ঢাকা ১২:০২ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাতে ইন্দোনেশিয়ায় আটকা ৩ লাখ ৪০ হাজার যাত্রী

আনাক ক্রাকাতাউ অগ্ন্যুৎপাত । ছবি: সংগৃহীত

ইন্দোনেশিয়ায় আনাক ক্রাকাতাউ আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাতে প্রায় ৩ হাজার ফ্লাইট বিঘ্নিত হয়েছে। এর ফলে ৩ লাখ ৪০ হাজারের বেশি যাত্রী আটকা পড়েছেন এবং ছাইয়ের কারণে কয়েকটি বিমানবন্দরের কার্যক্রম দ্বিতীয় দিনের মতো বন্ধ রয়েছে। গত শুক্রবার গভীর রাতে জাকার্তা থেকে প্রায় ১৫০ কিলোমিটার দূরের আনাক ক্রাকাতাউয়ে এই অগ্ন্যুৎপাত শুরু হয়।

অগ্নুৎপাতের ফলে লাভা ও আগ্নেয় ছাই জাকার্তা ও লামপুং প্রদেশের দিকে ছড়িয়ে পড়ে। জাকার্তার সোয়েকার্নো-হাত্তা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর সোমবার সন্ধ্যা ৬টায় চালু হওয়ার কথা থাকলেও আকাশসীমায় ছাই থাকায় তা সম্ভব হয়নি। কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, সোমবার রাত ১১টা ৫৯ মিনিটের পর ফ্লাইট চলাচল শুরু হতে পারে এবং একই সময় পর্যন্ত হালিম পেরদানাকুসুমা বিমানবন্দরও বন্ধ থাকবে।

সোমবার বিমানবন্দরগুলোতে আটকা পড়া যাত্রীদের দীর্ঘ সারি দেখা গেছে এবং অনেকে টিকিটের টাকা ফেরত নেওয়ার চেষ্টা করেছেন। ইন্দোনেশিয়ার ভূতাত্ত্বিক সংস্থা জানিয়েছে যে আগামী দিনগুলোতে আরও অগ্ন্যুৎপাতের আশঙ্কা রয়েছে। আবহাওয়া সংস্থা বিএমকেজির তথ্য অনুযায়ী, আগ্নেয় ছাই জাভার দিকে ৬ হাজার এবং সুমাত্রার দিকে ১৫ হাজার মিটার উচ্চতায় উঠেছে।

নিরাপত্তার স্বার্থে আনাক ক্রাকাতাউয়ের সক্রিয় জ্বালামুখের ৩ কিলোমিটার এলাকার মধ্যে প্রবেশ নিষিদ্ধ করা হয়েছে। সুন্দা প্রণালিতে চলাচলকারী জাহাজগুলোকেও একই দূরত্বের নিষিদ্ধ এলাকা এড়িয়ে চলতে বলা হয়েছে, তবে এই ঘটনায় এখন পর্যন্ত কোনো সুনামি সতর্কতা জারি করা হয়নি।

উল্লেখ্য, ২০১৮ সালের ডিসেম্বরে আনাক ক্রাকাতাউয়ের একটি অংশ ধসে ভয়াবহ সুনামি হয়েছিল। এতে চারশতের বেশি মানুষ নিহত এবং হাজারো মানুষ আহত ও বাস্তুচ্যুত হয়েছিলেন। ইন্দোনেশিয়া প্রশান্ত মহাসাগরীয় ‘রিং অব ফায়ার’-এর অংশ হওয়ায় বিশ্বের প্রায় ৯০ শতাংশ ভূমিকম্প ও ৭৫ শতাংশ সক্রিয় আগ্নেয়গিরি এই অঞ্চলে অবস্থিত।

জনপ্রিয় সংবাদ

আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাতে ইন্দোনেশিয়ায় আটকা ৩ লাখ ৪০ হাজার যাত্রী

Update Time : ১১:০১:১৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬

ইন্দোনেশিয়ায় আনাক ক্রাকাতাউ আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাতে প্রায় ৩ হাজার ফ্লাইট বিঘ্নিত হয়েছে। এর ফলে ৩ লাখ ৪০ হাজারের বেশি যাত্রী আটকা পড়েছেন এবং ছাইয়ের কারণে কয়েকটি বিমানবন্দরের কার্যক্রম দ্বিতীয় দিনের মতো বন্ধ রয়েছে। গত শুক্রবার গভীর রাতে জাকার্তা থেকে প্রায় ১৫০ কিলোমিটার দূরের আনাক ক্রাকাতাউয়ে এই অগ্ন্যুৎপাত শুরু হয়।

অগ্নুৎপাতের ফলে লাভা ও আগ্নেয় ছাই জাকার্তা ও লামপুং প্রদেশের দিকে ছড়িয়ে পড়ে। জাকার্তার সোয়েকার্নো-হাত্তা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর সোমবার সন্ধ্যা ৬টায় চালু হওয়ার কথা থাকলেও আকাশসীমায় ছাই থাকায় তা সম্ভব হয়নি। কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, সোমবার রাত ১১টা ৫৯ মিনিটের পর ফ্লাইট চলাচল শুরু হতে পারে এবং একই সময় পর্যন্ত হালিম পেরদানাকুসুমা বিমানবন্দরও বন্ধ থাকবে।

আরও পড়ুন  ইরানে মার্কিন হামলা, সেচপাম্পকেন্দ্রে নিহত ১

সোমবার বিমানবন্দরগুলোতে আটকা পড়া যাত্রীদের দীর্ঘ সারি দেখা গেছে এবং অনেকে টিকিটের টাকা ফেরত নেওয়ার চেষ্টা করেছেন। ইন্দোনেশিয়ার ভূতাত্ত্বিক সংস্থা জানিয়েছে যে আগামী দিনগুলোতে আরও অগ্ন্যুৎপাতের আশঙ্কা রয়েছে। আবহাওয়া সংস্থা বিএমকেজির তথ্য অনুযায়ী, আগ্নেয় ছাই জাভার দিকে ৬ হাজার এবং সুমাত্রার দিকে ১৫ হাজার মিটার উচ্চতায় উঠেছে।

নিরাপত্তার স্বার্থে আনাক ক্রাকাতাউয়ের সক্রিয় জ্বালামুখের ৩ কিলোমিটার এলাকার মধ্যে প্রবেশ নিষিদ্ধ করা হয়েছে। সুন্দা প্রণালিতে চলাচলকারী জাহাজগুলোকেও একই দূরত্বের নিষিদ্ধ এলাকা এড়িয়ে চলতে বলা হয়েছে, তবে এই ঘটনায় এখন পর্যন্ত কোনো সুনামি সতর্কতা জারি করা হয়নি।

আরও পড়ুন  রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে OIC-এর সমর্থন চাইলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

উল্লেখ্য, ২০১৮ সালের ডিসেম্বরে আনাক ক্রাকাতাউয়ের একটি অংশ ধসে ভয়াবহ সুনামি হয়েছিল। এতে চারশতের বেশি মানুষ নিহত এবং হাজারো মানুষ আহত ও বাস্তুচ্যুত হয়েছিলেন। ইন্দোনেশিয়া প্রশান্ত মহাসাগরীয় ‘রিং অব ফায়ার’-এর অংশ হওয়ায় বিশ্বের প্রায় ৯০ শতাংশ ভূমিকম্প ও ৭৫ শতাংশ সক্রিয় আগ্নেয়গিরি এই অঞ্চলে অবস্থিত।