ঢাকা ১২:৫১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৫ অগাস্ট ২০২৬, ২০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo রিজভীর বিস্ফোরক দাবি: জনগণের পারমাণবিক শক্তিতে ফ্যাসিবাদের পতন Logo বিপজ্জনক গ্রহাণু প্রতিরোধ: বিজ্ঞানীদের শক্তিশালী নতুন পরিকল্পনা Logo টানা দুই সপ্তাহ নিয়মিত ডিম খেলে শরীরে যেসব পরিবর্তন আসে Logo টেলিগ্রাম অ্যাপ স্টোর: হঠাৎ উধাও, অবশেষে সামনে এলো বড় কারণ? Logo উত্তরাঞ্চলে বিনিয়োগ: বাধা দূর, উদ্যোক্তাদের এগিয়ে আসার আহ্বান Logo বিজিএমইএ-বিটিএমএ একসঙ্গে, ১০০ বিলিয়ন ডলার রপ্তানির লক্ষ্য Logo কাঁচা মরিচের দাম অর্ধেকের বেশি কমল, আমদানিতে মিলল স্বস্তি Logo নোরা ফাতেহি বোনো সম্পর্ক: অবশেষে প্রেমের গুঞ্জনে স্পষ্ট জবাব দিলেন অভিনেত্রী Logo প্রবাসী আয় বেড়ে ৩ দিনে ৪ হাজার ৯৯৩ কোটি টাকা, প্রবৃদ্ধি ৮৪% Logo বিবেক ওবেরয় রামায়ণ: অবাক করা সিদ্ধান্তে পারিশ্রমিক ছাড়লেন অভিনেতা

রোনালদোর জবাবেই থামল বিতর্ক, বিশ্বকাপের আগে আত্মবিশ্বাসী

ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো

বিশ্ব ফুটবলের অন্যতম সেরা তারকা ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোকে নিয়ে আবারও শুরু হয়েছে আলোচনা। বিশ্বকাপের আগে তার ফিটনেস ও পারফরম্যান্স নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিলেন এক সাংবাদিক। তবে সংবাদ সম্মেলনে সেই প্রশ্নের জবাব দিতে গিয়ে নিজের স্বভাবসুলভ আত্মবিশ্বাসই দেখালেন পর্তুগাল অধিনায়ক। সরাসরি সাংবাদিককে পাল্টা প্রশ্ন ছুড়ে দিয়ে তিনি বলেন, ‘আপনি কি আমার খেলা দেখেছেন?’

ফুটবলে ব্যক্তিগত ও দলীয় পর্যায়ে প্রায় সব বড় ট্রফিই জিতেছেন রোনালদো। ক্লাব ক্যারিয়ারে চ্যাম্পিয়ন্স লিগ থেকে শুরু করে লিগ শিরোপা, ইউরোপিয়ান চ্যাম্পিয়নশিপ এবং নেশনস লিগ—সবই তার অর্জনের ঝুলিতে রয়েছে। তবে একটি শিরোপা এখনও অধরা থেকে গেছে, সেটি হলো ফিফা বিশ্বকাপ।

২০২৬ বিশ্বকাপ রোনালদোর ক্যারিয়ারের ষষ্ঠ বিশ্বকাপ। এই আসর হয়তো তার আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারের শেষ বিশ্বকাপও হতে পারে। তাই স্বাভাবিকভাবেই পর্তুগিজ কিংবদন্তিকে ঘিরে প্রত্যাশার পারদ অনেক উঁচুতে অবস্থান করছে। সমর্থকরা চান, ক্যারিয়ারের শেষ বড় মঞ্চে তিনি দলকে সাফল্যের শিখরে পৌঁছে দিন।

তবে বিশ্বকাপ শুরুর আগে তার ফিটনেস নিয়ে কিছুটা সংশয় তৈরি হয়েছিল। সাম্প্রতিক দুটি প্রস্তুতি ম্যাচে বেশ কয়েকটি সহজ সুযোগ নষ্ট করেন তিনি। সেই ম্যাচগুলোর পর অনেক বিশ্লেষক ও সমর্থকের মনে প্রশ্ন জাগে, ৪১ বছর বয়সী রোনালদো কি আগের মতো ধারালো আছেন?

শুক্রবার অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকরা সেই বিষয়টিই সামনে নিয়ে আসেন। একজন সাংবাদিক সরাসরি তার শারীরিক অবস্থা ও বর্তমান ফর্ম নিয়ে প্রশ্ন করেন। কিন্তু প্রশ্ন শুনে বিন্দুমাত্র বিচলিত হননি রোনালদো। বরং আত্মবিশ্বাসী কণ্ঠে তিনি জবাব দেন, ‘শারীরিকভাবে? আমি ভালো আছি। আপনি কি ম্যাচগুলো দেখেননি?’

রোনালদোর এই সংক্ষিপ্ত উত্তরই সংবাদ সম্মেলনের অন্যতম আলোচিত মুহূর্ত হয়ে ওঠে। কারণ তিনি পরিষ্কারভাবে বুঝিয়ে দিয়েছেন যে নিজের ফিটনেস নিয়ে তার কোনো উদ্বেগ নেই। বরং মাঠের পারফরম্যান্সই তার হয়ে কথা বলবে বলে বিশ্বাস করেন তিনি।

বয়স বাড়লেও গোল করার ক্ষমতায় এখনো ভাটা পড়েনি এই তারকার। ২০২৫-২৬ মৌসুমে সৌদি প্রো লিগে আল-নাসরের জার্সিতে দুর্দান্ত সময় কাটিয়েছেন তিনি। পুরো মৌসুমজুড়ে ধারাবাহিক পারফরম্যান্স করে আবারও নিজেকে বিশ্বের অন্যতম কার্যকর ফরোয়ার্ড হিসেবে প্রমাণ করেছেন।

পরিসংখ্যানও তার সেই দাবির পক্ষে কথা বলে। লিগে ৩০ ম্যাচ খেলে ২৮ গোল করেছেন রোনালদো। পাশাপাশি সতীর্থদের জন্য দুটি গোলও তৈরি করে দিয়েছেন। মৌসুমজুড়ে তার নেওয়া ১৬১টি শট দেখায় যে গোলের জন্য তার ক্ষুধা এখনো আগের মতোই প্রবল।

বিশ্বকাপের মতো বড় মঞ্চে অভিজ্ঞতারও বিশেষ গুরুত্ব থাকে। সেই দিক থেকে রোনালদো বর্তমান ফুটবলের অন্যতম অভিজ্ঞ খেলোয়াড়। পাঁচটি বিশ্বকাপ খেলার অভিজ্ঞতা নিয়ে তিনি এবার মাঠে নামবেন। তার নেতৃত্ব, মানসিক দৃঢ়তা এবং বড় ম্যাচে পারফর্ম করার সক্ষমতা পর্তুগালের জন্য বড় সম্পদ।

পর্তুগালও এবার শক্তিশালী দল নিয়ে বিশ্বকাপে এসেছে। দলে অভিজ্ঞ ও তরুণ ফুটবলারের মিশ্রণ রয়েছে। মাঝমাঠ, আক্রমণভাগ এবং রক্ষণভাগ—সব বিভাগেই ভারসাম্যপূর্ণ স্কোয়াড গড়েছে দলটি। ফলে শিরোপার লড়াইয়ে পর্তুগালকে অন্যতম দাবিদার হিসেবেই দেখছেন অনেক বিশ্লেষক।

সংবাদ সম্মেলনে দলের প্রস্তুতি নিয়েও কথা বলেন রোনালদো। তিনি জানান, বিশ্বকাপের আগে দলের প্রস্তুতি সন্তোষজনক হয়েছে। যদিও অনুশীলন ক্যাম্প ছিল বেশ কঠিন এবং শারীরিকভাবে চ্যালেঞ্জিং, তবুও সেটিকে ইতিবাচকভাবেই দেখছেন তিনি।

রোনালদোর মতে, বড় টুর্নামেন্টে ভালো করতে হলে কঠোর পরিশ্রমের বিকল্প নেই। সেই কারণেই প্রস্তুতির সময় খেলোয়াড়দের সর্বোচ্চ পরিশ্রম করতে হয়েছে। তার বিশ্বাস, এই কঠোর অনুশীলনের ফল বিশ্বকাপের মূল মঞ্চে পাওয়া যাবে।

তিনি বলেন, ‘প্রস্তুতি ভালো হয়েছে, তবে ক্লান্তিকরও ছিল। কারণ আমরা অনেক কঠোর পরিশ্রম করেছি। ম্যাচগুলোতে আমরা ভালো খেলেছি।’ এই বক্তব্য থেকেই বোঝা যায়, দলের বর্তমান অবস্থা নিয়ে তিনি সন্তুষ্ট।

তবে প্রস্তুতি ম্যাচের ফলাফল বা পারফরম্যান্সকে অতিরিক্ত গুরুত্ব দিতে নারাজ রোনালদো। তার মতে, আসল পরীক্ষা শুরু হবে যখন বিশ্বকাপের মূল ম্যাচে মাঠে নামবে দল। কারণ তখনই বাড়বে চাপ, বাড়বে প্রত্যাশা এবং শুরু হবে প্রকৃত লড়াই।

এ প্রসঙ্গে তিনি আরও বলেন, ‘আসল বিষয় হলো ১৭ তারিখে, প্রথম ম্যাচে যখন বল মাঠে গড়াতে শুরু করবে এবং চাপ সত্যিকার অর্থে বাড়তে থাকবে, তখনই আসল চ্যাম্পিয়নরা বেরিয়ে আসবে।’

রোনালদোর এই বক্তব্যে ফুটে উঠেছে তার দীর্ঘ অভিজ্ঞতার প্রতিফলন। তিনি জানেন, বড় টুর্নামেন্টে প্রস্তুতি যতই ভালো হোক না কেন, শেষ পর্যন্ত ম্যাচের দিনই সবকিছুর বিচার হয়। তাই এখন পুরো মনোযোগ প্রথম ম্যাচ এবং বিশ্বকাপ অভিযানের দিকে।

বিশ্বকাপ জয়ের স্বপ্ন নিয়ে এবার মাঠে নামবে পর্তুগাল। আর সেই স্বপ্নের কেন্দ্রবিন্দুতে থাকবেন ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো। ক্যারিয়ারের শেষ প্রান্তে দাঁড়িয়ে তিনি হয়তো আরও একবার ইতিহাস লেখার সুযোগ খুঁজছেন।

বিশ্ব ফুটবলের অন্যতম সেরা এই তারকা কি শেষ পর্যন্ত বিশ্বকাপ ট্রফির স্বাদ পাবেন? সেই উত্তর সময়ই দেবে। তবে একটি বিষয় নিশ্চিত, ফিটনেস নিয়ে যত প্রশ্নই উঠুক না কেন, নিজের সামর্থ্য ও আত্মবিশ্বাস নিয়ে বিন্দুমাত্র সন্দিহান নন ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো।

রিজভীর বিস্ফোরক দাবি: জনগণের পারমাণবিক শক্তিতে ফ্যাসিবাদের পতন

রোনালদোর জবাবেই থামল বিতর্ক, বিশ্বকাপের আগে আত্মবিশ্বাসী

Update Time : ০৪:২৫:৪৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬

বিশ্ব ফুটবলের অন্যতম সেরা তারকা ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোকে নিয়ে আবারও শুরু হয়েছে আলোচনা। বিশ্বকাপের আগে তার ফিটনেস ও পারফরম্যান্স নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিলেন এক সাংবাদিক। তবে সংবাদ সম্মেলনে সেই প্রশ্নের জবাব দিতে গিয়ে নিজের স্বভাবসুলভ আত্মবিশ্বাসই দেখালেন পর্তুগাল অধিনায়ক। সরাসরি সাংবাদিককে পাল্টা প্রশ্ন ছুড়ে দিয়ে তিনি বলেন, ‘আপনি কি আমার খেলা দেখেছেন?’

ফুটবলে ব্যক্তিগত ও দলীয় পর্যায়ে প্রায় সব বড় ট্রফিই জিতেছেন রোনালদো। ক্লাব ক্যারিয়ারে চ্যাম্পিয়ন্স লিগ থেকে শুরু করে লিগ শিরোপা, ইউরোপিয়ান চ্যাম্পিয়নশিপ এবং নেশনস লিগ—সবই তার অর্জনের ঝুলিতে রয়েছে। তবে একটি শিরোপা এখনও অধরা থেকে গেছে, সেটি হলো ফিফা বিশ্বকাপ।

২০২৬ বিশ্বকাপ রোনালদোর ক্যারিয়ারের ষষ্ঠ বিশ্বকাপ। এই আসর হয়তো তার আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারের শেষ বিশ্বকাপও হতে পারে। তাই স্বাভাবিকভাবেই পর্তুগিজ কিংবদন্তিকে ঘিরে প্রত্যাশার পারদ অনেক উঁচুতে অবস্থান করছে। সমর্থকরা চান, ক্যারিয়ারের শেষ বড় মঞ্চে তিনি দলকে সাফল্যের শিখরে পৌঁছে দিন।

তবে বিশ্বকাপ শুরুর আগে তার ফিটনেস নিয়ে কিছুটা সংশয় তৈরি হয়েছিল। সাম্প্রতিক দুটি প্রস্তুতি ম্যাচে বেশ কয়েকটি সহজ সুযোগ নষ্ট করেন তিনি। সেই ম্যাচগুলোর পর অনেক বিশ্লেষক ও সমর্থকের মনে প্রশ্ন জাগে, ৪১ বছর বয়সী রোনালদো কি আগের মতো ধারালো আছেন?

আরও পড়ুন  ব্রাজিল-মরক্কো ম্যাচে কে জিতবে? সুপারকম্পিউটারের চমকপ্রদ ভবিষ্যদ্বাণী

শুক্রবার অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকরা সেই বিষয়টিই সামনে নিয়ে আসেন। একজন সাংবাদিক সরাসরি তার শারীরিক অবস্থা ও বর্তমান ফর্ম নিয়ে প্রশ্ন করেন। কিন্তু প্রশ্ন শুনে বিন্দুমাত্র বিচলিত হননি রোনালদো। বরং আত্মবিশ্বাসী কণ্ঠে তিনি জবাব দেন, ‘শারীরিকভাবে? আমি ভালো আছি। আপনি কি ম্যাচগুলো দেখেননি?’

রোনালদোর এই সংক্ষিপ্ত উত্তরই সংবাদ সম্মেলনের অন্যতম আলোচিত মুহূর্ত হয়ে ওঠে। কারণ তিনি পরিষ্কারভাবে বুঝিয়ে দিয়েছেন যে নিজের ফিটনেস নিয়ে তার কোনো উদ্বেগ নেই। বরং মাঠের পারফরম্যান্সই তার হয়ে কথা বলবে বলে বিশ্বাস করেন তিনি।

বয়স বাড়লেও গোল করার ক্ষমতায় এখনো ভাটা পড়েনি এই তারকার। ২০২৫-২৬ মৌসুমে সৌদি প্রো লিগে আল-নাসরের জার্সিতে দুর্দান্ত সময় কাটিয়েছেন তিনি। পুরো মৌসুমজুড়ে ধারাবাহিক পারফরম্যান্স করে আবারও নিজেকে বিশ্বের অন্যতম কার্যকর ফরোয়ার্ড হিসেবে প্রমাণ করেছেন।

পরিসংখ্যানও তার সেই দাবির পক্ষে কথা বলে। লিগে ৩০ ম্যাচ খেলে ২৮ গোল করেছেন রোনালদো। পাশাপাশি সতীর্থদের জন্য দুটি গোলও তৈরি করে দিয়েছেন। মৌসুমজুড়ে তার নেওয়া ১৬১টি শট দেখায় যে গোলের জন্য তার ক্ষুধা এখনো আগের মতোই প্রবল।

বিশ্বকাপের মতো বড় মঞ্চে অভিজ্ঞতারও বিশেষ গুরুত্ব থাকে। সেই দিক থেকে রোনালদো বর্তমান ফুটবলের অন্যতম অভিজ্ঞ খেলোয়াড়। পাঁচটি বিশ্বকাপ খেলার অভিজ্ঞতা নিয়ে তিনি এবার মাঠে নামবেন। তার নেতৃত্ব, মানসিক দৃঢ়তা এবং বড় ম্যাচে পারফর্ম করার সক্ষমতা পর্তুগালের জন্য বড় সম্পদ।

আরও পড়ুন  ব্রাজিলের হেক্সা মিশনের শুরুতেই মরক্কো বাধা, জিতবে কে?

পর্তুগালও এবার শক্তিশালী দল নিয়ে বিশ্বকাপে এসেছে। দলে অভিজ্ঞ ও তরুণ ফুটবলারের মিশ্রণ রয়েছে। মাঝমাঠ, আক্রমণভাগ এবং রক্ষণভাগ—সব বিভাগেই ভারসাম্যপূর্ণ স্কোয়াড গড়েছে দলটি। ফলে শিরোপার লড়াইয়ে পর্তুগালকে অন্যতম দাবিদার হিসেবেই দেখছেন অনেক বিশ্লেষক।

সংবাদ সম্মেলনে দলের প্রস্তুতি নিয়েও কথা বলেন রোনালদো। তিনি জানান, বিশ্বকাপের আগে দলের প্রস্তুতি সন্তোষজনক হয়েছে। যদিও অনুশীলন ক্যাম্প ছিল বেশ কঠিন এবং শারীরিকভাবে চ্যালেঞ্জিং, তবুও সেটিকে ইতিবাচকভাবেই দেখছেন তিনি।

রোনালদোর মতে, বড় টুর্নামেন্টে ভালো করতে হলে কঠোর পরিশ্রমের বিকল্প নেই। সেই কারণেই প্রস্তুতির সময় খেলোয়াড়দের সর্বোচ্চ পরিশ্রম করতে হয়েছে। তার বিশ্বাস, এই কঠোর অনুশীলনের ফল বিশ্বকাপের মূল মঞ্চে পাওয়া যাবে।

তিনি বলেন, ‘প্রস্তুতি ভালো হয়েছে, তবে ক্লান্তিকরও ছিল। কারণ আমরা অনেক কঠোর পরিশ্রম করেছি। ম্যাচগুলোতে আমরা ভালো খেলেছি।’ এই বক্তব্য থেকেই বোঝা যায়, দলের বর্তমান অবস্থা নিয়ে তিনি সন্তুষ্ট।

তবে প্রস্তুতি ম্যাচের ফলাফল বা পারফরম্যান্সকে অতিরিক্ত গুরুত্ব দিতে নারাজ রোনালদো। তার মতে, আসল পরীক্ষা শুরু হবে যখন বিশ্বকাপের মূল ম্যাচে মাঠে নামবে দল। কারণ তখনই বাড়বে চাপ, বাড়বে প্রত্যাশা এবং শুরু হবে প্রকৃত লড়াই।

আরও পড়ুন  বিশ্বকাপ ফাইনাল বিশ্রাম সুবিধা: আর্জেন্টিনা কি ইতিহাসের চাপে?

এ প্রসঙ্গে তিনি আরও বলেন, ‘আসল বিষয় হলো ১৭ তারিখে, প্রথম ম্যাচে যখন বল মাঠে গড়াতে শুরু করবে এবং চাপ সত্যিকার অর্থে বাড়তে থাকবে, তখনই আসল চ্যাম্পিয়নরা বেরিয়ে আসবে।’

রোনালদোর এই বক্তব্যে ফুটে উঠেছে তার দীর্ঘ অভিজ্ঞতার প্রতিফলন। তিনি জানেন, বড় টুর্নামেন্টে প্রস্তুতি যতই ভালো হোক না কেন, শেষ পর্যন্ত ম্যাচের দিনই সবকিছুর বিচার হয়। তাই এখন পুরো মনোযোগ প্রথম ম্যাচ এবং বিশ্বকাপ অভিযানের দিকে।

বিশ্বকাপ জয়ের স্বপ্ন নিয়ে এবার মাঠে নামবে পর্তুগাল। আর সেই স্বপ্নের কেন্দ্রবিন্দুতে থাকবেন ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো। ক্যারিয়ারের শেষ প্রান্তে দাঁড়িয়ে তিনি হয়তো আরও একবার ইতিহাস লেখার সুযোগ খুঁজছেন।

বিশ্ব ফুটবলের অন্যতম সেরা এই তারকা কি শেষ পর্যন্ত বিশ্বকাপ ট্রফির স্বাদ পাবেন? সেই উত্তর সময়ই দেবে। তবে একটি বিষয় নিশ্চিত, ফিটনেস নিয়ে যত প্রশ্নই উঠুক না কেন, নিজের সামর্থ্য ও আত্মবিশ্বাস নিয়ে বিন্দুমাত্র সন্দিহান নন ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো।