ঢাকা ০২:২৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬, ১৩ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo চন্দনাইশে সাতবাড়িয়া ইউনিয়নে নগর পাড়া এলাকায় মোঃ আব্দুর রহমান (৬৩) নামে এক বৃদ্ধের গলিত লাশ উদ্ধার Logo দুলকার সালমান: সফল ক্যারিয়ারের অনুপ্রেরণার গল্প Logo ভিনিসিয়ুস চুক্তি নবায়ন: রিয়ালের বড় পরিকল্পনার শক্তিশালী কারণ Logo ইয়ান দিয়োমান্দে: রিয়ালের নতুন তারকার অনুপ্রেরণা রোনালদো Logo ব্যালন ডি’অর দৌড়ে এমবাপ্পে: ট্রফি ছাড়াই জয়ের দুর্দান্ত ইতিহাস Logo বিশ্বকাপে বিয়ার বিক্রি রেকর্ড: ৫৫ লাখের বেশি ক্যান বিক্রি, জানুন চমকপ্রদ তথ্য Logo চট্টগ্রামে চায়না ইকোনমিক জোন উদ্বোধন, বিনিয়োগে জোর অর্থমন্ত্রীর Logo বিবিএস রিপোর্ট: ৬৫% ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের নিবন্ধন নেই, বাড়ছে অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জ Logo ফিট থাকতে জিম নয়, কী করেন জয়া আহসান? Logo গ্যাস সংযোগ বন্ধে বড় ধাক্কা, অনিশ্চয়তায় শিল্প খাতের নতুন বিনিয়োগ

বিশ্বকাপে বিয়ার বিক্রি রেকর্ড: ৫৫ লাখের বেশি ক্যান বিক্রি, জানুন চমকপ্রদ তথ্য

  • ডেস্ক নিউজ
  • Update Time : ১২:৩৯:১৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬
  • ৫০৪

বিশ্বকাপ চলাকালে স্টেডিয়ামে দর্শকদের ভিড়। ছবি: সংগৃহীত

বিশ্বকাপে বিয়ার বিক্রি শুধু একটি পরিসংখ্যান নয়, এটি ২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপের বিশাল আয়োজনের আরেকটি অনন্য দিক তুলে ধরেছে। মাঠে ফুটবলের উত্তেজনার পাশাপাশি দর্শকদের জন্য খাদ্য ও পানীয় ব্যবস্থাপনাও ছিল নজিরবিহীন। টুর্নামেন্ট শেষে প্রকাশিত ফিফার তথ্য বলছে, মাত্র ৩৯ দিনে স্টেডিয়ামগুলোতে ৫৫ লাখের বেশি ক্যান বিয়ার বিক্রি হয়েছে, যা বিশ্বকাপ ইতিহাসের অন্যতম বড় রেকর্ড।

একই সময়ে বিক্রি হয়েছে প্রায় ৬ লাখ ৭৫ হাজার হট ডগ। এছাড়া ৪৬ লাখেরও বেশি কোমল পানীয় ও বোতলজাত পানি দর্শকদের কাছে পৌঁছে দেওয়া হয়েছে। এসব সংখ্যা প্রমাণ করে, বিশ্বকাপ শুধু ফুটবল নয়, এটি বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ ক্রীড়া উৎসব, যেখানে কোটি কোটি মানুষের চাহিদা পূরণে বিশাল পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করতে হয়।

২০২৬ বিশ্বকাপে স্টেডিয়ামে উপস্থিত দর্শকের সংখ্যা ছিল ৬৮ লাখেরও বেশি। যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও মেক্সিকো—এই তিন দেশে অনুষ্ঠিত টুর্নামেন্টে ১৬টি আয়োজক শহর এবং ৪৮টি দলের অনুশীলনকেন্দ্র ব্যবহার করা হয়। পুরো আয়োজন সফল করতে প্রায় তিন লাখ কর্মকর্তা ও কর্মী দায়িত্ব পালন করেন।

বিশ্বকাপের ১০৪টি ম্যাচ পরিচালনায় ৪৩ হাজারের বেশি স্বেচ্ছাসেবক এবং ৭৩ হাজার ৭০০ নিরাপত্তাকর্মী কাজ করেছেন। শুধু মাঠেই নয়, স্টেডিয়ামের বাইরেও দর্শকদের নিরাপত্তা, পরিবহন, খাবার এবং অন্যান্য সেবার জন্য ব্যাপক প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছিল। ফলে প্রতিটি ম্যাচ নির্বিঘ্নে সম্পন্ন করা সম্ভব হয়েছে।

বিশ্বকাপকে ঘিরে উত্তর আমেরিকার বিভিন্ন শহরে আয়োজিত ফ্যান ফেস্টও ছিল দর্শকদের অন্যতম আকর্ষণ। ফিফার তথ্য অনুযায়ী, এসব ফ্যান ফেস্টে ৯০ লাখের বেশি মানুষ অংশ নেন। বড় পর্দায় খেলা দেখা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান এবং বিভিন্ন বিনোদনমূলক আয়োজন মিলিয়ে বিশ্বকাপের আবহ ছড়িয়ে পড়েছিল পুরো অঞ্চলে।

টুর্নামেন্টের ফাইনাল অনুষ্ঠিত হয় যুক্তরাষ্ট্রের নিউ জার্সির মেটলাইফ স্টেডিয়ামে। সেখানে আর্জেন্টিনাকে ১-০ গোলে হারিয়ে দ্বিতীয়বারের মতো বিশ্বকাপ জিতে নেয় স্পেন। অতিরিক্ত সময়ে ফেরান তোরেসের একমাত্র গোলেই নির্ধারিত হয় শিরোপার ভাগ্য। মাঠের এই ঐতিহাসিক জয়ের পাশাপাশি বিশ্বকাপে বিয়ার বিক্রি, খাদ্য সরবরাহ এবং দর্শক ব্যবস্থাপনাও এবারের আসরকে ইতিহাসের অন্যতম সফল ও স্মরণীয় টুর্নামেন্ট হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

চন্দনাইশে সাতবাড়িয়া ইউনিয়নে নগর পাড়া এলাকায় মোঃ আব্দুর রহমান (৬৩) নামে এক বৃদ্ধের গলিত লাশ উদ্ধার

বিশ্বকাপে বিয়ার বিক্রি রেকর্ড: ৫৫ লাখের বেশি ক্যান বিক্রি, জানুন চমকপ্রদ তথ্য

Update Time : ১২:৩৯:১৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬

বিশ্বকাপে বিয়ার বিক্রি শুধু একটি পরিসংখ্যান নয়, এটি ২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপের বিশাল আয়োজনের আরেকটি অনন্য দিক তুলে ধরেছে। মাঠে ফুটবলের উত্তেজনার পাশাপাশি দর্শকদের জন্য খাদ্য ও পানীয় ব্যবস্থাপনাও ছিল নজিরবিহীন। টুর্নামেন্ট শেষে প্রকাশিত ফিফার তথ্য বলছে, মাত্র ৩৯ দিনে স্টেডিয়ামগুলোতে ৫৫ লাখের বেশি ক্যান বিয়ার বিক্রি হয়েছে, যা বিশ্বকাপ ইতিহাসের অন্যতম বড় রেকর্ড।

একই সময়ে বিক্রি হয়েছে প্রায় ৬ লাখ ৭৫ হাজার হট ডগ। এছাড়া ৪৬ লাখেরও বেশি কোমল পানীয় ও বোতলজাত পানি দর্শকদের কাছে পৌঁছে দেওয়া হয়েছে। এসব সংখ্যা প্রমাণ করে, বিশ্বকাপ শুধু ফুটবল নয়, এটি বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ ক্রীড়া উৎসব, যেখানে কোটি কোটি মানুষের চাহিদা পূরণে বিশাল পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করতে হয়।

আরও পড়ুন  মেসির গোল হলে ভিনির কেন নয়? ফিফায় ব্রাজিলের আনুষ্ঠানিক অভিযোগ

২০২৬ বিশ্বকাপে স্টেডিয়ামে উপস্থিত দর্শকের সংখ্যা ছিল ৬৮ লাখেরও বেশি। যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও মেক্সিকো—এই তিন দেশে অনুষ্ঠিত টুর্নামেন্টে ১৬টি আয়োজক শহর এবং ৪৮টি দলের অনুশীলনকেন্দ্র ব্যবহার করা হয়। পুরো আয়োজন সফল করতে প্রায় তিন লাখ কর্মকর্তা ও কর্মী দায়িত্ব পালন করেন।

বিশ্বকাপের ১০৪টি ম্যাচ পরিচালনায় ৪৩ হাজারের বেশি স্বেচ্ছাসেবক এবং ৭৩ হাজার ৭০০ নিরাপত্তাকর্মী কাজ করেছেন। শুধু মাঠেই নয়, স্টেডিয়ামের বাইরেও দর্শকদের নিরাপত্তা, পরিবহন, খাবার এবং অন্যান্য সেবার জন্য ব্যাপক প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছিল। ফলে প্রতিটি ম্যাচ নির্বিঘ্নে সম্পন্ন করা সম্ভব হয়েছে।

আরও পড়ুন  ইতিহাস গড়ে ভারতে ‌বিগ ব্যাশের উদ্বোধনী ম্যাচ

বিশ্বকাপকে ঘিরে উত্তর আমেরিকার বিভিন্ন শহরে আয়োজিত ফ্যান ফেস্টও ছিল দর্শকদের অন্যতম আকর্ষণ। ফিফার তথ্য অনুযায়ী, এসব ফ্যান ফেস্টে ৯০ লাখের বেশি মানুষ অংশ নেন। বড় পর্দায় খেলা দেখা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান এবং বিভিন্ন বিনোদনমূলক আয়োজন মিলিয়ে বিশ্বকাপের আবহ ছড়িয়ে পড়েছিল পুরো অঞ্চলে।

টুর্নামেন্টের ফাইনাল অনুষ্ঠিত হয় যুক্তরাষ্ট্রের নিউ জার্সির মেটলাইফ স্টেডিয়ামে। সেখানে আর্জেন্টিনাকে ১-০ গোলে হারিয়ে দ্বিতীয়বারের মতো বিশ্বকাপ জিতে নেয় স্পেন। অতিরিক্ত সময়ে ফেরান তোরেসের একমাত্র গোলেই নির্ধারিত হয় শিরোপার ভাগ্য। মাঠের এই ঐতিহাসিক জয়ের পাশাপাশি বিশ্বকাপে বিয়ার বিক্রি, খাদ্য সরবরাহ এবং দর্শক ব্যবস্থাপনাও এবারের আসরকে ইতিহাসের অন্যতম সফল ও স্মরণীয় টুর্নামেন্ট হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে।

আরও পড়ুন  ভিনিসিয়ুসের গোলের রহস্য কি আনারস? ভাইরাল ছবির আসল গল্প