ঢাকা ১২:৫৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ২২ জুন ২০২৬, ৮ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

জাজিরায় ককটেল উদ্ধার: ১ বালতি বোমা পাওয়ার রোমাঞ্চকর ঘটনা

উদ্ধারকৃত ককটেল ভর্তি বালতি। ছবি: সংগৃহীত

জাজিরায় ককটেল উদ্ধার অভিযানের মাধ্যমে শরীয়তপুরের কবিরাজকান্দি এলাকায় এক রক্তক্ষয়ী ও বড় ধরনের নাশকতা রুখে দিয়েছে জাজিরা থানা পুলিশ। শরীয়তপুর জেলা পুলিশ এর একটি চৌকস দল শনিবার বিকেলে বিকট শব্দের বিস্ফোরণস্থলের সূত্র ধরে অনুসন্ধান চালিয়ে এই অভাবনীয় সাফল্য অর্জন করে।

অনুসন্ধানের একপর্যায়ে বিস্ফোরণস্থল থেকে মাত্র ২০০ মিটার দূরে স্থানীয় শাহজাহান বেপারীর নির্জন পারিবারিক কবরস্থানের ঘন ঝোপঝাড়ের ভেতরে জাজিরা থানা  পুলিশের এসআই হেমায়েতের তীক্ষ্ণ নজর পড়ে।

সেখানকার গভীর জঙ্গল থেকে পরিত্যক্ত অবস্থায় একটি প্লাস্টিকের বালতি উদ্ধার করা হয় এবং ঢাকনা খুলতেই ভেতরে বিপুল পরিমাণ তাজা ককটেল মজুত থাকার রোমাঞ্চকর তথ্য মেলে।

স্থানীয় বাসিন্দাদের ধারণা, জনমানবহীন ও লোকচক্ষুর আড়ালে থাকায় এই পবিত্র কবরস্থানটিকে অপরাধীরা তাদের বোমা ও ককটেল মজুদের নিরাপদ গোপন আস্তানা হিসেবে ব্যবহার করছিল।

জাজিরা থানার ওসি মো. সালেহ্ আহাম্মদ গণমাধ্যমকে জানান যে, উদ্ধার হওয়া বোমাগুলোর সঙ্গে বিকেলের বিস্ফোরণের কোনো সরাসরি যোগসূত্র রয়েছে কি না তা অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

এই ঘটনার পেছনে থাকা মূল অপরাধীদের দ্রুত শনাক্ত করে দেশের প্রচলিত আইনের আওতায় আনতে এবং ককটেলের উৎস খুঁজতে পুলিশের বিশেষ চিরুনি অভিযান এখনো অব্যাহত রয়েছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

জাজিরায় ককটেল উদ্ধার: ১ বালতি বোমা পাওয়ার রোমাঞ্চকর ঘটনা

Update Time : ০৯:০৭:০৯ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২২ জুন ২০২৬

জাজিরায় ককটেল উদ্ধার অভিযানের মাধ্যমে শরীয়তপুরের কবিরাজকান্দি এলাকায় এক রক্তক্ষয়ী ও বড় ধরনের নাশকতা রুখে দিয়েছে জাজিরা থানা পুলিশ। শরীয়তপুর জেলা পুলিশ এর একটি চৌকস দল শনিবার বিকেলে বিকট শব্দের বিস্ফোরণস্থলের সূত্র ধরে অনুসন্ধান চালিয়ে এই অভাবনীয় সাফল্য অর্জন করে।

অনুসন্ধানের একপর্যায়ে বিস্ফোরণস্থল থেকে মাত্র ২০০ মিটার দূরে স্থানীয় শাহজাহান বেপারীর নির্জন পারিবারিক কবরস্থানের ঘন ঝোপঝাড়ের ভেতরে জাজিরা থানা  পুলিশের এসআই হেমায়েতের তীক্ষ্ণ নজর পড়ে।

আরও পড়ুন  কর্ণফুলী নদীতে মোবাইল কোর্ট, ১১ মামলায় অর্থদণ্ড প্রদান

সেখানকার গভীর জঙ্গল থেকে পরিত্যক্ত অবস্থায় একটি প্লাস্টিকের বালতি উদ্ধার করা হয় এবং ঢাকনা খুলতেই ভেতরে বিপুল পরিমাণ তাজা ককটেল মজুত থাকার রোমাঞ্চকর তথ্য মেলে।

স্থানীয় বাসিন্দাদের ধারণা, জনমানবহীন ও লোকচক্ষুর আড়ালে থাকায় এই পবিত্র কবরস্থানটিকে অপরাধীরা তাদের বোমা ও ককটেল মজুদের নিরাপদ গোপন আস্তানা হিসেবে ব্যবহার করছিল।

জাজিরা থানার ওসি মো. সালেহ্ আহাম্মদ গণমাধ্যমকে জানান যে, উদ্ধার হওয়া বোমাগুলোর সঙ্গে বিকেলের বিস্ফোরণের কোনো সরাসরি যোগসূত্র রয়েছে কি না তা অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

আরও পড়ুন  দুর্দান্ত কামব্যাকে নেদারল্যান্ডসকে রুখে দিল জাপান

এই ঘটনার পেছনে থাকা মূল অপরাধীদের দ্রুত শনাক্ত করে দেশের প্রচলিত আইনের আওতায় আনতে এবং ককটেলের উৎস খুঁজতে পুলিশের বিশেষ চিরুনি অভিযান এখনো অব্যাহত রয়েছে।