ঢাকা ০১:২১ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬, ১০ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo আরচ্যারি ফেডারেশনে সাধারণ সম্পাদককে ঘিরে অনাস্থা, হস্তক্ষেপে মন্ত্রণালয়ের তলব Logo শুক্রবার ২৪ ঘণ্টা গ্যাস থাকবে না যেসব এলাকায়, জানাল তিতাস গ্যাস Logo শাহবাগে ডাকসু নেতার ওপর হামলা: জুবায়ের ও মুসাদ্দিক আহত Logo জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় যৌথ কমিটি: ৫ বিরোধী এমপির নাম দিলেন শফিকুর রহমান Logo তীব্র গরমে ত্বকের সুরক্ষায় স্কিন ক্যাফের নতুন ক্যাম্পেইন: সানস্ক্রিন কিনে ৫ হাজার টাকার ভাউচার জেতার সুযোগ Logo পুলিশের পোশাক পরিবর্তন স্থগিতের দাবি,সংশ্লিষ্টদের কাছে আইনি নোটিশ Logo শান্তর সেঞ্চুরি আর মুস্তাফিজের দুর্দান্ত বোলিংয়ে সিরিজ জিতল বাংলাদেশ Logo ঢাকায়ও লোডশেডিং হবে, সেচ ব্যবস্থার স্বার্থে বড় সিদ্ধান্ত: জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী Logo গরমে পারফিউম উধাও? ৫ টিপসে সারাদিন থাকবে ফ্রেশ সুগন্ধ Logo একটি চারা থেকে ১৫০ জাতের আঙুর

শাহবাগে ডাকসু নেতার ওপর হামলা: জুবায়ের ও মুসাদ্দিক আহত

  • Masura Akter
  • Update Time : ১১:২৯:৫১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৬
  • ৫৪৮

শাহবাগে ডাকসু নেতার ওপর হামলার সময়ের দৃশ্য | ছবি: সূত্র

শাহবাগে ডাকসু নেতার ওপর হামলা

শাহবাগে ডাকসু নেতার ওপর হামলা ঘটনায় জুবায়ের ও মুসাদ্দিক আহত হয়েছেন। ফেসবুক পোস্টকে কেন্দ্র করে শাহবাগ থানার সামনে এই সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।  ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজধানী ঢাকায় নতুন করে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যার পর শাহবাগ থানা-এর সামনে এই ঘটনা ঘটে, যেখানে ডাকসুর দুই গুরুত্বপূর্ণ নেতা এ বি জুবায়ের (যুবাইর বিন নেছারী) ও মুসাদ্দিক আলী ইবনে মোহাম্মদ হামলার শিকার হন।

ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্য অনুযায়ী, শাহবাগ থানার সামনে হঠাৎ করেই উত্তেজনা তৈরি হয় এবং কিছুক্ষণের মধ্যেই তা সংঘর্ষে রূপ নেয়। এ সময় উপস্থিত লোকজনের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া ও মারধরের ঘটনা ঘটে। পরে আহত অবস্থায় এ বি জুবায়ের ও মুসাদ্দিককে উদ্ধার করে থানার ভেতরে নেওয়া হয় এবং নিরাপত্তার জন্য ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার কক্ষে রাখা হয়।

এ বি জুবায়ের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ-এর সমাজসেবা সম্পাদক এবং মুসাদ্দিক সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। গত বছরের ডাকসু নির্বাচনে তারা ইসলামী ছাত্রশিবির-এর সমর্থন নিয়ে নির্বাচিত হন। ফলে এই হামলার ঘটনাটি ছাত্ররাজনীতিতে নতুন করে উত্তেজনা সৃষ্টি করেছে।

আরও পড়ুন  নিষিদ্ধ হচ্ছে আওয়ামী লীগের রাজনীতি, সংসদে সংশোধিত অধ্যাদেশ

ঘটনার পরপরই ইসলামী ছাত্রশিবির অভিযোগ করে যে, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল-এর নেতা–কর্মীরা বহিরাগতদের সঙ্গে নিয়ে পরিকল্পিতভাবে এই হামলা চালিয়েছে। তাদের দাবি, এটি ছিল পূর্বপরিকল্পিত এবং উদ্দেশ্যপ্রণোদিত আক্রমণ।

শাহবাগে ডাকসু নেতার ওপর হামলার সময়ের দৃশ্য
শাহবাগে ডাকসু নেতার ওপর হামলার সময়ের দৃশ্য | ছবি: সূত্র

অন্যদিকে ছাত্রদলের পক্ষ থেকে ভিন্ন বক্তব্য দেওয়া হয়েছে। তারা বলছে, একটি ফেসবুক পোস্টকে কেন্দ্র করে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। অভিযোগ অনুযায়ী, ওই পোস্টে রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বদের নিয়ে আপত্তিকর মন্তব্য করা হয়েছিল, যা শিক্ষার্থীদের মধ্যে ক্ষোভ সৃষ্টি করে। এরই প্রেক্ষিতে শাহবাগ থানায় জড়ো হওয়া শিক্ষার্থী ও বিক্ষুব্ধ জনতার মধ্যে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে।

ছাত্রদলের একজন নেতা দাবি করেন, তারা সরাসরি হামলায় অংশ নেয়নি, বরং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখার চেষ্টা করেছে। এমনকি তাদের কয়েকজন নেতা নাকি হামলার হাত থেকে ভুক্তভোগীদের রক্ষার জন্য এগিয়ে এসেছিলেন। তবে এই দাবির বিপরীতে ছাত্রশিবির বলছে, হামলার মূল হোতারা ছিল ছাত্রদলের কর্মীরাই।

আরও পড়ুন  জাবির ইব্রাহিমের মাকে নারী আসনে মনোনয়ন দিল জামায়াতে

ঘটনার আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো, একটি ভুয়া ফেসবুক পোস্টকে কেন্দ্র করে ভুল বোঝাবুঝি তৈরি হওয়া। ইসলামী ছাত্রশিবিরের দাবি, ওই পোস্টটি তাদের কোনো কর্মী দেয়নি, বরং অন্য একটি আইডি থেকে ছড়িয়ে দেওয়া হয় এবং পরে সেটিকে তাদের সদস্যের নামে প্রচার করা হয়। এই ভুল তথ্য ছড়িয়ে পড়ার কারণে পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে ওঠে।

এদিকে অভিযোগ রয়েছে, সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি শাহবাগ থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করতে গেলে তা গ্রহণে বিলম্ব করা হয়। এতে করে ক্ষোভ আরও বাড়ে এবং থানার সামনেই দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা চরমে পৌঁছে যায়। পরে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গেলে হামলার ঘটনা ঘটে।

ঘটনার সময় থানার সামনে বিপুল সংখ্যক লোক জড়ো হয়, যার মধ্যে শিক্ষার্থী, রাজনৈতিক কর্মী এবং সাধারণ মানুষও ছিলেন। এতে করে এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে এবং যান চলাচলেও সাময়িক বিঘ্ন ঘটে।

আরও পড়ুন  সংসদ সচিবালয় কমিশন গঠন, চেয়ারম্যান স্পিকার হাফিজ উদ্দিন

রাতের দিকে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ সক্রিয় ভূমিকা নেয়। পরে নিরাপত্তার স্বার্থে আহতদের থানার পাশের গেট দিয়ে বের করে দেওয়া হয়। এ সময় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারাও ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিলেন।

বর্তমানে এই ঘটনা নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমসহ বিভিন্ন মহলে ব্যাপক আলোচনা চলছে। কে বা কারা প্রকৃতপক্ষে এই হামলার জন্য দায়ী—তা এখনো স্পষ্ট নয়। তবে বিশ্লেষকরা মনে করছেন, রাজনৈতিক মতবিরোধ এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া বিভ্রান্তিকর তথ্যই এই ঘটনার মূল কারণ হতে পারে।

সব মিলিয়ে, শাহবাগে ডাকসু নেতার ওপর হামলা ঘটনাটি শুধু একটি বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়, বরং এটি দেশের ক্যাম্পাস রাজনীতির বর্তমান পরিস্থিতির একটি প্রতিচ্ছবি। সংশ্লিষ্টদের মতে, এ ধরনের ঘটনা ভবিষ্যতে এড়াতে হলে পারস্পরিক সহনশীলতা এবং তথ্য যাচাইয়ের সংস্কৃতি গড়ে তোলা অত্যন্ত জরুরি।

জনপ্রিয় সংবাদ

আরচ্যারি ফেডারেশনে সাধারণ সম্পাদককে ঘিরে অনাস্থা, হস্তক্ষেপে মন্ত্রণালয়ের তলব

শাহবাগে ডাকসু নেতার ওপর হামলা: জুবায়ের ও মুসাদ্দিক আহত

Update Time : ১১:২৯:৫১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৬

শাহবাগে ডাকসু নেতার ওপর হামলা

শাহবাগে ডাকসু নেতার ওপর হামলা ঘটনায় জুবায়ের ও মুসাদ্দিক আহত হয়েছেন। ফেসবুক পোস্টকে কেন্দ্র করে শাহবাগ থানার সামনে এই সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।  ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজধানী ঢাকায় নতুন করে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যার পর শাহবাগ থানা-এর সামনে এই ঘটনা ঘটে, যেখানে ডাকসুর দুই গুরুত্বপূর্ণ নেতা এ বি জুবায়ের (যুবাইর বিন নেছারী) ও মুসাদ্দিক আলী ইবনে মোহাম্মদ হামলার শিকার হন।

ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্য অনুযায়ী, শাহবাগ থানার সামনে হঠাৎ করেই উত্তেজনা তৈরি হয় এবং কিছুক্ষণের মধ্যেই তা সংঘর্ষে রূপ নেয়। এ সময় উপস্থিত লোকজনের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া ও মারধরের ঘটনা ঘটে। পরে আহত অবস্থায় এ বি জুবায়ের ও মুসাদ্দিককে উদ্ধার করে থানার ভেতরে নেওয়া হয় এবং নিরাপত্তার জন্য ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার কক্ষে রাখা হয়।

এ বি জুবায়ের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ-এর সমাজসেবা সম্পাদক এবং মুসাদ্দিক সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। গত বছরের ডাকসু নির্বাচনে তারা ইসলামী ছাত্রশিবির-এর সমর্থন নিয়ে নির্বাচিত হন। ফলে এই হামলার ঘটনাটি ছাত্ররাজনীতিতে নতুন করে উত্তেজনা সৃষ্টি করেছে।

আরও পড়ুন  সংসদে বিসিবি নিয়ে বিতর্ক, হাসনাতের মন্তব্যে পাল্টা জবাব স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর

ঘটনার পরপরই ইসলামী ছাত্রশিবির অভিযোগ করে যে, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল-এর নেতা–কর্মীরা বহিরাগতদের সঙ্গে নিয়ে পরিকল্পিতভাবে এই হামলা চালিয়েছে। তাদের দাবি, এটি ছিল পূর্বপরিকল্পিত এবং উদ্দেশ্যপ্রণোদিত আক্রমণ।

শাহবাগে ডাকসু নেতার ওপর হামলার সময়ের দৃশ্য
শাহবাগে ডাকসু নেতার ওপর হামলার সময়ের দৃশ্য | ছবি: সূত্র

অন্যদিকে ছাত্রদলের পক্ষ থেকে ভিন্ন বক্তব্য দেওয়া হয়েছে। তারা বলছে, একটি ফেসবুক পোস্টকে কেন্দ্র করে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। অভিযোগ অনুযায়ী, ওই পোস্টে রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বদের নিয়ে আপত্তিকর মন্তব্য করা হয়েছিল, যা শিক্ষার্থীদের মধ্যে ক্ষোভ সৃষ্টি করে। এরই প্রেক্ষিতে শাহবাগ থানায় জড়ো হওয়া শিক্ষার্থী ও বিক্ষুব্ধ জনতার মধ্যে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে।

ছাত্রদলের একজন নেতা দাবি করেন, তারা সরাসরি হামলায় অংশ নেয়নি, বরং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখার চেষ্টা করেছে। এমনকি তাদের কয়েকজন নেতা নাকি হামলার হাত থেকে ভুক্তভোগীদের রক্ষার জন্য এগিয়ে এসেছিলেন। তবে এই দাবির বিপরীতে ছাত্রশিবির বলছে, হামলার মূল হোতারা ছিল ছাত্রদলের কর্মীরাই।

আরও পড়ুন  সংবিধান সংশোধন নয়, পূর্ণ সংস্কার চান শফিকুর রহমান | ছেঁড়া জামা জাতিকে পরানো যাবে না

ঘটনার আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো, একটি ভুয়া ফেসবুক পোস্টকে কেন্দ্র করে ভুল বোঝাবুঝি তৈরি হওয়া। ইসলামী ছাত্রশিবিরের দাবি, ওই পোস্টটি তাদের কোনো কর্মী দেয়নি, বরং অন্য একটি আইডি থেকে ছড়িয়ে দেওয়া হয় এবং পরে সেটিকে তাদের সদস্যের নামে প্রচার করা হয়। এই ভুল তথ্য ছড়িয়ে পড়ার কারণে পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে ওঠে।

এদিকে অভিযোগ রয়েছে, সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি শাহবাগ থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করতে গেলে তা গ্রহণে বিলম্ব করা হয়। এতে করে ক্ষোভ আরও বাড়ে এবং থানার সামনেই দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা চরমে পৌঁছে যায়। পরে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গেলে হামলার ঘটনা ঘটে।

ঘটনার সময় থানার সামনে বিপুল সংখ্যক লোক জড়ো হয়, যার মধ্যে শিক্ষার্থী, রাজনৈতিক কর্মী এবং সাধারণ মানুষও ছিলেন। এতে করে এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে এবং যান চলাচলেও সাময়িক বিঘ্ন ঘটে।

আরও পড়ুন  সংসদে ঐকমত্য কমিশন নিয়ে প্রশ্ন, ‘শুরুতেই সন্দেহ জেগেছিল’—শাহাদাত সেলিম

রাতের দিকে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ সক্রিয় ভূমিকা নেয়। পরে নিরাপত্তার স্বার্থে আহতদের থানার পাশের গেট দিয়ে বের করে দেওয়া হয়। এ সময় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারাও ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিলেন।

বর্তমানে এই ঘটনা নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমসহ বিভিন্ন মহলে ব্যাপক আলোচনা চলছে। কে বা কারা প্রকৃতপক্ষে এই হামলার জন্য দায়ী—তা এখনো স্পষ্ট নয়। তবে বিশ্লেষকরা মনে করছেন, রাজনৈতিক মতবিরোধ এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া বিভ্রান্তিকর তথ্যই এই ঘটনার মূল কারণ হতে পারে।

সব মিলিয়ে, শাহবাগে ডাকসু নেতার ওপর হামলা ঘটনাটি শুধু একটি বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়, বরং এটি দেশের ক্যাম্পাস রাজনীতির বর্তমান পরিস্থিতির একটি প্রতিচ্ছবি। সংশ্লিষ্টদের মতে, এ ধরনের ঘটনা ভবিষ্যতে এড়াতে হলে পারস্পরিক সহনশীলতা এবং তথ্য যাচাইয়ের সংস্কৃতি গড়ে তোলা অত্যন্ত জরুরি।