ঢাকা ০৬:০০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৪ অগাস্ট ২০২৬, ২০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo কারাগারের ১৮ দিনের অভিজ্ঞতা বদলে দিয়েছে, সালমান খানের চিন্তাভাবনা Logo বিতর্কের মুখে সানি লিওনি, এতদিন পর মুখ খুললেন মহেশ ভাট Logo মাত্র ৩৬ বছরের জীবন, কিন্তু আজও বিশ্বজুড়ে অমর মেরিলিন মনরো। Logo দ্য ফিউরিয়াস সিনেমা কেন অ্যাকশনপ্রেমীদের জন্য মাস্ট ওয়াচ Logo রাজনীতি, প্রেম আর হাসির গল্প—আগস্টে চরকিতে নতুন ৩ কনটেন্ট Logo ১৫ টাকার চাল কর্মসূচি: ৫৫ লাখ পরিবার পাচ্ছে খাদ্য সহায়তা Logo বাংলাদেশ-দক্ষিণ কোরিয়া সিইপিএ, দর-কষাকষি শেষ, চুক্তি সই শিগগিরই Logo গাজা চুক্তি নিয়ে ট্রাম্পের সঙ্গে মতবিরোধে নেতানিয়াহু Logo গ্যাস সংকটে উৎপাদন কমেছে: ছুটি বাড়াচ্ছে শিল্পকারখানা Logo পাট রপ্তানিতে বড় লক্ষ্য: ৫ বছরে দ্বিগুণ আয়ের পরিকল্পনা

বিতর্কের মুখে সানি লিওনি, এতদিন পর মুখ খুললেন মহেশ ভাট

কাস্টিংয়ের নেপথ্যের গল্প জানালেন মহেশ ভাট। ছবি: সংগৃহীত

সানি লিওনি সিনেমা নিয়ে নতুন করে আলোচনায় এসেছে বলিউডের বহুল আলোচিত ছবি ‘জিসম ২’। এক দশকেরও বেশি সময় পর পরিচালক মহেশ ভাট সেই সময়ের কাস্টিং সিদ্ধান্ত, বিতর্ক এবং দর্শকের প্রতিক্রিয়া নিয়ে মুখ খুলেছেন। তাঁর বক্তব্যে উঠে এসেছে কীভাবে সানি লিওনিকে ছবির প্রধান চরিত্রে নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছিল এবং কেন ছবিটি প্রত্যাশা অনুযায়ী সাড়া পায়নি বলে তিনি মনে করেন।

সম্প্রতি একটি সাক্ষাৎকারে মহেশ ভাট জানান, ‘জিসম ২’ নির্মাণের প্রস্তুতি প্রায় শেষ পর্যায়ে থাকলেও তখনও প্রধান অভিনেত্রী নির্ধারণ হয়নি। এ সময় জনপ্রিয় রিয়েলিটি শো ‘বিগ বস ৫’-এ অংশ নিচ্ছিলেন সানি লিওনি। সেখানেই তাঁর সঙ্গে সরাসরি দেখা করার সুযোগ হয়। কথাবার্তার পরই মহেশ ভাটের মনে হয়, অভিনয়ের জন্য সানির সম্ভাবনা রয়েছে। এরপর তিনি ছবির পরিচালক ও প্রযোজক পূজা ভাটকে সানির নাম বিবেচনার পরামর্শ দেন।

সে সময় একজন সাবেক প্রাপ্তবয়স্ক চলচ্চিত্র তারকাকে মূলধারার বলিউড সিনেমায় নেওয়ার সিদ্ধান্ত ঘিরে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়। অনেকেই প্রশ্ন তুলেছিলেন, ভারতীয় দর্শক তাঁকে নায়িকা হিসেবে গ্রহণ করবেন কি না। মহেশ ভাট জানান, একটি টেলিভিশন চ্যানেলের শীর্ষ কর্মকর্তার পরামর্শ থেকেই প্রথম সানিকে নিয়ে ভাবা শুরু হয়। পরে ব্যক্তিগতভাবে সাক্ষাতের পর তাঁর ধারণা আরও দৃঢ় হয় যে সানি অভিনয়ের জন্য প্রস্তুত।

মহেশ ভাটের মতে, ছবির সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ ছিল দর্শকের প্রত্যাশা। তাঁর দাবি, অনেক দর্শক সানি লিওনির অতীত পরিচয়ের কারণে ভিন্ন ধরনের কনটেন্ট আশা করেছিলেন। কিন্তু ‘জিসম ২’ ছিল ভিন্ন গল্পভিত্তিক একটি চলচ্চিত্র। এই প্রত্যাশা ও বাস্তবতার পার্থক্যই ছবির গ্রহণযোগ্যতায় প্রভাব ফেলেছিল। যদিও মুক্তির প্রথম কয়েক দিনে ছবিটি ভালো ব্যবসা করেছিল এবং হলগুলোতে দর্শকের উপস্থিতিও ছিল উল্লেখযোগ্য।

তিনি আরও জানান, সানির সঙ্গে ‘জিসম’ ফ্র্যাঞ্চাইজির সম্পর্ক নতুন নয়। ২০০৩ সালে মুক্তি পাওয়া প্রথম ‘জিসম’ ছবিতেও তাঁকে নেওয়ার পরিকল্পনা ছিল। তবে সে সময় অন্য চুক্তিগত কারণে তা সম্ভব হয়নি। পরে ‘জিসম ২’ নির্মাণের সময় আবারও তাঁর নাম সামনে আসে। প্রযোজনা দলের ভেতরে কিছু দ্বিধা থাকলেও শেষ পর্যন্ত সানিকেই চূড়ান্ত করা হয়।

মহেশ ভাটের ভাষায়, সানি লিওনিকে কাস্ট করা কোনো পরিকল্পিত সাহসিকতার সিদ্ধান্ত ছিল না; বরং সময় ও পরিস্থিতির ফল। তিনি মনে করেন, অতীতের পরিচয় পেছনে ফেলে নতুনভাবে ক্যারিয়ার গড়ার সুযোগ প্রত্যেকেরই থাকা উচিত। একই সঙ্গে তিনি স্পষ্ট করেন, সানির বলিউড অভিষেকের মূল কৃতিত্ব তাঁর নয়, বরং পূজা ভাটের, যিনি ‘জিসম ২’ পরিচালনা ও প্রযোজনার দায়িত্বে ছিলেন। দীর্ঘদিন পর দেওয়া এই মন্তব্যে আবারও আলোচনায় ফিরেছে বলিউডের অন্যতম বিতর্কিত কাস্টিং সিদ্ধান্ত।

কারাগারের ১৮ দিনের অভিজ্ঞতা বদলে দিয়েছে, সালমান খানের চিন্তাভাবনা

বিতর্কের মুখে সানি লিওনি, এতদিন পর মুখ খুললেন মহেশ ভাট

Update Time : ০৪:৩১:৫৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৪ অগাস্ট ২০২৬

সানি লিওনি সিনেমা নিয়ে নতুন করে আলোচনায় এসেছে বলিউডের বহুল আলোচিত ছবি ‘জিসম ২’। এক দশকেরও বেশি সময় পর পরিচালক মহেশ ভাট সেই সময়ের কাস্টিং সিদ্ধান্ত, বিতর্ক এবং দর্শকের প্রতিক্রিয়া নিয়ে মুখ খুলেছেন। তাঁর বক্তব্যে উঠে এসেছে কীভাবে সানি লিওনিকে ছবির প্রধান চরিত্রে নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছিল এবং কেন ছবিটি প্রত্যাশা অনুযায়ী সাড়া পায়নি বলে তিনি মনে করেন।

সম্প্রতি একটি সাক্ষাৎকারে মহেশ ভাট জানান, ‘জিসম ২’ নির্মাণের প্রস্তুতি প্রায় শেষ পর্যায়ে থাকলেও তখনও প্রধান অভিনেত্রী নির্ধারণ হয়নি। এ সময় জনপ্রিয় রিয়েলিটি শো ‘বিগ বস ৫’-এ অংশ নিচ্ছিলেন সানি লিওনি। সেখানেই তাঁর সঙ্গে সরাসরি দেখা করার সুযোগ হয়। কথাবার্তার পরই মহেশ ভাটের মনে হয়, অভিনয়ের জন্য সানির সম্ভাবনা রয়েছে। এরপর তিনি ছবির পরিচালক ও প্রযোজক পূজা ভাটকে সানির নাম বিবেচনার পরামর্শ দেন।

আরও পড়ুন  কোটি টাকায় বিক্রি হলো বিটিএস তারকা জিমিনের সেই শার্ট

সে সময় একজন সাবেক প্রাপ্তবয়স্ক চলচ্চিত্র তারকাকে মূলধারার বলিউড সিনেমায় নেওয়ার সিদ্ধান্ত ঘিরে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়। অনেকেই প্রশ্ন তুলেছিলেন, ভারতীয় দর্শক তাঁকে নায়িকা হিসেবে গ্রহণ করবেন কি না। মহেশ ভাট জানান, একটি টেলিভিশন চ্যানেলের শীর্ষ কর্মকর্তার পরামর্শ থেকেই প্রথম সানিকে নিয়ে ভাবা শুরু হয়। পরে ব্যক্তিগতভাবে সাক্ষাতের পর তাঁর ধারণা আরও দৃঢ় হয় যে সানি অভিনয়ের জন্য প্রস্তুত।

আরও পড়ুন  সালমানের মাতৃভূমি বড় সংকটে, সেন্সরে মিলছে না ছাড়পত্র

মহেশ ভাটের মতে, ছবির সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ ছিল দর্শকের প্রত্যাশা। তাঁর দাবি, অনেক দর্শক সানি লিওনির অতীত পরিচয়ের কারণে ভিন্ন ধরনের কনটেন্ট আশা করেছিলেন। কিন্তু ‘জিসম ২’ ছিল ভিন্ন গল্পভিত্তিক একটি চলচ্চিত্র। এই প্রত্যাশা ও বাস্তবতার পার্থক্যই ছবির গ্রহণযোগ্যতায় প্রভাব ফেলেছিল। যদিও মুক্তির প্রথম কয়েক দিনে ছবিটি ভালো ব্যবসা করেছিল এবং হলগুলোতে দর্শকের উপস্থিতিও ছিল উল্লেখযোগ্য।

তিনি আরও জানান, সানির সঙ্গে ‘জিসম’ ফ্র্যাঞ্চাইজির সম্পর্ক নতুন নয়। ২০০৩ সালে মুক্তি পাওয়া প্রথম ‘জিসম’ ছবিতেও তাঁকে নেওয়ার পরিকল্পনা ছিল। তবে সে সময় অন্য চুক্তিগত কারণে তা সম্ভব হয়নি। পরে ‘জিসম ২’ নির্মাণের সময় আবারও তাঁর নাম সামনে আসে। প্রযোজনা দলের ভেতরে কিছু দ্বিধা থাকলেও শেষ পর্যন্ত সানিকেই চূড়ান্ত করা হয়।

আরও পড়ুন  ২২ বছরের সংসার ভাঙার কারণ জানালেন শুভাঙ্গী আত্রে

মহেশ ভাটের ভাষায়, সানি লিওনিকে কাস্ট করা কোনো পরিকল্পিত সাহসিকতার সিদ্ধান্ত ছিল না; বরং সময় ও পরিস্থিতির ফল। তিনি মনে করেন, অতীতের পরিচয় পেছনে ফেলে নতুনভাবে ক্যারিয়ার গড়ার সুযোগ প্রত্যেকেরই থাকা উচিত। একই সঙ্গে তিনি স্পষ্ট করেন, সানির বলিউড অভিষেকের মূল কৃতিত্ব তাঁর নয়, বরং পূজা ভাটের, যিনি ‘জিসম ২’ পরিচালনা ও প্রযোজনার দায়িত্বে ছিলেন। দীর্ঘদিন পর দেওয়া এই মন্তব্যে আবারও আলোচনায় ফিরেছে বলিউডের অন্যতম বিতর্কিত কাস্টিং সিদ্ধান্ত।