ঢাকা ১১:২৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo কেনিয়ার মাটিতে টাটা কেমিক্যালসের জায়গায় আসছে নতুন দুই প্রতিষ্ঠান Logo লৌহজংয়ে ২০০ পিস ইয়াবাসহ দুই নারী গ্রেপ্তার Logo প্রযুক্তির ছোঁয়ায় বদলে গেছে সাতক্ষীরা পাসপোর্ট অফিসের সেবাচিত্র Logo ইমরান খান নিয়ে আশরাফুলের বিস্ফোরক মন্তব্য Logo আমরা বাংলাদেশকে খুব ভালোবাসি : কাভান সুলিভান Logo বন্যা-ভূমিধসে বিপর্যস্ত নেপালের পাশে বাংলাদেশ, দিল ১০ লাখ ডলার Logo ১০০ কিলোমিটার দৌড়ে বোলিং, অবিশ্বাস্য কীর্তি স্যামের Logo পুরোনো মালিকানায় ফেরার সুযোগ বন্ধে ব্যাংক আইন সংশোধনের প্রস্তাব Logo ‘হারপিকটা নিয়ে আসেন, আমি ক্লিন করব’, হাসপাতালের বাথরুম দেখে কৃষিমন্ত্রী Logo এআইইউবি প্রতিষ্ঠাতা ডা. আনোয়ারুল আবেদীনের মৃত্যুবার্ষিকী ৫ সেপ্টেম্বর

পুরোনো মালিকানায় ফেরার সুযোগ বন্ধে ব্যাংক আইন সংশোধনের প্রস্তাব

  • ডেস্ক নিউজ
  • Update Time : ১০:১৬:৫৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ৫০৭

পুরোনো শেয়ারহোল্ডারদের মালিকানা ফেরার সুযোগ বন্ধে আইন সংশোধনের উদ্যোগ। (ছবি: সংগৃহীত)

সংকটাপন্ন বা দুর্বল ব্যাংকের সাবেক শেয়ারহোল্ডারদের আবার মালিকানায় ফেরার সুযোগ বন্ধ করতে ব্যাংক রেজল্যুশন আইন, ২০২৬ সংশোধনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এ লক্ষ্যে আইনের ১৮ক ধারা বাতিলের প্রস্তাব করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) জাতীয় সংসদে ‘ব্যাংক রেজল্যুশন (সংশোধন) আইন, ২০২৬’ বিল উত্থাপন করেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের তৃতীয় অধিবেশনের চতুর্থ দিনে বিলটি সংসদে তোলা হয়। বিলের উদ্দেশ্য ও কারণসংবলিত বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ব্যাংক পুনর্গঠনের ক্ষেত্রে বিকল্প একটি বাজারভিত্তিক ব্যবস্থা চালুর লক্ষ্যেই ১৮ক ধারা যুক্ত করা হয়েছিল।

ওই ধারার মাধ্যমে সংকটে থাকা ব্যাংকের কার্যক্রম সচল রাখা, মূলধন ও তারল্য ঘাটতি মোকাবিলা এবং আমানতকারী ও বিনিয়োগকারীদের স্বার্থ রক্ষার ব্যবস্থা রাখা হয়েছিল। পাশাপাশি ব্যাংক পুনর্গঠনের ক্ষেত্রে সরকারের আর্থিক দায় কমানোর বিষয়টিও এর অন্যতম উদ্দেশ্য ছিল।

তবে ১৮ক ধারায় নির্ধারিত শর্ত পূরণ করে এখন পর্যন্ত কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান ব্যাংকের মালিকানা ফিরে পাওয়ার জন্য আবেদন করেনি। এ কারণে সরকার ধারাটি বাতিল করে আইন সংশোধনের উদ্যোগ নিয়েছে বলে বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়েছে।

বিলুপ্তির প্রস্তাব করা ১৮ক ধারায় নির্দিষ্ট কিছু শর্ত পূরণ করলে সংকটাপন্ন বা দুর্বল ব্যাংকের সাবেক শেয়ারহোল্ডারদের মালিকানা পুনরুদ্ধারের সুযোগ ছিল। এমনকি ব্যাংককে সংকটের দিকে ঠেলে দেওয়ার জন্য দায়ী বলে অভিযোগ থাকা ব্যক্তিরাও নির্দিষ্ট শর্তে সেই সুযোগ পেতে পারতেন।

এর আগে গত ১০ এপ্রিল জাতীয় সংসদে ব্যাংক রেজল্যুশন আইন, ২০২৬ পাস হয়। আইনটি পাসের সময় ১৮ক ধারা নিয়ে সংসদে তীব্র আপত্তি ওঠে। সংসদ সদস্যদের আশঙ্কা ছিল, এই ধারার সুযোগ নিয়ে ব্যাংক লুটপাটের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিরাও ভবিষ্যতে সংকটাপন্ন ব্যাংকের মালিকানা ফিরে পাওয়ার সুযোগ পেতে পারেন।

জনপ্রিয় সংবাদ

কেনিয়ার মাটিতে টাটা কেমিক্যালসের জায়গায় আসছে নতুন দুই প্রতিষ্ঠান

পুরোনো মালিকানায় ফেরার সুযোগ বন্ধে ব্যাংক আইন সংশোধনের প্রস্তাব

Update Time : ১০:১৬:৫৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬

সংকটাপন্ন বা দুর্বল ব্যাংকের সাবেক শেয়ারহোল্ডারদের আবার মালিকানায় ফেরার সুযোগ বন্ধ করতে ব্যাংক রেজল্যুশন আইন, ২০২৬ সংশোধনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এ লক্ষ্যে আইনের ১৮ক ধারা বাতিলের প্রস্তাব করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) জাতীয় সংসদে ‘ব্যাংক রেজল্যুশন (সংশোধন) আইন, ২০২৬’ বিল উত্থাপন করেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের তৃতীয় অধিবেশনের চতুর্থ দিনে বিলটি সংসদে তোলা হয়। বিলের উদ্দেশ্য ও কারণসংবলিত বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ব্যাংক পুনর্গঠনের ক্ষেত্রে বিকল্প একটি বাজারভিত্তিক ব্যবস্থা চালুর লক্ষ্যেই ১৮ক ধারা যুক্ত করা হয়েছিল।

আরও পড়ুন  গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে যুগপৎ আন্দোলনের নেতাদের সাক্ষাৎ

ওই ধারার মাধ্যমে সংকটে থাকা ব্যাংকের কার্যক্রম সচল রাখা, মূলধন ও তারল্য ঘাটতি মোকাবিলা এবং আমানতকারী ও বিনিয়োগকারীদের স্বার্থ রক্ষার ব্যবস্থা রাখা হয়েছিল। পাশাপাশি ব্যাংক পুনর্গঠনের ক্ষেত্রে সরকারের আর্থিক দায় কমানোর বিষয়টিও এর অন্যতম উদ্দেশ্য ছিল।

তবে ১৮ক ধারায় নির্ধারিত শর্ত পূরণ করে এখন পর্যন্ত কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান ব্যাংকের মালিকানা ফিরে পাওয়ার জন্য আবেদন করেনি। এ কারণে সরকার ধারাটি বাতিল করে আইন সংশোধনের উদ্যোগ নিয়েছে বলে বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়েছে।

আরও পড়ুন  আরও ৫ দিন বৃষ্টি, উত্তরাঞ্চলে অতিভারী বর্ষণের শঙ্কা

বিলুপ্তির প্রস্তাব করা ১৮ক ধারায় নির্দিষ্ট কিছু শর্ত পূরণ করলে সংকটাপন্ন বা দুর্বল ব্যাংকের সাবেক শেয়ারহোল্ডারদের মালিকানা পুনরুদ্ধারের সুযোগ ছিল। এমনকি ব্যাংককে সংকটের দিকে ঠেলে দেওয়ার জন্য দায়ী বলে অভিযোগ থাকা ব্যক্তিরাও নির্দিষ্ট শর্তে সেই সুযোগ পেতে পারতেন।

এর আগে গত ১০ এপ্রিল জাতীয় সংসদে ব্যাংক রেজল্যুশন আইন, ২০২৬ পাস হয়। আইনটি পাসের সময় ১৮ক ধারা নিয়ে সংসদে তীব্র আপত্তি ওঠে। সংসদ সদস্যদের আশঙ্কা ছিল, এই ধারার সুযোগ নিয়ে ব্যাংক লুটপাটের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিরাও ভবিষ্যতে সংকটাপন্ন ব্যাংকের মালিকানা ফিরে পাওয়ার সুযোগ পেতে পারেন।

আরও পড়ুন  প্রকল্প অনুমোদন প্রক্রিয়া সহজ: বিনিয়োগ বাড়াতে নতুন নির্দেশ প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের