ঢাকা ০৭:৫৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৮ জুলাই ২০২৬, ২৪ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo রাজেশ শর্মা অসুস্থ: বিষাক্ত পোকার কামড়ে হাসপাতালে Logo ‘ওসমান হাদীকে ঢাকা-৮ থেকে সরে দাঁড়াতে বলেছিলেন জুবায়ের’ Logo আবারও অভিনয়ে ফিরতে চান ডিজে সুমী Logo বিশ্বকাপের মাঝেই আর্জেন্টিনা ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনের বিরুদ্ধে তদন্তে নামল এফবিআই Logo পূর্ণিমার আর্জেন্টিনা সমর্থন: দারুণ উচ্ছ্বাসে মেসিদের নিয়ে যা লিখলেন Logo বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষে প্যানেল আইনজীবী নিয়োগের সুযোগ Logo ‘লোকে বলে প্রেম আমি বলি জ্বালা’, আত্মজীবনী নিয়ে এলেন ফেরদৌসী রহমান Logo হঠাৎ কেন রক্তচাপ মাপার ছবি পোস্ট করলেন মার্টিনেজ? Logo খাবারের আগে নাকি পরে ফল খাওয়া উচিত, গবেষণা আসলে কী বলে? Logo যুদ্ধবিরতি শেষ! ইরানকে নিয়ে ট্রাম্পের বিস্ফোরক ঘোষণা

খাবারের আগে নাকি পরে ফল খাওয়া উচিত, গবেষণা আসলে কী বলে?

প্রতীকী ছবি

সুস্থ থাকার জন্য প্রতিদিন ফল খাওয়ার সঠিক সময় নিয়ে আমাদের মনে নানাবিধ প্রশ্ন ও বিভ্রান্তি কাজ করে। পুষ্টিবিজ্ঞান ও স্বাস্থ্য  অনুসারে, খাবারের পর ফল খেলে তা পাকস্থলীতে পচে গিয়ে গ্যাস তৈরি করে—এমন ধারণার কোনো বৈজ্ঞানিক ভিত্তি বা প্রমাণ নেই।

আপনি যদি সহজেই শরীরের অতিরিক্ত ওজন কমাতে চান, তবে মূল খাবার গ্রহণের কিছুক্ষণ আগে ফল খাওয়া আপনার জন্য দারুণ কার্যকরী হতে পারে। ফলে থাকা প্রচুর ফাইবার ও পানি পেট ভরিয়ে রাখে, যা দুপুরের বা রাতের খাবারে অতিরিক্ত ক্যালরি গ্রহণের প্রবণতা অনেকাংশে কমিয়ে দেয়।

ডায়াবেটিস বা ইনসুলিন রেজিস্ট্যান্সের রোগীদের ক্ষেত্রে ফল খাওয়ার সঠিক সময় নির্ধারণে কিছুটা বাড়তি সতর্কতা এবং সচেতনতা প্রয়োজন। রক্তে শর্করার হঠাৎ বৃদ্ধি এড়াতে তারা ভারী খাবার খাওয়ার পর কম বা মাঝারি গ্লাইসেমিক ইনডেক্সযুক্ত তাজা ফলমূল নিশ্চিন্তে খেতে পারেন।

অনেকেরই নির্দিষ্ট কিছু ফলে পেট ফাঁপা বা হজমের অস্বস্তি হতে পারে, যা আসলে ইরিটেবল বাওয়েল সিনড্রোম বা ফলের শর্করার প্রতি সংবেদনশীলতার কারণে ঘটে। এই সমস্যাটি মূলত খাবারের টাইমিং বা সময়ের চেয়ে ফলের ধরন এবং পরিমাণের ওপর বেশি নির্ভর করে।

পুষ্টিবিদরা ফলকে সম্পূর্ণ একা না খেয়ে সবসময় বাদাম, পিনাট বাটার কিংবা টক দইয়ের মতো প্রোটিন বা স্বাস্থ্যকর ফ্যাটের সাথে মিলিয়ে খাওয়ার পরামর্শ দেন। এই চমৎকার সংমিশ্রণটি দীর্ঘ সময় পেট ভরা রাখে এবং শরীরের রক্তে শর্করার মাত্রা হঠাৎ বেড়ে যাওয়া চমৎকারভাবে রোধ করে।

প্রকৃতপক্ষে ফল খাওয়ার সঠিক সময় বলতে ঘড়ির কাঁধায় বাঁধা কোনো নির্দিষ্ট নিয়ম নেই, বরং আপনার শরীরের স্বস্তিই এখানে শেষ কথা। ওজন কমানো কিংবা পুষ্টির চাহিদা পূরণ—যে লক্ষ্যই হোক না কেন, প্রতিদিন নিয়মিত গোটা ফল খাওয়ার অভ্যাস বজায় রাখাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।

জনপ্রিয় সংবাদ

রাজেশ শর্মা অসুস্থ: বিষাক্ত পোকার কামড়ে হাসপাতালে

খাবারের আগে নাকি পরে ফল খাওয়া উচিত, গবেষণা আসলে কী বলে?

Update Time : ০৬:১১:৪৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ৮ জুলাই ২০২৬

সুস্থ থাকার জন্য প্রতিদিন ফল খাওয়ার সঠিক সময় নিয়ে আমাদের মনে নানাবিধ প্রশ্ন ও বিভ্রান্তি কাজ করে। পুষ্টিবিজ্ঞান ও স্বাস্থ্য  অনুসারে, খাবারের পর ফল খেলে তা পাকস্থলীতে পচে গিয়ে গ্যাস তৈরি করে—এমন ধারণার কোনো বৈজ্ঞানিক ভিত্তি বা প্রমাণ নেই।

আপনি যদি সহজেই শরীরের অতিরিক্ত ওজন কমাতে চান, তবে মূল খাবার গ্রহণের কিছুক্ষণ আগে ফল খাওয়া আপনার জন্য দারুণ কার্যকরী হতে পারে। ফলে থাকা প্রচুর ফাইবার ও পানি পেট ভরিয়ে রাখে, যা দুপুরের বা রাতের খাবারে অতিরিক্ত ক্যালরি গ্রহণের প্রবণতা অনেকাংশে কমিয়ে দেয়।

আরও পড়ুন  ডায়াবেটিস না থাকলেও খাবারের পর রক্তে শর্করা নিয়ন্ত্রণ জরুরি

ডায়াবেটিস বা ইনসুলিন রেজিস্ট্যান্সের রোগীদের ক্ষেত্রে ফল খাওয়ার সঠিক সময় নির্ধারণে কিছুটা বাড়তি সতর্কতা এবং সচেতনতা প্রয়োজন। রক্তে শর্করার হঠাৎ বৃদ্ধি এড়াতে তারা ভারী খাবার খাওয়ার পর কম বা মাঝারি গ্লাইসেমিক ইনডেক্সযুক্ত তাজা ফলমূল নিশ্চিন্তে খেতে পারেন।

অনেকেরই নির্দিষ্ট কিছু ফলে পেট ফাঁপা বা হজমের অস্বস্তি হতে পারে, যা আসলে ইরিটেবল বাওয়েল সিনড্রোম বা ফলের শর্করার প্রতি সংবেদনশীলতার কারণে ঘটে। এই সমস্যাটি মূলত খাবারের টাইমিং বা সময়ের চেয়ে ফলের ধরন এবং পরিমাণের ওপর বেশি নির্ভর করে।

আরও পড়ুন  কার্যকর উপায়: অফিসের কাজ দ্রুত করার সহজ কৌশল

পুষ্টিবিদরা ফলকে সম্পূর্ণ একা না খেয়ে সবসময় বাদাম, পিনাট বাটার কিংবা টক দইয়ের মতো প্রোটিন বা স্বাস্থ্যকর ফ্যাটের সাথে মিলিয়ে খাওয়ার পরামর্শ দেন। এই চমৎকার সংমিশ্রণটি দীর্ঘ সময় পেট ভরা রাখে এবং শরীরের রক্তে শর্করার মাত্রা হঠাৎ বেড়ে যাওয়া চমৎকারভাবে রোধ করে।

প্রকৃতপক্ষে ফল খাওয়ার সঠিক সময় বলতে ঘড়ির কাঁধায় বাঁধা কোনো নির্দিষ্ট নিয়ম নেই, বরং আপনার শরীরের স্বস্তিই এখানে শেষ কথা। ওজন কমানো কিংবা পুষ্টির চাহিদা পূরণ—যে লক্ষ্যই হোক না কেন, প্রতিদিন নিয়মিত গোটা ফল খাওয়ার অভ্যাস বজায় রাখাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।

আরও পড়ুন  গালি দিলে কেন স্বস্তি লাগে? জানুন বিজ্ঞানের ব্যাখ্যা