প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বৈঠক ঘিরে দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। সোমবার সন্ধ্যায় রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় যুগপৎ আন্দোলনে অংশ নেওয়া বিএনপির মিত্র রাজনৈতিক দল ও জোটের শীর্ষ নেতারা প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকে অংশ নেন। সরকার গঠনের পর শরিক দলগুলোর সঙ্গে এটি ছিল প্রথম আনুষ্ঠানিক বৈঠক।
পূর্বনির্ধারিত সূচি অনুযায়ী সন্ধ্যা সাড়ে সাতটায় বৈঠক শুরু হওয়ার কথা ছিল। অংশগ্রহণকারী নেতাদের ভাষ্য অনুযায়ী, বৈঠকের মূল উদ্দেশ্য ছিল শুভেচ্ছা বিনিময়। তবে নির্বাচনের পর দেশের রাজনৈতিক বাস্তবতা এবং যুগপৎ আন্দোলনের শরিক দলগুলোর সঙ্গে ভবিষ্যৎ সম্পর্ক নিয়েও আলোচনা হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্না, বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হক, গণসংহতি আন্দোলনের নির্বাহী সমন্বয়কারী আবুল হাসান রুবেল, পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী জোনায়েদ সাকি, গণ অধিকার পরিষদের সভাপতি ও প্রবাসীকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী নুরুল হকসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের শীর্ষ নেতারা। আরও কয়েকটি দলের প্রতিনিধিরাও বৈঠকে যোগ দেন।
বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হক বলেন, আনুষ্ঠানিক আমন্ত্রণপত্রে শুভেচ্ছা বিনিময়ের বিষয়টি উল্লেখ থাকলেও, যুগপৎ আন্দোলনের শরিক দলগুলোর সঙ্গে বিএনপির বর্তমান সম্পর্ক ও ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক সমন্বয় আলোচনায় গুরুত্ব পেতে পারে বলে তিনি মনে করেন।
বৈঠক উপলক্ষে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়সহ দলের কয়েকজন জ্যেষ্ঠ নেতাকেও যমুনায় প্রবেশ করতে দেখা যায়। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, সরকার গঠনের পর এই বৈঠক ভবিষ্যতের রাজনৈতিক সমীকরণ নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।
এদিকে বৈঠক শেষে কী সিদ্ধান্ত বা বার্তা আসে, সেদিকে নজর রয়েছে রাজনৈতিক মহলসহ সাধারণ মানুষের। শরিক দলগুলোর সঙ্গে সমন্বয়, ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা এবং রাজনৈতিক সম্পর্ক আরও শক্তিশালী করার বিষয়ে এই বৈঠক তাৎপর্যপূর্ণ হতে পারে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।




























