ঢাকা ০৯:০৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৩ জুলাই ২০২৬, ২৯ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo চট্টগ্রামে সশস্ত্র হামলা: ভয়াবহ চাঁদাবাজির অভিযোগে তোলপাড় Logo ব্রেন্ডন ম্যাককালাম বরখাস্ত: ইংল্যান্ড টেস্ট কোচে বড় পরিবর্তন Logo ঢামেকসহ ১৫ হাসপাতালে হেমাটোলজি মেশিন অনুদান Logo এসএসসি রেজাল্ট ২০২৬ SMS ফরম্যাট: মোবাইলে ফলাফল দেখার সহজ নিয়ম Logo সাতকানিয়ায় বন্যার্তদের মাঝে সিস্টেম গ্রুপের ত্রাণ বিতরণ Logo একদলীয় শাসনব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার কোনো চেষ্টা নেই : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী Logo ‘ব্যবসা করতে হলে এককালীন ২ কোটি টাকা, আর প্রতি মাসে ১০ লাখ টাকা দিবি’ Logo বরিশালের দুর্গম জঙ্গলে সেনা মহড়ায় প্রধানমন্ত্রী Logo নতুন মামলায় গ্রেপ্তার সাতক্ষীরার সাবেক এমপি সেঁজুতি Logo প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে পরিবর্তন হলো কুমিল্লার এইচএসসি পরীক্ষাকেন্দ্র

সাতকানিয়ায় বন্যার্তদের মাঝে সিস্টেম গ্রুপের ত্রাণ বিতরণ

সাতকানিয়ায় বন্যাকবলিত মানুষের মাঝে ত্রাণ বিতরণ করছেন সিস্টেম গ্রুপের প্রতিনিধিরা। ছবি: সংগৃহীত

টানা কয়েক দিনের ভারী বর্ষণ এবং পাহাড়ি ঢলের কারণে সাতকানিয়া, লোহাগাড়া, বাঁশখালীসহ দক্ষিণ চট্টগ্রামের বিভিন্ন এলাকায় জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়েছে। অনেক নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হওয়ায় হাজারো পরিবার বাড়িঘর ছেড়ে নিরাপদ স্থানে আশ্রয় নিতে বাধ্য হয়েছে। অনেক স্থানে সড়ক যোগাযোগ ব্যাহত হওয়ায় ত্রাণ পৌঁছে দেওয়াও চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

ত্রাণসামগ্রীর মধ্যে ছিল চাল, ডাল, আলু, তেল, শুকনো খাবার, বিশুদ্ধ পানীয় পানি, শিশু খাদ্য এবং প্রয়োজনীয় নিত্যপণ্য। পাশাপাশি ক্ষতিগ্রস্ত কিছু পরিবারকে নগদ আর্থিক সহায়তাও প্রদান করা হয়, যাতে তারা জরুরি প্রয়োজন মেটাতে পারেন।

ত্রাণ পাওয়া অনেক পরিবার জানান, বন্যার কারণে কয়েক দিন ধরে স্বাভাবিক জীবনযাত্রা ব্যাহত হয়েছে। ঘরে পানি ঢুকে আসবাবপত্র ও খাদ্যসামগ্রী নষ্ট হয়ে গেছে। এমন সময় বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের সহায়তা তাদের জন্য কিছুটা স্বস্তি নিয়ে এসেছে।

স্থানীয় বাসিন্দাদের মতে, প্রতি বর্ষা মৌসুমেই সাতকানিয়া ও লোহাগাড়ার বিভিন্ন এলাকায় জলাবদ্ধতা ও বন্যা দেখা দেয়। খাল পুনঃখনন, পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থার উন্নয়ন, সেতু-কালভার্ট সংস্কার এবং কার্যকর ড্রেনেজ ব্যবস্থা গড়ে তোলার দাবি দীর্ঘদিনের।

দুর্যোগ বিশেষজ্ঞদের মতে, বন্যার সময় সরকারি উদ্যোগের পাশাপাশি ব্যক্তি, সামাজিক সংগঠন, ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান ও স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের অংশগ্রহণ ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের দুর্ভোগ কমাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। দ্রুত ত্রাণ বিতরণ এবং পুনর্বাসন কার্যক্রম ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোকে স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে সহায়তা করে।

স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও সচেতন নাগরিকরা মনে করছেন, শুধু জরুরি ত্রাণ নয়, দীর্ঘমেয়াদি বন্যা নিয়ন্ত্রণ পরিকল্পনা বাস্তবায়নও জরুরি। নদী ও খালের স্বাভাবিক প্রবাহ নিশ্চিত করা, জলাবদ্ধতা নিরসন এবং পরিকল্পিত অবকাঠামো উন্নয়নের মাধ্যমে ভবিষ্যতে দক্ষিণ চট্টগ্রামের মানুষের বন্যা দুর্ভোগ অনেকটাই কমানো সম্ভব হবে।

সিস্টেম গ্রুপের পক্ষ থেকে জানানো হয়, সাতকানিয়ার বিভিন্ন ইউনিয়নে আগে থেকেই ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের তালিকা প্রস্তুত করা হয়। সেই তালিকার ভিত্তিতে ১১ জন গ্রুপ লিডারের মাধ্যমে পর্যায়ক্রমে ত্রাণসামগ্রী ও নগদ অর্থ বিতরণ করা হয়েছে, যাতে প্রকৃত ক্ষতিগ্রস্তরা সহায়তা পান।

বন্যার পানিতে অনেক পরিবারের বসতঘর, রান্নাঘর এবং গবাদিপশুর আশ্রয়স্থল ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। অনেকের ঘরে এখনও পানি থাকায় স্বাভাবিকভাবে রান্না করা সম্ভব হচ্ছে না। বিশুদ্ধ পানির সংকট, খাদ্যাভাব এবং পানিবাহিত রোগের আশঙ্কাও বাড়ছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা।

স্থানীয় কৃষকদের দাবি, বন্যার পানিতে আমন ধানের বীজতলা, সবজি ক্ষেত এবং মাছের ঘেরের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। অনেক ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীও দোকান ও মালামালের ক্ষতির মুখে পড়েছেন। ফলে কৃষি ও স্থানীয় অর্থনীতিতে বন্যার প্রভাব দীর্ঘমেয়াদি হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

ত্রাণ বিতরণ কার্যক্রমে স্থানীয় স্বেচ্ছাসেবক ও সামাজিক সংগঠনের সদস্যরা সক্রিয়ভাবে অংশ নেন। তাঁরা দুর্গম ও পানিবন্দি এলাকায় নৌকা ও অন্যান্য বিকল্প ব্যবস্থার মাধ্যমে ত্রাণ পৌঁছে দিতে সহযোগিতা করেন।

বিশেষজ্ঞদের মতে, জরুরি খাদ্য সহায়তার পাশাপাশি ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পুনর্বাসন, কৃষকদের জন্য প্রণোদনা, ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের পুনরায় ঘুরে দাঁড়ানোর সুযোগ এবং ক্ষতিগ্রস্ত অবকাঠামো দ্রুত সংস্কার করা জরুরি। তা না হলে বন্যার অর্থনৈতিক প্রভাব দীর্ঘস্থায়ী হতে পারে।

স্বাস্থ্যকর্মীরা জানিয়েছেন, দীর্ঘদিন পানি জমে থাকলে ডায়রিয়া, জ্বর, চর্মরোগ ও সাপের কামড়ের ঝুঁকি বেড়ে যায়। তাই দুর্গত এলাকায় বিশুদ্ধ পানি সরবরাহ, স্যানিটেশন ব্যবস্থা এবং প্রয়োজনীয় চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

উপজেলা প্রশাসন জানিয়েছে, বন্যাকবলিত এলাকায় সরকারি ত্রাণ বিতরণ অব্যাহত রয়েছে। পাশাপাশি ক্ষয়ক্ষতির তালিকা প্রস্তুত করা হচ্ছে, যাতে পরবর্তী পুনর্বাসন কার্যক্রম দ্রুত বাস্তবায়ন করা যায়।

ত্রাণ বিতরণ অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবিলায় সরকারি উদ্যোগের পাশাপাশি ব্যক্তি, শিল্পপ্রতিষ্ঠান, সামাজিক সংগঠন ও বিত্তবানদের সম্মিলিতভাবে এগিয়ে আসা জরুরি। দুর্যোগের সময় মানবিক সহায়তা ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের দুর্ভোগ কমাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

সংশ্লিষ্টরা মনে করেন, সাতকানিয়া ও লোহাগাড়ার বন্যা সমস্যা সমাধানে নদী ও খাল পুনঃখনন, পানি নিষ্কাশনের আধুনিক ব্যবস্থা, অপরিকল্পিত বাঁধ ও অবৈধ দখল অপসারণ এবং সমন্বিত জলব্যবস্থাপনা পরিকল্পনা বাস্তবায়ন জরুরি। এতে ভবিষ্যতে বর্ষা মৌসুমে মানুষের দুর্ভোগ অনেকটাই কমানো সম্ভব হবে।

জনপ্রিয় সংবাদ

চট্টগ্রামে সশস্ত্র হামলা: ভয়াবহ চাঁদাবাজির অভিযোগে তোলপাড়

সাতকানিয়ায় বন্যার্তদের মাঝে সিস্টেম গ্রুপের ত্রাণ বিতরণ

Update Time : ০৭:৫৬:৫০ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৩ জুলাই ২০২৬

টানা কয়েক দিনের ভারী বর্ষণ এবং পাহাড়ি ঢলের কারণে সাতকানিয়া, লোহাগাড়া, বাঁশখালীসহ দক্ষিণ চট্টগ্রামের বিভিন্ন এলাকায় জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়েছে। অনেক নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হওয়ায় হাজারো পরিবার বাড়িঘর ছেড়ে নিরাপদ স্থানে আশ্রয় নিতে বাধ্য হয়েছে। অনেক স্থানে সড়ক যোগাযোগ ব্যাহত হওয়ায় ত্রাণ পৌঁছে দেওয়াও চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

ত্রাণসামগ্রীর মধ্যে ছিল চাল, ডাল, আলু, তেল, শুকনো খাবার, বিশুদ্ধ পানীয় পানি, শিশু খাদ্য এবং প্রয়োজনীয় নিত্যপণ্য। পাশাপাশি ক্ষতিগ্রস্ত কিছু পরিবারকে নগদ আর্থিক সহায়তাও প্রদান করা হয়, যাতে তারা জরুরি প্রয়োজন মেটাতে পারেন।

ত্রাণ পাওয়া অনেক পরিবার জানান, বন্যার কারণে কয়েক দিন ধরে স্বাভাবিক জীবনযাত্রা ব্যাহত হয়েছে। ঘরে পানি ঢুকে আসবাবপত্র ও খাদ্যসামগ্রী নষ্ট হয়ে গেছে। এমন সময় বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের সহায়তা তাদের জন্য কিছুটা স্বস্তি নিয়ে এসেছে।

স্থানীয় বাসিন্দাদের মতে, প্রতি বর্ষা মৌসুমেই সাতকানিয়া ও লোহাগাড়ার বিভিন্ন এলাকায় জলাবদ্ধতা ও বন্যা দেখা দেয়। খাল পুনঃখনন, পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থার উন্নয়ন, সেতু-কালভার্ট সংস্কার এবং কার্যকর ড্রেনেজ ব্যবস্থা গড়ে তোলার দাবি দীর্ঘদিনের।

দুর্যোগ বিশেষজ্ঞদের মতে, বন্যার সময় সরকারি উদ্যোগের পাশাপাশি ব্যক্তি, সামাজিক সংগঠন, ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান ও স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের অংশগ্রহণ ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের দুর্ভোগ কমাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। দ্রুত ত্রাণ বিতরণ এবং পুনর্বাসন কার্যক্রম ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোকে স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে সহায়তা করে।

স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও সচেতন নাগরিকরা মনে করছেন, শুধু জরুরি ত্রাণ নয়, দীর্ঘমেয়াদি বন্যা নিয়ন্ত্রণ পরিকল্পনা বাস্তবায়নও জরুরি। নদী ও খালের স্বাভাবিক প্রবাহ নিশ্চিত করা, জলাবদ্ধতা নিরসন এবং পরিকল্পিত অবকাঠামো উন্নয়নের মাধ্যমে ভবিষ্যতে দক্ষিণ চট্টগ্রামের মানুষের বন্যা দুর্ভোগ অনেকটাই কমানো সম্ভব হবে।

সিস্টেম গ্রুপের পক্ষ থেকে জানানো হয়, সাতকানিয়ার বিভিন্ন ইউনিয়নে আগে থেকেই ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের তালিকা প্রস্তুত করা হয়। সেই তালিকার ভিত্তিতে ১১ জন গ্রুপ লিডারের মাধ্যমে পর্যায়ক্রমে ত্রাণসামগ্রী ও নগদ অর্থ বিতরণ করা হয়েছে, যাতে প্রকৃত ক্ষতিগ্রস্তরা সহায়তা পান।

বন্যার পানিতে অনেক পরিবারের বসতঘর, রান্নাঘর এবং গবাদিপশুর আশ্রয়স্থল ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। অনেকের ঘরে এখনও পানি থাকায় স্বাভাবিকভাবে রান্না করা সম্ভব হচ্ছে না। বিশুদ্ধ পানির সংকট, খাদ্যাভাব এবং পানিবাহিত রোগের আশঙ্কাও বাড়ছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা।

স্থানীয় কৃষকদের দাবি, বন্যার পানিতে আমন ধানের বীজতলা, সবজি ক্ষেত এবং মাছের ঘেরের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। অনেক ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীও দোকান ও মালামালের ক্ষতির মুখে পড়েছেন। ফলে কৃষি ও স্থানীয় অর্থনীতিতে বন্যার প্রভাব দীর্ঘমেয়াদি হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

ত্রাণ বিতরণ কার্যক্রমে স্থানীয় স্বেচ্ছাসেবক ও সামাজিক সংগঠনের সদস্যরা সক্রিয়ভাবে অংশ নেন। তাঁরা দুর্গম ও পানিবন্দি এলাকায় নৌকা ও অন্যান্য বিকল্প ব্যবস্থার মাধ্যমে ত্রাণ পৌঁছে দিতে সহযোগিতা করেন।

বিশেষজ্ঞদের মতে, জরুরি খাদ্য সহায়তার পাশাপাশি ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পুনর্বাসন, কৃষকদের জন্য প্রণোদনা, ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের পুনরায় ঘুরে দাঁড়ানোর সুযোগ এবং ক্ষতিগ্রস্ত অবকাঠামো দ্রুত সংস্কার করা জরুরি। তা না হলে বন্যার অর্থনৈতিক প্রভাব দীর্ঘস্থায়ী হতে পারে।

স্বাস্থ্যকর্মীরা জানিয়েছেন, দীর্ঘদিন পানি জমে থাকলে ডায়রিয়া, জ্বর, চর্মরোগ ও সাপের কামড়ের ঝুঁকি বেড়ে যায়। তাই দুর্গত এলাকায় বিশুদ্ধ পানি সরবরাহ, স্যানিটেশন ব্যবস্থা এবং প্রয়োজনীয় চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

উপজেলা প্রশাসন জানিয়েছে, বন্যাকবলিত এলাকায় সরকারি ত্রাণ বিতরণ অব্যাহত রয়েছে। পাশাপাশি ক্ষয়ক্ষতির তালিকা প্রস্তুত করা হচ্ছে, যাতে পরবর্তী পুনর্বাসন কার্যক্রম দ্রুত বাস্তবায়ন করা যায়।

ত্রাণ বিতরণ অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবিলায় সরকারি উদ্যোগের পাশাপাশি ব্যক্তি, শিল্পপ্রতিষ্ঠান, সামাজিক সংগঠন ও বিত্তবানদের সম্মিলিতভাবে এগিয়ে আসা জরুরি। দুর্যোগের সময় মানবিক সহায়তা ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের দুর্ভোগ কমাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

সংশ্লিষ্টরা মনে করেন, সাতকানিয়া ও লোহাগাড়ার বন্যা সমস্যা সমাধানে নদী ও খাল পুনঃখনন, পানি নিষ্কাশনের আধুনিক ব্যবস্থা, অপরিকল্পিত বাঁধ ও অবৈধ দখল অপসারণ এবং সমন্বিত জলব্যবস্থাপনা পরিকল্পনা বাস্তবায়ন জরুরি। এতে ভবিষ্যতে বর্ষা মৌসুমে মানুষের দুর্ভোগ অনেকটাই কমানো সম্ভব হবে।