থাইল্যান্ডে রপ্তানি বাড়ানোর লক্ষ্য নিয়ে নতুন সম্ভাবনার দিকে এগোচ্ছে বাংলাদেশ। দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার গুরুত্বপূর্ণ এই বাজারে ওষুধ, পাট পণ্য ও প্রক্রিয়াজাত খাবারের রপ্তানি বাড়াতে চায় সরকার।
বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আবদুল মুক্তাদির জানিয়েছেন, থাইল্যান্ডের সঙ্গে বাণিজ্য সম্পর্ক আরও শক্তিশালী করার সুযোগ রয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) রাজধানীর থাই দূতাবাস আয়োজিত একটি প্রদর্শনীর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।
বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশে বিনিয়োগের জন্য ভালো পরিবেশ রয়েছে। জমি, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি নিয়ে বড় ধরনের জটিলতা নেই। তাই বিদেশি বিনিয়োগকারীদের বাংলাদেশে বিনিয়োগের আহ্বান জানান তিনি।
তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশি ব্যবসায়ীদের থাইল্যান্ডে পণ্য ও সেবা রফতানির সুযোগ কাজে লাগাতে হবে। দুই দেশের মধ্যে টেকসই অর্থনৈতিক সহযোগিতা গড়ে উঠলে উভয় দেশই লাভবান হবে।
বাংলাদেশের রফতানি পণ্যের মধ্যে ওষুধ, পাটজাত পণ্য, কৃষিপণ্য ও প্রক্রিয়াজাত খাদ্যের আন্তর্জাতিক বাজারে চাহিদা বাড়ছে। থাইল্যান্ডের বাজারে এসব পণ্যের প্রবেশ বাড়ানোর মাধ্যমে নতুন বাণিজ্য সম্ভাবনা তৈরি হতে পারে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
অনুষ্ঠানের আয়োজকেরা জানান, বাংলাদেশ ও থাইল্যান্ডের মধ্যে বাণিজ্য ঘাটতি কমাতে দুই দেশের ব্যবসায়ীদের যোগাযোগ আরও বাড়ানো প্রয়োজন। একই সঙ্গে পর্যটন ও কৃষি খাতে অভিজ্ঞতা বিনিময়ের মাধ্যমে অর্থনৈতিক সম্পর্ক আরও শক্তিশালী করা সম্ভব।
প্রদর্শনীতে থাইল্যান্ডের ৫৭টি শীর্ষ প্রতিষ্ঠান অংশ নিয়েছে। আগামী শনিবার পর্যন্ত চলবে এই আয়োজন। এতে দুই দেশের ব্যবসায়ীদের মধ্যে নতুন বাণিজ্যিক সম্পর্ক তৈরির সুযোগ তৈরি হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
























