ঢাকা ০৯:২৬ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৮ জুলাই ২০২৬, ২৪ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

কোয়ার্টার ফাইনালে কে কার কখন মুখোমুখি

বিশ্বকাপের শেষ আটের ম্যাচসূচি প্রকাশ। ছবি: সংগৃহীত

বিশ্বকাপের নকআউট পর্বে টানটান উত্তেজনার পর অবশেষে নিশ্চিত হয়েছে শেষ আটের লড়াই। ইউরোপ, আফ্রিকা ও দক্ষিণ আমেরিকার শক্তিশালী দলগুলোর উপস্থিতিতে এবারের কোয়ার্টার ফাইনাল হতে যাচ্ছে জমজমাট। প্রতিটি ম্যাচেই রয়েছে ভিন্ন ভিন্ন গল্প, পুরোনো প্রতিদ্বন্দ্বিতা এবং নতুন ইতিহাস গড়ার সুযোগ।

সবচেয়ে আলোচনায় রয়েছে সুইজারল্যান্ডের ইতিহাস গড়া যাত্রা। ১৯৫৪ সালে নিজেদের মাটিতে অনুষ্ঠিত বিশ্বকাপের পর এবারই প্রথম দলটি কোয়ার্টার ফাইনালে উঠেছে। শেষ ষোলোর ম্যাচে শক্তিশালী কলম্বিয়াকে টাইব্রেকারে হারিয়ে দীর্ঘ ৭২ বছরের অপেক্ষার অবসান ঘটায় সুইসরা। গোলরক্ষকের দুর্দান্ত পারফরম্যান্স এবং খেলোয়াড়দের মানসিক দৃঢ়তাই তাদের শেষ আটে পৌঁছানোর মূল চাবিকাঠি।

অন্যদিকে বর্তমান চ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা আত্মবিশ্বাস নিয়েই কোয়ার্টার ফাইনালে নামছে। টুর্নামেন্টজুড়ে আক্রমণভাগ ও মাঝমাঠে দারুণ ছন্দে রয়েছে দলটি। তবে নকআউট পর্বে সুইজারল্যান্ডের মতো সংগঠিত রক্ষণভাগ ভাঙা সহজ হবে না। তাই এই ম্যাচে কৌশলগত লড়াই দেখার অপেক্ষায় ফুটবলপ্রেমীরা।

স্পেন ও বেলজিয়ামের ম্যাচটিও হতে পারে কোয়ার্টার ফাইনালের সবচেয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ লড়াই। দুই দলই দ্রুতগতির আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলে এবং মাঝমাঠের দখল নিতে পছন্দ করে। ফলে ম্যাচটি কৌশল, গতি ও বল দখলের দিক থেকে বেশ আকর্ষণীয় হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

এদিকে ফ্রান্স ও মরক্কো ম্যাচেও বাড়তি উত্তেজনা রয়েছে। ইউরোপের অন্যতম শক্তিশালী দল ফ্রান্সের বিপক্ষে আফ্রিকার প্রতিনিধিত্ব করছে মরক্কো। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে বড় আসরে মরক্কোর ধারাবাহিক উন্নতি ফুটবলবিশ্বের নজর কেড়েছে। তাই তারা ফ্রান্সকে কঠিন পরীক্ষায় ফেলতে পারে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

ইংল্যান্ড ও নরওয়ে ম্যাচেও রয়েছে সমান আগ্রহ। ইংল্যান্ড টুর্নামেন্টজুড়ে ধারাবাহিক পারফরম্যান্স দেখালেও নরওয়ে পাল্টা আক্রমণে বেশ ভয়ংকর। ফলে দুই দলের লড়াইও হতে পারে বেশ হাড্ডাহাড্ডি।

কোয়ার্টার ফাইনালের পূর্ণ সূচি

  • ৯ জুলাই
    1. 🇫🇷 ফ্রান্স 🆚 🇲🇦 মরক্কো
    2. 🕑 বাংলাদেশ সময় রাত ২টা
    3. 📍 বোস্টন
  • ১০ জুলাই
    • 🇪🇸 স্পেন 🆚 🇧🇪 বেলজিয়াম
    • 🕐 বাংলাদেশ সময় রাত ১টা
    • 📍 লস অ্যাঞ্জেলেস
  • ১২ জুলাই
    1. 🏴 ইংল্যান্ড 🆚 🇳🇴 নরওয়ে
    2. 🕒 বাংলাদেশ সময় রাত ৩টা
    3. 📍 মায়ামি
  • ১২ জুলাই
    1. 🇦🇷 আর্জেন্টিনা 🆚 🇨🇭 সুইজারল্যান্ড
    2. 🕖 বাংলাদেশ সময় সকাল ৭টা
    3. 📍 কানসাস

চারটি ম্যাচের বিজয়ীরাই জায়গা করে নেবে বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে। এরপর শুরু হবে শিরোপার আরও কাছাকাছি পৌঁছানোর লড়াই। তাই ফুটবলপ্রেমীদের জন্য আগামী কয়েক দিন হতে যাচ্ছে রোমাঞ্চে ভরপুর। প্রতিটি ম্যাচেই নতুন ইতিহাস লেখার সুযোগ থাকায় বিশ্বজুড়ে এখন কোয়ার্টার ফাইনালের অপেক্ষা।

কোয়ার্টার ফাইনালে ওঠা আট দলের মধ্যে পাঁচটি দল ইউরোপের—ফ্রান্স, স্পেন, বেলজিয়াম, ইংল্যান্ড ও সুইজারল্যান্ড। এছাড়া দক্ষিণ আমেরিকা থেকে আর্জেন্টিনা, আফ্রিকা থেকে মরক্কো এবং ইউরোপের আরেক প্রতিনিধি নরওয়ে শেষ আটে জায়গা করে নিয়েছে। ইউরোপীয় দলগুলোর আধিপত্য থাকলেও অন্য দুই মহাদেশের প্রতিনিধিরা চমক দেখানোর অপেক্ষায়।

বিশ্বকাপের নকআউট পর্বে একবার হারলেই বিদায়। তাই কোয়ার্টার ফাইনালের প্রতিটি ম্যাচই হবে ‘ডু অর ডাই’। নির্ধারিত ৯০ মিনিটে ফল না এলে ম্যাচ গড়াবে অতিরিক্ত ৩০ মিনিটে। এরপরও সমতা থাকলে ট্রফির স্বপ্ন বাঁচিয়ে রাখতে হবে টাইব্রেকারের লড়াইয়ে।

সবচেয়ে বেশি নজর থাকবে আর্জেন্টিনা–সুইজারল্যান্ড ম্যাচে। আক্রমণভাগে আর্জেন্টিনা টুর্নামেন্টজুড়ে ধারাবাহিক পারফরম্যান্স দেখিয়েছে। অন্যদিকে সুইজারল্যান্ডের শক্তি তাদের শৃঙ্খলাবদ্ধ রক্ষণ এবং দ্রুত পাল্টা আক্রমণ। ফলে ম্যাচটি কেবল তারকাদের লড়াই নয়, দুই ভিন্ন কৌশলেরও পরীক্ষা।

ফ্রান্স ও মরক্কোর ম্যাচটি হতে পারে শারীরিক সক্ষমতা ও গতির লড়াই। ফ্রান্সের অভিজ্ঞ স্কোয়াডের বিপক্ষে মরক্কো আত্মবিশ্বাস নিয়ে মাঠে নামবে। আফ্রিকার প্রতিনিধিরা আবারও বড় কোনো অঘটন ঘটাতে পারে কি না, সেটিও দেখার বিষয়।

স্পেন ও বেলজিয়ামের লড়াইকে অনেক বিশ্লেষক কোয়ার্টার ফাইনালের অন্যতম সেরা ম্যাচ হিসেবে দেখছেন। দুই দলই বল দখলে রেখে আক্রমণ গড়তে পছন্দ করে। মাঝমাঠের নিয়ন্ত্রণ যে দল নিতে পারবে, তারাই ম্যাচে এগিয়ে থাকবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

ইংল্যান্ড ও নরওয়ের ম্যাচেও উত্তেজনার কমতি নেই। ইংল্যান্ডের আক্রমণভাগ যতটা শক্তিশালী, নরওয়ের রক্ষণও ততটাই সংগঠিত। তাই গোলের সুযোগ খুব সীমিত হতে পারে, যেখানে ছোট একটি ভুলই ম্যাচের ভাগ্য নির্ধারণ করতে পারে।

বিশ্বকাপের শেষ আটে ওঠার মাধ্যমে প্রতিটি দলই অন্তত আরও তিনটি ম্যাচ দূরে রয়েছে শিরোপা থেকে। কোয়ার্টার ফাইনাল জিতলে সেমিফাইনাল, এরপর ফাইনাল—এভাবেই বিশ্বকাপ জয়ের স্বপ্ন আরও বাস্তব হয়ে উঠবে। তাই প্রতিটি দলই সর্বোচ্চ শক্তি নিয়ে মাঠে নামবে।

ফুটবল বিশ্লেষকদের মতে, এবারের কোয়ার্টার ফাইনালে নির্দিষ্ট কোনো দলকে স্পষ্ট ফেভারিট বলা কঠিন। কারণ শেষ ষোলোর পর্বেই বেশ কয়েকটি শক্তিশালী দল বিদায় নিয়েছে। ফলে শেষ আটের প্রতিটি ম্যাচেই অঘটনের সম্ভাবনা রয়েছে।

বিশ্বকাপের এই চারটি কোয়ার্টার ফাইনাল শেষ হলে নিশ্চিত হবে সেমিফাইনালের চার দল। এরপরই শুরু হবে শিরোপার সবচেয়ে কঠিন লড়াই, যেখানে একটি জয়ই দলগুলোকে নিয়ে যাবে বিশ্বকাপ ফাইনালের মঞ্চে। তাই আগামী কয়েক দিনের প্রতিটি ম্যাচই বিশ্বজুড়ে কোটি কোটি ফুটবলপ্রেমীর নজর কাড়বে।

জনপ্রিয় সংবাদ

কোয়ার্টার ফাইনালে কে কার কখন মুখোমুখি

Update Time : ০৮:০৫:১০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৮ জুলাই ২০২৬

বিশ্বকাপের নকআউট পর্বে টানটান উত্তেজনার পর অবশেষে নিশ্চিত হয়েছে শেষ আটের লড়াই। ইউরোপ, আফ্রিকা ও দক্ষিণ আমেরিকার শক্তিশালী দলগুলোর উপস্থিতিতে এবারের কোয়ার্টার ফাইনাল হতে যাচ্ছে জমজমাট। প্রতিটি ম্যাচেই রয়েছে ভিন্ন ভিন্ন গল্প, পুরোনো প্রতিদ্বন্দ্বিতা এবং নতুন ইতিহাস গড়ার সুযোগ।

সবচেয়ে আলোচনায় রয়েছে সুইজারল্যান্ডের ইতিহাস গড়া যাত্রা। ১৯৫৪ সালে নিজেদের মাটিতে অনুষ্ঠিত বিশ্বকাপের পর এবারই প্রথম দলটি কোয়ার্টার ফাইনালে উঠেছে। শেষ ষোলোর ম্যাচে শক্তিশালী কলম্বিয়াকে টাইব্রেকারে হারিয়ে দীর্ঘ ৭২ বছরের অপেক্ষার অবসান ঘটায় সুইসরা। গোলরক্ষকের দুর্দান্ত পারফরম্যান্স এবং খেলোয়াড়দের মানসিক দৃঢ়তাই তাদের শেষ আটে পৌঁছানোর মূল চাবিকাঠি।

অন্যদিকে বর্তমান চ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা আত্মবিশ্বাস নিয়েই কোয়ার্টার ফাইনালে নামছে। টুর্নামেন্টজুড়ে আক্রমণভাগ ও মাঝমাঠে দারুণ ছন্দে রয়েছে দলটি। তবে নকআউট পর্বে সুইজারল্যান্ডের মতো সংগঠিত রক্ষণভাগ ভাঙা সহজ হবে না। তাই এই ম্যাচে কৌশলগত লড়াই দেখার অপেক্ষায় ফুটবলপ্রেমীরা।

স্পেন ও বেলজিয়ামের ম্যাচটিও হতে পারে কোয়ার্টার ফাইনালের সবচেয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ লড়াই। দুই দলই দ্রুতগতির আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলে এবং মাঝমাঠের দখল নিতে পছন্দ করে। ফলে ম্যাচটি কৌশল, গতি ও বল দখলের দিক থেকে বেশ আকর্ষণীয় হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

এদিকে ফ্রান্স ও মরক্কো ম্যাচেও বাড়তি উত্তেজনা রয়েছে। ইউরোপের অন্যতম শক্তিশালী দল ফ্রান্সের বিপক্ষে আফ্রিকার প্রতিনিধিত্ব করছে মরক্কো। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে বড় আসরে মরক্কোর ধারাবাহিক উন্নতি ফুটবলবিশ্বের নজর কেড়েছে। তাই তারা ফ্রান্সকে কঠিন পরীক্ষায় ফেলতে পারে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

ইংল্যান্ড ও নরওয়ে ম্যাচেও রয়েছে সমান আগ্রহ। ইংল্যান্ড টুর্নামেন্টজুড়ে ধারাবাহিক পারফরম্যান্স দেখালেও নরওয়ে পাল্টা আক্রমণে বেশ ভয়ংকর। ফলে দুই দলের লড়াইও হতে পারে বেশ হাড্ডাহাড্ডি।

কোয়ার্টার ফাইনালের পূর্ণ সূচি

  • ৯ জুলাই
    1. 🇫🇷 ফ্রান্স 🆚 🇲🇦 মরক্কো
    2. 🕑 বাংলাদেশ সময় রাত ২টা
    3. 📍 বোস্টন
  • ১০ জুলাই
    • 🇪🇸 স্পেন 🆚 🇧🇪 বেলজিয়াম
    • 🕐 বাংলাদেশ সময় রাত ১টা
    • 📍 লস অ্যাঞ্জেলেস
  • ১২ জুলাই
    1. 🏴 ইংল্যান্ড 🆚 🇳🇴 নরওয়ে
    2. 🕒 বাংলাদেশ সময় রাত ৩টা
    3. 📍 মায়ামি
  • ১২ জুলাই
    1. 🇦🇷 আর্জেন্টিনা 🆚 🇨🇭 সুইজারল্যান্ড
    2. 🕖 বাংলাদেশ সময় সকাল ৭টা
    3. 📍 কানসাস

চারটি ম্যাচের বিজয়ীরাই জায়গা করে নেবে বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে। এরপর শুরু হবে শিরোপার আরও কাছাকাছি পৌঁছানোর লড়াই। তাই ফুটবলপ্রেমীদের জন্য আগামী কয়েক দিন হতে যাচ্ছে রোমাঞ্চে ভরপুর। প্রতিটি ম্যাচেই নতুন ইতিহাস লেখার সুযোগ থাকায় বিশ্বজুড়ে এখন কোয়ার্টার ফাইনালের অপেক্ষা।

কোয়ার্টার ফাইনালে ওঠা আট দলের মধ্যে পাঁচটি দল ইউরোপের—ফ্রান্স, স্পেন, বেলজিয়াম, ইংল্যান্ড ও সুইজারল্যান্ড। এছাড়া দক্ষিণ আমেরিকা থেকে আর্জেন্টিনা, আফ্রিকা থেকে মরক্কো এবং ইউরোপের আরেক প্রতিনিধি নরওয়ে শেষ আটে জায়গা করে নিয়েছে। ইউরোপীয় দলগুলোর আধিপত্য থাকলেও অন্য দুই মহাদেশের প্রতিনিধিরা চমক দেখানোর অপেক্ষায়।

বিশ্বকাপের নকআউট পর্বে একবার হারলেই বিদায়। তাই কোয়ার্টার ফাইনালের প্রতিটি ম্যাচই হবে ‘ডু অর ডাই’। নির্ধারিত ৯০ মিনিটে ফল না এলে ম্যাচ গড়াবে অতিরিক্ত ৩০ মিনিটে। এরপরও সমতা থাকলে ট্রফির স্বপ্ন বাঁচিয়ে রাখতে হবে টাইব্রেকারের লড়াইয়ে।

সবচেয়ে বেশি নজর থাকবে আর্জেন্টিনা–সুইজারল্যান্ড ম্যাচে। আক্রমণভাগে আর্জেন্টিনা টুর্নামেন্টজুড়ে ধারাবাহিক পারফরম্যান্স দেখিয়েছে। অন্যদিকে সুইজারল্যান্ডের শক্তি তাদের শৃঙ্খলাবদ্ধ রক্ষণ এবং দ্রুত পাল্টা আক্রমণ। ফলে ম্যাচটি কেবল তারকাদের লড়াই নয়, দুই ভিন্ন কৌশলেরও পরীক্ষা।

ফ্রান্স ও মরক্কোর ম্যাচটি হতে পারে শারীরিক সক্ষমতা ও গতির লড়াই। ফ্রান্সের অভিজ্ঞ স্কোয়াডের বিপক্ষে মরক্কো আত্মবিশ্বাস নিয়ে মাঠে নামবে। আফ্রিকার প্রতিনিধিরা আবারও বড় কোনো অঘটন ঘটাতে পারে কি না, সেটিও দেখার বিষয়।

স্পেন ও বেলজিয়ামের লড়াইকে অনেক বিশ্লেষক কোয়ার্টার ফাইনালের অন্যতম সেরা ম্যাচ হিসেবে দেখছেন। দুই দলই বল দখলে রেখে আক্রমণ গড়তে পছন্দ করে। মাঝমাঠের নিয়ন্ত্রণ যে দল নিতে পারবে, তারাই ম্যাচে এগিয়ে থাকবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

ইংল্যান্ড ও নরওয়ের ম্যাচেও উত্তেজনার কমতি নেই। ইংল্যান্ডের আক্রমণভাগ যতটা শক্তিশালী, নরওয়ের রক্ষণও ততটাই সংগঠিত। তাই গোলের সুযোগ খুব সীমিত হতে পারে, যেখানে ছোট একটি ভুলই ম্যাচের ভাগ্য নির্ধারণ করতে পারে।

বিশ্বকাপের শেষ আটে ওঠার মাধ্যমে প্রতিটি দলই অন্তত আরও তিনটি ম্যাচ দূরে রয়েছে শিরোপা থেকে। কোয়ার্টার ফাইনাল জিতলে সেমিফাইনাল, এরপর ফাইনাল—এভাবেই বিশ্বকাপ জয়ের স্বপ্ন আরও বাস্তব হয়ে উঠবে। তাই প্রতিটি দলই সর্বোচ্চ শক্তি নিয়ে মাঠে নামবে।

ফুটবল বিশ্লেষকদের মতে, এবারের কোয়ার্টার ফাইনালে নির্দিষ্ট কোনো দলকে স্পষ্ট ফেভারিট বলা কঠিন। কারণ শেষ ষোলোর পর্বেই বেশ কয়েকটি শক্তিশালী দল বিদায় নিয়েছে। ফলে শেষ আটের প্রতিটি ম্যাচেই অঘটনের সম্ভাবনা রয়েছে।

বিশ্বকাপের এই চারটি কোয়ার্টার ফাইনাল শেষ হলে নিশ্চিত হবে সেমিফাইনালের চার দল। এরপরই শুরু হবে শিরোপার সবচেয়ে কঠিন লড়াই, যেখানে একটি জয়ই দলগুলোকে নিয়ে যাবে বিশ্বকাপ ফাইনালের মঞ্চে। তাই আগামী কয়েক দিনের প্রতিটি ম্যাচই বিশ্বজুড়ে কোটি কোটি ফুটবলপ্রেমীর নজর কাড়বে।