ঢাকা ০৮:৫৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৩ জুলাই ২০২৬, ২৯ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo ব্রেন্ডন ম্যাককালাম বরখাস্ত: ইংল্যান্ড টেস্ট কোচে বড় পরিবর্তন Logo ঢামেকসহ ১৫ হাসপাতালে হেমাটোলজি মেশিন অনুদান Logo এসএসসি রেজাল্ট ২০২৬ SMS ফরম্যাট: মোবাইলে ফলাফল দেখার সহজ নিয়ম Logo সাতকানিয়ায় বন্যার্তদের মাঝে সিস্টেম গ্রুপের ত্রাণ বিতরণ Logo একদলীয় শাসনব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার কোনো চেষ্টা নেই : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী Logo ‘ব্যবসা করতে হলে এককালীন ২ কোটি টাকা, আর প্রতি মাসে ১০ লাখ টাকা দিবি’ Logo বরিশালের দুর্গম জঙ্গলে সেনা মহড়ায় প্রধানমন্ত্রী Logo নতুন মামলায় গ্রেপ্তার সাতক্ষীরার সাবেক এমপি সেঁজুতি Logo প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে বদলাল কুমিল্লার এইচএসসি কেন্দ্র Logo জীবনের ঝুঁকি নিয়ে বন্যার্তদের পাশে জসিম উদ্দিন আহমেদ

একদলীয় শাসনব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার কোনো চেষ্টা নেই : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

জাতীয় সংসদে বক্তব্য দিচ্ছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। ছবি: সংগৃহীত

বাংলাদেশের সংবিধানের ৬৫ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, জাতীয় সংসদে ৩০০টি সাধারণ আসনের পাশাপাশি ৫০টি সংরক্ষিত নারী আসন রয়েছে। এসব আসনে সরাসরি ভোট হয় না। সাধারণ নির্বাচনে রাজনৈতিক দলগুলোর প্রাপ্ত আসনের অনুপাতে সংরক্ষিত নারী সদস্য নির্বাচিত হন।

সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্যদের কোনো নির্দিষ্ট নির্বাচনী এলাকা না থাকায় তাঁদের কার্যক্রম নিয়ে সময়ে সময়ে আলোচনা হয়। বিভিন্ন সময়ে তাঁরা দেশের বিভিন্ন এলাকায় উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ড, সামাজিক কর্মসূচি এবং সরকারি প্রকল্প তদারকিতে অংশ নেন। তবে কোনো নির্দিষ্ট সংসদীয় আসনের নির্বাচিত প্রতিনিধি হিসেবে তাঁদের সাংবিধানিক অবস্থান নেই।

বিরোধী দলের পক্ষ থেকে সংসদে অভিযোগ করা হয়, কিছু এলাকায় সংরক্ষিত নারী আসনের সদস্যদের ‘অতিরিক্ত দায়িত্বপ্রাপ্ত’ হিসেবে উপস্থাপন করা হচ্ছে। এতে নির্বাচিত সংসদ সদস্যদের ভূমিকা নিয়ে জনমনে বিভ্রান্তি তৈরি হতে পারে বলে তারা আশঙ্কা প্রকাশ করেন। এ কারণেই বিষয়টির আনুষ্ঠানিক ব্যাখ্যা সংসদে দাবি করা হয়।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাউদ্দিন আহমেদ বলেন, সংরক্ষিত নারী আসনের সদস্যরা আইন অনুযায়ী দেশের যেকোনো স্থানে উন্নয়নমূলক বা সামাজিক কার্যক্রম পরিচালনা করতে পারেন। তবে তাঁদের জন্য কোনো নির্দিষ্ট নির্বাচনী এলাকা বা সাংবিধানিকভাবে নির্ধারিত ‘অতিরিক্ত দায়িত্বপ্রাপ্ত’ এলাকা নেই।

সংবিধান বিশেষজ্ঞদের মতে, সংরক্ষিত নারী আসনের সদস্যদের আইনগত কার্যপরিধি সারা দেশ হলেও তাঁরা কোনো সাধারণ আসনের নির্বাচিত সংসদ সদস্যের সাংবিধানিক ভূমিকা বা দায়িত্ব গ্রহণ করেন না। সাধারণ আসনের প্রতিনিধি ও সংরক্ষিত নারী সদস্যের সাংবিধানিক অবস্থান এবং নির্বাচনী ভিত্তি আলাদা।

সংসদীয় কার্যপ্রণালিতে পয়েন্ট অব অর্ডারের মাধ্যমে জনস্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় উত্থাপন করা হয়। যদিও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী উল্লেখ করেন যে আলোচ্য বিষয়টি পয়েন্ট অব অর্ডারের আওতায় পড়ে না, তবুও বিভ্রান্তি দূর করতে তিনি সরকারের অবস্থান সংসদে স্পষ্ট করেন।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী স্পষ্টভাবে বলেন, দেশে একদলীয় শাসনব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার কোনো চেষ্টা নেই। তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী, সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্যদের কার্যক্রম সংবিধান ও প্রচলিত আইন অনুযায়ী পরিচালিত হয় এবং এ বিষয়ে যে ব্যাখ্যা দেওয়া হচ্ছে, তার বাইরে কোনো সাংবিধানিক ভিত্তি নেই।

জনপ্রিয় সংবাদ

ব্রেন্ডন ম্যাককালাম বরখাস্ত: ইংল্যান্ড টেস্ট কোচে বড় পরিবর্তন

একদলীয় শাসনব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার কোনো চেষ্টা নেই : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

Update Time : ০৭:৪৮:৪৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৩ জুলাই ২০২৬

বাংলাদেশের সংবিধানের ৬৫ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, জাতীয় সংসদে ৩০০টি সাধারণ আসনের পাশাপাশি ৫০টি সংরক্ষিত নারী আসন রয়েছে। এসব আসনে সরাসরি ভোট হয় না। সাধারণ নির্বাচনে রাজনৈতিক দলগুলোর প্রাপ্ত আসনের অনুপাতে সংরক্ষিত নারী সদস্য নির্বাচিত হন।

সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্যদের কোনো নির্দিষ্ট নির্বাচনী এলাকা না থাকায় তাঁদের কার্যক্রম নিয়ে সময়ে সময়ে আলোচনা হয়। বিভিন্ন সময়ে তাঁরা দেশের বিভিন্ন এলাকায় উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ড, সামাজিক কর্মসূচি এবং সরকারি প্রকল্প তদারকিতে অংশ নেন। তবে কোনো নির্দিষ্ট সংসদীয় আসনের নির্বাচিত প্রতিনিধি হিসেবে তাঁদের সাংবিধানিক অবস্থান নেই।

আরও পড়ুন  ভুলে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে ধন্যবাদ, আমির হামজা বললেন—‘মন থেকে’ জানিয়েছি

বিরোধী দলের পক্ষ থেকে সংসদে অভিযোগ করা হয়, কিছু এলাকায় সংরক্ষিত নারী আসনের সদস্যদের ‘অতিরিক্ত দায়িত্বপ্রাপ্ত’ হিসেবে উপস্থাপন করা হচ্ছে। এতে নির্বাচিত সংসদ সদস্যদের ভূমিকা নিয়ে জনমনে বিভ্রান্তি তৈরি হতে পারে বলে তারা আশঙ্কা প্রকাশ করেন। এ কারণেই বিষয়টির আনুষ্ঠানিক ব্যাখ্যা সংসদে দাবি করা হয়।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাউদ্দিন আহমেদ বলেন, সংরক্ষিত নারী আসনের সদস্যরা আইন অনুযায়ী দেশের যেকোনো স্থানে উন্নয়নমূলক বা সামাজিক কার্যক্রম পরিচালনা করতে পারেন। তবে তাঁদের জন্য কোনো নির্দিষ্ট নির্বাচনী এলাকা বা সাংবিধানিকভাবে নির্ধারিত ‘অতিরিক্ত দায়িত্বপ্রাপ্ত’ এলাকা নেই।

আরও পড়ুন  ৬ দিনের বিরতি শেষে আজ আবারও বসছে সংসদ অধিবেশন

সংবিধান বিশেষজ্ঞদের মতে, সংরক্ষিত নারী আসনের সদস্যদের আইনগত কার্যপরিধি সারা দেশ হলেও তাঁরা কোনো সাধারণ আসনের নির্বাচিত সংসদ সদস্যের সাংবিধানিক ভূমিকা বা দায়িত্ব গ্রহণ করেন না। সাধারণ আসনের প্রতিনিধি ও সংরক্ষিত নারী সদস্যের সাংবিধানিক অবস্থান এবং নির্বাচনী ভিত্তি আলাদা।

সংসদীয় কার্যপ্রণালিতে পয়েন্ট অব অর্ডারের মাধ্যমে জনস্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় উত্থাপন করা হয়। যদিও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী উল্লেখ করেন যে আলোচ্য বিষয়টি পয়েন্ট অব অর্ডারের আওতায় পড়ে না, তবুও বিভ্রান্তি দূর করতে তিনি সরকারের অবস্থান সংসদে স্পষ্ট করেন।

আরও পড়ুন  হারুন অর রশীদ মারা গেছেন: বিএনপির সাবেক প্রতিমন্ত্রী ও পাঁচবারের এমপি আর নেই

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী স্পষ্টভাবে বলেন, দেশে একদলীয় শাসনব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার কোনো চেষ্টা নেই। তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী, সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্যদের কার্যক্রম সংবিধান ও প্রচলিত আইন অনুযায়ী পরিচালিত হয় এবং এ বিষয়ে যে ব্যাখ্যা দেওয়া হচ্ছে, তার বাইরে কোনো সাংবিধানিক ভিত্তি নেই।