ঢাকা ১০:৩৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬, ২ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo গণমাধ্যমের স্বাধীনতা: গুরুত্বপূর্ণ বার্তা দিলেন প্রধানমন্ত্রী Logo আর্জেন্টিনার ২০০০ ফুট পতাকা: মুগ্ধতায় শোভাযাত্রায় হাজারো ভক্ত Logo বিশ্বকাপে হাইড্রেশন ব্রেক নিয়ে তুমুল বিতর্ক, বদলে যাচ্ছে ফুটবল? Logo পাঁচ বিশ্বকাপ, এবার পাঁচ সন্তানের বাবা হতে চলেছেন নেইমার Logo ইতিহাস কি ফিরছে? আলজেরিয়ার বিপক্ষে হারবে আর্জেন্টিনা! Logo উপজেলায় এমপির পরিদর্শন কক্ষ নির্মাণে বরাদ্দ ৬ লাখ টাকা Logo হঠাৎ পরিদর্শনে স্বাস্থ্যমন্ত্রী, নোয়াখালী হাসপাতালে মিলল অব্যবস্থাপনার চিত্র Logo জন্মদিনে ট্রাম্পকে জার্সি উপহার জার্মান চ্যান্সেলরের Logo সিলেটে জাল দলিল দিয়ে জমি রেজিস্ট্রির চেষ্টা, দুই দালালের সাজা Logo নেত্রকোনায় গাঁজাসহ কারবারি আটক

৭ জেলায় বজ্রপাতে ১২ জনের মৃত্যু, আহত বহু মানুষ

  • ডেস্ক নিউজ
  • Update Time : ০৬:১২:৩৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬
  • ৫২১

চিত্রঃ দেশের বিভিন্ন জেলায় বজ্রপাতে নিহত ও আহতের ঘটনা

দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে কালবৈশাখী ঝড়ের সঙ্গে বজ্রপাতের তীব্রতায় একদিনেই সাত জেলায় অন্তত ১২ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। বুধবার দিনের বিভিন্ন সময়ে এসব দুর্ঘটনা ঘটে বলে স্থানীয় সূত্র নিশ্চিত করেছে। এ ঘটনায় আরও বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন এবং গবাদিপশুরও ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। সবচেয়ে বেশি প্রাণহানির ঘটনা ঘটেছে পটুয়াখালী জেলায়, যেখানে পৃথক স্থানে চারজন বজ্রপাতে নিহত হয়েছেন। জামালপুর ও বরগুনায় দুইজন করে, এবং ময়মনসিংহ, বাগেরহাট, রংপুর ও রাজবাড়ীতে একজন করে মারা গেছেন। পটুয়াখালীর বিভিন্ন উপজেলায় দিনভর বজ্রপাতের ঘটনা ঘটে,
বিশেষ করে ঝড় চলাকালে খোলা মাঠে কাজ করতে গিয়ে মানুষজন সবচেয়ে বেশি ঝুঁকির মধ্যে পড়েন বলে জানা গেছে।


এ সময় গবাদিপশু রক্ষার চেষ্টা করতে গিয়ে কয়েকজন প্রাণ হারান। রাঙ্গাবালী উপজেলার চরগঙ্গা গ্রামে সকাল ৯টার দিকে গরু বাঁধতে গিয়ে সৌরভ মজুমদার নামে এক যুবক নিহত হন। দুপুর ১টার দিকে কলাপাড়ায় ভুট্টা ক্ষেতে কাজ করার সময় জহির উদ্দিন বজ্রপাতে মারা যান বলে স্থানীয়রা জানান।এরপর দুপুর ২টার দিকে পূর্ব চাকামাইয়া গ্রামে গরুকে ঘাস খাওয়াতে গিয়ে সেতারা বেগম প্রাণ হারান। একই সময়ে শান্তিপুর গ্রামে মাঠ থেকে গরু আনতে গিয়ে খালেক হাওলাদারও বজ্রপাতে নিহত হন। স্থানীয় প্রশাসনের তথ্য অনুযায়ী, গত দুই দিনে এই জেলায় অন্তত ৫০টির বেশি গরুর মৃত্যু হয়েছে বজ্রপাতে। যা গ্রামীণ অর্থনীতিতে বড় ধরনের ক্ষতির আশঙ্কা তৈরি করেছে।

প্রশাসন বিষয়টি গুরুত্বসহকারে পর্যবেক্ষণ করছে বলে জানানো হয়েছে। জামালপুরের ইসলামপুর উপজেলায় পৃথক দুটি ঘটনায় দুইজনের মৃত্যু হয়েছে বজ্রপাতে। নদীতে মাছ ধরতে গিয়ে শামীম মিয়া নিহত হন, অন্যদিকে রাস্তার কাজ করার সময় সাগর ইসলাম মারা যান। এই দুই ঘটনা সকালে গাইবান্ধা ইউনিয়নের মরাকান্দি ও সাপধরী ইউনিয়নের ইন্দুল্লামারী গ্রামে ঘটে। স্থানীয় পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করে এবং প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করছে। বরগুনার পাথরঘাটা ও আমতলী উপজেলায় দুপুরের দিকে বজ্রপাতে দুইজনের মৃত্যু হয়েছে। নিহতদের মধ্যে একজন জেলে ও অন্যজন কৃষক ছিলেন, যারা কাজের সময় খোলা আকাশের নিচে ছিলেন।

আমতলী উপজেলা প্রশাসন জানিয়েছে, নিহত কৃষকের পরিবারকে মানবিক সহায়তা হিসেবে ২৫ হাজার টাকা প্রদান করা হয়েছে। দুর্যোগ ব্যবস্থাপনার আওতায় এই সহায়তা দেওয়া হয়েছে বলে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নিশ্চিত করেছেন। ময়মনসিংহের তারাকান্দা উপজেলায় সকাল ৭টার দিকে মাছ ধরতে গিয়ে বজ্রপাতে সাদ্দাম হোসেন মারা যান। বৃষ্টি শুরু হলে তিনি নদীতে অবস্থান করছিলেন, এ সময় বজ্রপাত সরাসরি তার ওপর আঘাত হানে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে বাড়িতে নিয়ে গেলেও তার আগেই তিনি মারা যান বলে জানা গেছে। পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে বিষয়টি নিশ্চিত করে এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করে।

বাগেরহাট সদর উপজেলার সরকারডাঙ্গা গ্রামে বিকেলের দিকে বজ্রপাতে এক দিনমজুর নিহত হন। রবিন হাওলাদার নামের ওই ব্যক্তি মাঠ থেকে গরু আনতে গিয়ে হঠাৎ বজ্রপাতে প্রাণ হারান। স্থানীয় পুলিশ জানিয়েছে, পরিবারের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী তার দাফন সম্পন্ন করা হয়েছে। এই ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে এবং মানুষ আতঙ্কিত হয়ে পড়েছে। রংপুরের তারাগঞ্জ উপজেলায় দুপুরে এক গৃহবধূ বজ্রপাতে নিহত হন। বাড়ির পাশে খড়ি সংগ্রহ করতে গিয়ে হঠাৎ বজ্রপাত হলে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়। পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে বিষয়টি নিশ্চিত করে এবং পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলে।
এ ধরনের ঘটনায় মানুষকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানানো হয়েছে বিশেষ করে খোলা স্থানে না থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

রাজবাড়ী সদর উপজেলার মিজানপুর এলাকায় সকাল পৌনে ৭টার দিকে এক যুবকের মৃত্যু হয়। সুমন মন্ডল তার ছোট মেয়েকে নিয়ে বাজারে যাওয়ার  সময় বজ্রপাতের শিকার হন। বজ্রপাতের আঘাতে তিনি মাটিতে লুটিয়ে পড়েন, এ সময় তার মেয়েও আঘাতপ্রাপ্ত হয়। তাকে দ্রুত হাসপাতালে নেওয়া হলে
চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। তবে তার মেয়েটি সামান্য আঘাত পেয়েও বর্তমানে সুস্থ রয়েছে বলে পরিবার জানিয়েছে।এই ঘটনা স্থানীয়দের মধ্যে  আতঙ্ক সৃষ্টি করেছে এবং আবহাওয়ার ঝুঁকি নিয়ে নতুন করে ভাবতে বাধ্য করছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বজ্রপাতের সময় খোলা মাঠ, নদী বা উঁচু স্থানে থাকা অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ। এ সময় নিরাপদ স্থানে আশ্রয় নেওয়া এবং সচেতনতা বাড়ানো অত্যন্ত জরুরি।

প্রতি বছর কালবৈশাখী মৌসুমে দেশে বজ্রপাতের সংখ্যা বাড়ে, যার ফলে গ্রামীণ এলাকায় প্রাণহানি বেশি দেখা যায়। সচেতনতা বৃদ্ধি এবং আগাম সতর্কবার্তা পৌঁছে দিলে এই ধরনের দুর্ঘটনা অনেকটাই কমানো সম্ভব বলে মনে করেন তারা।

জনপ্রিয় সংবাদ

গণমাধ্যমের স্বাধীনতা: গুরুত্বপূর্ণ বার্তা দিলেন প্রধানমন্ত্রী

৭ জেলায় বজ্রপাতে ১২ জনের মৃত্যু, আহত বহু মানুষ

Update Time : ০৬:১২:৩৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬

দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে কালবৈশাখী ঝড়ের সঙ্গে বজ্রপাতের তীব্রতায় একদিনেই সাত জেলায় অন্তত ১২ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। বুধবার দিনের বিভিন্ন সময়ে এসব দুর্ঘটনা ঘটে বলে স্থানীয় সূত্র নিশ্চিত করেছে। এ ঘটনায় আরও বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন এবং গবাদিপশুরও ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। সবচেয়ে বেশি প্রাণহানির ঘটনা ঘটেছে পটুয়াখালী জেলায়, যেখানে পৃথক স্থানে চারজন বজ্রপাতে নিহত হয়েছেন। জামালপুর ও বরগুনায় দুইজন করে, এবং ময়মনসিংহ, বাগেরহাট, রংপুর ও রাজবাড়ীতে একজন করে মারা গেছেন। পটুয়াখালীর বিভিন্ন উপজেলায় দিনভর বজ্রপাতের ঘটনা ঘটে,
বিশেষ করে ঝড় চলাকালে খোলা মাঠে কাজ করতে গিয়ে মানুষজন সবচেয়ে বেশি ঝুঁকির মধ্যে পড়েন বলে জানা গেছে।


এ সময় গবাদিপশু রক্ষার চেষ্টা করতে গিয়ে কয়েকজন প্রাণ হারান। রাঙ্গাবালী উপজেলার চরগঙ্গা গ্রামে সকাল ৯টার দিকে গরু বাঁধতে গিয়ে সৌরভ মজুমদার নামে এক যুবক নিহত হন। দুপুর ১টার দিকে কলাপাড়ায় ভুট্টা ক্ষেতে কাজ করার সময় জহির উদ্দিন বজ্রপাতে মারা যান বলে স্থানীয়রা জানান।এরপর দুপুর ২টার দিকে পূর্ব চাকামাইয়া গ্রামে গরুকে ঘাস খাওয়াতে গিয়ে সেতারা বেগম প্রাণ হারান। একই সময়ে শান্তিপুর গ্রামে মাঠ থেকে গরু আনতে গিয়ে খালেক হাওলাদারও বজ্রপাতে নিহত হন। স্থানীয় প্রশাসনের তথ্য অনুযায়ী, গত দুই দিনে এই জেলায় অন্তত ৫০টির বেশি গরুর মৃত্যু হয়েছে বজ্রপাতে। যা গ্রামীণ অর্থনীতিতে বড় ধরনের ক্ষতির আশঙ্কা তৈরি করেছে।

প্রশাসন বিষয়টি গুরুত্বসহকারে পর্যবেক্ষণ করছে বলে জানানো হয়েছে। জামালপুরের ইসলামপুর উপজেলায় পৃথক দুটি ঘটনায় দুইজনের মৃত্যু হয়েছে বজ্রপাতে। নদীতে মাছ ধরতে গিয়ে শামীম মিয়া নিহত হন, অন্যদিকে রাস্তার কাজ করার সময় সাগর ইসলাম মারা যান। এই দুই ঘটনা সকালে গাইবান্ধা ইউনিয়নের মরাকান্দি ও সাপধরী ইউনিয়নের ইন্দুল্লামারী গ্রামে ঘটে। স্থানীয় পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করে এবং প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করছে। বরগুনার পাথরঘাটা ও আমতলী উপজেলায় দুপুরের দিকে বজ্রপাতে দুইজনের মৃত্যু হয়েছে। নিহতদের মধ্যে একজন জেলে ও অন্যজন কৃষক ছিলেন, যারা কাজের সময় খোলা আকাশের নিচে ছিলেন।

আমতলী উপজেলা প্রশাসন জানিয়েছে, নিহত কৃষকের পরিবারকে মানবিক সহায়তা হিসেবে ২৫ হাজার টাকা প্রদান করা হয়েছে। দুর্যোগ ব্যবস্থাপনার আওতায় এই সহায়তা দেওয়া হয়েছে বলে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নিশ্চিত করেছেন। ময়মনসিংহের তারাকান্দা উপজেলায় সকাল ৭টার দিকে মাছ ধরতে গিয়ে বজ্রপাতে সাদ্দাম হোসেন মারা যান। বৃষ্টি শুরু হলে তিনি নদীতে অবস্থান করছিলেন, এ সময় বজ্রপাত সরাসরি তার ওপর আঘাত হানে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে বাড়িতে নিয়ে গেলেও তার আগেই তিনি মারা যান বলে জানা গেছে। পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে বিষয়টি নিশ্চিত করে এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করে।

বাগেরহাট সদর উপজেলার সরকারডাঙ্গা গ্রামে বিকেলের দিকে বজ্রপাতে এক দিনমজুর নিহত হন। রবিন হাওলাদার নামের ওই ব্যক্তি মাঠ থেকে গরু আনতে গিয়ে হঠাৎ বজ্রপাতে প্রাণ হারান। স্থানীয় পুলিশ জানিয়েছে, পরিবারের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী তার দাফন সম্পন্ন করা হয়েছে। এই ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে এবং মানুষ আতঙ্কিত হয়ে পড়েছে। রংপুরের তারাগঞ্জ উপজেলায় দুপুরে এক গৃহবধূ বজ্রপাতে নিহত হন। বাড়ির পাশে খড়ি সংগ্রহ করতে গিয়ে হঠাৎ বজ্রপাত হলে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়। পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে বিষয়টি নিশ্চিত করে এবং পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলে।
এ ধরনের ঘটনায় মানুষকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানানো হয়েছে বিশেষ করে খোলা স্থানে না থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

রাজবাড়ী সদর উপজেলার মিজানপুর এলাকায় সকাল পৌনে ৭টার দিকে এক যুবকের মৃত্যু হয়। সুমন মন্ডল তার ছোট মেয়েকে নিয়ে বাজারে যাওয়ার  সময় বজ্রপাতের শিকার হন। বজ্রপাতের আঘাতে তিনি মাটিতে লুটিয়ে পড়েন, এ সময় তার মেয়েও আঘাতপ্রাপ্ত হয়। তাকে দ্রুত হাসপাতালে নেওয়া হলে
চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। তবে তার মেয়েটি সামান্য আঘাত পেয়েও বর্তমানে সুস্থ রয়েছে বলে পরিবার জানিয়েছে।এই ঘটনা স্থানীয়দের মধ্যে  আতঙ্ক সৃষ্টি করেছে এবং আবহাওয়ার ঝুঁকি নিয়ে নতুন করে ভাবতে বাধ্য করছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বজ্রপাতের সময় খোলা মাঠ, নদী বা উঁচু স্থানে থাকা অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ। এ সময় নিরাপদ স্থানে আশ্রয় নেওয়া এবং সচেতনতা বাড়ানো অত্যন্ত জরুরি।

প্রতি বছর কালবৈশাখী মৌসুমে দেশে বজ্রপাতের সংখ্যা বাড়ে, যার ফলে গ্রামীণ এলাকায় প্রাণহানি বেশি দেখা যায়। সচেতনতা বৃদ্ধি এবং আগাম সতর্কবার্তা পৌঁছে দিলে এই ধরনের দুর্ঘটনা অনেকটাই কমানো সম্ভব বলে মনে করেন তারা।