ঢাকা ১১:৪৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ জুলাই ২০২৬, ৯ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo ত্বক ও চুলের যত্নে ডিম, কীভাবে ব্যবহার করবেন Logo তিলের বীজ খেলে কী হয়? জানুন বিজ্ঞান যা বলছে Logo বিশ্বকাপের নায়ক কুকুরেয়া, মাঠের বাইরের লড়াই আরও কঠিন Logo প্রথমবার প্রাকৃতিক আবাসে দেখা মিলল আর্কটিক ববটেইল স্কুইডের Logo বিশ্বকাপের সেরা ১০ তারকা প্রকাশ, শীর্ষে মেসি Logo বিশ্বকাপ ফাইনাল ফের হবে? যা বললেন পোরো Logo পুরুষদের তুলনায় নারীদের গরম বেশি লাগে কেন? জানালেন বিশেষজ্ঞরা Logo চন্দনাইশের জাঁহাগিরিয়া শাহছুফি মমতাজিয়া দরবার শরীফের শাহসুফি সৈয়্যদ মুহাম্মদ মমতাজ আলী ১৭তম পবিত্র বার্ষিক ওরশ মোবারক অনুষ্ঠিত Logo বর্ষায় কোন সবজিগুলো খেলে বাড়তে পারে সংক্রমণের ঝুঁকি? Logo জেনিফার লোপেজ সম্পর্ক: ৪ বিচ্ছেদের পর সাহসী উপলব্ধি

তিলের বীজ খেলে কী হয়? জানুন বিজ্ঞান যা বলছে

  • ডেস্ক নিউজ
  • Update Time : ১১:৪৮:২২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ জুলাই ২০২৬
  • ৫০২

তিলের বীজ সহজেই প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় যোগ করা যায়।ছবি: সংগৃহীত।

ছোট্ট এই তিলের বীজ পুষ্টিগুণে ভরপুর একটি সুপারফুড। হাজার বছর ধরে বিভিন্ন দেশের রান্নায় তিল ব্যবহার হয়ে আসছে। আধুনিক গবেষণাও বলছে, নিয়মিত ও পরিমিত পরিমাণে তিলের বীজ খেলে হৃদ্‌স্বাস্থ্য ভালো রাখা, প্রদাহ কমানো, রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ানোর মতো নানা উপকার মিলতে পারে।

নিচে তিলের বীজের উল্লেখযোগ্য স্বাস্থ্য উপকারিতাগুলো তুলে ধরা হলো।

১. শরীরে ফাইবারের ঘাটতি পূরণে সাহায্য করে

তিলের বীজ ফাইবারের ভালো উৎস। মাত্র তিন টেবিল চামচ তিলে প্রায় ৩.২ গ্রাম ফাইবার থাকে।

পর্যাপ্ত ফাইবার গ্রহণ করলে—

  • হজম ভালো থাকে।
  • অন্ত্রের উপকারী ব্যাকটেরিয়া বৃদ্ধি পায়।
  • কোষ্ঠকাঠিন্যের ঝুঁকি কমে।
  • টাইপ-২ ডায়াবেটিস, হৃদরোগ ও কিছু ক্যানসারের ঝুঁকি কমাতে সহায়তা করতে পারে।

২. কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণে ভূমিকা রাখতে পারে

তিলের বীজে থাকা স্বাস্থ্যকর অসম্পৃক্ত চর্বি (Unsaturated Fat) হৃদ্‌স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী।

গবেষণায় দেখা গেছে, নিয়মিত তিল খাওয়া—

  • ক্ষতিকর LDL কোলেস্টেরল কমাতে সাহায্য করতে পারে।
  • হৃদরোগের ঝুঁকি কমাতে ভূমিকা রাখতে পারে।
  • স্বাস্থ্যকর চর্বির মাধ্যমে রক্তনালীর কার্যকারিতা ভালো রাখতে সহায়তা করে।

তবে এ বিষয়ে আরও বিস্তৃত গবেষণা প্রয়োজন।

৩. শরীরের প্রদাহ কমাতে সহায়ক

তিলে থাকা সেসামিন (Sesamin) ও অন্যান্য লিগনান শক্তিশালী অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট হিসেবে কাজ করে।

এসব উপাদান—

  • শরীরের দীর্ঘমেয়াদি প্রদাহ কমাতে সহায়তা করতে পারে।
  • রিউমাটয়েড আর্থ্রাইটিসের মতো প্রদাহজনিত সমস্যায় উপকারী হতে পারে।
  • অক্সিডেটিভ স্ট্রেস কমাতে ভূমিকা রাখে।

৪. রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করতে পারে

উচ্চ রক্তচাপ হৃদরোগ ও স্ট্রোকের অন্যতম বড় ঝুঁকির কারণ।

তিলের বীজে থাকা—

  • ম্যাগনেসিয়াম
  • স্বাস্থ্যকর ফ্যাট
  • ফাইবার
  • লিগনান

রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে ইতিবাচক ভূমিকা রাখতে পারে। এক টেবিল চামচ তিল দৈনিক ম্যাগনেসিয়ামের চাহিদার প্রায় ৮ শতাংশ পূরণ করে।

৫. রক্তে শর্করা নিয়ন্ত্রণে সহায়ক

তিলের বীজে কার্বোহাইড্রেট তুলনামূলক কম, কিন্তু স্বাস্থ্যকর চর্বি ও প্রোটিন বেশি।

এ কারণে এটি—

  • রক্তে শর্করার হঠাৎ বৃদ্ধি কমাতে সাহায্য করতে পারে।
  • দীর্ঘ সময় পেট ভরা রাখতে সহায়তা করে।
  • ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে সহায়ক খাদ্যতালিকার অংশ হতে পারে।

তবে এ বিষয়ে মানুষের ওপর আরও গবেষণা প্রয়োজন।

৬. বি-ভিটামিনের ভালো উৎস

তিলের বীজে বিশেষ করে—

  • থায়ামিন (Vitamin B1)
  • নিয়াসিন (Vitamin B3)

উল্লেখযোগ্য পরিমাণে থাকে।

এসব ভিটামিন—

  • শক্তি উৎপাদনে সাহায্য করে।
  • কোষের স্বাভাবিক বৃদ্ধি নিশ্চিত করে।
  • স্নায়ুতন্ত্রের কার্যকারিতা ঠিক রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

৭. রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সহায়ক

তিলে রয়েছে—

  • জিংক
  • ভিটামিন-ই
  • অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট

যা শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা শক্তিশালী করতে সহায়তা করে।

ভিটামিন-ই কোষকে ক্ষতিকর ফ্রি-র‍্যাডিক্যালের ক্ষতি থেকে রক্ষা করে এবং ব্যাকটেরিয়া ও ভাইরাসের বিরুদ্ধে শরীরের প্রতিরোধ ব্যবস্থা সক্রিয় রাখতে ভূমিকা রাখে।

৮. ক্যানসার প্রতিরোধে সম্ভাবনাময়

প্রাথমিক গবেষণায় দেখা গেছে, তিলে থাকা সেসামল (Sesamol) নামের যৌগে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ও প্রদাহবিরোধী বৈশিষ্ট্য রয়েছে।

এটি—

  • কোষের ক্ষতি কমাতে সাহায্য করতে পারে।
  • অক্সিডেটিভ স্ট্রেস হ্রাস করতে পারে।
  • কিছু ধরনের ক্যানসারের ঝুঁকি কমাতে ভূমিকা রাখতে পারে।

তবে মানুষের ওপর আরও বিস্তৃত গবেষণা প্রয়োজন।

তিলের বীজের পুষ্টিগুণ

প্রায় ৩ টেবিল চামচ তিলে পাওয়া যায়—

  • ক্যালরি: ১৫৫
  • প্রোটিন: ৪.৮ গ্রাম
  • ফ্যাট: ১৩.৪ গ্রাম
  • কার্বোহাইড্রেট: ৬.৩ গ্রাম
  • ফাইবার: ৩.২ গ্রাম
  • সোডিয়াম: ৩ মিলিগ্রাম

এছাড়া এতে রয়েছে ম্যাগনেসিয়াম, জিংক, ভিটামিন-ই ও বিভিন্ন অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট।

তিল খাওয়ার ক্ষেত্রে যেসব বিষয়ে সতর্ক থাকবেন

যদিও তিলের বীজ বেশিরভাগ মানুষের জন্য নিরাপদ, তবুও কিছু বিষয় মাথায় রাখা জরুরি।

  • যাদের তিলে অ্যালার্জি রয়েছে, তারা অবশ্যই এড়িয়ে চলবেন।
  • অতিরিক্ত তিল খেলে হজমের সমস্যা হতে পারে।
  • যেকোনো খাবারের মতো এটিও পরিমিত পরিমাণে খাওয়াই সবচেয়ে ভালো।

কীভাবে খাদ্যতালিকায় তিল যোগ করবেন?

তিল খুব সহজেই প্রতিদিনের খাবারে যুক্ত করা যায়।

আপনি চাইলে—

  • সালাদে ছিটিয়ে খেতে পারেন।
  • রুটি, পাউরুটি বা পিঠায় ব্যবহার করতে পারেন।
  • ভেজে রান্নায় ব্যবহার করতে পারেন।
  • তাহিনি (Tahini) তৈরি করতে পারেন, যা হামাস তৈরির অন্যতম উপাদান।
  • দই, ওটস বা স্মুদির ওপর ছিটিয়ে খেতে পারেন।

শেষ কথা

ছোট হলেও তিলের বীজ পুষ্টিগুণে সমৃদ্ধ একটি খাদ্য। এতে থাকা ফাইবার, স্বাস্থ্যকর চর্বি, অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, ম্যাগনেসিয়াম ও বি-ভিটামিন হৃদ্‌স্বাস্থ্য রক্ষা, রক্তচাপ ও রক্তে শর্করা নিয়ন্ত্রণ, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি এবং শরীরের প্রদাহ কমাতে সহায়ক হতে পারে। তবে সর্বোচ্চ উপকার পেতে তিলকে সুষম খাদ্যাভ্যাসের অংশ হিসেবে পরিমিত পরিমাণে খাওয়াই সবচেয়ে ভালো।

জনপ্রিয় সংবাদ

ত্বক ও চুলের যত্নে ডিম, কীভাবে ব্যবহার করবেন

তিলের বীজ খেলে কী হয়? জানুন বিজ্ঞান যা বলছে

Update Time : ১১:৪৮:২২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ জুলাই ২০২৬

ছোট্ট এই তিলের বীজ পুষ্টিগুণে ভরপুর একটি সুপারফুড। হাজার বছর ধরে বিভিন্ন দেশের রান্নায় তিল ব্যবহার হয়ে আসছে। আধুনিক গবেষণাও বলছে, নিয়মিত ও পরিমিত পরিমাণে তিলের বীজ খেলে হৃদ্‌স্বাস্থ্য ভালো রাখা, প্রদাহ কমানো, রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ানোর মতো নানা উপকার মিলতে পারে।

নিচে তিলের বীজের উল্লেখযোগ্য স্বাস্থ্য উপকারিতাগুলো তুলে ধরা হলো।

১. শরীরে ফাইবারের ঘাটতি পূরণে সাহায্য করে

তিলের বীজ ফাইবারের ভালো উৎস। মাত্র তিন টেবিল চামচ তিলে প্রায় ৩.২ গ্রাম ফাইবার থাকে।

পর্যাপ্ত ফাইবার গ্রহণ করলে—

  • হজম ভালো থাকে।
  • অন্ত্রের উপকারী ব্যাকটেরিয়া বৃদ্ধি পায়।
  • কোষ্ঠকাঠিন্যের ঝুঁকি কমে।
  • টাইপ-২ ডায়াবেটিস, হৃদরোগ ও কিছু ক্যানসারের ঝুঁকি কমাতে সহায়তা করতে পারে।

২. কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণে ভূমিকা রাখতে পারে

তিলের বীজে থাকা স্বাস্থ্যকর অসম্পৃক্ত চর্বি (Unsaturated Fat) হৃদ্‌স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী।

গবেষণায় দেখা গেছে, নিয়মিত তিল খাওয়া—

  • ক্ষতিকর LDL কোলেস্টেরল কমাতে সাহায্য করতে পারে।
  • হৃদরোগের ঝুঁকি কমাতে ভূমিকা রাখতে পারে।
  • স্বাস্থ্যকর চর্বির মাধ্যমে রক্তনালীর কার্যকারিতা ভালো রাখতে সহায়তা করে।
আরও পড়ুন  বায়ুদূষণে শীর্ষে জাকার্তা, ঢাকার খবর কী

তবে এ বিষয়ে আরও বিস্তৃত গবেষণা প্রয়োজন।

৩. শরীরের প্রদাহ কমাতে সহায়ক

তিলে থাকা সেসামিন (Sesamin) ও অন্যান্য লিগনান শক্তিশালী অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট হিসেবে কাজ করে।

এসব উপাদান—

  • শরীরের দীর্ঘমেয়াদি প্রদাহ কমাতে সহায়তা করতে পারে।
  • রিউমাটয়েড আর্থ্রাইটিসের মতো প্রদাহজনিত সমস্যায় উপকারী হতে পারে।
  • অক্সিডেটিভ স্ট্রেস কমাতে ভূমিকা রাখে।

৪. রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করতে পারে

উচ্চ রক্তচাপ হৃদরোগ ও স্ট্রোকের অন্যতম বড় ঝুঁকির কারণ।

তিলের বীজে থাকা—

  • ম্যাগনেসিয়াম
  • স্বাস্থ্যকর ফ্যাট
  • ফাইবার
  • লিগনান

রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে ইতিবাচক ভূমিকা রাখতে পারে। এক টেবিল চামচ তিল দৈনিক ম্যাগনেসিয়ামের চাহিদার প্রায় ৮ শতাংশ পূরণ করে।

৫. রক্তে শর্করা নিয়ন্ত্রণে সহায়ক

তিলের বীজে কার্বোহাইড্রেট তুলনামূলক কম, কিন্তু স্বাস্থ্যকর চর্বি ও প্রোটিন বেশি।

এ কারণে এটি—

  • রক্তে শর্করার হঠাৎ বৃদ্ধি কমাতে সাহায্য করতে পারে।
  • দীর্ঘ সময় পেট ভরা রাখতে সহায়তা করে।
  • ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে সহায়ক খাদ্যতালিকার অংশ হতে পারে।

তবে এ বিষয়ে মানুষের ওপর আরও গবেষণা প্রয়োজন।

৬. বি-ভিটামিনের ভালো উৎস

তিলের বীজে বিশেষ করে—

  • থায়ামিন (Vitamin B1)
  • নিয়াসিন (Vitamin B3)
আরও পড়ুন  ঠান্ডা নাকি গরম সেঁক? ব্যথায় কোনটি বেশি কার্যকর জানুন

উল্লেখযোগ্য পরিমাণে থাকে।

এসব ভিটামিন—

  • শক্তি উৎপাদনে সাহায্য করে।
  • কোষের স্বাভাবিক বৃদ্ধি নিশ্চিত করে।
  • স্নায়ুতন্ত্রের কার্যকারিতা ঠিক রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

৭. রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সহায়ক

তিলে রয়েছে—

  • জিংক
  • ভিটামিন-ই
  • অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট

যা শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা শক্তিশালী করতে সহায়তা করে।

ভিটামিন-ই কোষকে ক্ষতিকর ফ্রি-র‍্যাডিক্যালের ক্ষতি থেকে রক্ষা করে এবং ব্যাকটেরিয়া ও ভাইরাসের বিরুদ্ধে শরীরের প্রতিরোধ ব্যবস্থা সক্রিয় রাখতে ভূমিকা রাখে।

৮. ক্যানসার প্রতিরোধে সম্ভাবনাময়

প্রাথমিক গবেষণায় দেখা গেছে, তিলে থাকা সেসামল (Sesamol) নামের যৌগে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ও প্রদাহবিরোধী বৈশিষ্ট্য রয়েছে।

এটি—

  • কোষের ক্ষতি কমাতে সাহায্য করতে পারে।
  • অক্সিডেটিভ স্ট্রেস হ্রাস করতে পারে।
  • কিছু ধরনের ক্যানসারের ঝুঁকি কমাতে ভূমিকা রাখতে পারে।

তবে মানুষের ওপর আরও বিস্তৃত গবেষণা প্রয়োজন।

তিলের বীজের পুষ্টিগুণ

প্রায় ৩ টেবিল চামচ তিলে পাওয়া যায়—

  • ক্যালরি: ১৫৫
  • প্রোটিন: ৪.৮ গ্রাম
  • ফ্যাট: ১৩.৪ গ্রাম
  • কার্বোহাইড্রেট: ৬.৩ গ্রাম
  • ফাইবার: ৩.২ গ্রাম
  • সোডিয়াম: ৩ মিলিগ্রাম

এছাড়া এতে রয়েছে ম্যাগনেসিয়াম, জিংক, ভিটামিন-ই ও বিভিন্ন অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট।

আরও পড়ুন  সহজে তৈরি করুন মজাদার ও ঝাল-টক আচারি কুমড়া

তিল খাওয়ার ক্ষেত্রে যেসব বিষয়ে সতর্ক থাকবেন

যদিও তিলের বীজ বেশিরভাগ মানুষের জন্য নিরাপদ, তবুও কিছু বিষয় মাথায় রাখা জরুরি।

  • যাদের তিলে অ্যালার্জি রয়েছে, তারা অবশ্যই এড়িয়ে চলবেন।
  • অতিরিক্ত তিল খেলে হজমের সমস্যা হতে পারে।
  • যেকোনো খাবারের মতো এটিও পরিমিত পরিমাণে খাওয়াই সবচেয়ে ভালো।

কীভাবে খাদ্যতালিকায় তিল যোগ করবেন?

তিল খুব সহজেই প্রতিদিনের খাবারে যুক্ত করা যায়।

আপনি চাইলে—

  • সালাদে ছিটিয়ে খেতে পারেন।
  • রুটি, পাউরুটি বা পিঠায় ব্যবহার করতে পারেন।
  • ভেজে রান্নায় ব্যবহার করতে পারেন।
  • তাহিনি (Tahini) তৈরি করতে পারেন, যা হামাস তৈরির অন্যতম উপাদান।
  • দই, ওটস বা স্মুদির ওপর ছিটিয়ে খেতে পারেন।

শেষ কথা

ছোট হলেও তিলের বীজ পুষ্টিগুণে সমৃদ্ধ একটি খাদ্য। এতে থাকা ফাইবার, স্বাস্থ্যকর চর্বি, অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, ম্যাগনেসিয়াম ও বি-ভিটামিন হৃদ্‌স্বাস্থ্য রক্ষা, রক্তচাপ ও রক্তে শর্করা নিয়ন্ত্রণ, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি এবং শরীরের প্রদাহ কমাতে সহায়ক হতে পারে। তবে সর্বোচ্চ উপকার পেতে তিলকে সুষম খাদ্যাভ্যাসের অংশ হিসেবে পরিমিত পরিমাণে খাওয়াই সবচেয়ে ভালো।