পুঁজিবাজার সংস্কার কার্যক্রমকে আরও গতিশীল করার পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। তিনি বলেছেন, দেশের অভ্যন্তরীণ মূলধন বৃদ্ধি এবং অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডকে আরও শক্তিশালী করতে সরকার পুঁজিবাজার সংস্কারের ওপর বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে।
মঙ্গলবার (৯ জুন) জাতীয় সংসদের প্রশ্নোত্তর পর্বে এ বিষয়ে বক্তব্য দেন অর্থমন্ত্রী। তিনি জানান, দেশের অর্থনীতিতে পুঁজিবাজারের অবদান বাড়াতে প্রাতিষ্ঠানিক ও নিয়ন্ত্রক পর্যায়ে প্রয়োজনীয় পরিবর্তন আনা হচ্ছে। সরকারের লক্ষ্য হলো বিনিয়োগবান্ধব ও কার্যকর একটি বাজার ব্যবস্থা গড়ে তোলা।
পুঁজিবাজার সংস্কারের অংশ হিসেবে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি) পুনর্গঠন করা হয়েছে বলেও জানান তিনি। কমিশনে অভিজ্ঞ ও দক্ষ পেশাজীবীদের অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে, যাতে বাজার তদারকি আরও কার্যকর হয় এবং বিনিয়োগকারীদের আস্থা বৃদ্ধি পায়।
অর্থমন্ত্রীর ভাষ্য অনুযায়ী, বর্তমানে দেশের পুঁজিবাজার এখনও প্রত্যাশিত পর্যায়ে পৌঁছাতে পারেনি। বাজার সম্প্রসারণে সহায়ক বিভিন্ন আর্থিক পণ্য ও আধুনিক বিনিয়োগ সুবিধার আরও বিকাশ প্রয়োজন। এ কারণে দীর্ঘমেয়াদি সংস্কার পরিকল্পনা বাস্তবায়নে কাজ করছে সরকার।
তিনি বলেন, শক্তিশালী নিয়ন্ত্রক কাঠামো এবং চলমান পুঁজিবাজার সংস্কার কার্যক্রম ভবিষ্যতে বাজারে নতুন গতি আনবে। এর ফলে জনগণের সঞ্চয় উৎপাদনশীল খাতে বিনিয়োগের সুযোগ পাবে এবং শিল্প ও ব্যবসা খাত প্রয়োজনীয় অর্থায়ন সংগ্রহে আরও সুবিধা পাবে।
সরকার পুঁজিবাজারকে দেশের অর্থনীতির একটি নির্ভরযোগ্য অর্থায়নের উৎস হিসেবে গড়ে তুলতে বদ্ধপরিকর বলেও জানান অর্থমন্ত্রী। সংশ্লিষ্টদের আশা, চলমান পুঁজিবাজার সংস্কার কার্যক্রম সফলভাবে বাস্তবায়িত হলে বিনিয়োগকারীদের আস্থা বাড়বে এবং দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিতে বাজারটির অবদান আরও দৃশ্যমান হবে।


























