ঢাকা ১২:০৮ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২২ অগাস্ট ২০২৬, ৬ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo বিতর্ক কর্মশালা: যুক্তির শক্তিতে এগিয়ে যাওয়ার দারুণ বার্তা Logo ভাটারা সড়ক দুর্ঘটনা: ৩২ বছরের সাজ্জাদের মর্মান্তিক মৃত্যু Logo মেকআপ করা কি সত্যিই ত্বকের জন্য ক্ষতিকর জানুন আসল তথ্য Logo বার সাবান নাকি বডি ওয়াশ ত্বকের জন্য কোনটি ভালো Logo দ্য অডিসি: দুর্দান্ত আয়ে ভাঙল R-rated সিনেমার রেকর্ড Logo ফেরদৌস স্টিলে ১০ শ্রমিকের মৃত্যু কারণ অনুসন্ধানে মিলল বিষাক্ত গ্যাস Logo অর্পিতার রেস্তোরাঁয় চমকপ্রদ দাম, মাছ ১০ হাজার থেকে পানীয় লাখে Logo জঙ্গল দক্ষিণ পাহাড়তলী, বড় উদ্যোগে রুখবে পাহাড় দখল Logo সালমান শাহকে ঘিরে ভক্তদের আবেগের গল্প নিয়ে নির্মিত ‘লাভ ৯৬’ Logo ভয়াবহ জ্বালানি সংকটে চট্টগ্রামের ২৮ বিদ্যুৎকেন্দ্রের ছয়টি বন্ধ

বিতর্ক কর্মশালা: যুক্তির শক্তিতে এগিয়ে যাওয়ার দারুণ বার্তা

  • ডেস্ক নিউজ
  • Update Time : ১১:৫৬:১৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২১ অগাস্ট ২০২৬
  • ৫০১

কুমিল্লায় মাধ্যমিক শিক্ষার্থীদের বিতর্ক কর্মশালায় বক্তব্য দেন অধ্যাপক ড. চৌধুরী সায়মা ফেরদৌস। | ছবি: সংগৃহীত

বিতর্ক কর্মশালা শুধু বিতর্কে জেতার কৌশল শেখায় না, বরং যুক্তি দিয়ে নিজের মত প্রকাশ করার সাহসও তৈরি করে। কুমিল্লার সদর দক্ষিণে মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের নিয়ে আয়োজিত এমনই এক বিতর্ক কর্মশালার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের চিন্তাশক্তি ও যুক্তির দক্ষতা বাড়ানোর আহ্বান জানিয়েছেন পিএসসি সদস্য ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. চৌধুরী সায়মা ফেরদৌস। শুক্রবার বিকালে অনুষ্ঠিত এ আয়োজনে তাঁর বক্তব্য শিক্ষার্থীদের মধ্যে নতুন উদ্দীপনা তৈরি করে। তিনি মনে করেন, মতের অমিল থাকতেই পারে, কিন্তু সেই মত প্রকাশের সবচেয়ে শক্তিশালী পথ হলো তথ্য ও যুক্তি। তাই শুধু জোরে কথা বললেই নিজের বক্তব্য শক্তিশালী হয় না; বরং যুক্তি যত পরিষ্কার হবে, বক্তব্য তত বেশি গ্রহণযোগ্য হবে।

অধ্যাপক ড. চৌধুরী সায়মা ফেরদৌস বলেন, পৃথিবীর কঠিনতম সমালোচনাও যুক্তির মাধ্যমে করা সম্ভব। এর জন্য গলার স্বর উঁচু করার প্রয়োজন নেই। বরং বাস্তব তথ্য, সঠিক বিশ্লেষণ ও শক্তিশালী যুক্তির মাধ্যমে একটি বক্তব্যকে কার্যকর করে তোলা যায়। তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, অনেক সময় আমরা দেখি মানুষের কণ্ঠস্বর অনেক জোরালো, অথচ বক্তব্যের পেছনে যুক্তি খুবই দুর্বল। বিতর্কের প্রকৃত সৌন্দর্য এখানেই যে, প্রতিপক্ষকে ব্যক্তিগতভাবে আক্রমণ না করে তার বক্তব্যের দুর্বল জায়গাগুলো যুক্তি দিয়ে তুলে ধরা যায়। এভাবেই একটি বিতর্ক গঠনমূলক আলোচনা ও জ্ঞানচর্চার সুযোগ তৈরি করে। তাঁর এই বক্তব্য শিক্ষার্থীদের জন্য শুধু বিতর্কের শিক্ষা নয়, দৈনন্দিন জীবনেও যুক্তিনির্ভর সিদ্ধান্ত নেওয়ার গুরুত্বপূর্ণ বার্তা।

বর্তমান প্রযুক্তিনির্ভর সময়ে তথ্য সংগ্রহের সুযোগ আগের যেকোনো সময়ের তুলনায় অনেক বেশি। ঘরে বসেই বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তের জ্ঞান ও তথ্য জানা সম্ভব। বিতর্ক কর্মশালা উপলক্ষে শিক্ষার্থীদের এই সুযোগকে কাজে লাগানোর আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, বর্তমান প্রজন্মের বড় শক্তি হলো চিন্তাশক্তি। ইন্টারনেট ও বিভিন্ন ডিজিটাল মাধ্যমে তথ্য পাওয়া গেলেও সেই তথ্য যাচাই করে সঠিকভাবে ব্যবহার করার দক্ষতাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। শুধু তথ্য মুখস্থ করলেই হবে না, তথ্যের সত্যতা যাচাই করতে হবে, বিভিন্ন দিক থেকে বিষয়টি ভাবতে হবে এবং এরপর নিজের অবস্থানের পক্ষে যুক্তি দাঁড় করাতে হবে। শিক্ষার্থীরা যদি ছোটবেলা থেকেই এ ধরনের অভ্যাস গড়ে তোলে, তাহলে ভবিষ্যতে পড়াশোনা, কর্মজীবন ও সামাজিক জীবনে তারা আরও আত্মবিশ্বাসী হয়ে উঠতে পারবে।

অনুষ্ঠানে ছেলেমেয়ে উভয়ের সমান অংশগ্রহণের ওপরও গুরুত্ব দেওয়া হয়। আয়োজনে মেয়েদের উপস্থিতি তুলনামূলক বেশি থাকলেও ছেলেদেরও সমানভাবে এমন কার্যক্রমে অংশ নেওয়ার আহ্বান জানান অধ্যাপক সায়মা ফেরদৌস। তাঁর বক্তব্যের মূল বার্তা ছিল—একজন মানুষ ছেলে না মেয়ে, সেটি তার যুক্তির শক্তি নির্ধারণ করে না। যুক্তি যদি শক্তিশালী হয়, তাহলে কোনো অতিরিক্ত শক্তির প্রয়োজন পড়ে না। তাই শিক্ষার্থীদের নিজের বক্তব্যকে আরও শাণিত করতে হবে। বিতর্কের মাধ্যমে তারা কথা বলার দক্ষতা, শ্রবণক্ষমতা, বিশ্লেষণী চিন্তা ও দ্রুত সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা বাড়াতে পারে। একই সঙ্গে ভিন্ন মতকে সম্মান করার মানসিকতাও তৈরি হয়। এ কারণেই শিক্ষা জীবনে বিতর্কচর্চা শিক্ষার্থীদের ব্যক্তিত্ব বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে তিনি আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন ছুড়ে দেন—নিজেকে পরিবর্তন করার সিদ্ধান্ত তারা সর্বশেষ কবে নিয়েছে? তাঁর মতে, পরিবর্তনের সেই সিদ্ধান্ত অবশ্যই ইতিবাচক হতে হবে। নিজের দুর্বলতা চিহ্নিত করে তা কাটিয়ে ওঠার চেষ্টা, নতুন কিছু শেখার আগ্রহ এবং ভুল থেকে শিক্ষা নেওয়ার মানসিকতা একজন শিক্ষার্থীকে অন্যদের থেকে এগিয়ে রাখতে পারে। বিতর্ক কর্মশালা সেই আত্মউন্নয়নের একটি কার্যকর মাধ্যম হতে পারে। কারণ বিতর্কের মঞ্চে নিজের মত প্রকাশের পাশাপাশি অন্যের বক্তব্য মন দিয়ে শুনতে হয়। প্রতিপক্ষের যুক্তি বুঝে তার উত্তর দিতে হয়। ফলে একজন শিক্ষার্থী ধীরে ধীরে আরও সচেতন, আত্মবিশ্বাসী ও বিশ্লেষণী হয়ে ওঠে। এই দক্ষতাগুলো ভবিষ্যৎ জীবনের নানা ক্ষেত্রেও কাজে আসে।

সদর দক্ষিণ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সুজন চন্দ্র রায়ের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত কর্মশালায় আরও উপস্থিত ছিলেন সহকারী কমিশনার (ভূমি) সজীব তালুকদার, সাবেক কাউন্সিলর খলিলুর রহমান মজুমদার এবং কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় ডিবেটিং সোসাইটির সভাপতি আব্দুস সাদিসহ সংশ্লিষ্টরা। অনুষ্ঠানের বক্তারা শিক্ষার্থীদের নিয়মিত পড়াশোনার পাশাপাশি বিতর্ক, আলোচনা ও জ্ঞানচর্চায় যুক্ত হওয়ার আহ্বান জানান। তাঁদের মতে, একটি ভালো বিতর্কের লক্ষ্য শুধু জয় পাওয়া নয়; বরং বিষয়কে গভীরভাবে বোঝা, যুক্তি দিয়ে নিজের অবস্থান ব্যাখ্যা করা এবং প্রয়োজন হলে নিজের ভুল স্বীকার করার মানসিকতা তৈরি করা। তাই সদর দক্ষিণের এই আয়োজন শিক্ষার্থীদের জন্য একটি ইতিবাচক অভিজ্ঞতা হয়ে উঠতে পারে। যুক্তি, তথ্য ও চিন্তাশক্তিকে কাজে লাগিয়ে নতুন প্রজন্ম আরও আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে এগিয়ে যাবে—এমন প্রত্যাশাই উঠে এসেছে পুরো আয়োজনজুড়ে।

জনপ্রিয় সংবাদ

বিতর্ক কর্মশালা: যুক্তির শক্তিতে এগিয়ে যাওয়ার দারুণ বার্তা

বিতর্ক কর্মশালা: যুক্তির শক্তিতে এগিয়ে যাওয়ার দারুণ বার্তা

Update Time : ১১:৫৬:১৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২১ অগাস্ট ২০২৬

বিতর্ক কর্মশালা শুধু বিতর্কে জেতার কৌশল শেখায় না, বরং যুক্তি দিয়ে নিজের মত প্রকাশ করার সাহসও তৈরি করে। কুমিল্লার সদর দক্ষিণে মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের নিয়ে আয়োজিত এমনই এক বিতর্ক কর্মশালার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের চিন্তাশক্তি ও যুক্তির দক্ষতা বাড়ানোর আহ্বান জানিয়েছেন পিএসসি সদস্য ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. চৌধুরী সায়মা ফেরদৌস। শুক্রবার বিকালে অনুষ্ঠিত এ আয়োজনে তাঁর বক্তব্য শিক্ষার্থীদের মধ্যে নতুন উদ্দীপনা তৈরি করে। তিনি মনে করেন, মতের অমিল থাকতেই পারে, কিন্তু সেই মত প্রকাশের সবচেয়ে শক্তিশালী পথ হলো তথ্য ও যুক্তি। তাই শুধু জোরে কথা বললেই নিজের বক্তব্য শক্তিশালী হয় না; বরং যুক্তি যত পরিষ্কার হবে, বক্তব্য তত বেশি গ্রহণযোগ্য হবে।

অধ্যাপক ড. চৌধুরী সায়মা ফেরদৌস বলেন, পৃথিবীর কঠিনতম সমালোচনাও যুক্তির মাধ্যমে করা সম্ভব। এর জন্য গলার স্বর উঁচু করার প্রয়োজন নেই। বরং বাস্তব তথ্য, সঠিক বিশ্লেষণ ও শক্তিশালী যুক্তির মাধ্যমে একটি বক্তব্যকে কার্যকর করে তোলা যায়। তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, অনেক সময় আমরা দেখি মানুষের কণ্ঠস্বর অনেক জোরালো, অথচ বক্তব্যের পেছনে যুক্তি খুবই দুর্বল। বিতর্কের প্রকৃত সৌন্দর্য এখানেই যে, প্রতিপক্ষকে ব্যক্তিগতভাবে আক্রমণ না করে তার বক্তব্যের দুর্বল জায়গাগুলো যুক্তি দিয়ে তুলে ধরা যায়। এভাবেই একটি বিতর্ক গঠনমূলক আলোচনা ও জ্ঞানচর্চার সুযোগ তৈরি করে। তাঁর এই বক্তব্য শিক্ষার্থীদের জন্য শুধু বিতর্কের শিক্ষা নয়, দৈনন্দিন জীবনেও যুক্তিনির্ভর সিদ্ধান্ত নেওয়ার গুরুত্বপূর্ণ বার্তা।

আরও পড়ুন  সিড ফান্ডিং: তরুণ উদ্যোক্তা তৈরির শক্তিশালী সুযোগ

বর্তমান প্রযুক্তিনির্ভর সময়ে তথ্য সংগ্রহের সুযোগ আগের যেকোনো সময়ের তুলনায় অনেক বেশি। ঘরে বসেই বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তের জ্ঞান ও তথ্য জানা সম্ভব। বিতর্ক কর্মশালা উপলক্ষে শিক্ষার্থীদের এই সুযোগকে কাজে লাগানোর আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, বর্তমান প্রজন্মের বড় শক্তি হলো চিন্তাশক্তি। ইন্টারনেট ও বিভিন্ন ডিজিটাল মাধ্যমে তথ্য পাওয়া গেলেও সেই তথ্য যাচাই করে সঠিকভাবে ব্যবহার করার দক্ষতাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। শুধু তথ্য মুখস্থ করলেই হবে না, তথ্যের সত্যতা যাচাই করতে হবে, বিভিন্ন দিক থেকে বিষয়টি ভাবতে হবে এবং এরপর নিজের অবস্থানের পক্ষে যুক্তি দাঁড় করাতে হবে। শিক্ষার্থীরা যদি ছোটবেলা থেকেই এ ধরনের অভ্যাস গড়ে তোলে, তাহলে ভবিষ্যতে পড়াশোনা, কর্মজীবন ও সামাজিক জীবনে তারা আরও আত্মবিশ্বাসী হয়ে উঠতে পারবে।

আরও পড়ুন  সামাদ মোল্লাহ: সংগ্রামের মাঝেও ছাড়েননি দোতারা

অনুষ্ঠানে ছেলেমেয়ে উভয়ের সমান অংশগ্রহণের ওপরও গুরুত্ব দেওয়া হয়। আয়োজনে মেয়েদের উপস্থিতি তুলনামূলক বেশি থাকলেও ছেলেদেরও সমানভাবে এমন কার্যক্রমে অংশ নেওয়ার আহ্বান জানান অধ্যাপক সায়মা ফেরদৌস। তাঁর বক্তব্যের মূল বার্তা ছিল—একজন মানুষ ছেলে না মেয়ে, সেটি তার যুক্তির শক্তি নির্ধারণ করে না। যুক্তি যদি শক্তিশালী হয়, তাহলে কোনো অতিরিক্ত শক্তির প্রয়োজন পড়ে না। তাই শিক্ষার্থীদের নিজের বক্তব্যকে আরও শাণিত করতে হবে। বিতর্কের মাধ্যমে তারা কথা বলার দক্ষতা, শ্রবণক্ষমতা, বিশ্লেষণী চিন্তা ও দ্রুত সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা বাড়াতে পারে। একই সঙ্গে ভিন্ন মতকে সম্মান করার মানসিকতাও তৈরি হয়। এ কারণেই শিক্ষা জীবনে বিতর্কচর্চা শিক্ষার্থীদের ব্যক্তিত্ব বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে তিনি আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন ছুড়ে দেন—নিজেকে পরিবর্তন করার সিদ্ধান্ত তারা সর্বশেষ কবে নিয়েছে? তাঁর মতে, পরিবর্তনের সেই সিদ্ধান্ত অবশ্যই ইতিবাচক হতে হবে। নিজের দুর্বলতা চিহ্নিত করে তা কাটিয়ে ওঠার চেষ্টা, নতুন কিছু শেখার আগ্রহ এবং ভুল থেকে শিক্ষা নেওয়ার মানসিকতা একজন শিক্ষার্থীকে অন্যদের থেকে এগিয়ে রাখতে পারে। বিতর্ক কর্মশালা সেই আত্মউন্নয়নের একটি কার্যকর মাধ্যম হতে পারে। কারণ বিতর্কের মঞ্চে নিজের মত প্রকাশের পাশাপাশি অন্যের বক্তব্য মন দিয়ে শুনতে হয়। প্রতিপক্ষের যুক্তি বুঝে তার উত্তর দিতে হয়। ফলে একজন শিক্ষার্থী ধীরে ধীরে আরও সচেতন, আত্মবিশ্বাসী ও বিশ্লেষণী হয়ে ওঠে। এই দক্ষতাগুলো ভবিষ্যৎ জীবনের নানা ক্ষেত্রেও কাজে আসে।

আরও পড়ুন  বুড়িচংয়ে ভাড়াবাসা থেকে চালকের অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার,পলাতক স্ত্রী

সদর দক্ষিণ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সুজন চন্দ্র রায়ের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত কর্মশালায় আরও উপস্থিত ছিলেন সহকারী কমিশনার (ভূমি) সজীব তালুকদার, সাবেক কাউন্সিলর খলিলুর রহমান মজুমদার এবং কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় ডিবেটিং সোসাইটির সভাপতি আব্দুস সাদিসহ সংশ্লিষ্টরা। অনুষ্ঠানের বক্তারা শিক্ষার্থীদের নিয়মিত পড়াশোনার পাশাপাশি বিতর্ক, আলোচনা ও জ্ঞানচর্চায় যুক্ত হওয়ার আহ্বান জানান। তাঁদের মতে, একটি ভালো বিতর্কের লক্ষ্য শুধু জয় পাওয়া নয়; বরং বিষয়কে গভীরভাবে বোঝা, যুক্তি দিয়ে নিজের অবস্থান ব্যাখ্যা করা এবং প্রয়োজন হলে নিজের ভুল স্বীকার করার মানসিকতা তৈরি করা। তাই সদর দক্ষিণের এই আয়োজন শিক্ষার্থীদের জন্য একটি ইতিবাচক অভিজ্ঞতা হয়ে উঠতে পারে। যুক্তি, তথ্য ও চিন্তাশক্তিকে কাজে লাগিয়ে নতুন প্রজন্ম আরও আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে এগিয়ে যাবে—এমন প্রত্যাশাই উঠে এসেছে পুরো আয়োজনজুড়ে।