ঢাকা ১১:৫০ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৫ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

রাষ্ট্রপতির পদত্যাগ: চমকপ্রদ সিদ্ধান্তে শেষ হলো জল্পনা

  • ডেস্ক নিউজ
  • Update Time : ০৫:৪৬:৩০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ জুলাই ২০২৬
  • ৫৬৫

রাষ্ট্রপতির পদত্যাগের পর রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন আলোচনা। ছবি: সংগৃহীত

রাষ্ট্রপতির পদত্যাগ বাংলাদেশের রাজনীতিতে নতুন আলোচনার জন্ম দিয়েছে। দীর্ঘদিনের নানা গুঞ্জনের অবসান ঘটিয়ে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন আনুষ্ঠানিকভাবে পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছেন। শুক্রবার (২৪ জুলাই) বিকেলে জাতীয় সংসদের স্পিকারের কাছে তার স্বাক্ষরিত পদত্যাগপত্র পৌঁছে দেওয়া হয়।

পদত্যাগপত্রে তিনি অসুস্থতাজনিত কারণের কথা উল্লেখ করেছেন। রাষ্ট্রপতির ঘনিষ্ঠ একটি সূত্র জানায়, এটি কোনো রাজনৈতিক চাপের ফল নয়, বরং ব্যক্তিগত ও শারীরিক কারণেই তিনি এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। বিষয়টি প্রকাশের পর থেকেই রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।

রাষ্ট্রপতির সামরিক সচিব মেজর জেনারেল এ এস এম বাহাউদ্দিন বিকেল ৪টার দিকে স্পিকারের দপ্তরে পদত্যাগপত্র পৌঁছে দেন। এরপর বিকেল ৫টায় জাতীয় সংসদের স্পিকার জরুরি সংবাদ সম্মেলনের ঘোষণা দেন। সংসদ সচিবালয়ের একটি সূত্র জানায়, রাষ্ট্রপতির পদত্যাগ নিয়েই এই ব্রিফিং ডাকা হয়েছে।

মো. সাহাবুদ্দিন ২০২৩ সালের ২৪ এপ্রিল বাংলাদেশের ২২তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব নেন। এর আগে তিনি দুর্নীতি দমন কমিশনের কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ২০২৪ সালের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর তার পদত্যাগের দাবি উঠলেও সাংবিধানিক বাস্তবতার কারণে তিনি দায়িত্বে বহাল ছিলেন।

অন্তর্বর্তী সরকারের সময় রাষ্ট্রপতির ভূমিকা অনেকটাই আনুষ্ঠানিক ও রুটিন কার্যক্রমে সীমাবদ্ধ ছিল। বিভিন্ন রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানেও তার উপস্থিতি ছিল সীমিত। পরবর্তীতে তিনি আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম রয়টার্সকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে নিজেকে অপমানিত মনে হওয়ার কথাও প্রকাশ করেছিলেন।

সাম্প্রতিক জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর নতুন রাজনৈতিক বাস্তবতায় রাষ্ট্রপতি পরিবর্তন নিয়ে আলোচনা আবারও জোরালো হয়। তবে তার মেয়াদ শেষ হওয়ার আগেই পদত্যাগের সিদ্ধান্ত দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন প্রশ্ন ও সম্ভাবনার জন্ম দিয়েছে। এখন সংবিধান অনুযায়ী পরবর্তী রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের প্রক্রিয়া নিয়ে সবার নজর থাকবে।

জনপ্রিয় সংবাদ

রাষ্ট্রপতির পদত্যাগ: চমকপ্রদ সিদ্ধান্তে শেষ হলো জল্পনা

Update Time : ০৫:৪৬:৩০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ জুলাই ২০২৬

রাষ্ট্রপতির পদত্যাগ বাংলাদেশের রাজনীতিতে নতুন আলোচনার জন্ম দিয়েছে। দীর্ঘদিনের নানা গুঞ্জনের অবসান ঘটিয়ে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন আনুষ্ঠানিকভাবে পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছেন। শুক্রবার (২৪ জুলাই) বিকেলে জাতীয় সংসদের স্পিকারের কাছে তার স্বাক্ষরিত পদত্যাগপত্র পৌঁছে দেওয়া হয়।

পদত্যাগপত্রে তিনি অসুস্থতাজনিত কারণের কথা উল্লেখ করেছেন। রাষ্ট্রপতির ঘনিষ্ঠ একটি সূত্র জানায়, এটি কোনো রাজনৈতিক চাপের ফল নয়, বরং ব্যক্তিগত ও শারীরিক কারণেই তিনি এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। বিষয়টি প্রকাশের পর থেকেই রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।

আরও পড়ুন  ৭০ অনুচ্ছেদ সংশোধনের উদ্যোগ, জানালেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

রাষ্ট্রপতির সামরিক সচিব মেজর জেনারেল এ এস এম বাহাউদ্দিন বিকেল ৪টার দিকে স্পিকারের দপ্তরে পদত্যাগপত্র পৌঁছে দেন। এরপর বিকেল ৫টায় জাতীয় সংসদের স্পিকার জরুরি সংবাদ সম্মেলনের ঘোষণা দেন। সংসদ সচিবালয়ের একটি সূত্র জানায়, রাষ্ট্রপতির পদত্যাগ নিয়েই এই ব্রিফিং ডাকা হয়েছে।

মো. সাহাবুদ্দিন ২০২৩ সালের ২৪ এপ্রিল বাংলাদেশের ২২তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব নেন। এর আগে তিনি দুর্নীতি দমন কমিশনের কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ২০২৪ সালের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর তার পদত্যাগের দাবি উঠলেও সাংবিধানিক বাস্তবতার কারণে তিনি দায়িত্বে বহাল ছিলেন।

আরও পড়ুন  স্বস্তিদায়ক বাজেট প্রণয়নের লক্ষ্য নিয়ে সরকারের পরিকল্পনার গুরুত্বপূর্ণ বার্তা

অন্তর্বর্তী সরকারের সময় রাষ্ট্রপতির ভূমিকা অনেকটাই আনুষ্ঠানিক ও রুটিন কার্যক্রমে সীমাবদ্ধ ছিল। বিভিন্ন রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানেও তার উপস্থিতি ছিল সীমিত। পরবর্তীতে তিনি আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম রয়টার্সকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে নিজেকে অপমানিত মনে হওয়ার কথাও প্রকাশ করেছিলেন।

সাম্প্রতিক জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর নতুন রাজনৈতিক বাস্তবতায় রাষ্ট্রপতি পরিবর্তন নিয়ে আলোচনা আবারও জোরালো হয়। তবে তার মেয়াদ শেষ হওয়ার আগেই পদত্যাগের সিদ্ধান্ত দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন প্রশ্ন ও সম্ভাবনার জন্ম দিয়েছে। এখন সংবিধান অনুযায়ী পরবর্তী রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের প্রক্রিয়া নিয়ে সবার নজর থাকবে।

আরও পড়ুন  ‘জুলাই জাতীয় সনদ’ বাস্তবায়ন নিয়ে সংসদে হট্টগোল: ঐকমত্য ছাড়াই মুলতবি হলো অধিবেশন