ঢাকা ০৭:১৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ জুলাই ২০২৬, ৯ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo প্রতিদিন ১টি পেয়ারা খেলে মিলতে পারে যেসব স্বাস্থ্য উপকারিতা Logo চন্দনাইশে স্কুলগামী শিক্ষার্থীদের দুর্ভোগ: খুনিয়া পাড়ায় ভেঙে পড়া রিটেইনিং ওয়াল, বর্ষায় পথ যেন জলাভূমি Logo বিনামূল্যে চিকিৎসাসেবা কুর্মিটোলা হাসপাতালে ৩ বস্তিবাসীর জন্য শুরু Logo যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশ পেল সর্বনিম্ন ১০% শুল্ক সুবিধা Logo রাষ্ট্রপতির পদত্যাগ: চমকপ্রদ সিদ্ধান্তে শেষ হলো জল্পনা Logo শুল্কে চাপ: বাংলাদেশের পণ্য রপ্তানিতে যুক্তরাষ্ট্রের নতুন শুল্কের প্রভাব Logo ফিল্ডস মেডেল জয়: ইতিহাস গড়লেন দুই চীনা গণিতবিদ Logo ট্রাম্পের কঠোর শর্ত: ইসরায়েল স্বীকৃতি না দিলে সৌদির পরমাণু চুক্তি বাতিল Logo বিশ্বকাপ ষড়যন্ত্রতত্ত্ব: ফাইনাল ঘিরে ১২ চাঞ্চল্যকর দাবি যা নিয়ে চলছে তুমুল আলোচনা Logo নতুন মার্কিন শুল্কে চাপে চীন-ইসরায়েল, ভারতে কম

কাশ্মীর ইস্যু নিয়ে জাতিসংঘে পাকিস্তানের নতুন দাবি নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা

কাশ্মীর ইস্যু আবারও আন্তর্জাতিক আলোচনার কেন্দ্রে। ছবি: সংগৃহীত

কাশ্মীর ইস্যু আবারও আন্তর্জাতিক কূটনৈতিক আলোচনার কেন্দ্রে উঠে এসেছে। জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে সাম্প্রতিক অধিবেশনে ভারত ও পাকিস্তান জম্মু ও কাশ্মীরের অবস্থান নিয়ে পরস্পরবিরোধী বক্তব্য দিয়েছে। বিষয়টি নতুন নয়, তবে দুই দেশের সাম্প্রতিক অবস্থান আন্তর্জাতিক মহলে নতুন করে আলোচনা তৈরি করেছে।

কাশ্মীর ইস্যু নিয়ে ভারতের অবস্থান দীর্ঘদিন ধরেই স্পষ্ট। দেশটি জম্মু ও কাশ্মীরকে নিজেদের অবিচ্ছেদ্য অংশ হিসেবে বিবেচনা করে আসছে। জাতিসংঘে ভারতের স্থায়ী প্রতিনিধি পারভাথানেনি হরিশও একই অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করেন। তার বক্তব্যের পরপরই পাকিস্তান ‘রাইট অব রিপ্লাই’ ব্যবহার করে নিজেদের মতামত তুলে ধরে।

পাকিস্তানের প্রতিনিধি গুল কায়সার সারওয়ানি বলেন, জম্মু ও কাশ্মীর এখনো আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত একটি বিরোধপূর্ণ অঞ্চল। তার দাবি, অঞ্চলটির চূড়ান্ত অবস্থান নির্ধারণে জাতিসংঘের সংশ্লিষ্ট প্রস্তাবনাগুলো এখনো প্রাসঙ্গিক। তিনি আরও বলেন, ইতিহাস ও আন্তর্জাতিক আইনকে উপেক্ষা করে বাস্তবতা পরিবর্তন করা সম্ভব নয়।

কাশ্মীর ইস্যু প্রসঙ্গে পাকিস্তানের স্থায়ী প্রতিনিধি আসিম ইফতিখার আহমেদও সাধারণ পরিষদে বক্তব্য দেন। তিনি উল্লেখ করেন, জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের সাম্প্রতিক আলোচনায় কাশ্মীর ও ফিলিস্তিন উভয় ইস্যুই গুরুত্ব পেয়েছে। তার মতে, এসব বিরোধের সমাধান আন্তর্জাতিক আইন ও জাতিসংঘের প্রস্তাবনার আলোকে হওয়া উচিত।

তিনি জানান, ২০২৫ সালে ভারত-পাকিস্তান সম্পর্ক ও কাশ্মীর প্রশ্নে নিরাপত্তা পরিষদের কাছে একাধিক আনুষ্ঠানিক যোগাযোগ জমা হয়েছে। পাশাপাশি মে মাসে এ বিষয়ে নিরাপত্তা পরিষদ একটি রুদ্ধদ্বার বৈঠকও করেছে। পাকিস্তানের দাবি, সাত দশকের বেশি সময় পার হলেও কাশ্মীর ইস্যু আন্তর্জাতিক অঙ্গনে এখনো সক্রিয় আলোচনার বিষয় হয়ে রয়েছে।

কাশ্মীর ইস্যুকে কেন্দ্র করে ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে মতপার্থক্য নতুন কিছু নয়। তবে জাতিসংঘে সাম্প্রতিক বক্তব্যগুলো প্রমাণ করে যে বিষয়টি এখনো দক্ষিণ এশিয়ার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ কূটনৈতিক আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু। বিশ্লেষকদের মতে, এই বিরোধের স্থায়ী সমাধান ছাড়া অঞ্চলে দীর্ঘমেয়াদি শান্তি ও স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করা কঠিন হতে পারে।

জনপ্রিয় সংবাদ

প্রতিদিন ১টি পেয়ারা খেলে মিলতে পারে যেসব স্বাস্থ্য উপকারিতা

কাশ্মীর ইস্যু নিয়ে জাতিসংঘে পাকিস্তানের নতুন দাবি নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা

Update Time : ০৯:৩৮:১১ অপরাহ্ন, শনিবার, ৬ জুন ২০২৬

কাশ্মীর ইস্যু আবারও আন্তর্জাতিক কূটনৈতিক আলোচনার কেন্দ্রে উঠে এসেছে। জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে সাম্প্রতিক অধিবেশনে ভারত ও পাকিস্তান জম্মু ও কাশ্মীরের অবস্থান নিয়ে পরস্পরবিরোধী বক্তব্য দিয়েছে। বিষয়টি নতুন নয়, তবে দুই দেশের সাম্প্রতিক অবস্থান আন্তর্জাতিক মহলে নতুন করে আলোচনা তৈরি করেছে।

কাশ্মীর ইস্যু নিয়ে ভারতের অবস্থান দীর্ঘদিন ধরেই স্পষ্ট। দেশটি জম্মু ও কাশ্মীরকে নিজেদের অবিচ্ছেদ্য অংশ হিসেবে বিবেচনা করে আসছে। জাতিসংঘে ভারতের স্থায়ী প্রতিনিধি পারভাথানেনি হরিশও একই অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করেন। তার বক্তব্যের পরপরই পাকিস্তান ‘রাইট অব রিপ্লাই’ ব্যবহার করে নিজেদের মতামত তুলে ধরে।

আরও পড়ুন  প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা মার্কিন রাষ্ট্রদূত সাক্ষাৎ: সামরিক সহযোগিতা জোরদারে আলোচনা

পাকিস্তানের প্রতিনিধি গুল কায়সার সারওয়ানি বলেন, জম্মু ও কাশ্মীর এখনো আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত একটি বিরোধপূর্ণ অঞ্চল। তার দাবি, অঞ্চলটির চূড়ান্ত অবস্থান নির্ধারণে জাতিসংঘের সংশ্লিষ্ট প্রস্তাবনাগুলো এখনো প্রাসঙ্গিক। তিনি আরও বলেন, ইতিহাস ও আন্তর্জাতিক আইনকে উপেক্ষা করে বাস্তবতা পরিবর্তন করা সম্ভব নয়।

কাশ্মীর ইস্যু প্রসঙ্গে পাকিস্তানের স্থায়ী প্রতিনিধি আসিম ইফতিখার আহমেদও সাধারণ পরিষদে বক্তব্য দেন। তিনি উল্লেখ করেন, জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের সাম্প্রতিক আলোচনায় কাশ্মীর ও ফিলিস্তিন উভয় ইস্যুই গুরুত্ব পেয়েছে। তার মতে, এসব বিরোধের সমাধান আন্তর্জাতিক আইন ও জাতিসংঘের প্রস্তাবনার আলোকে হওয়া উচিত।

আরও পড়ুন  ফের উত্তপ্ত পাক অধিকৃত কাশ্মীর, পুলিশের গুলিতে নিহত ৬

তিনি জানান, ২০২৫ সালে ভারত-পাকিস্তান সম্পর্ক ও কাশ্মীর প্রশ্নে নিরাপত্তা পরিষদের কাছে একাধিক আনুষ্ঠানিক যোগাযোগ জমা হয়েছে। পাশাপাশি মে মাসে এ বিষয়ে নিরাপত্তা পরিষদ একটি রুদ্ধদ্বার বৈঠকও করেছে। পাকিস্তানের দাবি, সাত দশকের বেশি সময় পার হলেও কাশ্মীর ইস্যু আন্তর্জাতিক অঙ্গনে এখনো সক্রিয় আলোচনার বিষয় হয়ে রয়েছে।

কাশ্মীর ইস্যুকে কেন্দ্র করে ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে মতপার্থক্য নতুন কিছু নয়। তবে জাতিসংঘে সাম্প্রতিক বক্তব্যগুলো প্রমাণ করে যে বিষয়টি এখনো দক্ষিণ এশিয়ার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ কূটনৈতিক আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু। বিশ্লেষকদের মতে, এই বিরোধের স্থায়ী সমাধান ছাড়া অঞ্চলে দীর্ঘমেয়াদি শান্তি ও স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করা কঠিন হতে পারে।

আরও পড়ুন  চীনা মুদ্রায় ইরান থেকে তেল কিনছে ভারত, বদলাচ্ছে বৈশ্বিক বাণিজ্য