ওবায়দুল কাদেরের রায় কবে ঘোষণা হবে, তা আজ নির্ধারণ করবেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। জুলাই গণঅভ্যুত্থানের মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরসহ সাত আসামির বিরুদ্ধে চলমান মামলাটি রায়ের জন্য অপেক্ষমাণ রয়েছে। সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) মামলাটি কার্যতালিকায় ওঠার কথা জানিয়েছেন প্রসিকিউটর গাজী এম এইচ তামীম।
এর আগে গত ১৭ আগস্ট মামলার শুনানি শেষ হওয়ার পর আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ মামলাটি রায়ের জন্য অপেক্ষমাণ রাখেন। এখন আদালত রায় ঘোষণার সম্ভাব্য তারিখ নির্ধারণ করবেন। মামলাটিতে রাষ্ট্রপক্ষের যুক্তিতর্ক উপস্থাপন ইতোমধ্যে শেষ হয়েছে।
রাষ্ট্রপক্ষের পক্ষ থেকে মামলায় আসামিদের সর্বোচ্চ শাস্তির আবেদন করা হয়েছে। একই সঙ্গে তাদের সম্পত্তি বাজেয়াপ্তের আদেশও চাওয়া হয়েছে। অন্যদিকে আসামিপক্ষে রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন এম হাসান ইমাম ও ইসরাত জাহান। প্রসিকিউশনের পক্ষে ছিলেন মিজানুল ইসলাম ও গাজী এম এইচ তামিম।
মামলায় ওবায়দুল কাদেরের সঙ্গে আরও ছয়জনকে আসামি করা হয়েছে। তারা হলেন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, সাবেক তথ্য প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ আলী আরাফাত, যুবলীগের সভাপতি শেখ ফজলে শামস পরশ ও সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হোসেন খান নিখিল এবং ছাত্রলীগের সভাপতি সাদ্দাম হোসেন ও সাধারণ সম্পাদক শেখ ওয়ালী আসিফ ইনান।
জুলাই গণঅভ্যুত্থান ঘিরে মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে করা এই মামলাটি রাজনৈতিক ও আইনগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ বলে বিবেচিত হচ্ছে। দীর্ঘ শুনানি ও যুক্তিতর্ক শেষে এখন আদালতের রায়ের তারিখের দিকেই নজর রয়েছে সংশ্লিষ্টদের। আজকের কার্যক্রমের পর জানা যাবে, কবে মামলাটির রায় ঘোষণা করা হবে।
ওবায়দুল কাদেরের রায় ঘোষণার দিন নির্ধারণের মধ্য দিয়ে মামলাটি বিচারপ্রক্রিয়ার গুরুত্বপূর্ণ পর্যায়ে পৌঁছাবে। ট্রাইব্যুনালের সিদ্ধান্তের পর পরবর্তী আইনি কার্যক্রমও সেই অনুযায়ী এগোবে। ফলে আজকের শুনানি ও আদালতের আদেশের দিকে নজর থাকবে আসামিপক্ষ, রাষ্ট্রপক্ষ এবং সংশ্লিষ্টদের।




























