ঢাকা ০১:২১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৫ অগাস্ট ২০২৬, ২০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo ম্রুণাল ঠাকুরের কঠোর সতর্কবার্তা: AI ডিপফেক অপব্যবহারে আইনি ব্যবস্থা Logo রিজভীর বিস্ফোরক দাবি: জনগণের পারমাণবিক শক্তিতে ফ্যাসিবাদের পতন Logo বিপজ্জনক গ্রহাণু প্রতিরোধ: বিজ্ঞানীদের শক্তিশালী নতুন পরিকল্পনা Logo টানা দুই সপ্তাহ নিয়মিত ডিম খেলে শরীরে যেসব পরিবর্তন আসে Logo টেলিগ্রাম অ্যাপ স্টোর: হঠাৎ উধাও, অবশেষে সামনে এলো বড় কারণ? Logo উত্তরাঞ্চলে বিনিয়োগ: বাধা দূর, উদ্যোক্তাদের এগিয়ে আসার আহ্বান Logo বিজিএমইএ-বিটিএমএ একসঙ্গে, ১০০ বিলিয়ন ডলার রপ্তানির লক্ষ্য Logo কাঁচা মরিচের দাম অর্ধেকের বেশি কমল, আমদানিতে মিলল স্বস্তি Logo নোরা ফাতেহি বোনো সম্পর্ক: অবশেষে প্রেমের গুঞ্জনে স্পষ্ট জবাব দিলেন অভিনেত্রী Logo প্রবাসী আয় বেড়ে ৩ দিনে ৪ হাজার ৯৯৩ কোটি টাকা, প্রবৃদ্ধি ৮৪%

টানা দুই সপ্তাহ নিয়মিত ডিম খেলে শরীরে যেসব পরিবর্তন আসে

নিয়মিত পরিমিত ডিম খাওয়া শরীরের প্রয়োজনীয় প্রোটিনের চাহিদা পূরণে সহায়তা করতে পারে। ছবি: সংগৃহীত

ডিম খাওয়ার উপকারিতা নিয়ে কথা বললে সবার আগে আসে প্রোটিনের কথা। ডিমকে বলা হয় উচ্চমানের প্রোটিনের সেরা উৎসগুলোর একটি, যা শরীরের বৃদ্ধি, পেশি গঠন ও বিভিন্ন অঙ্গের স্বাভাবিক কাজের জন্য অপরিহার্য। নিয়মিত ডিম খেলে শুধু প্রোটিনের চাহিদাই মেটে না, শরীর পায় আরও অনেক গুরুত্বপূর্ণ পুষ্টি উপাদান।

এআইআইএমএস, হার্ভার্ড ও স্ট্যানফোর্ডে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত গ্যাস্ট্রোএন্টারোলজিস্ট ডা. সেথি সম্প্রতি ইনস্টাগ্রামে জানিয়েছেন, টানা দুই সপ্তাহ ডিম খেলে শরীরে বেশ কিছু ইতিবাচক পরিবর্তন লক্ষ্য করা যায়। তার মতে, একটি ডিমের কুসুমে প্রায় আড়াই গ্রাম আর সাদা অংশে প্রায় চার গ্রাম প্রোটিন থাকে, যা একে সম্পূর্ণ প্রোটিনের উৎস করে তোলে।

চোখের স্বাস্থ্যের জন্যও ডিম উপকারী হতে পারে। ডিমে থাকা কিছু উপাদান বয়সজনিত চোখের সমস্যা, যেমন ম্যাকুলার ডিজেনারেশন ও ছানিপড়ার ঝুঁকি কমাতে সহায়তা করে বলে জানান বিশেষজ্ঞরা। দীর্ঘমেয়াদে দৃষ্টিশক্তি ভালো রাখতেও এর ভূমিকা রয়েছে।

মস্তিষ্ক ও লিভারের জন্যও ডিম বেশ কার্যকর। ডিমে থাকা কোলিন নামের উপাদান মস্তিষ্কের কার্যকারিতা বাড়াতে সাহায্য করে, পাশাপাশি ফ্যাটি লিভারের ঝুঁকিও কমাতে পারে। বর্তমান অনিয়মিত জীবনযাপনের কারণে ফ্যাটি লিভারের সমস্যা বেড়ে যাচ্ছে, তাই খাদ্যতালিকায় ডিম রাখা উপকারী হতে পারে।

অনেকের ধারণা ডিম খেলে কোলেস্টেরল বেড়ে যায়, কিন্তু ডা. সেথি বলছেন ভিন্ন কথা। তার মতে ডিম শরীরের ভালো কোলেস্টেরল (এইচডিএল) বাড়াতে সাহায্য করতে পারে। সকালের নাশতায় ডিম খেলে রক্তে শর্করার মাত্রাও তুলনামূলক স্থিতিশীল থাকে, ফলে দীর্ঘ সময় শক্তি পাওয়া যায়।

যারা নিরামিষভোজী বা ভেগান হওয়ায় ডিম খান না, তাদের জন্য ডা. সেথি টোফু খাওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন, যা প্রোটিনের একটি ভালো উদ্ভিদভিত্তিক বিকল্প। তবে মনে রাখতে হবে, শুধু ডিমের ওপর নির্ভর না করে সুষম খাদ্যাভ্যাস ও নিয়মিত শরীরচর্চাই সুস্থতার আসল চাবিকাঠি। উচ্চ কোলেস্টেরল বা হৃদরোগ থাকলে খাদ্যতালিকায় পরিবর্তন আনার আগে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়াই উত্তম।

ম্রুণাল ঠাকুরের কঠোর সতর্কবার্তা: AI ডিপফেক অপব্যবহারে আইনি ব্যবস্থা

টানা দুই সপ্তাহ নিয়মিত ডিম খেলে শরীরে যেসব পরিবর্তন আসে

Update Time : ১১:৪৩:৪১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৪ অগাস্ট ২০২৬

ডিম খাওয়ার উপকারিতা নিয়ে কথা বললে সবার আগে আসে প্রোটিনের কথা। ডিমকে বলা হয় উচ্চমানের প্রোটিনের সেরা উৎসগুলোর একটি, যা শরীরের বৃদ্ধি, পেশি গঠন ও বিভিন্ন অঙ্গের স্বাভাবিক কাজের জন্য অপরিহার্য। নিয়মিত ডিম খেলে শুধু প্রোটিনের চাহিদাই মেটে না, শরীর পায় আরও অনেক গুরুত্বপূর্ণ পুষ্টি উপাদান।

এআইআইএমএস, হার্ভার্ড ও স্ট্যানফোর্ডে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত গ্যাস্ট্রোএন্টারোলজিস্ট ডা. সেথি সম্প্রতি ইনস্টাগ্রামে জানিয়েছেন, টানা দুই সপ্তাহ ডিম খেলে শরীরে বেশ কিছু ইতিবাচক পরিবর্তন লক্ষ্য করা যায়। তার মতে, একটি ডিমের কুসুমে প্রায় আড়াই গ্রাম আর সাদা অংশে প্রায় চার গ্রাম প্রোটিন থাকে, যা একে সম্পূর্ণ প্রোটিনের উৎস করে তোলে।

আরও পড়ুন  ২৪ ঘণ্টা না খেয়ে থাকলে শরীরে কী ঘটে? জানুন উপকার-ঝুঁকি

চোখের স্বাস্থ্যের জন্যও ডিম উপকারী হতে পারে। ডিমে থাকা কিছু উপাদান বয়সজনিত চোখের সমস্যা, যেমন ম্যাকুলার ডিজেনারেশন ও ছানিপড়ার ঝুঁকি কমাতে সহায়তা করে বলে জানান বিশেষজ্ঞরা। দীর্ঘমেয়াদে দৃষ্টিশক্তি ভালো রাখতেও এর ভূমিকা রয়েছে।

মস্তিষ্ক ও লিভারের জন্যও ডিম বেশ কার্যকর। ডিমে থাকা কোলিন নামের উপাদান মস্তিষ্কের কার্যকারিতা বাড়াতে সাহায্য করে, পাশাপাশি ফ্যাটি লিভারের ঝুঁকিও কমাতে পারে। বর্তমান অনিয়মিত জীবনযাপনের কারণে ফ্যাটি লিভারের সমস্যা বেড়ে যাচ্ছে, তাই খাদ্যতালিকায় ডিম রাখা উপকারী হতে পারে।

আরও পড়ুন  কম আলোতে গাছ: কম যত্নেই সতেজ থাকবে ৯টি ইনডোর প্ল্যান্ট

অনেকের ধারণা ডিম খেলে কোলেস্টেরল বেড়ে যায়, কিন্তু ডা. সেথি বলছেন ভিন্ন কথা। তার মতে ডিম শরীরের ভালো কোলেস্টেরল (এইচডিএল) বাড়াতে সাহায্য করতে পারে। সকালের নাশতায় ডিম খেলে রক্তে শর্করার মাত্রাও তুলনামূলক স্থিতিশীল থাকে, ফলে দীর্ঘ সময় শক্তি পাওয়া যায়।

যারা নিরামিষভোজী বা ভেগান হওয়ায় ডিম খান না, তাদের জন্য ডা. সেথি টোফু খাওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন, যা প্রোটিনের একটি ভালো উদ্ভিদভিত্তিক বিকল্প। তবে মনে রাখতে হবে, শুধু ডিমের ওপর নির্ভর না করে সুষম খাদ্যাভ্যাস ও নিয়মিত শরীরচর্চাই সুস্থতার আসল চাবিকাঠি। উচ্চ কোলেস্টেরল বা হৃদরোগ থাকলে খাদ্যতালিকায় পরিবর্তন আনার আগে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়াই উত্তম।

আরও পড়ুন  প্রতিদিন চায়ের সঙ্গে বিস্কুট খাচ্ছেন? জানুন শরীরে কী ঘটতে পারে