যাহের আলভী মামলা নতুন করে আলোচনায় এসেছে আদালতের সাম্প্রতিক সিদ্ধান্তকে কেন্দ্র করে। আত্মহত্যায় প্ররোচনার অভিযোগে দায়ের করা মামলায় অভিনেতা যাহের আলভীর জামিন আবেদন নামঞ্জুর করেছেন আদালত। বৃহস্পতিবার ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে আত্মসমর্পণের পর তিনি জামিনের আবেদন করেন। শুনানি শেষে আদালত আবেদন খারিজ করে তাঁকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
এই সিদ্ধান্তে সন্তুষ্টি প্রকাশ করেছেন মামলার বাদী ও নিহত আফরা ইভনাথ খান ইকরার বাবা কবির হায়াত খান। আদালত প্রাঙ্গণে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে তিনি বলেন, বিচারিক প্রক্রিয়ার ওপর তাঁর আস্থা রয়েছে এবং তিনি ন্যায়বিচার প্রত্যাশা করছেন। একই সঙ্গে তিনি অভিযুক্তের সর্বোচ্চ শাস্তির দাবি জানান।
রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবীর ভাষ্য অনুযায়ী, আত্মসমর্পণের পর আসামিপক্ষ জামিন চাইলেও আদালত তা গ্রহণ করেননি। মামলার নথিপত্র এবং অভিযোগের গুরুত্ব বিবেচনায় আদালত অভিনেতাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। এ সিদ্ধান্তের পর বিষয়টি আবারও শোবিজ অঙ্গন ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে চলে এসেছে।
মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে, চলতি বছরের ২৮ ফেব্রুয়ারি রাজধানীর মিরপুর ডিওএইচএস এলাকার একটি বাসা থেকে ইকরাকে অচেতন অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। পরে তাঁকে হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসকেরা মৃত ঘোষণা করেন। ঘটনার সময় যাহের আলভী দেশের বাইরে ছিলেন বলে জানা যায়। তবে পারিবারিক কলহ এবং মানসিক নির্যাতনের অভিযোগ তুলে আত্মহত্যায় প্ররোচনার মামলা দায়ের করা হয়।
যাহের আলভী মামলা ঘিরে অভিযোগে আরও বলা হয়, দীর্ঘদিন ধরে দাম্পত্য জীবনে নানা ধরনের সমস্যার মুখোমুখি ছিলেন ইকরা। পরিবারের দাবি, এসব চাপ এবং পারিবারিক অস্থিরতার কারণেই তিনি চরম সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য হন। সেই অভিযোগের ভিত্তিতেই তদন্ত ও বিচারিক কার্যক্রম এগিয়ে চলেছে।
এদিকে আদালতের এই আদেশের পর মামলার পরবর্তী কার্যক্রম নিয়ে সবার নজর এখন বিচারিক প্রক্রিয়ার দিকে। শোবিজ অঙ্গনের আলোচিত এই মামলায় তদন্ত এবং আদালতের পরবর্তী সিদ্ধান্ত কী হয়, তা জানতে অপেক্ষায় রয়েছেন সংশ্লিষ্টরা। ইকরার পরিবারের দাবি, তারা শুধু সুষ্ঠু বিচার চান এবং মামলার সত্য ঘটনা আদালতের মাধ্যমে সবার সামনে আসুক।




























