ঢাকা ১১:১৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬, ১৫ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo রাবিতে মারধরের ঘটনায় আম্মারসহ ৯ জনের বিরুদ্ধে মামলা হত্যাচেষ্টা মামলা Logo ময়মনসিংহে পানিতে ডুবে চাচা-ভাতিজির মৃত্যু Logo হতাশা নয়, ছোট সুযোগেই গড়ুন ক্যারিয়ার: তরুণদের জন্য বার্তা Logo ওজন কমাতে দিনে কত কদম হাঁটা দরকার? জানুন বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ Logo জাতীয় সাংবাদিক সংস্থার চট্টগ্রাম মহানগর কমিটির নবগঠিত উপদেষ্টা ও কার্যকরী কমিটির পরিচিতি সভা অনুষ্ঠিত Logo মাদকাসক্তি সংকট: চট্টগ্রামে সোয়া লাখের বেশি আসক্ত, চিকিৎসা শয্যা বাড়ানোর জোরালো দাবি Logo যুক্তরাষ্ট্র হামলা থামালেও কেন আবার সংঘাতে জড়ালো ইরান? Logo ‘ফাঁসি দিয়ে দেন, মৃত্যুর জন্য প্রস্তুত’—কাঠগড়ায় লতিফ সিদ্দিকী Logo অস্ট্রেলিয়া সিরিজে বাংলাদেশের লক্ষ্য কী? জানালেন শান্ত Logo এশিয়ান গেমস হকি ক্যাম্পে জিমি, নতুন ৬ খেলোয়াড়ের ডাক

‘ফাঁসি দিয়ে দেন, মৃত্যুর জন্য প্রস্তুত’—কাঠগড়ায় লতিফ সিদ্দিকী

  • ডেস্ক নিউজ
  • Update Time : ০৯:১৩:০৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬
  • ৫০৩

শুনানি শেষে লতিফ সিদ্দিকীকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন ট্রাইব্যুনাল।

মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় সাবেক মন্ত্রী আবদুল লতিফ সিদ্দিকীকে গ্রেফতার দেখিয়ে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। রাজধানীর মতিঝিলের শাপলা চত্বরে হেফাজতে ইসলামের সমাবেশে গণহত্যার অভিযোগে দায়ের করা মামলায় বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) তাকে ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়।

শুনানি শেষে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২-এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বেঞ্চ তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। শুনানিতে রাষ্ট্রপক্ষের পক্ষে অংশ নেন চিফ প্রসিকিউটর আমিনুল ইসলাম, প্রসিকিউটর মিজানুল ইসলাম ও গাজী এম এইচ তামিম।

শুনানির সময় কয়েক দফা আদালতের দৃষ্টি আকর্ষণ করে বক্তব্য দেওয়ার চেষ্টা করেন লতিফ সিদ্দিকী। তবে আদালত অনুমতি না দেওয়ায় তিনি কথা বলতে পারেননি। বিচারকরা এজলাস ত্যাগের প্রস্তুতি নেওয়ার সময়ও তিনি হাতে মাইক্রোফোন নিয়ে বক্তব্য দেওয়ার চেষ্টা করেন।

পরে আদালত কক্ষেই তিনি বলেন, “আদালতকে বলতে চাইলাম, ফাঁসি দিয়ে দেন। আমি মৃত্যুর জন্য প্রস্তুত আছি। কিন্তু আদালত শুনতে চাইল না।” এরপর পুলিশ সদস্যরা তাকে হাজতখানায় নেওয়ার সময় কিছুটা বাকবিতণ্ডার ঘটনাও ঘটে।

এর আগে রাষ্ট্রপক্ষ জানায়, গ্রেফতারি পরোয়ানা কার্যকর করে তাকে ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়েছে এবং আসামিপক্ষ থেকে কোনো আবেদন না থাকায় তাকে কারাগারে পাঠানোর আবেদন করা হয়। আদালত সেই আবেদন মঞ্জুর করেন।

অন্যদিকে, আসামিপক্ষের আইনজীবী আবদুল্লাহ আল হারুন ভূঁইয়া ওকালতনামায় স্বাক্ষর এবং হাজতখানায় মক্কেলের সঙ্গে সাক্ষাতের অনুমতি চাইলে ট্রাইব্যুনাল তা মঞ্জুর করেন। তবে শুনানি শেষে লতিফ সিদ্দিকীর বক্তব্য দেওয়ার সুযোগ আর হয়নি।

জনপ্রিয় সংবাদ

রাবিতে মারধরের ঘটনায় আম্মারসহ ৯ জনের বিরুদ্ধে মামলা হত্যাচেষ্টা মামলা

‘ফাঁসি দিয়ে দেন, মৃত্যুর জন্য প্রস্তুত’—কাঠগড়ায় লতিফ সিদ্দিকী

Update Time : ০৯:১৩:০৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬

মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় সাবেক মন্ত্রী আবদুল লতিফ সিদ্দিকীকে গ্রেফতার দেখিয়ে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। রাজধানীর মতিঝিলের শাপলা চত্বরে হেফাজতে ইসলামের সমাবেশে গণহত্যার অভিযোগে দায়ের করা মামলায় বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) তাকে ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়।

শুনানি শেষে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২-এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বেঞ্চ তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। শুনানিতে রাষ্ট্রপক্ষের পক্ষে অংশ নেন চিফ প্রসিকিউটর আমিনুল ইসলাম, প্রসিকিউটর মিজানুল ইসলাম ও গাজী এম এইচ তামিম।

শুনানির সময় কয়েক দফা আদালতের দৃষ্টি আকর্ষণ করে বক্তব্য দেওয়ার চেষ্টা করেন লতিফ সিদ্দিকী। তবে আদালত অনুমতি না দেওয়ায় তিনি কথা বলতে পারেননি। বিচারকরা এজলাস ত্যাগের প্রস্তুতি নেওয়ার সময়ও তিনি হাতে মাইক্রোফোন নিয়ে বক্তব্য দেওয়ার চেষ্টা করেন।

পরে আদালত কক্ষেই তিনি বলেন, “আদালতকে বলতে চাইলাম, ফাঁসি দিয়ে দেন। আমি মৃত্যুর জন্য প্রস্তুত আছি। কিন্তু আদালত শুনতে চাইল না।” এরপর পুলিশ সদস্যরা তাকে হাজতখানায় নেওয়ার সময় কিছুটা বাকবিতণ্ডার ঘটনাও ঘটে।

এর আগে রাষ্ট্রপক্ষ জানায়, গ্রেফতারি পরোয়ানা কার্যকর করে তাকে ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়েছে এবং আসামিপক্ষ থেকে কোনো আবেদন না থাকায় তাকে কারাগারে পাঠানোর আবেদন করা হয়। আদালত সেই আবেদন মঞ্জুর করেন।

অন্যদিকে, আসামিপক্ষের আইনজীবী আবদুল্লাহ আল হারুন ভূঁইয়া ওকালতনামায় স্বাক্ষর এবং হাজতখানায় মক্কেলের সঙ্গে সাক্ষাতের অনুমতি চাইলে ট্রাইব্যুনাল তা মঞ্জুর করেন। তবে শুনানি শেষে লতিফ সিদ্দিকীর বক্তব্য দেওয়ার সুযোগ আর হয়নি।