ঢাকা ০৯:০৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৪ অগাস্ট ২০২৬, ২০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo টেলিগ্রাম অ্যাপ স্টোর: হঠাৎ উধাও, অবশেষে সামনে এলো বড় কারণ? Logo উত্তরাঞ্চলে বিনিয়োগ: বাধা দূর, উদ্যোক্তাদের এগিয়ে আসার আহ্বান Logo বিজিএমইএ-বিটিএমএ একসঙ্গে, ১০০ বিলিয়ন ডলার রপ্তানির লক্ষ্য Logo কাঁচা মরিচের দাম অর্ধেকের বেশি কমল, আমদানিতে মিলল স্বস্তি Logo নোরা ফাতেহি বোনো সম্পর্ক: অবশেষে প্রেমের গুঞ্জনে স্পষ্ট জবাব দিলেন অভিনেত্রী Logo প্রবাসী আয় বেড়ে ৩ দিনে ৪ হাজার ৯৯৩ কোটি টাকা, প্রবৃদ্ধি ৮৪% Logo বিবেক ওবেরয় রামায়ণ: অবাক করা সিদ্ধান্তে পারিশ্রমিক ছাড়লেন অভিনেতা Logo কারাগারের ১৮ দিনের অভিজ্ঞতা বদলে দিয়েছে, সালমান খানের চিন্তাভাবনা Logo বিতর্কের মুখে সানি লিওনি, এতদিন পর মুখ খুললেন মহেশ ভাট Logo মাত্র ৩৬ বছরের জীবন, কিন্তু আজও বিশ্বজুড়ে অমর মেরিলিন মনরো।

বিজিএমইএ-বিটিএমএ একসঙ্গে, ১০০ বিলিয়ন ডলার রপ্তানির লক্ষ্য

  • ডেস্ক নিউজ
  • Update Time : ০৭:৪৭:৪২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৪ অগাস্ট ২০২৬
  • ৫১৭

দেশের পোশাক ও টেক্সটাইল শিল্পের উন্নয়নে একসঙ্গে কাজ করবে বিজিএমইএ ও বিটিএমএ। ছবি: সংগৃহীত

বিজিএমইএ-বিটিএমএ দেশের পোশাক ও টেক্সটাইল শিল্পকে আরও শক্তিশালী করতে একসঙ্গে কাজ করার ঘোষণা দিয়েছে। দুই সংগঠনের নেতারা বলছেন, আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতা যতই বাড়ুক না কেন, দেশের শিল্পের স্বার্থে পারস্পরিক সহযোগিতা ও সমন্বয়ের মাধ্যমেই রপ্তানি খাতকে নতুন উচ্চতায় নেওয়া সম্ভব।

মঙ্গলবার আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে বিশ্বমানের টেক্সটাইল এক্সিবিশন আয়োজনের লক্ষ্যে বিজিএমইএ ও বিটিএমএ-এর মধ্যে একটি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) সই হয়। অনুষ্ঠানে বিজিএমইএর সভাপতি মাহমুদ হাসান খান বাবু বলেন, প্রতিযোগী অনেক দেশ বিভেদ তৈরির চেষ্টা করলেও বাংলাদেশের স্বার্থে দুই সংগঠন ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করবে।

তিনি জানান, আসন্ন টেক্সটাইল প্রদর্শনীতে বিশ্বমানের যন্ত্রপাতি, কাঁচামাল, প্রযুক্তি ও শিল্প-সহায়ক বিভিন্ন উদ্ভাবনী সমাধান একসঙ্গে তুলে ধরা হবে। এতে দেশীয় উদ্যোক্তারা প্রয়োজনীয় প্রযুক্তি ও আধুনিক শিল্প সরঞ্জাম একই প্ল্যাটফর্মে সহজেই দেখতে ও সংগ্রহের সুযোগ পাবেন।

অনুষ্ঠানে আরও জানানো হয়, ভবিষ্যতে এআই প্রযুক্তির ব্যবহার, আধুনিক যন্ত্রাংশ, ফ্যাশন ট্রেন্ড, প্রযুক্তি হস্তান্তর, দক্ষতা উন্নয়ন, নেটওয়ার্কিং এবং টেকসই উৎপাদন ব্যবস্থার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হবে। এসব উদ্যোগ বাংলাদেশের টেক্সটাইল ও তৈরি পোশাক শিল্পকে আরও প্রতিযোগিতামূলক করে তুলবে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা।

সংগঠন দুটি জানায়, এখন থেকে নীতি সহায়তা, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সংকট মোকাবিলা এবং শিল্পের বিভিন্ন সমস্যা সমাধানে যৌথভাবে কাজ করা হবে। তাদের লক্ষ্য, সমন্বিত উদ্যোগের মাধ্যমে ভবিষ্যতে ১০০ বিলিয়ন ডলার রপ্তানি আয় অর্জনের ভিত্তি তৈরি করা এবং দেশের শিল্পায়ন ও কর্মসংস্থান আরও সম্প্রসারণ করা।

টেলিগ্রাম অ্যাপ স্টোর: হঠাৎ উধাও, অবশেষে সামনে এলো বড় কারণ?

বিজিএমইএ-বিটিএমএ একসঙ্গে, ১০০ বিলিয়ন ডলার রপ্তানির লক্ষ্য

Update Time : ০৭:৪৭:৪২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৪ অগাস্ট ২০২৬

বিজিএমইএ-বিটিএমএ দেশের পোশাক ও টেক্সটাইল শিল্পকে আরও শক্তিশালী করতে একসঙ্গে কাজ করার ঘোষণা দিয়েছে। দুই সংগঠনের নেতারা বলছেন, আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতা যতই বাড়ুক না কেন, দেশের শিল্পের স্বার্থে পারস্পরিক সহযোগিতা ও সমন্বয়ের মাধ্যমেই রপ্তানি খাতকে নতুন উচ্চতায় নেওয়া সম্ভব।

মঙ্গলবার আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে বিশ্বমানের টেক্সটাইল এক্সিবিশন আয়োজনের লক্ষ্যে বিজিএমইএ ও বিটিএমএ-এর মধ্যে একটি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) সই হয়। অনুষ্ঠানে বিজিএমইএর সভাপতি মাহমুদ হাসান খান বাবু বলেন, প্রতিযোগী অনেক দেশ বিভেদ তৈরির চেষ্টা করলেও বাংলাদেশের স্বার্থে দুই সংগঠন ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করবে।

আরও পড়ুন  এআই দিয়ে নিত্যপণ্যের বাজার মনিটরিং করবে সরকার: ৩০ পণ্যে নজরদারির পরিকল্পনা

তিনি জানান, আসন্ন টেক্সটাইল প্রদর্শনীতে বিশ্বমানের যন্ত্রপাতি, কাঁচামাল, প্রযুক্তি ও শিল্প-সহায়ক বিভিন্ন উদ্ভাবনী সমাধান একসঙ্গে তুলে ধরা হবে। এতে দেশীয় উদ্যোক্তারা প্রয়োজনীয় প্রযুক্তি ও আধুনিক শিল্প সরঞ্জাম একই প্ল্যাটফর্মে সহজেই দেখতে ও সংগ্রহের সুযোগ পাবেন।

অনুষ্ঠানে আরও জানানো হয়, ভবিষ্যতে এআই প্রযুক্তির ব্যবহার, আধুনিক যন্ত্রাংশ, ফ্যাশন ট্রেন্ড, প্রযুক্তি হস্তান্তর, দক্ষতা উন্নয়ন, নেটওয়ার্কিং এবং টেকসই উৎপাদন ব্যবস্থার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হবে। এসব উদ্যোগ বাংলাদেশের টেক্সটাইল ও তৈরি পোশাক শিল্পকে আরও প্রতিযোগিতামূলক করে তুলবে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা।

আরও পড়ুন  জ্বালানি নিরাপত্তা: শক্তিশালী পরিকল্পনায় শিল্পে নিরবচ্ছিন্ন গ্যাস-বিদ্যুতের আশ্বাস

সংগঠন দুটি জানায়, এখন থেকে নীতি সহায়তা, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সংকট মোকাবিলা এবং শিল্পের বিভিন্ন সমস্যা সমাধানে যৌথভাবে কাজ করা হবে। তাদের লক্ষ্য, সমন্বিত উদ্যোগের মাধ্যমে ভবিষ্যতে ১০০ বিলিয়ন ডলার রপ্তানি আয় অর্জনের ভিত্তি তৈরি করা এবং দেশের শিল্পায়ন ও কর্মসংস্থান আরও সম্প্রসারণ করা।