মুখস্থনির্ভর শিক্ষা থেকে বেরিয়ে এসে শিক্ষাকে আরও আধুনিক ও বাস্তবমুখী করার ওপর গুরুত্ব দিচ্ছে সরকার। এ লক্ষ্যে শিক্ষা খাতে নতুন নতুন উদ্যোগ গ্রহণের পাশাপাশি বরাদ্দও বাড়ানো হচ্ছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন।
শনিবার (১৩ জুন) নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, ভবিষ্যতের শিক্ষা ব্যবস্থা হবে ইনোভেশন, স্টার্টআপ এবং প্রজেক্টভিত্তিক। শিক্ষার্থীদের শুধু বইয়ের জ্ঞান নয়, বাস্তব জীবনের সমস্যা সমাধানে দক্ষ করে তুলতেই এই পরিবর্তন আনা হচ্ছে।
তিনি আরও জানান, মুখস্থনির্ভর শিক্ষা পদ্ধতি থেকে সরে এসে সৃজনশীলতা, উদ্ভাবন ও প্রযুক্তিনির্ভর শিক্ষার পরিবেশ গড়ে তোলার জন্য সরকার কাজ করছে। এর মাধ্যমে দেশের তরুণ প্রজন্মকে দক্ষ মানবসম্পদ হিসেবে গড়ে তোলার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।
শিক্ষামন্ত্রীর ভাষ্য অনুযায়ী, শিক্ষাকে আনন্দমুখী ও শিক্ষার্থী-কেন্দ্রিক করতে বিভিন্ন কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। এতে শিক্ষার্থীদের শেখার আগ্রহ বাড়বে এবং তারা নতুন ধারণা ও উদ্ভাবনের প্রতি আরও উৎসাহিত হবে।
তিনি বলেন, স্মার্ট বাংলাদেশ গঠনের লক্ষ্য অর্জনে শিক্ষার বিকল্প নেই। তাই দেশের বিপুল জনসংখ্যাকে মানবসম্পদে রূপান্তর করতে শিক্ষা খাতকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।
অনুষ্ঠানে আরও জানানো হয়, জাতীয় পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ শিক্ষার্থী ও শিক্ষকদের পাশাপাশি সেরা শিক্ষানুরাগীদেরও সম্মাননা দেওয়া হবে। নির্বাচিত ব্যক্তিরা প্রধানমন্ত্রীর হাত থেকে এই সম্মাননা গ্রহণ করবেন। এ সময় স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, জেলা প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।


























