কাস্টমস কর্মকর্তা হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার পাঁচ আসামির মধ্যে চারজন আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। মামলার অপর আসামিকে তিন দিনের রিমান্ডে নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। সোমবার বিকেলে কুমিল্লা চিফ জুডিশিয়াল আদালত-৬ এর সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আবিদা সুলতানা মলি এই আদেশ দেন।মামলার তদন্ত কর্মকর্তা টিটু কুমার নাথ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
কাস্টমস কর্মকর্তা হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার আসামিদের মধ্যে চারজন আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বেচ্ছায় জবানবন্দি দিয়েছেন। স্বীকারোক্তি দেওয়া আসামিরা হলেন
- ইমরান হোসেন হৃদয়
- মোহাম্মদ সোহাগ
- মোহাম্মদ সুজন
- রাহাতুল রহমান জুয়েল
তারা আদালতে ঘটনার বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন বলে জানিয়েছেন তদন্ত কর্মকর্তা। মামলার অপর আসামি ইসমাইল হোসেন জনিকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত। পুলিশ জানিয়েছে, রিমান্ডে জিজ্ঞাসাবাদের মাধ্যমে হত্যাকাণ্ডের আরও বিস্তারিত তথ্য বের করার চেষ্টা করা হবে।
র্যাবের লিগ্যাল অ্যান্ড মিডিয়া উইংয়ের পরিচালক এমজেডএম এনতেখাব চৌধুরী জানান, একটি সংঘবদ্ধ ছিনতাইকারী চক্র যাত্রী সেজে ফাঁদে ফেলে এই হত্যাকাণ্ড ঘটায়। নিহত বুলেট বৈরাগী ছিলেন কাস্টমস, এক্সাইজ ও ভ্যাট কমিশনারেটের সহকারী রাজস্ব কর্মকর্তা। তিনি প্রশিক্ষণ শেষে চট্টগ্রাম থেকে ফেরার পথে নিখোঁজ হন।
তদন্ত সূত্রে জানা গেছে, ঘটনাস্থল ছিল ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক সংলগ্ন কোটবাড়ি এলাকা। আসামিরা বাস থেকে নামার পর কৌশলে তাকে একটি সিএনজি অটোরিকশায় তোলে। পরে নির্জন স্থানে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলে ধস্তাধস্তি হয়।একপর্যায়ে তাকে চলন্ত সিএনজি থেকে ধাক্কা দিয়ে ফেলে দেওয়া হলে মাথায় গুরুতর আঘাত পেয়ে তার মৃত্যু হয়।
পরদিন পুলিশ ওই এলাকার একটি হোটেলের পাশ থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করে। এ ঘটনায় নিহতের মা নীলিমা বৈরাগী বাদী হয়ে কুমিল্লা সদর দক্ষিণ মডেল থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন।পুলিশ জানিয়েছে, গ্রেপ্তার আসামিদের বিরুদ্ধে দেশের বিভিন্ন থানায় চুরি, ডাকাতি ও মাদকসহ একাধিক মামলা রয়েছে।






















