ঢাকা ১১:৪৩ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩০ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo ভুয়া চিকিৎসকের দৌরাত্ম্য ঠেকাতে বড় প্রশ্ন, কোথায় তদারকি? Logo মূল্যস্ফীতি ১০ মাসের সর্বনিম্নে: এবার কি কমবে নিত্যপণ্যের দাম? Logo ভাইভায় ১০-এর বদলে ৫০ নম্বর! সরকারি চাকরির নিয়োগে আসছে বড় পরিবর্তন? Logo ঢাকাসহ ১৫ জেলায় ডেঙ্গুর বড় ঝুঁকি: আগামী সপ্তাহেই পরিস্থিতি আরও খারাপের আশঙ্কা Logo নেতিবাচক চিন্তায় ডুবে আছেন? আজ থেকেই বদলে ফেলুন মনের ভাবনা Logo চাঁদ গবেষণায় নতুন AI মডেল আনল NASA-IBM, দ্রুত হবে তথ্য বিশ্লেষণ Logo একীভূত আয়ারল্যান্ড দেখতে চান ট্রাম্প, মন্তব্য ঘিরে তীব্র প্রতিক্রিয়া Logo ব্যাংক স্প্রেডে বড় চাপ, সীমার ওপরে ৫৫ ব্যাংক Logo প্রোটিন ও ফাইবারে ভরপুর পিনাট বাটার-বানানা স্মুদি Logo ডিটক্স পানি খেলেই কি শরীরের বিষ দূর হয়? জানুন আসল সত্য

শান্তি চুক্তিতে পৌঁছেছে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান, সই শুক্রবার

ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে শান্তি চুক্তির ঘোষণা। ছবি: সংগৃহীত

ইরান-যুক্তরাষ্ট্র শান্তি চুক্তি মধ্যপ্রাচ্যের চলমান উত্তেজনা কমানোর ক্ষেত্রে একটি বড় অগ্রগতি হিসেবে দেখা হচ্ছে। দীর্ঘ আলোচনা ও কূটনৈতিক তৎপরতার পর অবশেষে যুদ্ধ বন্ধে সমঝোতায় পৌঁছেছে দুই দেশ। আগামী ১৯ জুন সুইজারল্যান্ডে আনুষ্ঠানিকভাবে এই চুক্তি সই হওয়ার কথা রয়েছে।

সোমবার ভোরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক বার্তায় পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ জানান, দুই দেশের মধ্যে শান্তি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে আলোচনার সফল সমাপ্তি হয়েছে। তার এই ঘোষণার পর আন্তর্জাতিক মহলে বিষয়টি নিয়ে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়।

পরে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পও চুক্তির বিষয়টি নিশ্চিত করেন। নিজের ট্রুথ সোশ্যাল প্ল্যাটফর্মে দেওয়া এক পোস্টে তিনি জানান, ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরানের সঙ্গে সমঝোতা সম্পন্ন হয়েছে এবং উভয় পক্ষই নতুন অধ্যায়ে প্রবেশ করতে প্রস্তুত।

চুক্তির অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো হরমুজ প্রণালি পুনরায় উন্মুক্ত করা। ট্রাম্প ঘোষণা দিয়েছেন, বিশ্বের বাণিজ্যিক জাহাজগুলো এখন থেকে টোল ছাড়াই এই গুরুত্বপূর্ণ জলপথ ব্যবহার করতে পারবে। একই সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের নৌবাহিনীর আরোপিত অবরোধও তুলে নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

বিশ্ব জ্বালানি বাজারের জন্য এই সিদ্ধান্ত অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা। হরমুজ প্রণালি দিয়ে বিশ্বের উল্লেখযোগ্য পরিমাণ তেল পরিবহন করা হয়। ফলে এই পথ স্বাভাবিকভাবে চালু হলে আন্তর্জাতিক বাজারে স্থিতিশীলতা ফিরতে পারে।

ইরান-যুক্তরাষ্ট্র শান্তি চুক্তি শুধু দুই দেশের সম্পর্কের জন্য নয়, পুরো মধ্যপ্রাচ্যের ভবিষ্যতের জন্যও গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। এখন আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের নজর আগামী শুক্রবারের আনুষ্ঠানিক চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানের দিকে, যা আঞ্চলিক শান্তি ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার নতুন সম্ভাবনা তৈরি করতে পারে।

 

জনপ্রিয় সংবাদ

ভুয়া চিকিৎসকের দৌরাত্ম্য ঠেকাতে বড় প্রশ্ন, কোথায় তদারকি?

শান্তি চুক্তিতে পৌঁছেছে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান, সই শুক্রবার

Update Time : ০৪:৫৭:৫৮ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬

ইরান-যুক্তরাষ্ট্র শান্তি চুক্তি মধ্যপ্রাচ্যের চলমান উত্তেজনা কমানোর ক্ষেত্রে একটি বড় অগ্রগতি হিসেবে দেখা হচ্ছে। দীর্ঘ আলোচনা ও কূটনৈতিক তৎপরতার পর অবশেষে যুদ্ধ বন্ধে সমঝোতায় পৌঁছেছে দুই দেশ। আগামী ১৯ জুন সুইজারল্যান্ডে আনুষ্ঠানিকভাবে এই চুক্তি সই হওয়ার কথা রয়েছে।

সোমবার ভোরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক বার্তায় পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ জানান, দুই দেশের মধ্যে শান্তি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে আলোচনার সফল সমাপ্তি হয়েছে। তার এই ঘোষণার পর আন্তর্জাতিক মহলে বিষয়টি নিয়ে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়।

আরও পড়ুন  কলেজছাত্র নিহত: মোটরসাইকেল সংঘর্ষে মর্মান্তিক মৃত্যু

পরে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পও চুক্তির বিষয়টি নিশ্চিত করেন। নিজের ট্রুথ সোশ্যাল প্ল্যাটফর্মে দেওয়া এক পোস্টে তিনি জানান, ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরানের সঙ্গে সমঝোতা সম্পন্ন হয়েছে এবং উভয় পক্ষই নতুন অধ্যায়ে প্রবেশ করতে প্রস্তুত।

চুক্তির অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো হরমুজ প্রণালি পুনরায় উন্মুক্ত করা। ট্রাম্প ঘোষণা দিয়েছেন, বিশ্বের বাণিজ্যিক জাহাজগুলো এখন থেকে টোল ছাড়াই এই গুরুত্বপূর্ণ জলপথ ব্যবহার করতে পারবে। একই সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের নৌবাহিনীর আরোপিত অবরোধও তুলে নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

আরও পড়ুন  হাইড্রেশন ব্রেক: পানি পান না বিজ্ঞাপন বিরতি?

বিশ্ব জ্বালানি বাজারের জন্য এই সিদ্ধান্ত অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা। হরমুজ প্রণালি দিয়ে বিশ্বের উল্লেখযোগ্য পরিমাণ তেল পরিবহন করা হয়। ফলে এই পথ স্বাভাবিকভাবে চালু হলে আন্তর্জাতিক বাজারে স্থিতিশীলতা ফিরতে পারে।

ইরান-যুক্তরাষ্ট্র শান্তি চুক্তি শুধু দুই দেশের সম্পর্কের জন্য নয়, পুরো মধ্যপ্রাচ্যের ভবিষ্যতের জন্যও গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। এখন আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের নজর আগামী শুক্রবারের আনুষ্ঠানিক চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানের দিকে, যা আঞ্চলিক শান্তি ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার নতুন সম্ভাবনা তৈরি করতে পারে।

আরও পড়ুন  ভারতজুড়ে বিক্ষোভের ডাক ‘তেলাপোকাদের’, কেন প্রত্যাখ্যাত হলো বৈঠক?