ঢাকা ০৭:১৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ১১ জুলাই ২০২৬, ২৭ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo বাবার ‘রক্তের’ প্রতিশোধ নেয়ার অঙ্গীকার মোজতবা খামেনির Logo ঢাবির ‘তারুণ্য, স্টার্টআপ ও সম্ভাবনার বাংলাদেশ’, উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী Logo ধর্মমন্ত্রীর স্বেচ্ছাধীন তহবিলের অনুদান পেল মুরাদনগরের ৪৭ ব্যক্তি-প্রতিষ্ঠান Logo মিসর-আর্জেন্টিনা ম্যাচে রেফারির সিদ্ধান্ত ন্যায্য ছিল মনে করেন সুইজার‌ল্যান্ডের কোচ Logo বারহাট্টায় ১ হাজার ৯০০ কৃষকের মাঝে বিনা মূল্যে বীজ-সার বিতরণ Logo চট্টগ্রামে পরিত্যক্ত অবস্থায় বিদেশি পিস্তল উদ্ধার Logo তারেক রহমান ডা. পাভেলকে দেখতে হাসপাতালে গেলেন Logo পরিবারে ডায়াবেটিস? সন্তানের ঝুঁকি কমাতে যা করবেন Logo সুস্থ থাকতে দিনে কয়টা ডিম খাওয়া নিরাপদ? জানুন বিশেষজ্ঞের পরামর্শ Logo বর্ষায় ইমিউনিটি বাড়াতে ৫ পুষ্টিকর সালাদের আইডিয়া

সুস্থ থাকতে দিনে কয়টা ডিম খাওয়া নিরাপদ? জানুন বিশেষজ্ঞের পরামর্শ

পরিমিত পরিমাণে ডিম খেলে শরীর পায় প্রয়োজনীয় প্রোটিন ও গুরুত্বপূর্ণ পুষ্টি উপাদান। ছবি: সংগৃহীত

ডিম পুষ্টিগুণে ভরপুর হলেও প্রয়োজনের চেয়ে বেশি খেলে কিছু ক্ষেত্রে স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি হতে পারে বলে জানিয়েছেন পুষ্টিবিদরা। একজন সুস্থ প্রাপ্তবয়স্ক মানুষের জন্য সুষম খাদ্যাভ্যাসের অংশ হিসেবে সপ্তাহে তিন থেকে চার দিন একটি করে ডিম খাওয়া নিরাপদ বলে মত বিশেষজ্ঞদের। তবে শিশুদের প্রতিদিন একটি ডিম খাওয়া উপকারী হলেও, উচ্চ কোলেস্টেরল বা হৃদরোগে আক্রান্ত ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে ডিম খাওয়ার পরিমাণ চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী নির্ধারণ করা উচিত।

ডিমকে বিশ্বের অন্যতম পুষ্টিকর খাবার হিসেবে ধরা হয়। সকালের নাশতায় সেদ্ধ ডিম, দুপুরে ডিমের তরকারি কিংবা রাতের খাবারে অমলেট—সব বয়সী মানুষের কাছেই এটি জনপ্রিয়। উচ্চমানের প্রোটিনের পাশাপাশি ডিমে রয়েছে ভিটামিন এ, ডি, বি-১২, সেলেনিয়াম, জিঙ্ক এবং অন্যান্য প্রয়োজনীয় পুষ্টি উপাদান, যা শরীরের নানা গুরুত্বপূর্ণ কাজে ভূমিকা রাখে।

ডিম কেন এত উপকারী?

ডিম নিয়মিত ও পরিমিত পরিমাণে খেলে শরীর নানা ধরনের উপকার পেতে পারে।

ডিমের প্রধান উপকারিতা:

  • উচ্চমানের প্রোটিন সরবরাহ করে।
  • পেশি গঠন ও মেরামতে সহায়তা করে।
  • দীর্ঘ সময় পেট ভরা রাখতে সাহায্য করে।
  • ওজন নিয়ন্ত্রণে সহায়ক হতে পারে।
  • রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে ভূমিকা রাখে।
  • চোখ, মস্তিষ্ক ও হাড়ের স্বাস্থ্যের জন্য প্রয়োজনীয় পুষ্টি দেয়।

বিশেষ করে যারা ব্যস্ত জীবনযাপন করেন বা নিয়মিত শরীরচর্চা করেন, তাদের জন্য ডিম একটি সহজলভ্য ও পুষ্টিকর খাবার।

অতিরিক্ত ডিম খেলে কী সমস্যা হতে পারে?

যেকোনো খাবারের মতো ডিমও অতিরিক্ত খেলে কিছু সমস্যা দেখা দিতে পারে। বিশেষজ্ঞদের মতে, অতিরিক্ত প্রোটিন গ্রহণ করলে পরিপাকতন্ত্রের ওপর বাড়তি চাপ পড়ে।

অতিরিক্ত ডিম খাওয়ার সম্ভাব্য ঝুঁকি:

  • গ্যাস ও পেট ফাঁপার সমস্যা।
  • অম্বল বা বদহজম।
  • খাবারের পর ভারী অনুভূতি।
  • পর্যাপ্ত আঁশ না থাকলে কোষ্ঠকাঠিন্যের ঝুঁকি।
  • ডিমে অ্যালার্জি থাকলে ত্বকে র‍্যাশ, বমিভাব বা পেটব্যথা।
  • দীর্ঘদিন শুধু ডিমের ওপর নির্ভর করলে অন্যান্য প্রয়োজনীয় পুষ্টির ঘাটতি হতে পারে।

যাদের ডিম খাওয়ার পর বারবার অস্বস্তি বা অ্যালার্জির লক্ষণ দেখা দেয়, তাদের দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।

কারা বেশি সতর্ক থাকবেন?

সব মানুষের জন্য ডিম খাওয়ার নিয়ম এক নয়। কিছু মানুষের ক্ষেত্রে বিশেষ সতর্কতা প্রয়োজন।

যাদের ক্ষেত্রে পরিমাণ নিয়ন্ত্রণ জরুরি:

  • উচ্চ কোলেস্টেরলে আক্রান্ত ব্যক্তি।
  • হৃদরোগে আক্রান্ত রোগী।
  • হৃদরোগের ঝুঁকিতে থাকা মানুষ।
  • বিশেষ খাদ্য নিয়ন্ত্রণে থাকা ব্যক্তি।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এসব ক্ষেত্রে নিজে সিদ্ধান্ত না নিয়ে চিকিৎসক বা পুষ্টিবিদের পরামর্শ অনুযায়ী ডিম খাওয়াই সবচেয়ে নিরাপদ।

দিনে কয়টা ডিম খাওয়া নিরাপদ?

পুষ্টিবিদ রুপালি দত্তর মতে, একজন সুস্থ প্রাপ্তবয়স্ক ব্যক্তি সুষম খাদ্যের অংশ হিসেবে সপ্তাহে তিন থেকে চার দিন একটি করে ডিম খেতে পারেন। অন্যদিকে শিশুদের প্রতিদিন একটি ডিম তাদের বৃদ্ধি, মস্তিষ্কের বিকাশ এবং প্রয়োজনীয় পুষ্টি নিশ্চিত করতে সহায়ক।

তবে যাদের কোলেস্টেরল বা হৃদরোগ রয়েছে, তাদের ক্ষেত্রে সপ্তাহে প্রায় তিনটি ডিমের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকা ভালো হতে পারে। ব্যক্তিভেদে এই পরিমাণ পরিবর্তিত হতে পারে বলে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি।

ডিম খাওয়ার সবচেয়ে স্বাস্থ্যকর উপায়

শুধু কতটি ডিম খাচ্ছেন তা নয়, কীভাবে খাচ্ছেন সেটিও সমান গুরুত্বপূর্ণ।

স্বাস্থ্যকরভাবে ডিম খাওয়ার উপায়:

  • সেদ্ধ ডিম।
  • পোচ ডিম।
  • অল্প তেলে ঝুড়া ডিম।
  • শাকসবজি ও সালাদের সঙ্গে পরিবেশন।
  • পূর্ণ শস্যজাত খাবারের সঙ্গে খাওয়া।

অন্যদিকে অতিরিক্ত মাখন, চিজ, ক্রিম বা প্রক্রিয়াজাত মাংস দিয়ে ডিম রান্না করলে সম্পৃক্ত চর্বির পরিমাণ বেড়ে যায়, যা দীর্ঘমেয়াদে হৃদ্‌স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর হতে পারে।

শুধু ডিম নয়, প্রয়োজন সুষম খাদ্য

বিশেষজ্ঞদের মতে, প্রতিদিনের প্রোটিনের একমাত্র উৎস হিসেবে শুধু ডিমের ওপর নির্ভর করা উচিত নয়। মাছ, মাংস, ডাল, দুধ, বাদাম, শাকসবজি ও ফলমূলসহ বিভিন্ন ধরনের খাবার খাদ্যতালিকায় রাখলে শরীর প্রয়োজনীয় সব ধরনের পুষ্টি পায়।

সুষম খাদ্যাভ্যাসের সঙ্গে নিয়মিত ব্যায়াম, পর্যাপ্ত পানি পান এবং পর্যাপ্ত ঘুম সুস্থ জীবনযাপনের গুরুত্বপূর্ণ অংশ।

ডিম নিঃসন্দেহে একটি অত্যন্ত পুষ্টিকর খাবার। তবে প্রয়োজনের তুলনায় অতিরিক্ত খাওয়ার অভ্যাস উপকারের বদলে ক্ষতির কারণ হতে পারে। বয়স, শারীরিক অবস্থা এবং রোগের ইতিহাস অনুযায়ী ডিম খাওয়ার পরিমাণ নির্ধারণ করা উচিত। পরিমিত পরিমাণে এবং স্বাস্থ্যকর উপায়ে ডিম খেলে এর সর্বোচ্চ পুষ্টিগুণ পাওয়া সম্ভব।

জনপ্রিয় সংবাদ

বাবার ‘রক্তের’ প্রতিশোধ নেয়ার অঙ্গীকার মোজতবা খামেনির

সুস্থ থাকতে দিনে কয়টা ডিম খাওয়া নিরাপদ? জানুন বিশেষজ্ঞের পরামর্শ

Update Time : ০৫:০৩:০৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ১১ জুলাই ২০২৬

ডিম পুষ্টিগুণে ভরপুর হলেও প্রয়োজনের চেয়ে বেশি খেলে কিছু ক্ষেত্রে স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি হতে পারে বলে জানিয়েছেন পুষ্টিবিদরা। একজন সুস্থ প্রাপ্তবয়স্ক মানুষের জন্য সুষম খাদ্যাভ্যাসের অংশ হিসেবে সপ্তাহে তিন থেকে চার দিন একটি করে ডিম খাওয়া নিরাপদ বলে মত বিশেষজ্ঞদের। তবে শিশুদের প্রতিদিন একটি ডিম খাওয়া উপকারী হলেও, উচ্চ কোলেস্টেরল বা হৃদরোগে আক্রান্ত ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে ডিম খাওয়ার পরিমাণ চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী নির্ধারণ করা উচিত।

ডিমকে বিশ্বের অন্যতম পুষ্টিকর খাবার হিসেবে ধরা হয়। সকালের নাশতায় সেদ্ধ ডিম, দুপুরে ডিমের তরকারি কিংবা রাতের খাবারে অমলেট—সব বয়সী মানুষের কাছেই এটি জনপ্রিয়। উচ্চমানের প্রোটিনের পাশাপাশি ডিমে রয়েছে ভিটামিন এ, ডি, বি-১২, সেলেনিয়াম, জিঙ্ক এবং অন্যান্য প্রয়োজনীয় পুষ্টি উপাদান, যা শরীরের নানা গুরুত্বপূর্ণ কাজে ভূমিকা রাখে।

ডিম কেন এত উপকারী?

ডিম নিয়মিত ও পরিমিত পরিমাণে খেলে শরীর নানা ধরনের উপকার পেতে পারে।

ডিমের প্রধান উপকারিতা:

  • উচ্চমানের প্রোটিন সরবরাহ করে।
  • পেশি গঠন ও মেরামতে সহায়তা করে।
  • দীর্ঘ সময় পেট ভরা রাখতে সাহায্য করে।
  • ওজন নিয়ন্ত্রণে সহায়ক হতে পারে।
  • রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে ভূমিকা রাখে।
  • চোখ, মস্তিষ্ক ও হাড়ের স্বাস্থ্যের জন্য প্রয়োজনীয় পুষ্টি দেয়।
আরও পড়ুন  ২৪ ঘণ্টা না খেয়ে থাকলে শরীরে কী ঘটে? জানুন উপকার-ঝুঁকি

বিশেষ করে যারা ব্যস্ত জীবনযাপন করেন বা নিয়মিত শরীরচর্চা করেন, তাদের জন্য ডিম একটি সহজলভ্য ও পুষ্টিকর খাবার।

অতিরিক্ত ডিম খেলে কী সমস্যা হতে পারে?

যেকোনো খাবারের মতো ডিমও অতিরিক্ত খেলে কিছু সমস্যা দেখা দিতে পারে। বিশেষজ্ঞদের মতে, অতিরিক্ত প্রোটিন গ্রহণ করলে পরিপাকতন্ত্রের ওপর বাড়তি চাপ পড়ে।

অতিরিক্ত ডিম খাওয়ার সম্ভাব্য ঝুঁকি:

  • গ্যাস ও পেট ফাঁপার সমস্যা।
  • অম্বল বা বদহজম।
  • খাবারের পর ভারী অনুভূতি।
  • পর্যাপ্ত আঁশ না থাকলে কোষ্ঠকাঠিন্যের ঝুঁকি।
  • ডিমে অ্যালার্জি থাকলে ত্বকে র‍্যাশ, বমিভাব বা পেটব্যথা।
  • দীর্ঘদিন শুধু ডিমের ওপর নির্ভর করলে অন্যান্য প্রয়োজনীয় পুষ্টির ঘাটতি হতে পারে।

যাদের ডিম খাওয়ার পর বারবার অস্বস্তি বা অ্যালার্জির লক্ষণ দেখা দেয়, তাদের দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।

কারা বেশি সতর্ক থাকবেন?

সব মানুষের জন্য ডিম খাওয়ার নিয়ম এক নয়। কিছু মানুষের ক্ষেত্রে বিশেষ সতর্কতা প্রয়োজন।

আরও পড়ুন  ব্রাউন রাইস নাকি সাদা ভাত? চিকিৎসকের পরামর্শ জানুন

যাদের ক্ষেত্রে পরিমাণ নিয়ন্ত্রণ জরুরি:

  • উচ্চ কোলেস্টেরলে আক্রান্ত ব্যক্তি।
  • হৃদরোগে আক্রান্ত রোগী।
  • হৃদরোগের ঝুঁকিতে থাকা মানুষ।
  • বিশেষ খাদ্য নিয়ন্ত্রণে থাকা ব্যক্তি।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এসব ক্ষেত্রে নিজে সিদ্ধান্ত না নিয়ে চিকিৎসক বা পুষ্টিবিদের পরামর্শ অনুযায়ী ডিম খাওয়াই সবচেয়ে নিরাপদ।

দিনে কয়টা ডিম খাওয়া নিরাপদ?

পুষ্টিবিদ রুপালি দত্তর মতে, একজন সুস্থ প্রাপ্তবয়স্ক ব্যক্তি সুষম খাদ্যের অংশ হিসেবে সপ্তাহে তিন থেকে চার দিন একটি করে ডিম খেতে পারেন। অন্যদিকে শিশুদের প্রতিদিন একটি ডিম তাদের বৃদ্ধি, মস্তিষ্কের বিকাশ এবং প্রয়োজনীয় পুষ্টি নিশ্চিত করতে সহায়ক।

তবে যাদের কোলেস্টেরল বা হৃদরোগ রয়েছে, তাদের ক্ষেত্রে সপ্তাহে প্রায় তিনটি ডিমের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকা ভালো হতে পারে। ব্যক্তিভেদে এই পরিমাণ পরিবর্তিত হতে পারে বলে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি।

ডিম খাওয়ার সবচেয়ে স্বাস্থ্যকর উপায়

শুধু কতটি ডিম খাচ্ছেন তা নয়, কীভাবে খাচ্ছেন সেটিও সমান গুরুত্বপূর্ণ।

স্বাস্থ্যকরভাবে ডিম খাওয়ার উপায়:

  • সেদ্ধ ডিম।
  • পোচ ডিম।
  • অল্প তেলে ঝুড়া ডিম।
  • শাকসবজি ও সালাদের সঙ্গে পরিবেশন।
  • পূর্ণ শস্যজাত খাবারের সঙ্গে খাওয়া।
আরও পড়ুন  আলু বেশি খেলে হতে পারে যেসব স্বাস্থ্যঝুঁকি

অন্যদিকে অতিরিক্ত মাখন, চিজ, ক্রিম বা প্রক্রিয়াজাত মাংস দিয়ে ডিম রান্না করলে সম্পৃক্ত চর্বির পরিমাণ বেড়ে যায়, যা দীর্ঘমেয়াদে হৃদ্‌স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর হতে পারে।

শুধু ডিম নয়, প্রয়োজন সুষম খাদ্য

বিশেষজ্ঞদের মতে, প্রতিদিনের প্রোটিনের একমাত্র উৎস হিসেবে শুধু ডিমের ওপর নির্ভর করা উচিত নয়। মাছ, মাংস, ডাল, দুধ, বাদাম, শাকসবজি ও ফলমূলসহ বিভিন্ন ধরনের খাবার খাদ্যতালিকায় রাখলে শরীর প্রয়োজনীয় সব ধরনের পুষ্টি পায়।

সুষম খাদ্যাভ্যাসের সঙ্গে নিয়মিত ব্যায়াম, পর্যাপ্ত পানি পান এবং পর্যাপ্ত ঘুম সুস্থ জীবনযাপনের গুরুত্বপূর্ণ অংশ।

ডিম নিঃসন্দেহে একটি অত্যন্ত পুষ্টিকর খাবার। তবে প্রয়োজনের তুলনায় অতিরিক্ত খাওয়ার অভ্যাস উপকারের বদলে ক্ষতির কারণ হতে পারে। বয়স, শারীরিক অবস্থা এবং রোগের ইতিহাস অনুযায়ী ডিম খাওয়ার পরিমাণ নির্ধারণ করা উচিত। পরিমিত পরিমাণে এবং স্বাস্থ্যকর উপায়ে ডিম খেলে এর সর্বোচ্চ পুষ্টিগুণ পাওয়া সম্ভব।