ঢাকা ০৯:২৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১০ জুলাই ২০২৬, ২৬ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo চীনের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি: নৈতিকতায় বিশ্বসেরা হওয়ার পরিকল্পনা Logo বিশ্বকাপ না জিতেও কিংবদন্তি: যাদের ভুলতে পারেনি ফুটবল Logo নেতাকর্মীসহ ডিসেম্বরে বাংলাদেশে ফিরবে শেখ হাসিনা ! Logo একাকিত্ব কি হৃদরোগের ঝুঁকি বাড়ায়? জানুন গবেষণার তথ্য Logo কনটেন্ট ক্রিয়েটর বাবুলের বিরুদ্ধে মামলা Logo ইরানে মার্কিন হামলার হুঁশিয়ারি: ট্রাম্পের নতুন হুমকি, পাল্টা জবাব তেহরানের Logo জাল নোট আইন ২০২৬, নিজের কাছে রাখলেও হতে পারে ৭ বছরের কারাদণ্ড Logo রাজপাল যাদব কারাদণ্ড: চেক বাউন্স মামলায় কড়া রায় দিল্লি হাইকোর্ট Logo সাংস্কৃতিক আয়ে চমক, জাদুঘর-সার্কাস এগিয়ে, নাটক-থিয়েটার সবচেয়ে পিছিয়ে Logo স্বর্ণের দাম আবার বেড়েছে, ভরিতে বাড়ল ২,২১৬ টাকা

ডায়াবেটিসে চায়ের সঙ্গে ভুলেও খাবেন না এই ৮ স্ন্যাক্স

ব্লাড সুগার নিয়ন্ত্রণে ভাজাপোড়া নয়, বেছে নিন স্বাস্থ্যকর খাবার।

ডায়াবেটিস থাকলে শুধু মিষ্টি নয়, কিছু জনপ্রিয় ভাজাপোড়া খাবারও স্বাস্থ্যের জন্য বড় বিপদের কারণ হতে পারে। বিশেষজ্ঞদের মতে, অতিরিক্ত তেলে ভাজা এবং পরিশোধিত ময়দা, লবণ ও চিনি সমৃদ্ধ স্ন্যাক্স নিয়মিত খেলে রক্তে শর্করার মাত্রা বেড়ে যাওয়ার পাশাপাশি হৃদরোগ, উচ্চ রক্তচাপ, স্থূলতা এবং ইনসুলিন রেজিস্ট্যান্সের ঝুঁকিও বৃদ্ধি পায়। ডায়াবেটোলজিস্ট ড. ভি মোহনের মতে, বিশেষ করে বর্ষার দিনে গরম চায়ের সঙ্গে এসব খাবার খাওয়ার অভ্যাস ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য ক্ষতিকর হতে পারে।

ডায়াবেটিসে আক্রান্ত ব্যক্তিদের খাদ্যাভ্যাসে সামান্য অসতর্কতাও দীর্ঘমেয়াদে বড় ধরনের জটিলতা তৈরি করতে পারে। অনেকেই মনে করেন, মাঝে মধ্যে ভাজাপোড়া খেলেই ক্ষতি নেই। কিন্তু নিয়মিত বা অতিরিক্ত পরিমাণে এসব খাবার গ্রহণ করলে তা শরীরে ট্রান্স ফ্যাট, অতিরিক্ত ক্যালোরি, সোডিয়াম ও পরিশোধিত কার্বোহাইড্রেটের পরিমাণ বাড়িয়ে দেয়। ফলে ব্লাড সুগার নিয়ন্ত্রণ কঠিন হয়ে পড়ে।

কেন তেলে ভাজা খাবার ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য ক্ষতিকর?

বিশেষজ্ঞদের মতে, ডুবো তেলে ভাজা খাবারে সাধারণত থাকে—

  • অতিরিক্ত ট্রান্স ফ্যাট
  • বেশি ক্যালোরি
  • উচ্চ সোডিয়াম
  • পরিশোধিত ময়দা
  • অতিরিক্ত তেল ও চিনি

এসব উপাদান একসঙ্গে শরীরে প্রদাহ বাড়াতে পারে, কোলেস্টেরলের ভারসাম্য নষ্ট করতে পারে এবং হৃদরোগের ঝুঁকি বাড়াতে ভূমিকা রাখতে পারে।

ডায়াবেটিসে যেসব ৮টি জনপ্রিয় স্ন্যাক্স এড়িয়ে চলা ভালো

১. পাঁপড়

খাবারের সঙ্গে পাঁপড় অনেকেরই প্রিয়। তবে এতে সোডিয়ামের পরিমাণ বেশি থাকে। অতিরিক্ত পাঁপড় খেলে—

  • রক্তচাপ বাড়তে পারে
  • হৃদযন্ত্রের ওপর অতিরিক্ত চাপ পড়ে
  • উচ্চ রক্তচাপের ঝুঁকি বাড়ে

২. ভুজিয়া

চায়ের সঙ্গে ভুজিয়া অনেকের পছন্দের নাস্তা। কিন্তু এতে থাকে—

  • অতিরিক্ত তেল
  • ময়দা
  • বেশি লবণ

এগুলো ওজন বৃদ্ধি, কোলেস্টেরল বাড়ানো এবং রক্তে শর্করার মাত্রা দ্রুত বাড়াতে পারে।

৩. জিলাপি

জিলাপি বা অমৃতি ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ মিষ্টিগুলোর একটি।

কারণ এতে থাকে—

  • প্রচুর চিনি
  • ডুবো তেলে ভাজার ফলে অতিরিক্ত ফ্যাট
  • উচ্চ ক্যালোরি

নিয়মিত খেলে ইনসুলিন রেজিস্ট্যান্স এবং টাইপ-২ ডায়াবেটিসের জটিলতা বাড়তে পারে।

৪. শিঙাড়া

শিঙাড়া সাধারণত ময়দা দিয়ে তৈরি এবং ডুবো তেলে ভাজা হয়।

এর ফলে—

  • ক্যালোরি বেড়ে যায়
  • খারাপ কোলেস্টেরল (LDL) বৃদ্ধি পেতে পারে
  • হৃদরোগের ঝুঁকি বাড়ে
  • রক্তচাপের ওপর নেতিবাচক প্রভাব পড়ে

৫. পকোড়া

বর্ষার দিনে পকোড়া অনেকের প্রিয় খাবার হলেও এটি সহজে প্রচুর তেল শোষণ করে।

নিয়মিত পকোড়া খেলে—

  • ওজন বাড়তে পারে
  • স্থূলতার ঝুঁকি বৃদ্ধি পায়
  • ব্লাড সুগার নিয়ন্ত্রণ কঠিন হতে পারে

৬. কচুরি

কচুরি সাধারণত পরিশোধিত ময়দা দিয়ে তৈরি হয় এবং গভীর তেলে ভাজা হয়।

এটি—

  • ইনসুলিনের মাত্রা দ্রুত বাড়াতে পারে
  • অস্বাস্থ্যকর কোলেস্টেরল বৃদ্ধি করতে পারে
  • হৃদরোগের ঝুঁকি বাড়াতে পারে

৭. ফুচকা

ফুচকা অনেকের প্রিয় স্ট্রিট ফুড হলেও এর ভাজা খোলস এবং বিভিন্ন পুর সবসময় স্বাস্থ্যকর নাও হতে পারে।

বিশেষ করে—

  • অতিরিক্ত তেলে ভাজা খোলস
  • মশলাযুক্ত পুর
  • মিষ্টি বা টক চাটনি

এসব উপাদান রক্তে শর্করার ওঠানামা বাড়াতে পারে।

৮. চাট

চাটে সাধারণত ভাজা পাপড়ি, আলু, মিষ্টি চাটনি এবং বিভিন্ন তেলযুক্ত উপাদান থাকে।

ফলে এতে—

  • ট্রান্স ফ্যাট থাকতে পারে
  • অতিরিক্ত চিনি যোগ হয়
  • হৃদরোগের ঝুঁকি বৃদ্ধি পায়
  • অতিরিক্ত ক্যালোরি শরীরে জমা হয়

ডায়াবেটিস রোগীরা কী খাবেন?

বিশেষজ্ঞদের মতে, ভাজাপোড়া খাবারের পরিবর্তে স্বাস্থ্যকর নাস্তা বেছে নেওয়া উচিত।

যেমন—

  • সেদ্ধ ছোলা
  • ভাজা নয়, শুকনো ভাজা বাদাম (পরিমিত)
  • শসা, গাজর ও টমেটো
  • অঙ্কুরিত ডাল
  • চিনি ছাড়া গ্রিন টি
  • কম তেলের ঘরে তৈরি নাস্তা

মনে রাখবেন

তবে একটি বিষয় গুরুত্বপূর্ণ—এসব খাবার খেলে সবারই সমান ক্ষতি হবে বা একবার খেলেই হৃদরোগ হবে, এমন নয়। ঝুঁকি নির্ভর করে খাবারের পরিমাণ, কত ঘন ঘন খাওয়া হচ্ছে, ব্যক্তির ওজন, রক্তে শর্করা নিয়ন্ত্রণ, শারীরিক পরিশ্রম এবং সামগ্রিক জীবনযাত্রার ওপর। তাই ডায়াবেটিস থাকলে সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ ভাবার বদলে চিকিৎসক বা পুষ্টিবিদের পরামর্শ অনুযায়ী পরিমিত ও সুষম খাদ্যাভ্যাস অনুসরণ করাই সবচেয়ে নিরাপদ।

ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে ওষুধের পাশাপাশি সঠিক খাদ্যাভ্যাস অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। চায়ের সঙ্গে নিয়মিত তেলে ভাজা স্ন্যাক্স খাওয়ার অভ্যাস ব্লাড সুগার নিয়ন্ত্রণে বাধা সৃষ্টি করতে পারে এবং দীর্ঘমেয়াদে হৃদরোগ, উচ্চ রক্তচাপ ও স্থূলতার ঝুঁকি বাড়াতে পারে। তাই সুস্থ থাকতে ভাজাপোড়া খাবারের পরিবর্তে পুষ্টিকর ও কম তেলের স্বাস্থ্যকর নাস্তা বেছে নেওয়াই হবে বুদ্ধিমানের কাজ।

জনপ্রিয় সংবাদ

চীনের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি: নৈতিকতায় বিশ্বসেরা হওয়ার পরিকল্পনা

ডায়াবেটিসে চায়ের সঙ্গে ভুলেও খাবেন না এই ৮ স্ন্যাক্স

Update Time : ০৭:০২:১৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১০ জুলাই ২০২৬

ডায়াবেটিস থাকলে শুধু মিষ্টি নয়, কিছু জনপ্রিয় ভাজাপোড়া খাবারও স্বাস্থ্যের জন্য বড় বিপদের কারণ হতে পারে। বিশেষজ্ঞদের মতে, অতিরিক্ত তেলে ভাজা এবং পরিশোধিত ময়দা, লবণ ও চিনি সমৃদ্ধ স্ন্যাক্স নিয়মিত খেলে রক্তে শর্করার মাত্রা বেড়ে যাওয়ার পাশাপাশি হৃদরোগ, উচ্চ রক্তচাপ, স্থূলতা এবং ইনসুলিন রেজিস্ট্যান্সের ঝুঁকিও বৃদ্ধি পায়। ডায়াবেটোলজিস্ট ড. ভি মোহনের মতে, বিশেষ করে বর্ষার দিনে গরম চায়ের সঙ্গে এসব খাবার খাওয়ার অভ্যাস ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য ক্ষতিকর হতে পারে।

ডায়াবেটিসে আক্রান্ত ব্যক্তিদের খাদ্যাভ্যাসে সামান্য অসতর্কতাও দীর্ঘমেয়াদে বড় ধরনের জটিলতা তৈরি করতে পারে। অনেকেই মনে করেন, মাঝে মধ্যে ভাজাপোড়া খেলেই ক্ষতি নেই। কিন্তু নিয়মিত বা অতিরিক্ত পরিমাণে এসব খাবার গ্রহণ করলে তা শরীরে ট্রান্স ফ্যাট, অতিরিক্ত ক্যালোরি, সোডিয়াম ও পরিশোধিত কার্বোহাইড্রেটের পরিমাণ বাড়িয়ে দেয়। ফলে ব্লাড সুগার নিয়ন্ত্রণ কঠিন হয়ে পড়ে।

কেন তেলে ভাজা খাবার ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য ক্ষতিকর?

বিশেষজ্ঞদের মতে, ডুবো তেলে ভাজা খাবারে সাধারণত থাকে—

  • অতিরিক্ত ট্রান্স ফ্যাট
  • বেশি ক্যালোরি
  • উচ্চ সোডিয়াম
  • পরিশোধিত ময়দা
  • অতিরিক্ত তেল ও চিনি

এসব উপাদান একসঙ্গে শরীরে প্রদাহ বাড়াতে পারে, কোলেস্টেরলের ভারসাম্য নষ্ট করতে পারে এবং হৃদরোগের ঝুঁকি বাড়াতে ভূমিকা রাখতে পারে।

ডায়াবেটিসে যেসব ৮টি জনপ্রিয় স্ন্যাক্স এড়িয়ে চলা ভালো

১. পাঁপড়

খাবারের সঙ্গে পাঁপড় অনেকেরই প্রিয়। তবে এতে সোডিয়ামের পরিমাণ বেশি থাকে। অতিরিক্ত পাঁপড় খেলে—

  • রক্তচাপ বাড়তে পারে
  • হৃদযন্ত্রের ওপর অতিরিক্ত চাপ পড়ে
  • উচ্চ রক্তচাপের ঝুঁকি বাড়ে

২. ভুজিয়া

চায়ের সঙ্গে ভুজিয়া অনেকের পছন্দের নাস্তা। কিন্তু এতে থাকে—

  • অতিরিক্ত তেল
  • ময়দা
  • বেশি লবণ

এগুলো ওজন বৃদ্ধি, কোলেস্টেরল বাড়ানো এবং রক্তে শর্করার মাত্রা দ্রুত বাড়াতে পারে।

৩. জিলাপি

জিলাপি বা অমৃতি ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ মিষ্টিগুলোর একটি।

কারণ এতে থাকে—

  • প্রচুর চিনি
  • ডুবো তেলে ভাজার ফলে অতিরিক্ত ফ্যাট
  • উচ্চ ক্যালোরি

নিয়মিত খেলে ইনসুলিন রেজিস্ট্যান্স এবং টাইপ-২ ডায়াবেটিসের জটিলতা বাড়তে পারে।

৪. শিঙাড়া

শিঙাড়া সাধারণত ময়দা দিয়ে তৈরি এবং ডুবো তেলে ভাজা হয়।

এর ফলে—

  • ক্যালোরি বেড়ে যায়
  • খারাপ কোলেস্টেরল (LDL) বৃদ্ধি পেতে পারে
  • হৃদরোগের ঝুঁকি বাড়ে
  • রক্তচাপের ওপর নেতিবাচক প্রভাব পড়ে

৫. পকোড়া

বর্ষার দিনে পকোড়া অনেকের প্রিয় খাবার হলেও এটি সহজে প্রচুর তেল শোষণ করে।

নিয়মিত পকোড়া খেলে—

  • ওজন বাড়তে পারে
  • স্থূলতার ঝুঁকি বৃদ্ধি পায়
  • ব্লাড সুগার নিয়ন্ত্রণ কঠিন হতে পারে

৬. কচুরি

কচুরি সাধারণত পরিশোধিত ময়দা দিয়ে তৈরি হয় এবং গভীর তেলে ভাজা হয়।

এটি—

  • ইনসুলিনের মাত্রা দ্রুত বাড়াতে পারে
  • অস্বাস্থ্যকর কোলেস্টেরল বৃদ্ধি করতে পারে
  • হৃদরোগের ঝুঁকি বাড়াতে পারে

৭. ফুচকা

ফুচকা অনেকের প্রিয় স্ট্রিট ফুড হলেও এর ভাজা খোলস এবং বিভিন্ন পুর সবসময় স্বাস্থ্যকর নাও হতে পারে।

বিশেষ করে—

  • অতিরিক্ত তেলে ভাজা খোলস
  • মশলাযুক্ত পুর
  • মিষ্টি বা টক চাটনি

এসব উপাদান রক্তে শর্করার ওঠানামা বাড়াতে পারে।

৮. চাট

চাটে সাধারণত ভাজা পাপড়ি, আলু, মিষ্টি চাটনি এবং বিভিন্ন তেলযুক্ত উপাদান থাকে।

ফলে এতে—

  • ট্রান্স ফ্যাট থাকতে পারে
  • অতিরিক্ত চিনি যোগ হয়
  • হৃদরোগের ঝুঁকি বৃদ্ধি পায়
  • অতিরিক্ত ক্যালোরি শরীরে জমা হয়

ডায়াবেটিস রোগীরা কী খাবেন?

বিশেষজ্ঞদের মতে, ভাজাপোড়া খাবারের পরিবর্তে স্বাস্থ্যকর নাস্তা বেছে নেওয়া উচিত।

যেমন—

  • সেদ্ধ ছোলা
  • ভাজা নয়, শুকনো ভাজা বাদাম (পরিমিত)
  • শসা, গাজর ও টমেটো
  • অঙ্কুরিত ডাল
  • চিনি ছাড়া গ্রিন টি
  • কম তেলের ঘরে তৈরি নাস্তা

মনে রাখবেন

তবে একটি বিষয় গুরুত্বপূর্ণ—এসব খাবার খেলে সবারই সমান ক্ষতি হবে বা একবার খেলেই হৃদরোগ হবে, এমন নয়। ঝুঁকি নির্ভর করে খাবারের পরিমাণ, কত ঘন ঘন খাওয়া হচ্ছে, ব্যক্তির ওজন, রক্তে শর্করা নিয়ন্ত্রণ, শারীরিক পরিশ্রম এবং সামগ্রিক জীবনযাত্রার ওপর। তাই ডায়াবেটিস থাকলে সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ ভাবার বদলে চিকিৎসক বা পুষ্টিবিদের পরামর্শ অনুযায়ী পরিমিত ও সুষম খাদ্যাভ্যাস অনুসরণ করাই সবচেয়ে নিরাপদ।

ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে ওষুধের পাশাপাশি সঠিক খাদ্যাভ্যাস অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। চায়ের সঙ্গে নিয়মিত তেলে ভাজা স্ন্যাক্স খাওয়ার অভ্যাস ব্লাড সুগার নিয়ন্ত্রণে বাধা সৃষ্টি করতে পারে এবং দীর্ঘমেয়াদে হৃদরোগ, উচ্চ রক্তচাপ ও স্থূলতার ঝুঁকি বাড়াতে পারে। তাই সুস্থ থাকতে ভাজাপোড়া খাবারের পরিবর্তে পুষ্টিকর ও কম তেলের স্বাস্থ্যকর নাস্তা বেছে নেওয়াই হবে বুদ্ধিমানের কাজ।