ঢাকা ০২:১১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ অগাস্ট ২০২৬, ২৬ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

নতুন কমিউটার ট্রেনে সহজ হলো ঢাকা-গোপালগঞ্জ যাতায়াত

  • ডেস্ক নিউজ
  • Update Time : ১২:৫১:৩৭ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ অগাস্ট ২০২৬
  • ৫০৩

পদ্মা সেতু হয়ে ঢাকা-গোপালগঞ্জ রুটে চালু হয়েছে নতুন কমিউটার ট্রেন।

ঢাকা ও গোপালগঞ্জের মধ্যে যাতায়াত আরও সুবিধাজনক করতে চালু হয়েছে নতুন কমিউটার ট্রেন। পদ্মা সেতু হয়ে চলাচলকারী ‘অভিযাত্রী কমিউটার’ নামের এই ট্রেন প্রতিদিন দুই শহরের মধ্যে একটি করে ট্রিপ পরিচালনা করবে। সোমবার রাজধানীর কমলাপুর স্টেশনে আনুষ্ঠানিকভাবে সেবাটির উদ্বোধন করা হয়।

রেলওয়ে জানিয়েছে, ঢাকা থেকে ১৩৫ নম্বর ট্রেনটি বিকেল সাড়ে ৩টায় ছেড়ে গোপালগঞ্জ পৌঁছাবে সন্ধ্যা ৬টা ৪৫ মিনিটে। ফিরতি ১৩৬ নম্বর ট্রেনটি গোপালগঞ্জ ছাড়বে সন্ধ্যা ৭টা ১৫ মিনিটে এবং ঢাকায় পৌঁছানোর কথা রাত ১০টা ২৫ মিনিটে।

প্রায় ১৪৮ কিলোমিটারের এই পথে ট্রেনটি সাতটি স্টেশনে থামবে। যাত্রাপথে কেরানীগঞ্জ, শ্রীনগর, মাওয়া, ভাঙ্গা জংশন, নগরকান্দা, মহেশপুর ও কাশিয়ানী জংশনে যাত্রী ওঠানামার সুযোগ থাকবে।

আটটি কোচের ট্রেনটিতে মোট ৬৩০টি আসন রয়েছে। প্রতি শনিবার সাপ্তাহিক বিরতি থাকবে। নতুন এই রেলসেবা চালুর ফলে গোপালগঞ্জ ও আশপাশের এলাকার মানুষ তুলনামূলক কম খরচে রাজধানীতে যাতায়াতের সুযোগ পাবেন।

বিশেষ করে চাকরিজীবী, শিক্ষার্থী ও ব্যবসায়ীদের জন্য নিয়মিত যাতায়াত সহজ হবে বলে আশা করছে রেলপথ মন্ত্রণালয়। সকালে ঢাকায় এসে দিনের কাজ শেষে নিজ এলাকায় ফেরার সুযোগ তৈরি হওয়ায় রাজধানীতে অতিরিক্ত বসবাসের চাপও কিছুটা কমতে পারে।

নতুন রেল যোগাযোগ স্থানীয় অর্থনীতিতেও প্রভাব ফেলতে পারে। গোপালগঞ্জ ও আশপাশের এলাকার কৃষিপণ্য, মাছ ও সবজি দ্রুত ঢাকার বাজারে পাঠানো সহজ হলে পরিবহন খরচ কমার পাশাপাশি ব্যবসা-বাণিজ্যেও গতি আসবে বলে সংশ্লিষ্টদের প্রত্যাশা।

জনপ্রিয় সংবাদ

নতুন কমিউটার ট্রেনে সহজ হলো ঢাকা-গোপালগঞ্জ যাতায়াত

Update Time : ১২:৫১:৩৭ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ অগাস্ট ২০২৬

ঢাকা ও গোপালগঞ্জের মধ্যে যাতায়াত আরও সুবিধাজনক করতে চালু হয়েছে নতুন কমিউটার ট্রেন। পদ্মা সেতু হয়ে চলাচলকারী ‘অভিযাত্রী কমিউটার’ নামের এই ট্রেন প্রতিদিন দুই শহরের মধ্যে একটি করে ট্রিপ পরিচালনা করবে। সোমবার রাজধানীর কমলাপুর স্টেশনে আনুষ্ঠানিকভাবে সেবাটির উদ্বোধন করা হয়।

রেলওয়ে জানিয়েছে, ঢাকা থেকে ১৩৫ নম্বর ট্রেনটি বিকেল সাড়ে ৩টায় ছেড়ে গোপালগঞ্জ পৌঁছাবে সন্ধ্যা ৬টা ৪৫ মিনিটে। ফিরতি ১৩৬ নম্বর ট্রেনটি গোপালগঞ্জ ছাড়বে সন্ধ্যা ৭টা ১৫ মিনিটে এবং ঢাকায় পৌঁছানোর কথা রাত ১০টা ২৫ মিনিটে।

আরও পড়ুন  সরবরাহ কমেছে এলএনজি, তিতাস এলাকায় গ্যাসের চাপ কম থাকবে

প্রায় ১৪৮ কিলোমিটারের এই পথে ট্রেনটি সাতটি স্টেশনে থামবে। যাত্রাপথে কেরানীগঞ্জ, শ্রীনগর, মাওয়া, ভাঙ্গা জংশন, নগরকান্দা, মহেশপুর ও কাশিয়ানী জংশনে যাত্রী ওঠানামার সুযোগ থাকবে।

আটটি কোচের ট্রেনটিতে মোট ৬৩০টি আসন রয়েছে। প্রতি শনিবার সাপ্তাহিক বিরতি থাকবে। নতুন এই রেলসেবা চালুর ফলে গোপালগঞ্জ ও আশপাশের এলাকার মানুষ তুলনামূলক কম খরচে রাজধানীতে যাতায়াতের সুযোগ পাবেন।

আরও পড়ুন  রেশনের সুবিধা পেতে যাচ্ছেন ১২–২০ গ্রেডের সরকারি চাকরিজীবীরা

বিশেষ করে চাকরিজীবী, শিক্ষার্থী ও ব্যবসায়ীদের জন্য নিয়মিত যাতায়াত সহজ হবে বলে আশা করছে রেলপথ মন্ত্রণালয়। সকালে ঢাকায় এসে দিনের কাজ শেষে নিজ এলাকায় ফেরার সুযোগ তৈরি হওয়ায় রাজধানীতে অতিরিক্ত বসবাসের চাপও কিছুটা কমতে পারে।

নতুন রেল যোগাযোগ স্থানীয় অর্থনীতিতেও প্রভাব ফেলতে পারে। গোপালগঞ্জ ও আশপাশের এলাকার কৃষিপণ্য, মাছ ও সবজি দ্রুত ঢাকার বাজারে পাঠানো সহজ হলে পরিবহন খরচ কমার পাশাপাশি ব্যবসা-বাণিজ্যেও গতি আসবে বলে সংশ্লিষ্টদের প্রত্যাশা।

আরও পড়ুন  মালয়েশিয়ায় আটক বাংলাদেশি মুক্তির উদ্যোগ