ঢাকা ০৫:৪৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৪ অগাস্ট ২০২৬, ২০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo কারাগারের ১৮ দিনের অভিজ্ঞতা বদলে দিয়েছে, সালমান খানের চিন্তাভাবনা Logo বিতর্কের মুখে সানি লিওনি, এতদিন পর মুখ খুললেন মহেশ ভাট Logo মাত্র ৩৬ বছরের জীবন, কিন্তু আজও বিশ্বজুড়ে অমর মেরিলিন মনরো। Logo দ্য ফিউরিয়াস সিনেমা কেন অ্যাকশনপ্রেমীদের জন্য মাস্ট ওয়াচ Logo রাজনীতি, প্রেম আর হাসির গল্প—আগস্টে চরকিতে নতুন ৩ কনটেন্ট Logo ১৫ টাকার চাল কর্মসূচি: ৫৫ লাখ পরিবার পাচ্ছে খাদ্য সহায়তা Logo বাংলাদেশ-দক্ষিণ কোরিয়া সিইপিএ, দর-কষাকষি শেষ, চুক্তি সই শিগগিরই Logo গাজা চুক্তি নিয়ে ট্রাম্পের সঙ্গে মতবিরোধে নেতানিয়াহু Logo গ্যাস সংকটে উৎপাদন কমেছে: ছুটি বাড়াচ্ছে শিল্পকারখানা Logo পাট রপ্তানিতে বড় লক্ষ্য: ৫ বছরে দ্বিগুণ আয়ের পরিকল্পনা

মাত্র ৩৬ বছরের জীবন, কিন্তু আজও বিশ্বজুড়ে অমর মেরিলিন মনরো।

মেরিলিন মনরোকে নিয়ে নির্মিত একাধিক সিনেমা আজও দর্শকদের আগ্রহের কেন্দ্র। ছবি: সংগৃহীত

মেরিলিন মনরো আজও হলিউডের অন্যতম আলোচিত ও কিংবদন্তি তারকা। মাত্র ৩৬ বছর বয়সে পৃথিবীকে বিদায় জানালেও তাঁর জনপ্রিয়তা এতটুকুও কমেনি। বরং মৃত্যুর পর গত ছয় দশকে তাঁকে নিয়ে নির্মিত হয়েছে একাধিক সিনেমা, টেলিভিশন চলচ্চিত্র ও তথ্যচিত্র। তাঁর জীবন, সাফল্য, ব্যক্তিগত সংগ্রাম এবং রহস্যময় মৃত্যু বারবার নির্মাতাদের অনুপ্রাণিত করেছে। মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে দেখে নেওয়া যাক মেরিলিন মনরোকে ঘিরে নির্মিত উল্লেখযোগ্য কয়েকটি কাজ।

১৯৬২ সালে মনরোর মৃত্যুর পরপরই ১৯৬৩ সালে নির্মিত হয় তথ্যচিত্র ‘মনরো’। পরিচালক হ্যারল্ড মেডফোর্ডের এই নির্মাণে পঞ্চাশের দশকের জনপ্রিয় এই হলিউড তারকার ক্যারিয়ার ও জীবন তুলে ধরা হয়। তথ্যচিত্রটির বর্ণনা দেন অভিনেতা রক হাডসন। এতে মূলত টোয়েন্টিথ সেঞ্চুরি ফক্সের ব্যানারে মনরোর অভিনীত চলচ্চিত্রগুলোই গুরুত্ব পেয়েছিল। তবে নির্মাণটি আজও ডিভিডি বা অন্য কোনো মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা হয়নি।

১৯৭৬ সালে মুক্তি পায় ‘গুডবাই, নর্মা জিন’, যা ছিল মেরিলিন মনরোর জীবনভিত্তিক প্রথম পূর্ণদৈর্ঘ্য সিনেমাগুলোর একটি। এতে মনরোর চরিত্রে অভিনয় করেন মিস্টি রোওয়ে। যদিও সিনেমাটি প্রত্যাশিত সাফল্য পায়নি। পরে ১৯৮৯ সালে পরিচালক ল্যারি বুচনান ‘গুডনাইট, সুইট মেরিলিন’ নির্মাণ করেন। সেখানে তরুণী মনরোর ভূমিকায় আবারও দেখা যায় মিস্টি রোওয়েকে, আর প্রাপ্তবয়স্ক মনরোর চরিত্রে অভিনয় করেন পাওলা লেন। অন্যদিকে ১৯৮০ সালের টিভি চলচ্চিত্র ‘মেরিলিন: দ্য আনটোল্ড স্টোরি’-তে ক্যাথেরিন হিকসের অভিনয় ব্যাপক প্রশংসিত হয় এবং এটি চারটি এমি মনোনয়ন অর্জন করে।

মনরোকে ঘিরে নির্মিত অন্য উল্লেখযোগ্য কাজগুলোর মধ্যে রয়েছে ১৯৯১ সালের টিভি মুভি ‘মেরিলিন অ্যান্ড মি’। এটি লেখক রবার্ট স্লাটজারের দাবি করা ব্যক্তিগত সম্পর্কের গল্পকে কেন্দ্র করে নির্মিত। এতে মনরোর ভূমিকায় অভিনয় করেন সুসান গ্রিফিথস। ১৯৯৩ সালের ‘ক্যালেন্ডার গার্ল’ সরাসরি তাঁর জীবনী না হলেও মনরোর প্রতি এক তরুণের মুগ্ধতার গল্প তুলে ধরে। এতে সংক্ষিপ্ত উপস্থিতিতে মনরোর চরিত্রে অভিনয় করেন স্টেফানি অ্যান্ডারসন।

২০১১ সালে মুক্তি পাওয়া ‘মাই উইক উইথ মনরো’ সমালোচকদের অন্যতম প্রশংসিত কাজ। সিমন কার্টিস পরিচালিত এই সিনেমায় ১৯৫৭ সালের ‘দ্য প্রিন্স অ্যান্ড দ্য শো গার্ল’ ছবির শুটিং চলাকালীন সময়ের ঘটনাপ্রবাহ দেখানো হয়েছে। মেরিলিন মনরোর চরিত্রে অভিনয় করেন মিশেল উইলিয়ামস। তাঁর অভিনয় দর্শক ও সমালোচকদের প্রশংসা কুড়ায় এবং সিনেমাটি অস্কারসহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক পুরস্কারে মনোনয়ন পায়।

২০২২ সালে নেটফ্লিক্সে মুক্তি পায় তথ্যচিত্র ‘দ্য মিস্ট্রি অব মেরিলিন মনরো: দ্য আনহিয়ার্ড টেপস’, যেখানে অভিনেত্রীর জীবন ও রহস্যময় মৃত্যুর নানা অজানা দিক তুলে ধরা হয়। একই বছর মুক্তি পায় বহুল আলোচিত বায়োপিক ‘ব্লন্ড’। অ্যান্ড্রু ডোমিনিক পরিচালিত এই সিনেমায় মেরিলিন মনরোর চরিত্রে অভিনয় করেন আনা ডে আরমাস। তাঁর অভিনয় আন্তর্জাতিকভাবে ব্যাপক প্রশংসিত হয়। সব মিলিয়ে বলা যায়, পর্দা ছেড়ে বহু বছর পেরিয়ে গেলেও মেরিলিন মনরো এখনো চলচ্চিত্র নির্মাতাদের অন্যতম অনুপ্রেরণার নাম।

কারাগারের ১৮ দিনের অভিজ্ঞতা বদলে দিয়েছে, সালমান খানের চিন্তাভাবনা

মাত্র ৩৬ বছরের জীবন, কিন্তু আজও বিশ্বজুড়ে অমর মেরিলিন মনরো।

Update Time : ০৪:১৭:৫৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৪ অগাস্ট ২০২৬

মেরিলিন মনরো আজও হলিউডের অন্যতম আলোচিত ও কিংবদন্তি তারকা। মাত্র ৩৬ বছর বয়সে পৃথিবীকে বিদায় জানালেও তাঁর জনপ্রিয়তা এতটুকুও কমেনি। বরং মৃত্যুর পর গত ছয় দশকে তাঁকে নিয়ে নির্মিত হয়েছে একাধিক সিনেমা, টেলিভিশন চলচ্চিত্র ও তথ্যচিত্র। তাঁর জীবন, সাফল্য, ব্যক্তিগত সংগ্রাম এবং রহস্যময় মৃত্যু বারবার নির্মাতাদের অনুপ্রাণিত করেছে। মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে দেখে নেওয়া যাক মেরিলিন মনরোকে ঘিরে নির্মিত উল্লেখযোগ্য কয়েকটি কাজ।

১৯৬২ সালে মনরোর মৃত্যুর পরপরই ১৯৬৩ সালে নির্মিত হয় তথ্যচিত্র ‘মনরো’। পরিচালক হ্যারল্ড মেডফোর্ডের এই নির্মাণে পঞ্চাশের দশকের জনপ্রিয় এই হলিউড তারকার ক্যারিয়ার ও জীবন তুলে ধরা হয়। তথ্যচিত্রটির বর্ণনা দেন অভিনেতা রক হাডসন। এতে মূলত টোয়েন্টিথ সেঞ্চুরি ফক্সের ব্যানারে মনরোর অভিনীত চলচ্চিত্রগুলোই গুরুত্ব পেয়েছিল। তবে নির্মাণটি আজও ডিভিডি বা অন্য কোনো মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা হয়নি।

আরও পড়ুন  জিন্দেগি না মিলেগি দোবারা এখনও অনুপ্রেরণা! কেন আজও এত জনপ্রিয়?

১৯৭৬ সালে মুক্তি পায় ‘গুডবাই, নর্মা জিন’, যা ছিল মেরিলিন মনরোর জীবনভিত্তিক প্রথম পূর্ণদৈর্ঘ্য সিনেমাগুলোর একটি। এতে মনরোর চরিত্রে অভিনয় করেন মিস্টি রোওয়ে। যদিও সিনেমাটি প্রত্যাশিত সাফল্য পায়নি। পরে ১৯৮৯ সালে পরিচালক ল্যারি বুচনান ‘গুডনাইট, সুইট মেরিলিন’ নির্মাণ করেন। সেখানে তরুণী মনরোর ভূমিকায় আবারও দেখা যায় মিস্টি রোওয়েকে, আর প্রাপ্তবয়স্ক মনরোর চরিত্রে অভিনয় করেন পাওলা লেন। অন্যদিকে ১৯৮০ সালের টিভি চলচ্চিত্র ‘মেরিলিন: দ্য আনটোল্ড স্টোরি’-তে ক্যাথেরিন হিকসের অভিনয় ব্যাপক প্রশংসিত হয় এবং এটি চারটি এমি মনোনয়ন অর্জন করে।

আরও পড়ুন  ৪০ পেরিয়ে হলিউডে নতুন নজির জেনিফার গার্নারের

মনরোকে ঘিরে নির্মিত অন্য উল্লেখযোগ্য কাজগুলোর মধ্যে রয়েছে ১৯৯১ সালের টিভি মুভি ‘মেরিলিন অ্যান্ড মি’। এটি লেখক রবার্ট স্লাটজারের দাবি করা ব্যক্তিগত সম্পর্কের গল্পকে কেন্দ্র করে নির্মিত। এতে মনরোর ভূমিকায় অভিনয় করেন সুসান গ্রিফিথস। ১৯৯৩ সালের ‘ক্যালেন্ডার গার্ল’ সরাসরি তাঁর জীবনী না হলেও মনরোর প্রতি এক তরুণের মুগ্ধতার গল্প তুলে ধরে। এতে সংক্ষিপ্ত উপস্থিতিতে মনরোর চরিত্রে অভিনয় করেন স্টেফানি অ্যান্ডারসন।

২০১১ সালে মুক্তি পাওয়া ‘মাই উইক উইথ মনরো’ সমালোচকদের অন্যতম প্রশংসিত কাজ। সিমন কার্টিস পরিচালিত এই সিনেমায় ১৯৫৭ সালের ‘দ্য প্রিন্স অ্যান্ড দ্য শো গার্ল’ ছবির শুটিং চলাকালীন সময়ের ঘটনাপ্রবাহ দেখানো হয়েছে। মেরিলিন মনরোর চরিত্রে অভিনয় করেন মিশেল উইলিয়ামস। তাঁর অভিনয় দর্শক ও সমালোচকদের প্রশংসা কুড়ায় এবং সিনেমাটি অস্কারসহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক পুরস্কারে মনোনয়ন পায়।

আরও পড়ুন  আবার বিয়ে করবেন বলে ঘোষণা দিলেন পরীমণি

২০২২ সালে নেটফ্লিক্সে মুক্তি পায় তথ্যচিত্র ‘দ্য মিস্ট্রি অব মেরিলিন মনরো: দ্য আনহিয়ার্ড টেপস’, যেখানে অভিনেত্রীর জীবন ও রহস্যময় মৃত্যুর নানা অজানা দিক তুলে ধরা হয়। একই বছর মুক্তি পায় বহুল আলোচিত বায়োপিক ‘ব্লন্ড’। অ্যান্ড্রু ডোমিনিক পরিচালিত এই সিনেমায় মেরিলিন মনরোর চরিত্রে অভিনয় করেন আনা ডে আরমাস। তাঁর অভিনয় আন্তর্জাতিকভাবে ব্যাপক প্রশংসিত হয়। সব মিলিয়ে বলা যায়, পর্দা ছেড়ে বহু বছর পেরিয়ে গেলেও মেরিলিন মনরো এখনো চলচ্চিত্র নির্মাতাদের অন্যতম অনুপ্রেরণার নাম।