কিং সিনেমাকে ঘিরে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে বলিউডে। মুক্তির এখনও অনেক সময় বাকি থাকলেও শাহরুখ খানের এই বহুল প্রতীক্ষিত ছবিকে ঘিরে ভক্তদের আগ্রহ ক্রমেই বাড়ছে। সম্প্রতি বিভিন্ন প্রতিবেদনে দাবি করা হয়, সিনেমাটির নির্মাণ ব্যয় প্রায় ৪৫০ কোটি রুপি। খবরটি সত্য হলে এটি শাহরুখ খানের ক্যারিয়ারের সবচেয়ে ব্যয়বহুল সিনেমা হতো। তবে এই দাবি নিয়ে এবার মুখ খুলেছেন ছবির পরিচালক সিদ্ধার্থ আনন্দ।
বিভিন্ন ভারতীয় গণমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়, ‘কিং’ নির্মাণে প্রায় ৪৫০ কোটি রুপি ব্যয় হচ্ছে। সেই তথ্যের ভিত্তিতে অনেকেই ধারণা করেন, এটি ‘জওয়ান’-এর রেকর্ড ভেঙে শাহরুখের সবচেয়ে বড় বাজেটের সিনেমা হতে যাচ্ছে। এর আগে অ্যাটলি পরিচালিত ‘জওয়ান’ প্রায় ৪০০ কোটি রুপি ব্যয়ে নির্মিত হয়েছিল বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়।
বাজেট নিয়ে আলোচনা যখন তুঙ্গে, তখন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে এক শব্দের প্রতিক্রিয়া দেন পরিচালক সিদ্ধার্থ আনন্দ। তিনি লেখেন, ‘ফলস’। যদিও তিনি বিস্তারিত কোনো ব্যাখ্যা দেননি, তবে তাঁর এই মন্তব্যকে অনেকেই ৪৫০ কোটি রুপির বাজেটসংক্রান্ত দাবির জবাব হিসেবেই দেখছেন। ফলে সিনেমাটির প্রকৃত বাজেট নিয়ে ধোঁয়াশা এখনো কাটেনি।
প্রথমদিকে ‘কিং’ পরিচালনার দায়িত্বে ছিলেন নির্মাতা ও চিত্রনাট্যকার সুজয় ঘোষ। পরে তিনি সরে দাঁড়ালে দায়িত্ব নেন সিদ্ধার্থ আনন্দ। এর আগে শাহরুখ খানকে নিয়ে ‘পাঠান’-এর মতো ব্লকবাস্টার সিনেমা নির্মাণ করেছিলেন তিনি। ফলে নতুন এই সিনেমা নিয়েও দর্শকদের প্রত্যাশা অনেক বেশি।
‘কিং’ সিনেমার আরেকটি বড় আকর্ষণ হলো এর তারকাবহুল অভিনয়শিল্পীর তালিকা। প্রথমবারের মতো এই ছবিতে বাবা শাহরুখ খানের সঙ্গে একই পর্দায় দেখা যাবে তাঁর মেয়ে সুহানা খানকে। পাশাপাশি গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে অভিনয় করছেন অভিষেক বচ্চন, দীপিকা পাড়ুকোন, রানি মুখার্জি, জয়দীপ আহলাওয়াত, অনিল কাপুর এবং রাঘব জুয়াল। বিভিন্ন প্রতিবেদনে আরও দাবি করা হয়েছে, ১৯৯৪ সালের ফরাসি অ্যাকশন-ড্রামা ‘লিও: দ্য প্রফেশনাল’ থেকে অনুপ্রাণিত হয়ে সিনেমাটি নির্মাণ করা হচ্ছে। তবে এ বিষয়ে নির্মাতাদের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক কোনো নিশ্চিত তথ্য দেওয়া হয়নি।
সবকিছু পরিকল্পনা অনুযায়ী এগোলে চলতি বছরের ডিসেম্বরে ‘কিং’ মুক্তি পাওয়ার কথা রয়েছে। তবে বাজেট, গল্প এবং নির্মাণসংক্রান্ত নানা জল্পনার মধ্যেও নির্মাতারা আনুষ্ঠানিকভাবে খুব সীমিত তথ্যই প্রকাশ করেছেন। তাই সিনেমাটি নিয়ে ছড়িয়ে পড়া বিভিন্ন তথ্যের সত্যতা জানতে এখন দর্শকদের অপেক্ষা করতে হবে নির্মাতা ও প্রযোজনা প্রতিষ্ঠানের পরবর্তী ঘোষণার জন্য।
























