গণমাধ্যমের স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে সরকার কাজ করে যাচ্ছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেছেন, একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রব্যবস্থায় স্বাধীন, দায়িত্বশীল ও বস্তুনিষ্ঠ গণমাধ্যম গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। তাই সংবাদমাধ্যমের স্বাধীন পরিবেশ বজায় রাখতে সরকার প্রয়োজনীয় উদ্যোগ গ্রহণে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
এক অনুষ্ঠানে দেওয়া বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী বলেন, গণমাধ্যম শুধু তথ্য প্রচারের মাধ্যম নয়, বরং জনমত গঠন এবং রাষ্ট্রের বিভিন্ন কর্মকাণ্ড জনগণের সামনে তুলে ধরার একটি গুরুত্বপূর্ণ প্ল্যাটফর্ম। এ কারণে সাংবাদিকদের পেশাগত দায়িত্ব পালনের উপযোগী পরিবেশ নিশ্চিত করা প্রয়োজন।
তিনি আরও বলেন, প্রযুক্তির অগ্রগতির ফলে তথ্যপ্রবাহের গতি যেমন বেড়েছে, তেমনি ভুয়া ও বিভ্রান্তিকর তথ্যের ঝুঁকিও বৃদ্ধি পেয়েছে। এ পরিস্থিতিতে গণমাধ্যমকে আরও দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে। সঠিক ও যাচাইকৃত তথ্য প্রকাশের মাধ্যমে জনগণের আস্থা ধরে রাখার ওপর তিনি গুরুত্বারোপ করেন।
প্রধানমন্ত্রী জানান, সরকার গণমাধ্যমের বিকাশে বিভিন্ন উদ্যোগ বাস্তবায়ন করছে। সাংবাদিকদের প্রশিক্ষণ, তথ্যপ্রযুক্তির ব্যবহার বৃদ্ধি এবং আধুনিক যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়নের মাধ্যমে সংবাদ পরিবেশনের মানোন্নয়নে কাজ করা হচ্ছে। একই সঙ্গে সাংবাদিকদের কল্যাণেও বিভিন্ন পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।
গণমাধ্যম সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা মনে করেন, স্বাধীন সাংবাদিকতা গণতন্ত্রকে আরও শক্তিশালী করে। তারা আশা প্রকাশ করেন, সরকারের উদ্যোগের পাশাপাশি সংবাদমাধ্যমও পেশাগত নীতিমালা অনুসরণ করে দায়িত্বশীল সংবাদ পরিবেশনে আরও সক্রিয় ভূমিকা রাখবে।
সব মিলিয়ে গণমাধ্যমের স্বাধীনতা নিশ্চিত করার বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য দেশের মিডিয়া অঙ্গনে নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে। স্বাধীনতা ও দায়িত্বশীলতার সমন্বয়ে একটি শক্তিশালী গণমাধ্যম ব্যবস্থা গড়ে তুলতে সরকার ও সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের সম্মিলিত প্রচেষ্টার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।






















