ঢাকা ০২:২৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৭ জুলাই ২০২৬, ২৩ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সরবরাহ কমেছে এলএনজি, তিতাস এলাকায় গ্যাসের চাপ কম থাকবে

তিতাস গ্যাসের গ্রাহকদের গ্যাসের স্বল্পচাপের আশঙ্কা। ছবি: সংগৃহীত

এলএনজি সরবরাহ কমে যাওয়ায় রাজধানীসহ তিতাস গ্যাসের আওতাধীন বিভিন্ন এলাকায় গ্যাসের স্বল্পচাপ দেখা দিতে পারে বলে সতর্ক করেছে তিতাস গ্যাস ট্রান্সমিশন অ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেড। দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ার কারণে মহেশখালীর এলএনজি টার্মিনাল থেকে রিগ্যাসিফায়েড এলএনজি (আরএলএনজি) সরবরাহ প্রায় ৩০০ এমএমসিএফডি কমে যাওয়ায় এই পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে।

মঙ্গলবার (৭ জুলাই) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে তিতাস গ্যাস জানায়, মহেশখালীস্থ এলএনজি টার্মিনাল থেকে স্বাভাবিকের তুলনায় উল্লেখযোগ্য পরিমাণে আরএলএনজি সরবরাহ কমেছে। এর ফলে তিতাস গ্যাসের আওতাধীন আবাসিক, বাণিজ্যিক, শিল্প, বিদ্যুৎকেন্দ্র এবং সিএনজিসহ সব শ্রেণির গ্রাহক গ্যাসের স্বল্পচাপের সমস্যায় পড়তে পারেন। পরিস্থিতির উন্নতি না হওয়া পর্যন্ত এই সমস্যা অব্যাহত থাকতে পারে বলেও জানানো হয়েছে।

কোম্পানির পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, বৈরী আবহাওয়ার কারণে সমুদ্রে এলএনজি সরবরাহ কার্যক্রম ব্যাহত হয়েছে। বিশেষ করে মহেশখালীর ভাসমান এলএনজি টার্মিনালে জাহাজ থেকে গ্যাস গ্রহণ এবং তা জাতীয় গ্রিডে সরবরাহে বিঘ্ন ঘটেছে। এর সরাসরি প্রভাব পড়েছে দেশের গ্যাস বিতরণ ব্যবস্থায়। ফলে অনেক এলাকায় রান্নার সময় গ্যাসের চাপ কমে যেতে পারে এবং শিল্পকারখানার উৎপাদনও সাময়িকভাবে ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, বাংলাদেশে প্রাকৃতিক গ্যাসের ঘাটতি পূরণে আমদানিকৃত এলএনজি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। তাই এলএনজি সরবরাহ সাময়িকভাবে কমে গেলেও জাতীয় গ্যাস সরবরাহ ব্যবস্থায় তার প্রভাব দ্রুত দেখা দেয়। বিশেষ করে তিতাস গ্যাসের আওতাধীন ঢাকা, গাজীপুর, নারায়ণগঞ্জ, নরসিংদী ও আশপাশের অঞ্চলে গ্যাসের চাপ কমে যাওয়ার সম্ভাবনা বেশি থাকে।

তিতাস গ্যাস কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, আবহাওয়ার উন্নতি হলেই মহেশখালীর এলএনজি টার্মিনাল থেকে স্বাভাবিকভাবে আরএলএনজি সরবরাহ পুনরায় শুরু হবে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত গ্রাহকদের ধৈর্য ধরার আহ্বান জানানো হয়েছে। একই সঙ্গে সাময়িক এই অসুবিধার জন্য আন্তরিক দুঃখ প্রকাশ করেছে প্রতিষ্ঠানটি।

জ্বালানি বিশেষজ্ঞরা বলছেন, দেশে গ্যাসের চাহিদা প্রতিদিনই বাড়ছে। তাই আমদানিনির্ভর এলএনজির পাশাপাশি দেশীয় গ্যাসক্ষেত্র উন্নয়ন, বিকল্প জ্বালানির ব্যবহার বৃদ্ধি এবং সরবরাহ ব্যবস্থাকে আরও টেকসই করার ওপর গুরুত্ব দেওয়া প্রয়োজন। আপাতত বৈরী আবহাওয়া কেটে গেলে এলএনজি সরবরাহ স্বাভাবিক হওয়ার পাশাপাশি গ্যাসের চাপও আগের অবস্থায় ফিরে আসবে বলে আশা করা হচ্ছে।

এদিকে জ্বালানি বিশেষজ্ঞদের মতে, বাংলাদেশে দৈনিক গ্যাসের মোট চাহিদার একটি উল্লেখযোগ্য অংশ বর্তমানে আমদানিকৃত এলএনজির মাধ্যমে পূরণ করা হয়। তাই এলএনজি সরবরাহে সামান্য বিঘ্ন ঘটলেও তা দ্রুত জাতীয় গ্যাস সঞ্চালন ব্যবস্থায় প্রভাব ফেলে। বিশেষ করে রাজধানী ঢাকা এবং তিতাস গ্যাসের অধীন শিল্পাঞ্চলগুলোতে গ্যাসের চাপ কমে গেলে আবাসিক ব্যবহারকারীদের পাশাপাশি উৎপাদনমুখী খাতও সমস্যার মুখে পড়ে।

শিল্প মালিকদের আশঙ্কা, দীর্ঘ সময় গ্যাসের স্বল্পচাপ অব্যাহত থাকলে পোশাক, সিরামিক, স্টিল, কাচ, খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ ও অন্যান্য গ্যাসনির্ভর শিল্পে উৎপাদন ব্যাহত হতে পারে। এতে উৎপাদন খরচ বাড়ার পাশাপাশি নির্ধারিত সময়ে রপ্তানি আদেশ সরবরাহেও জটিলতা সৃষ্টি হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। একই সঙ্গে সিএনজি স্টেশনগুলোতেও গ্যাসের চাপ কমে গেলে যানবাহন চালকদের ভোগান্তি বাড়তে পারে।

অন্যদিকে আবাসিক গ্রাহকদের অনেকেই রান্নার ব্যস্ত সময়ে গ্যাসের চাপ কমে যাওয়ায় সমস্যায় পড়তে পারেন। বিশেষ করে সকাল ও সন্ধ্যায় গ্যাসের ব্যবহার বেশি থাকায় এসব সময় স্বাভাবিকের তুলনায় চাপ আরও কম অনুভূত হতে পারে। এ কারণে প্রয়োজনে বিকল্প ব্যবস্থা গ্রহণ এবং গ্যাসের অপচয় না করার পরামর্শ দিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

জ্বালানি বিশেষজ্ঞরা আরও বলছেন, জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে সাগরে বৈরী আবহাওয়ার ঘটনা বাড়ছে। ফলে ভবিষ্যতে এলএনজি আমদানি ও সরবরাহ ব্যবস্থাকে আরও স্থিতিশীল করতে ভাসমান টার্মিনালের পাশাপাশি স্থলভিত্তিক এলএনজি অবকাঠামো, পর্যাপ্ত সংরক্ষণ সুবিধা এবং দেশীয় গ্যাস অনুসন্ধানে বিনিয়োগ বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দেওয়া উচিত। এতে বৈরী আবহাওয়ার সময়ও সরবরাহে বড় ধরনের বিঘ্ন এড়ানো সম্ভব হবে।

তিতাস গ্যাস জানিয়েছে, পরিস্থিতি নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে এবং মহেশখালীর এলএনজি টার্মিনাল থেকে সরবরাহ স্বাভাবিক হলেই জাতীয় গ্রিডে গ্যাস সরবরাহ আগের অবস্থায় ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করা হবে। গ্রাহকদের সাময়িক অসুবিধার জন্য প্রতিষ্ঠানটি আবারও দুঃখ প্রকাশ করেছে এবং আবহাওয়ার উন্নতির সঙ্গে সঙ্গে পরিস্থিতি দ্রুত স্বাভাবিক হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছে।

সব মিলিয়ে, এলএনজি সরবরাহ কমে যাওয়ার এই পরিস্থিতি দেশের জ্বালানি ব্যবস্থার আমদানিনির্ভরতার বিষয়টিকে আবারও সামনে নিয়ে এসেছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, দীর্ঘমেয়াদে জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে দেশীয় গ্যাস অনুসন্ধান বাড়ানো, বিকল্প জ্বালানির ব্যবহার সম্প্রসারণ এবং সরবরাহ ব্যবস্থাকে আরও আধুনিক ও বহুমুখী করে তোলাই হবে সবচেয়ে কার্যকর সমাধান।

 

জনপ্রিয় সংবাদ

সরবরাহ কমেছে এলএনজি, তিতাস এলাকায় গ্যাসের চাপ কম থাকবে

Update Time : ১১:৪৫:২২ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৭ জুলাই ২০২৬

এলএনজি সরবরাহ কমে যাওয়ায় রাজধানীসহ তিতাস গ্যাসের আওতাধীন বিভিন্ন এলাকায় গ্যাসের স্বল্পচাপ দেখা দিতে পারে বলে সতর্ক করেছে তিতাস গ্যাস ট্রান্সমিশন অ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেড। দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ার কারণে মহেশখালীর এলএনজি টার্মিনাল থেকে রিগ্যাসিফায়েড এলএনজি (আরএলএনজি) সরবরাহ প্রায় ৩০০ এমএমসিএফডি কমে যাওয়ায় এই পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে।

মঙ্গলবার (৭ জুলাই) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে তিতাস গ্যাস জানায়, মহেশখালীস্থ এলএনজি টার্মিনাল থেকে স্বাভাবিকের তুলনায় উল্লেখযোগ্য পরিমাণে আরএলএনজি সরবরাহ কমেছে। এর ফলে তিতাস গ্যাসের আওতাধীন আবাসিক, বাণিজ্যিক, শিল্প, বিদ্যুৎকেন্দ্র এবং সিএনজিসহ সব শ্রেণির গ্রাহক গ্যাসের স্বল্পচাপের সমস্যায় পড়তে পারেন। পরিস্থিতির উন্নতি না হওয়া পর্যন্ত এই সমস্যা অব্যাহত থাকতে পারে বলেও জানানো হয়েছে।

কোম্পানির পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, বৈরী আবহাওয়ার কারণে সমুদ্রে এলএনজি সরবরাহ কার্যক্রম ব্যাহত হয়েছে। বিশেষ করে মহেশখালীর ভাসমান এলএনজি টার্মিনালে জাহাজ থেকে গ্যাস গ্রহণ এবং তা জাতীয় গ্রিডে সরবরাহে বিঘ্ন ঘটেছে। এর সরাসরি প্রভাব পড়েছে দেশের গ্যাস বিতরণ ব্যবস্থায়। ফলে অনেক এলাকায় রান্নার সময় গ্যাসের চাপ কমে যেতে পারে এবং শিল্পকারখানার উৎপাদনও সাময়িকভাবে ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

আরও পড়ুন  হাম ও উপসর্গে মৃত্যু বাড়ছে, ২৪ ঘণ্টায় প্রাণ গেল আরও ৮ জন

বিশেষজ্ঞদের মতে, বাংলাদেশে প্রাকৃতিক গ্যাসের ঘাটতি পূরণে আমদানিকৃত এলএনজি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। তাই এলএনজি সরবরাহ সাময়িকভাবে কমে গেলেও জাতীয় গ্যাস সরবরাহ ব্যবস্থায় তার প্রভাব দ্রুত দেখা দেয়। বিশেষ করে তিতাস গ্যাসের আওতাধীন ঢাকা, গাজীপুর, নারায়ণগঞ্জ, নরসিংদী ও আশপাশের অঞ্চলে গ্যাসের চাপ কমে যাওয়ার সম্ভাবনা বেশি থাকে।

তিতাস গ্যাস কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, আবহাওয়ার উন্নতি হলেই মহেশখালীর এলএনজি টার্মিনাল থেকে স্বাভাবিকভাবে আরএলএনজি সরবরাহ পুনরায় শুরু হবে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত গ্রাহকদের ধৈর্য ধরার আহ্বান জানানো হয়েছে। একই সঙ্গে সাময়িক এই অসুবিধার জন্য আন্তরিক দুঃখ প্রকাশ করেছে প্রতিষ্ঠানটি।

জ্বালানি বিশেষজ্ঞরা বলছেন, দেশে গ্যাসের চাহিদা প্রতিদিনই বাড়ছে। তাই আমদানিনির্ভর এলএনজির পাশাপাশি দেশীয় গ্যাসক্ষেত্র উন্নয়ন, বিকল্প জ্বালানির ব্যবহার বৃদ্ধি এবং সরবরাহ ব্যবস্থাকে আরও টেকসই করার ওপর গুরুত্ব দেওয়া প্রয়োজন। আপাতত বৈরী আবহাওয়া কেটে গেলে এলএনজি সরবরাহ স্বাভাবিক হওয়ার পাশাপাশি গ্যাসের চাপও আগের অবস্থায় ফিরে আসবে বলে আশা করা হচ্ছে।

এদিকে জ্বালানি বিশেষজ্ঞদের মতে, বাংলাদেশে দৈনিক গ্যাসের মোট চাহিদার একটি উল্লেখযোগ্য অংশ বর্তমানে আমদানিকৃত এলএনজির মাধ্যমে পূরণ করা হয়। তাই এলএনজি সরবরাহে সামান্য বিঘ্ন ঘটলেও তা দ্রুত জাতীয় গ্যাস সঞ্চালন ব্যবস্থায় প্রভাব ফেলে। বিশেষ করে রাজধানী ঢাকা এবং তিতাস গ্যাসের অধীন শিল্পাঞ্চলগুলোতে গ্যাসের চাপ কমে গেলে আবাসিক ব্যবহারকারীদের পাশাপাশি উৎপাদনমুখী খাতও সমস্যার মুখে পড়ে।

আরও পড়ুন  আবুল কাসেম ফজলুল হকের মৃত্যুতে মির্জা ফখরুলের শোক

শিল্প মালিকদের আশঙ্কা, দীর্ঘ সময় গ্যাসের স্বল্পচাপ অব্যাহত থাকলে পোশাক, সিরামিক, স্টিল, কাচ, খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ ও অন্যান্য গ্যাসনির্ভর শিল্পে উৎপাদন ব্যাহত হতে পারে। এতে উৎপাদন খরচ বাড়ার পাশাপাশি নির্ধারিত সময়ে রপ্তানি আদেশ সরবরাহেও জটিলতা সৃষ্টি হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। একই সঙ্গে সিএনজি স্টেশনগুলোতেও গ্যাসের চাপ কমে গেলে যানবাহন চালকদের ভোগান্তি বাড়তে পারে।

অন্যদিকে আবাসিক গ্রাহকদের অনেকেই রান্নার ব্যস্ত সময়ে গ্যাসের চাপ কমে যাওয়ায় সমস্যায় পড়তে পারেন। বিশেষ করে সকাল ও সন্ধ্যায় গ্যাসের ব্যবহার বেশি থাকায় এসব সময় স্বাভাবিকের তুলনায় চাপ আরও কম অনুভূত হতে পারে। এ কারণে প্রয়োজনে বিকল্প ব্যবস্থা গ্রহণ এবং গ্যাসের অপচয় না করার পরামর্শ দিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

আরও পড়ুন  জুলাই শহীদের অনুদানের টাকায় দ্বিতীয় বিয়ে করলেন বাবা, দুর্দশায় মা

জ্বালানি বিশেষজ্ঞরা আরও বলছেন, জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে সাগরে বৈরী আবহাওয়ার ঘটনা বাড়ছে। ফলে ভবিষ্যতে এলএনজি আমদানি ও সরবরাহ ব্যবস্থাকে আরও স্থিতিশীল করতে ভাসমান টার্মিনালের পাশাপাশি স্থলভিত্তিক এলএনজি অবকাঠামো, পর্যাপ্ত সংরক্ষণ সুবিধা এবং দেশীয় গ্যাস অনুসন্ধানে বিনিয়োগ বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দেওয়া উচিত। এতে বৈরী আবহাওয়ার সময়ও সরবরাহে বড় ধরনের বিঘ্ন এড়ানো সম্ভব হবে।

তিতাস গ্যাস জানিয়েছে, পরিস্থিতি নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে এবং মহেশখালীর এলএনজি টার্মিনাল থেকে সরবরাহ স্বাভাবিক হলেই জাতীয় গ্রিডে গ্যাস সরবরাহ আগের অবস্থায় ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করা হবে। গ্রাহকদের সাময়িক অসুবিধার জন্য প্রতিষ্ঠানটি আবারও দুঃখ প্রকাশ করেছে এবং আবহাওয়ার উন্নতির সঙ্গে সঙ্গে পরিস্থিতি দ্রুত স্বাভাবিক হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছে।

সব মিলিয়ে, এলএনজি সরবরাহ কমে যাওয়ার এই পরিস্থিতি দেশের জ্বালানি ব্যবস্থার আমদানিনির্ভরতার বিষয়টিকে আবারও সামনে নিয়ে এসেছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, দীর্ঘমেয়াদে জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে দেশীয় গ্যাস অনুসন্ধান বাড়ানো, বিকল্প জ্বালানির ব্যবহার সম্প্রসারণ এবং সরবরাহ ব্যবস্থাকে আরও আধুনিক ও বহুমুখী করে তোলাই হবে সবচেয়ে কার্যকর সমাধান।