ঢাকা ০১:৩৬ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১০ জুন ২০২৬, ২৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo বিদ্যুৎস্পৃষ্টে মৃত্যু: ব্রাজিলের পতাকা টাঙাতে গিয়ে কিশোরের মর্মান্তিক পরিণতি Logo ছাত্রদল বিক্ষোভ মিছিল: নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের বিরুদ্ধে কঠোর প্রতিবাদ, ক্যাম্পাসে উত্তেজনা Logo সৈয়দ আব্দুল হাদী বিশেষ সম্মাননা: শিল্পকলা একাডেমির উদ্যোগে কিংবদন্তি গায়কের রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি Logo ২১ বছর পর অস্ট্রেলিয়াকে হারিয়ে ইতিহাস গড়ল টাইগাররা Logo হেপাটাইটিস এ ও ই: কীভাবে ছড়ায় এবং সহজেই ঝুঁকি এড়াবেন Logo যশোরে সাবেক রাজনৈতিক নেতাকে আটক, গ্রেপ্তার ঘিরে পরিবারের অভিযোগ Logo এন্ট্রি-লেভেল প্রাইভেট ডাক্তারদের বেতন কাঠামো নির্ধারণে কমিটি গঠন Logo তাইওয়ানের রোবট কুকুর, চীনের হামলা ঠেকাতে নতুন সামরিক প্রযুক্তি Logo স্বাক্ষর বিতর্কে নতুন মোড়, তৃণমূলের একাধিক কার্যালয়ে তদন্ত সংস্থার তল্লাশি Logo লিচু দিয়ে রাবড়ি রেসিপি: গরমে ঘরেই তৈরি করুন সুস্বাদু ডেজার্ট

২১ বছর পর অস্ট্রেলিয়াকে হারিয়ে ইতিহাস গড়ল টাইগাররা

  • ডেস্ক নিউজ
  • Update Time : ১০:৪৭:০৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৯ জুন ২০২৬
  • ৫১২

বাংলাদেশ বনাম অস্ট্রেলিয়া ওয়ানডে ম্যাচে ঐতিহাসিক জয়ের আনন্দে বাংলাদেশ দল। ছবি: সংগৃহীত

বাংলাদেশ বনাম অস্ট্রেলিয়া ওয়ানডে ম্যাচে দীর্ঘ ২১ বছরের অপেক্ষার অবসান ঘটিয়ে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ঐতিহাসিক জয় তুলে নিয়েছে বাংলাদেশ। মঙ্গলবার (৯ জুন) মিরপুর শের-ই-বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত ম্যাচে ডিএল পদ্ধতিতে ৮৬ রানের জয় পায় টাইগাররা। ওয়ানডে ক্রিকেটে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে এটি বাংলাদেশের দ্বিতীয় জয়, প্রথম জয়টি এসেছিল ২০০৫ সালে কার্ডিফে।

টস হেরে প্রথমে ব্যাট করতে নেমে বাংলাদেশ ৫০ ওভারে ৮ উইকেট হারিয়ে ২৮৪ রানের সংগ্রহ দাঁড় করায়। দলের হয়ে সর্বোচ্চ ৮৬ রানে অপরাজিত থাকেন চার বছর পর ওয়ানডে দলে ফেরা মোসাদ্দেক হোসেন সৈকত। এছাড়া নাজমুল হোসেন শান্ত ৬৭ এবং তানজিদ হাসান তামিম ৫৪ রানের গুরুত্বপূর্ণ ইনিংস খেলেন। মোসাদ্দেক ও তাওহীদ হৃদয়ের জুটিও দলের বড় সংগ্রহ গড়তে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

২৮৫ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরু থেকেই চাপে পড়ে অস্ট্রেলিয়া। ইনিংসের প্রথম বলেই ম্যাথু শর্টকে ফিরিয়ে দেন তাসকিন আহমেদ। পরের ওভারেই মুস্তাফিজুর রহমান আউট করেন মার্নাস ল্যাবুশেনকে। মাত্র ২ রানে ২ উইকেট হারিয়ে বিপদে পড়ে সফরকারীরা। এরপর জশ ইংলিশ, কুপার কনোলি, ম্যাট রেনশসহ মিডল অর্ডারের ব্যাটারদের দ্রুত সাজঘরে ফেরান বাংলাদেশের বোলাররা।

বল হাতে সবচেয়ে সফল ছিলেন পেসার রানা। তিনি চারটি গুরুত্বপূর্ণ উইকেট শিকার করে অস্ট্রেলিয়ার ব্যাটিং লাইনআপে ধস নামান। অন্যদিকে মোসাদ্দেক হোসেন ব্যাট হাতে ৮৬ রানের ইনিংসের পাশাপাশি বল হাতে দুটি উইকেট নিয়ে অলরাউন্ড পারফরম্যান্স উপহার দেন। অস্ট্রেলিয়ার হয়ে ক্যামেরন গ্রিন ৫২ রানে অপরাজিত থাকলেও দলকে পরাজয় থেকে বাঁচাতে পারেননি।

বৃষ্টির কারণে অস্ট্রেলিয়ার ইনিংস ৪২.২ ওভারে ৯ উইকেটে ১৯১ রানে থেমে যায়। এরপর খেলা আর শুরু না হওয়ায় ডাকওয়ার্থ-লুইস (ডিএল) পদ্ধতিতে ৮৬ রানের জয় নিশ্চিত হয় বাংলাদেশের। এই জয়ে ঘরের মাঠে নতুন ইতিহাস গড়েছে টাইগাররা এবং ক্রিকেটপ্রেমীদের উপহার দিয়েছে স্মরণীয় এক মুহূর্ত।

বাংলাদেশ ক্রিকেটের জন্য এই জয় শুধু একটি ম্যাচ জয়ের গল্প নয়, বরং বিশ্ব ক্রিকেটের অন্যতম শক্তিশালী দলের বিপক্ষে আত্মবিশ্বাসের নতুন বার্তা। বিশেষ করে মোসাদ্দেক হোসেনের প্রত্যাবর্তন, বোলারদের নিয়ন্ত্রিত পারফরম্যান্স এবং দলের সম্মিলিত প্রচেষ্টা ভবিষ্যতের জন্য ইতিবাচক ইঙ্গিত দিচ্ছে। বাংলাদেশ বনাম অস্ট্রেলিয়া ওয়ানডে ম্যাচের এই ঐতিহাসিক জয় দীর্ঘদিন স্মরণীয় হয়ে থাকবে ক্রিকেটপ্রেমীদের কাছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

বিদ্যুৎস্পৃষ্টে মৃত্যু: ব্রাজিলের পতাকা টাঙাতে গিয়ে কিশোরের মর্মান্তিক পরিণতি

২১ বছর পর অস্ট্রেলিয়াকে হারিয়ে ইতিহাস গড়ল টাইগাররা

Update Time : ১০:৪৭:০৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৯ জুন ২০২৬

বাংলাদেশ বনাম অস্ট্রেলিয়া ওয়ানডে ম্যাচে দীর্ঘ ২১ বছরের অপেক্ষার অবসান ঘটিয়ে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ঐতিহাসিক জয় তুলে নিয়েছে বাংলাদেশ। মঙ্গলবার (৯ জুন) মিরপুর শের-ই-বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত ম্যাচে ডিএল পদ্ধতিতে ৮৬ রানের জয় পায় টাইগাররা। ওয়ানডে ক্রিকেটে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে এটি বাংলাদেশের দ্বিতীয় জয়, প্রথম জয়টি এসেছিল ২০০৫ সালে কার্ডিফে।

টস হেরে প্রথমে ব্যাট করতে নেমে বাংলাদেশ ৫০ ওভারে ৮ উইকেট হারিয়ে ২৮৪ রানের সংগ্রহ দাঁড় করায়। দলের হয়ে সর্বোচ্চ ৮৬ রানে অপরাজিত থাকেন চার বছর পর ওয়ানডে দলে ফেরা মোসাদ্দেক হোসেন সৈকত। এছাড়া নাজমুল হোসেন শান্ত ৬৭ এবং তানজিদ হাসান তামিম ৫৪ রানের গুরুত্বপূর্ণ ইনিংস খেলেন। মোসাদ্দেক ও তাওহীদ হৃদয়ের জুটিও দলের বড় সংগ্রহ গড়তে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

২৮৫ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরু থেকেই চাপে পড়ে অস্ট্রেলিয়া। ইনিংসের প্রথম বলেই ম্যাথু শর্টকে ফিরিয়ে দেন তাসকিন আহমেদ। পরের ওভারেই মুস্তাফিজুর রহমান আউট করেন মার্নাস ল্যাবুশেনকে। মাত্র ২ রানে ২ উইকেট হারিয়ে বিপদে পড়ে সফরকারীরা। এরপর জশ ইংলিশ, কুপার কনোলি, ম্যাট রেনশসহ মিডল অর্ডারের ব্যাটারদের দ্রুত সাজঘরে ফেরান বাংলাদেশের বোলাররা।

বল হাতে সবচেয়ে সফল ছিলেন পেসার রানা। তিনি চারটি গুরুত্বপূর্ণ উইকেট শিকার করে অস্ট্রেলিয়ার ব্যাটিং লাইনআপে ধস নামান। অন্যদিকে মোসাদ্দেক হোসেন ব্যাট হাতে ৮৬ রানের ইনিংসের পাশাপাশি বল হাতে দুটি উইকেট নিয়ে অলরাউন্ড পারফরম্যান্স উপহার দেন। অস্ট্রেলিয়ার হয়ে ক্যামেরন গ্রিন ৫২ রানে অপরাজিত থাকলেও দলকে পরাজয় থেকে বাঁচাতে পারেননি।

বৃষ্টির কারণে অস্ট্রেলিয়ার ইনিংস ৪২.২ ওভারে ৯ উইকেটে ১৯১ রানে থেমে যায়। এরপর খেলা আর শুরু না হওয়ায় ডাকওয়ার্থ-লুইস (ডিএল) পদ্ধতিতে ৮৬ রানের জয় নিশ্চিত হয় বাংলাদেশের। এই জয়ে ঘরের মাঠে নতুন ইতিহাস গড়েছে টাইগাররা এবং ক্রিকেটপ্রেমীদের উপহার দিয়েছে স্মরণীয় এক মুহূর্ত।

বাংলাদেশ ক্রিকেটের জন্য এই জয় শুধু একটি ম্যাচ জয়ের গল্প নয়, বরং বিশ্ব ক্রিকেটের অন্যতম শক্তিশালী দলের বিপক্ষে আত্মবিশ্বাসের নতুন বার্তা। বিশেষ করে মোসাদ্দেক হোসেনের প্রত্যাবর্তন, বোলারদের নিয়ন্ত্রিত পারফরম্যান্স এবং দলের সম্মিলিত প্রচেষ্টা ভবিষ্যতের জন্য ইতিবাচক ইঙ্গিত দিচ্ছে। বাংলাদেশ বনাম অস্ট্রেলিয়া ওয়ানডে ম্যাচের এই ঐতিহাসিক জয় দীর্ঘদিন স্মরণীয় হয়ে থাকবে ক্রিকেটপ্রেমীদের কাছে।