ঢাকা ০৮:৩৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৭ জুন ২০২৬, ৩ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

রোনালদোর শেষ বিশ্বকাপ স্বপ্ন, ভাগ্য বদলাবে পর্তুগালের?

ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো

রহস্যময় ‘৬’ সংখ্যাকে ঘিরে নতুন স্বপ্ন বুনছে পর্তুগাল। ইতিহাসের নানা গুরুত্বপূর্ণ সাফল্যের সঙ্গে এই সংখ্যার যোগসূত্র থাকায় ২০২৬ বিশ্বকাপে নতুন করে আশাবাদী হয়ে উঠেছে ইউরোপের শক্তিশালী দলটি। ডিআর কঙ্গোর বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে বিশ্বকাপ অভিযান শুরু করতে যাচ্ছে ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোর দল, আর সেই যাত্রাকে ঘিরেই তৈরি হয়েছে বাড়তি উত্তেজনা।

পর্তুগালের ফুটবল ইতিহাসে ‘৬’ সংখ্যাটি যেন বারবার সৌভাগ্যের বার্তা নিয়ে এসেছে। ১৯৬৬ সালে কিংবদন্তি ইউসেবিওর হাত ধরে প্রথমবার বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে উঠেছিল দলটি। সেই আসরে তৃতীয় স্থান অর্জন করে বিশ্ব ফুটবলে নিজেদের শক্ত অবস্থান জানান দেয় তারা।

এর ঠিক ৪০ বছর পর ২০০৬ বিশ্বকাপে আবারও সেমিফাইনালে জায়গা করে নেয় পর্তুগাল। এরপর ২০১৬ সালে নিজেদের ইতিহাসের প্রথম বড় আন্তর্জাতিক শিরোপা জিতে নেয় ইউরো চ্যাম্পিয়নশিপে। তাই ২০২৬ সালকে ঘিরেও সমর্থকদের মধ্যে বাড়তি প্রত্যাশা তৈরি হয়েছে।

পর্তুগাল কোচ রবার্তো মার্তিনেজ নিজেও সংবাদ সম্মেলনে এই বিষয়টি তুলে ধরেছেন। তিনি বিশ্বাস করেন, বড় টুর্নামেন্ট জিততে শুধু শক্তিশালী দল হলেই হয় না, প্রয়োজন কিছুটা সৌভাগ্যও। আর সেই ভাগ্য এবার পর্তুগালের পক্ষে কাজ করতে পারে বলে মনে করছেন অনেকেই।

তবে সব আলো গিয়ে পড়েছে ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোর ওপর। ৪১ বছর বয়সে হয়তো এটাই হতে যাচ্ছে তাঁর শেষ বিশ্বকাপ। দীর্ঘ ক্যারিয়ারে প্রায় সবকিছু অর্জন করলেও বিশ্বকাপ ট্রফি এখনো অধরাই রয়ে গেছে তাঁর জন্য।

মাত্র কয়েক বছর আগেও অনেকেই ধরে নিয়েছিলেন, রোনালদোর বিশ্বকাপ অধ্যায় শেষ হয়ে গেছে। ২০২২ বিশ্বকাপের শেষ ষোলোতে তৎকালীন কোচ ফার্নান্দো সান্তোস তাঁকে শুরুর একাদশে রাখেননি। তাঁর জায়গায় গঞ্জালো রামোস দুর্দান্ত পারফর্ম করে নতুন এক যুগের সূচনার ইঙ্গিত দিয়েছিলেন।

সেই বিশ্বকাপ থেকে বিদায়ের সময় রোনালদোর অশ্রুসিক্ত মুখ ফুটবলপ্রেমীদের মনে গেঁথে আছে। অনেকেই ভেবেছিলেন, এটাই হয়তো পর্তুগিজ মহাতারকার শেষ অধ্যায়। কিন্তু নিজের স্বভাবসুলভ প্রত্যাবর্তনের গল্প আরও একবার লিখেছেন তিনি।

এবার তিনি রেকর্ড ষষ্ঠবারের মতো বিশ্বকাপ খেলতে যাচ্ছেন। শুধু স্কোয়াডে জায়গা পাওয়াই নয়, এখনো দলের প্রধান স্ট্রাইকার হিসেবে তাঁর ওপরই আস্থা রাখছেন কোচ মার্তিনেজ। বয়স যে কেবল একটি সংখ্যা, সেটিই যেন প্রমাণ করে চলেছেন তিনি।

গত নেশনস লিগে আট গোল করে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ গোলদাতা হয়েছিলেন রোনালদো। বিশ্বকাপ বাছাইপর্বেও পাঁচ গোল করে দলের সর্বোচ্চ গোলদাতার মর্যাদা পেয়েছেন। পাশাপাশি আল নাসরের হয়ে সৌদি লিগ শিরোপাও জিতেছেন সম্প্রতি।

রবার্তো মার্তিনেজের আস্থাও স্পষ্ট। তিনি প্রকাশ্যে জানিয়েছেন, রোনালদো যত দিন ইচ্ছা তত দিন জাতীয় দলের হয়ে খেলতে পারবেন। এমন সমর্থন একজন কিংবদন্তি ফুটবলারের আত্মবিশ্বাস আরও বাড়িয়ে দেয়।

জার্মানির সাবেক স্ট্রাইকার ইয়ুর্গেন ক্লিন্সমান এবারের পর্তুগালকে নিয়ে বিশেষ আশাবাদী। তাঁর মতে, ২০২২ সালে যেভাবে পুরো আর্জেন্টিনা লিওনেল মেসিকে কেন্দ্র করে একসঙ্গে লড়েছিল, এবারের পর্তুগালও তেমনভাবে রোনালদোর জন্য খেলতে প্রস্তুত।

এই মন্তব্য রোনালদোকেও আবেগপ্রবণ করে তুলতে পারে। কারণ ২০০৬ সালে ফিগো, ডেকো ও কারভালহোদের সোনালি প্রজন্মের সঙ্গে তিনিও এমন স্বপ্ন দেখেছিলেন। কিন্তু শেষ পর্যন্ত বিশ্বকাপ ট্রফি অধরাই থেকে যায়।

এবারের দলটিকে অনেকে অতীতের সেরা পর্তুগিজ দলগুলোর চেয়েও এগিয়ে রাখছেন। বিশেষ করে মিডফিল্ডে রয়েছে অবিশ্বাস্য গভীরতা ও ভারসাম্য। এই বিভাগটিই হতে পারে তাদের সবচেয়ে বড় শক্তি।

ব্রুনো ফার্নান্দেজ বর্তমানে বিশ্বের অন্যতম সেরা ফর্মে থাকা মিডফিল্ডার। সম্প্রতি প্রিমিয়ার লিগে এক মৌসুমে সর্বোচ্চ অ্যাসিস্টের রেকর্ডও গড়েছেন তিনি। তাঁর নেতৃত্বে আক্রমণভাগ আরও প্রাণবন্ত হয়ে উঠতে পারে।

অন্যদিকে ভিতিনহা ও জোয়াও নেভেস টানা দুইবার চ্যাম্পিয়নস লিগ জয়ের অভিজ্ঞতা নিয়ে বিশ্বকাপে এসেছেন। ক্লাব ফুটবলের সেই ছন্দ যদি জাতীয় দলেও ধরে রাখতে পারেন, তাহলে প্রতিপক্ষদের জন্য কঠিন পরীক্ষা অপেক্ষা করছে।

এতটাই শক্তিশালী মিডফিল্ড যে, বের্নার্দো সিলভার মতো বিশ্বমানের খেলোয়াড়কেও কখনো বেঞ্চে বসে থাকতে হতে পারে। এটি পর্তুগালের স্কোয়াড গভীরতার অন্যতম বড় প্রমাণ।

আক্রমণভাগেও রয়েছে একাধিক প্রতিভাবান ফুটবলার। পেদ্রো নেতো, রাফায়েল লেয়াও, জোয়াও ফেলিক্স এবং গঞ্জালো রামোস যেকোনো সময় ম্যাচের চিত্র বদলে দিতে সক্ষম। তাদের সঙ্গে রোনালদোর অভিজ্ঞতা দলকে আরও সমৃদ্ধ করেছে।

রক্ষণভাগও যথেষ্ট শক্তিশালী। রুবেন দিয়াজ, জোয়াও কানসেলো ও নুনো মেন্দেসের উপস্থিতি পর্তুগালকে বাড়তি নিরাপত্তা দেবে। কাগজে-কলমে এটি নিঃসন্দেহে অন্যতম ভারসাম্যপূর্ণ দল।

তবে এই স্কোয়াডে একটি শূন্যতা সবাই অনুভব করছে। প্রয়াত দিয়োগো জোতার অনুপস্থিতি এখনো কষ্ট দেয় পুরো দলকে। গত বছর সড়ক দুর্ঘটনায় তাঁর মৃত্যু পর্তুগিজ ফুটবলে গভীর শোকের ছাপ রেখে গেছে।

বিশ্বকাপ জেতার স্বপ্ন সব দলেরই থাকে। কিন্তু পর্তুগালের জন্য এবার লক্ষ্যটা যেন আরও আবেগঘন। রোনালদোর সম্ভাব্য শেষ বিশ্বকাপ এবং জোতার স্মৃতিকে সম্মান জানাতে এবার ইতিহাস গড়ার জন্য সর্বস্ব উজাড় করে দিতেই প্রস্তুত ইউরোপের এই দলটি।

জনপ্রিয় সংবাদ

রোনালদোর শেষ বিশ্বকাপ স্বপ্ন, ভাগ্য বদলাবে পর্তুগালের?

Update Time : ০৪:৩০:৪২ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৭ জুন ২০২৬

রহস্যময় ‘৬’ সংখ্যাকে ঘিরে নতুন স্বপ্ন বুনছে পর্তুগাল। ইতিহাসের নানা গুরুত্বপূর্ণ সাফল্যের সঙ্গে এই সংখ্যার যোগসূত্র থাকায় ২০২৬ বিশ্বকাপে নতুন করে আশাবাদী হয়ে উঠেছে ইউরোপের শক্তিশালী দলটি। ডিআর কঙ্গোর বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে বিশ্বকাপ অভিযান শুরু করতে যাচ্ছে ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোর দল, আর সেই যাত্রাকে ঘিরেই তৈরি হয়েছে বাড়তি উত্তেজনা।

পর্তুগালের ফুটবল ইতিহাসে ‘৬’ সংখ্যাটি যেন বারবার সৌভাগ্যের বার্তা নিয়ে এসেছে। ১৯৬৬ সালে কিংবদন্তি ইউসেবিওর হাত ধরে প্রথমবার বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে উঠেছিল দলটি। সেই আসরে তৃতীয় স্থান অর্জন করে বিশ্ব ফুটবলে নিজেদের শক্ত অবস্থান জানান দেয় তারা।

এর ঠিক ৪০ বছর পর ২০০৬ বিশ্বকাপে আবারও সেমিফাইনালে জায়গা করে নেয় পর্তুগাল। এরপর ২০১৬ সালে নিজেদের ইতিহাসের প্রথম বড় আন্তর্জাতিক শিরোপা জিতে নেয় ইউরো চ্যাম্পিয়নশিপে। তাই ২০২৬ সালকে ঘিরেও সমর্থকদের মধ্যে বাড়তি প্রত্যাশা তৈরি হয়েছে।

পর্তুগাল কোচ রবার্তো মার্তিনেজ নিজেও সংবাদ সম্মেলনে এই বিষয়টি তুলে ধরেছেন। তিনি বিশ্বাস করেন, বড় টুর্নামেন্ট জিততে শুধু শক্তিশালী দল হলেই হয় না, প্রয়োজন কিছুটা সৌভাগ্যও। আর সেই ভাগ্য এবার পর্তুগালের পক্ষে কাজ করতে পারে বলে মনে করছেন অনেকেই।

আরও পড়ুন  ব্রাজিলকে ৭ গোল দেওয়া দেশগুলো: বিশ্ব ফুটবলের অবিশ্বাস্য রেকর্ড

তবে সব আলো গিয়ে পড়েছে ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোর ওপর। ৪১ বছর বয়সে হয়তো এটাই হতে যাচ্ছে তাঁর শেষ বিশ্বকাপ। দীর্ঘ ক্যারিয়ারে প্রায় সবকিছু অর্জন করলেও বিশ্বকাপ ট্রফি এখনো অধরাই রয়ে গেছে তাঁর জন্য।

মাত্র কয়েক বছর আগেও অনেকেই ধরে নিয়েছিলেন, রোনালদোর বিশ্বকাপ অধ্যায় শেষ হয়ে গেছে। ২০২২ বিশ্বকাপের শেষ ষোলোতে তৎকালীন কোচ ফার্নান্দো সান্তোস তাঁকে শুরুর একাদশে রাখেননি। তাঁর জায়গায় গঞ্জালো রামোস দুর্দান্ত পারফর্ম করে নতুন এক যুগের সূচনার ইঙ্গিত দিয়েছিলেন।

সেই বিশ্বকাপ থেকে বিদায়ের সময় রোনালদোর অশ্রুসিক্ত মুখ ফুটবলপ্রেমীদের মনে গেঁথে আছে। অনেকেই ভেবেছিলেন, এটাই হয়তো পর্তুগিজ মহাতারকার শেষ অধ্যায়। কিন্তু নিজের স্বভাবসুলভ প্রত্যাবর্তনের গল্প আরও একবার লিখেছেন তিনি।

এবার তিনি রেকর্ড ষষ্ঠবারের মতো বিশ্বকাপ খেলতে যাচ্ছেন। শুধু স্কোয়াডে জায়গা পাওয়াই নয়, এখনো দলের প্রধান স্ট্রাইকার হিসেবে তাঁর ওপরই আস্থা রাখছেন কোচ মার্তিনেজ। বয়স যে কেবল একটি সংখ্যা, সেটিই যেন প্রমাণ করে চলেছেন তিনি।

গত নেশনস লিগে আট গোল করে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ গোলদাতা হয়েছিলেন রোনালদো। বিশ্বকাপ বাছাইপর্বেও পাঁচ গোল করে দলের সর্বোচ্চ গোলদাতার মর্যাদা পেয়েছেন। পাশাপাশি আল নাসরের হয়ে সৌদি লিগ শিরোপাও জিতেছেন সম্প্রতি।

আরও পড়ুন  আর্জেন্টিনা নয়, ব্রাজিলও নয়; সবচেয়ে দামি দল ফ্রান্স

রবার্তো মার্তিনেজের আস্থাও স্পষ্ট। তিনি প্রকাশ্যে জানিয়েছেন, রোনালদো যত দিন ইচ্ছা তত দিন জাতীয় দলের হয়ে খেলতে পারবেন। এমন সমর্থন একজন কিংবদন্তি ফুটবলারের আত্মবিশ্বাস আরও বাড়িয়ে দেয়।

জার্মানির সাবেক স্ট্রাইকার ইয়ুর্গেন ক্লিন্সমান এবারের পর্তুগালকে নিয়ে বিশেষ আশাবাদী। তাঁর মতে, ২০২২ সালে যেভাবে পুরো আর্জেন্টিনা লিওনেল মেসিকে কেন্দ্র করে একসঙ্গে লড়েছিল, এবারের পর্তুগালও তেমনভাবে রোনালদোর জন্য খেলতে প্রস্তুত।

এই মন্তব্য রোনালদোকেও আবেগপ্রবণ করে তুলতে পারে। কারণ ২০০৬ সালে ফিগো, ডেকো ও কারভালহোদের সোনালি প্রজন্মের সঙ্গে তিনিও এমন স্বপ্ন দেখেছিলেন। কিন্তু শেষ পর্যন্ত বিশ্বকাপ ট্রফি অধরাই থেকে যায়।

এবারের দলটিকে অনেকে অতীতের সেরা পর্তুগিজ দলগুলোর চেয়েও এগিয়ে রাখছেন। বিশেষ করে মিডফিল্ডে রয়েছে অবিশ্বাস্য গভীরতা ও ভারসাম্য। এই বিভাগটিই হতে পারে তাদের সবচেয়ে বড় শক্তি।

ব্রুনো ফার্নান্দেজ বর্তমানে বিশ্বের অন্যতম সেরা ফর্মে থাকা মিডফিল্ডার। সম্প্রতি প্রিমিয়ার লিগে এক মৌসুমে সর্বোচ্চ অ্যাসিস্টের রেকর্ডও গড়েছেন তিনি। তাঁর নেতৃত্বে আক্রমণভাগ আরও প্রাণবন্ত হয়ে উঠতে পারে।

অন্যদিকে ভিতিনহা ও জোয়াও নেভেস টানা দুইবার চ্যাম্পিয়নস লিগ জয়ের অভিজ্ঞতা নিয়ে বিশ্বকাপে এসেছেন। ক্লাব ফুটবলের সেই ছন্দ যদি জাতীয় দলেও ধরে রাখতে পারেন, তাহলে প্রতিপক্ষদের জন্য কঠিন পরীক্ষা অপেক্ষা করছে।

আরও পড়ুন  ৩৬ বছর পর বিশ্বকাপে জয়ের স্বাদ, জর্ডানকে হারাল অস্ট্রিয়া

এতটাই শক্তিশালী মিডফিল্ড যে, বের্নার্দো সিলভার মতো বিশ্বমানের খেলোয়াড়কেও কখনো বেঞ্চে বসে থাকতে হতে পারে। এটি পর্তুগালের স্কোয়াড গভীরতার অন্যতম বড় প্রমাণ।

আক্রমণভাগেও রয়েছে একাধিক প্রতিভাবান ফুটবলার। পেদ্রো নেতো, রাফায়েল লেয়াও, জোয়াও ফেলিক্স এবং গঞ্জালো রামোস যেকোনো সময় ম্যাচের চিত্র বদলে দিতে সক্ষম। তাদের সঙ্গে রোনালদোর অভিজ্ঞতা দলকে আরও সমৃদ্ধ করেছে।

রক্ষণভাগও যথেষ্ট শক্তিশালী। রুবেন দিয়াজ, জোয়াও কানসেলো ও নুনো মেন্দেসের উপস্থিতি পর্তুগালকে বাড়তি নিরাপত্তা দেবে। কাগজে-কলমে এটি নিঃসন্দেহে অন্যতম ভারসাম্যপূর্ণ দল।

তবে এই স্কোয়াডে একটি শূন্যতা সবাই অনুভব করছে। প্রয়াত দিয়োগো জোতার অনুপস্থিতি এখনো কষ্ট দেয় পুরো দলকে। গত বছর সড়ক দুর্ঘটনায় তাঁর মৃত্যু পর্তুগিজ ফুটবলে গভীর শোকের ছাপ রেখে গেছে।

বিশ্বকাপ জেতার স্বপ্ন সব দলেরই থাকে। কিন্তু পর্তুগালের জন্য এবার লক্ষ্যটা যেন আরও আবেগঘন। রোনালদোর সম্ভাব্য শেষ বিশ্বকাপ এবং জোতার স্মৃতিকে সম্মান জানাতে এবার ইতিহাস গড়ার জন্য সর্বস্ব উজাড় করে দিতেই প্রস্তুত ইউরোপের এই দলটি।