দেশের বিভিন্ন জেলায় কালবৈশাখী ঝড়ের সময় বজ্রপাতে অন্তত ১১ জনের মৃত্যু হয়েছে। শনিবার (১৮ এপ্রিল) দুপুরে পৃথক ঘটনায় এসব প্রাণহানির ঘটনা ঘটে বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে।
সবচেয়ে বেশি ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে সুনামগঞ্জের জেলায়, যেখানে চারটি উপজেলায় পাঁচজনের মৃত্যু হয়েছে। ধর্মপাশা উপজেলায় হাওরে ধান কাটার সময় বজ্রাঘাতে হবিবুর রহমান (২২) নিহত হন। একই এলাকায় রহমত উল্লাহ (১৩) নামের এক কিশোরও প্রাণ হারায়। এছাড়া দিরাইয়ের কালিয়াগোটা হাওরে কাজ করার সময় লিটন মিয়া (৩৮) নামের এক কৃষক বজ্রাঘাতে নিহত হন।
অন্যদিকে জামালগঞ্জ ও তাহিরপুর উপজেলায় পৃথক ঘটনায় আরও দুইজনের মৃত্যু হয়েছে। হাঁসের খামারে কাজ করার সময় নূর মিয়া এবং তাহিরপুরে আবুল কালাম ওরফে কালা মিয়া (২৮) বজ্রাঘাতে নিহত হন।
রংপুর-এর মিঠাপুকুর উপজেলায় মাছ ধরার সময় বজ্রপাতে দুই ব্যক্তি নিহত হন। তারা হলেন মিলন মিয়া (৩৫) ও আবু তালেব (৬৫)। এ ঘটনায় আরও বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন, যাদের মধ্যে কয়েকজনের অবস্থা গুরুতর।
নেত্রকোণার আটপাড়া উপজেলায় আলতু মিয়া (৬৫) নামের এক কৃষক গরুর জন্য ঘাস কাটতে গিয়ে বজ্রাঘাতে মারা যান। উপজেলা প্রশাসন নিহতের পরিবারের পাশে দাঁড়ানোর আশ্বাস দিয়েছে।
এছাড়া ময়মনসিংহে-এ দুইজন এবং হবিগঞ্জ-এ একজনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে।
স্থানীয় প্রশাসন ও স্বাস্থ্য বিভাগের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, অধিকাংশ ঘটনাই খোলা জায়গায় কাজ করার সময় বজ্রপাতের কারণে ঘটেছে। আবহাওয়া অধিদপ্তর এরই মধ্যে ঝড়-বৃষ্টির সময় সবাইকে সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়েছে।




























