মুন্সীগঞ্জের লৌহজংয়ে বিশেষ অভিযান চালিয়ে ২০০ পিস ইয়াবাসহ দুই নারীকে গ্রেপ্তার করেছে লৌহজং থানা পুলিশ। বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) দুপুরে উপজেলার গোয়ালীমান্দ্রা হাট সংলগ্ন মুক্তিযোদ্ধা স্মৃতিস্তম্ভের সামনে থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হলো মুক্তা আক্তার (২৭) ও আইরিন ওরফে নেহা (২০)। পুলিশ জানিয়েছে, তাদের কাছ থেকে মোট ২০০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় তাদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে নিয়মিত মামলা করা হয়েছে।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, মাদকের বিরুদ্ধে চলমান অভিযানের অংশ হিসেবে বৃহস্পতিবার গোয়ালীমান্দ্রা এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হয়। লৌহজং থানার এসআই অভিজিৎ পোদ্দার সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে এ অভিযান পরিচালনা করেন।অভিযান চলাকালে গোয়ালীমান্দ্রা হাটের পাশের মুক্তিযোদ্ধা স্মৃতিস্তম্ভের সামনে সন্দেহভাজন দুই নারীকে আটক করা হয়। পরে তাদের তল্লাশি করে ২০০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়েছে বলে পুলিশ দাবি করেছে।
পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, গ্রেপ্তার দুই নারী মাদকদ্রব্যের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে আটক হয়েছেন। উদ্ধার করা ইয়াবা ট্যাবলেটগুলো জব্দ করা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।স্থানীয়ভাবে মাদকবিরোধী অভিযান জোরদারের অংশ হিসেবে বিভিন্ন এলাকায় নজরদারি ও অভিযান পরিচালনা করছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। এরই ধারাবাহিকতায় গোয়ালীমান্দ্রা এলাকায় এই অভিযান চালানো হয় বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন অনুযায়ী, মাদক রাখা, বহন, কেনাবেচা বা সরবরাহের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার বিধান রয়েছে। অভিযানে উদ্ধার হওয়া ইয়াবার উৎস এবং এর সঙ্গে অন্য কেউ জড়িত কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে জানা গেছে।এ ঘটনায় লৌহজং এলাকায় মাদকবিরোধী অভিযান নিয়ে আবারও আলোচনা শুরু হয়েছে। স্থানীয়দের প্রত্যাশা, মাদক নিয়ন্ত্রণে নিয়মিত অভিযান ও নজরদারি আরও জোরদার করা হবে। একই সঙ্গে মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন তারা।
গ্রেপ্তার দুই নারীকে আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে আদালতে পাঠানোর প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। মামলার পরবর্তী তদন্তে ইয়াবাগুলো কোথা থেকে সংগ্রহ করা হয়েছিল এবং কোথায় নেওয়া হচ্ছিল, সে বিষয়ে তথ্য বেরিয়ে আসতে পারে।আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী জানিয়েছে, মাদকবিরোধী অভিযান অব্যাহত থাকবে। তবে গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগের চূড়ান্ত সত্যতা আদালতের বিচারিক প্রক্রিয়ায় নির্ধারিত হবে।


























