শিকারী গানের টিজার প্রকাশের পর নতুন করে আলোচনায় এসেছেন অভিনেতা জায়েদ খান। অভিনয়ের বাইরে এবার মিউজিক ভিডিওতে মডেল হিসেবে হাজির হচ্ছেন তিনি। কয়েক সেকেন্ডের টিজারেই তাঁর উপস্থিতি দর্শকদের মধ্যে কৌতূহল তৈরি করেছে। সেখানে একাধিক আমেরিকান নারী মডেলের সঙ্গে নাচতে ও গাইতে দেখা গেছে জায়েদ খানকে। টিজার প্রকাশের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এটি নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে। পুরো ভিডিওচিত্র প্রকাশের আগে এমন ভিন্নধর্মী উপস্থিতিই এখন নজর কেড়েছে।
শিকারী গানের ভিডিওচিত্রটি নির্মিত হয়েছে যুক্তরাষ্ট্রে। বাংলাদেশি নির্মাতা বদরুদ্দৌজা সাগরের পরিচালনায় তৈরি হয়েছে এই ব্যয়বহুল মিউজিক ভিডিও। এতে জায়েদ খানের সঙ্গে বাংলাদেশের মডেল ইয়াসমিন এবং যুক্তরাষ্ট্রের নিনা, মারিয়ানা, জুলিয়া, কারলা, কামিলা ও মিলানাকে দেখা যাবে। বৃহস্পতিবার রাতে গানটির টিজার প্রকাশ করা হয়। যুক্তরাষ্ট্রের একাধিক মনোরম লোকেশনে ভিডিওটির শুটিং হয়েছে। নির্মাণের বিভিন্ন পর্যায়ে দেশটির একাধিক টেকনিশিয়ানও কাজ করেছেন।
দীর্ঘদিন ধরে যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থান করছেন জায়েদ খান। একটি চলচ্চিত্রের পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে পারফর্ম করতে সেখানে গিয়েছিলেন তিনি। পরে দেশের পটপরিবর্তনের কারণে যুক্তরাষ্ট্রেই থেকে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেন। এরপর বিভিন্ন অঙ্গরাজ্যে আয়োজিত অনুষ্ঠানগুলোতে পারফর্ম করার পাশাপাশি একটি সেলিব্রিটি শোর উপস্থাপকের ভূমিকাতেও দেখা গেছে তাঁকে। গত দুই ঈদে দুটি স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্রে অভিনয় করেও দর্শকদের নজরে ছিলেন এই অভিনেতা। এবার অভিনয়ের পাশাপাশি নতুন পরিচয়ে মিউজিক ভিডিওতে হাজির হচ্ছেন তিনি।
শিকারী টিজারে জায়েদ খানের নাচ ও গানের পাশাপাশি বিদেশি মডেলদের উপস্থিতিও আলাদা করে নজর কেড়েছে। ভিডিওটির নির্মাণে আধুনিক প্রযুক্তি ও পেশাদার টিম ব্যবহার করা হয়েছে বলে জানা গেছে। স্টেডিক্যাম অপারেটর হিসেবে কাজ করেছেন এনরিক ক্যামাচো। যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন লোকেশনে শুটিং হওয়ায় ভিডিওটির দৃশ্যায়নেও ভিন্নতার আভাস পাওয়া গেছে। টিজারের ছোট পরিসরের ঝলকেই নির্মাণের ব্যাপকতার কিছুটা ধারণা পাওয়া যাচ্ছে।
টিজার প্রকাশের পর দর্শকদের প্রতিক্রিয়ায় সন্তুষ্ট জায়েদ খানও। তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী, টিজার দেখার পর বাংলাদেশ থেকে অনেকেই ফোন করে নিজেদের ভালো লাগার কথা জানিয়েছেন। অনেকে আবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে টিজারটি শেয়ার করছেন। অভিনেতার দাবি, কয়েক সেকেন্ডের টিজারের তুলনায় পুরো গানের ভিডিওচিত্র দর্শকদের আরও বেশি আকৃষ্ট করবে। তাই সম্পূর্ণ ভিডিও প্রকাশের পর দর্শকদের প্রতিক্রিয়া নিয়ে আশাবাদী তিনি। মিউজিক ভিডিওতে নিজের নতুন উপস্থাপন দর্শকদের কেমন লাগে, সেটিও এখন দেখার বিষয়।
শিকারী প্রকাশের আগেই টিজারের মাধ্যমে দর্শকদের মধ্যে যে আগ্রহ তৈরি হয়েছে, সেটিই এখন ভিডিওটির জন্য বড় প্রত্যাশা তৈরি করছে। অভিনয়ের বাইরে জায়েদ খানের এই নতুন পরিচয় কতটা গ্রহণযোগ্য হয়, তা পুরো গান প্রকাশের পরই স্পষ্ট হবে। বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্রের লোকেশন, বিদেশি মডেলদের উপস্থিতি এবং জায়েদ খানের নাচ ও গান—সব মিলিয়ে ভিডিওটিতে ভিন্ন ধরনের আয়োজনের ইঙ্গিত মিলেছে। এখন দর্শকদের অপেক্ষা পুরো শিকারী প্রকাশের। সেটি টিজারের মতোই সাড়া ফেলতে পারে কি না, সেটিই হবে পরবর্তী চমক।
























