলেন এবং বাড়ির ভেতরে নজরদারির জন্য সিসিটিভি ক্যামেরাও বসিয়েছিলেন। তিনি আরও অভিযোগ করেন, স্বামী তাকে মেয়েদের ঘরে ঢুকতেও বাধা দিতেন।
ঘটনার রাতে রাতের খাবারের পর অভিযুক্ত তার দুই কন্যাকে ঘুমাতে নিয়ে যান। গভীর রাতে তিনি তাদের একজনকে বাথরুমে নিয়ে যান এবং কিছু সময় পর আবার ঘরে ফেরেন। পরে ঘরের আলো নিভিয়ে দেওয়া হয়। কয়েক ঘণ্টা পর তিনি পুলিশকে ফোন করে হত্যার কথা জানান।
খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে দুই শিশুকে রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার করে। ঘটনাস্থলেই অভিযুক্তকে আটক করা হয়।
এ বিষয়ে কানপুর পুলিশের উপ-কমিশনার দীপেন্দ্র নাথ চৌধুরী জানান, নিহতদের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে এবং অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পুরো ঘটনাটি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে।
























