ঢাকা ০৪:৩৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৫ জুলাই ২০২৬, ৩১ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo বঙ্গোপসাগরে নতুন লঘুচাপ সৃষ্টি হয়েছে, চার বন্দরে ৩ নম্বর সতর্কসংকেত জারি Logo হরমুজ টোল: ট্রাম্পের বিস্ফোরক পরিকল্পনার আসল রহস্য জানুন Logo হাম উপসর্গে আরও ৫ শিশুর মৃত্যু, আক্রান্ত হয়েছে ১ হাজার ৯২ শিশু। Logo ইরানের নতুন চাল: বন্ধ হচ্ছে বাব-এল-মান্দেব? ২০০ ডলারে পৌঁছাতে পারে তেল! Logo পদার্থ বিজ্ঞান ভুল প্রশ্নপত্র: দায়ীদের সাময়িক বরখাস্ত, ভুল প্রশ্নে পূর্ণ নম্বর Logo মানব পাচার প্রতিরোধ আইন ২০২৬ কার্যকর হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী Logo সংবিধান সংশোধন বিতর্ক: সরকার অনড়, বিরোধীদের নতুন চাপের পরিকল্পনা Logo শিক্ষার্থীদের সড়ক অবরোধ: সায়েন্স ল্যাব ও উত্তরায় নতুন কর্মসূচির ঘোষণা Logo জব্দ ৭৬ হাজার কোটি টাকার সম্পদ: শেখ হাসিনা পরিবার ও ১০ শিল্পগোষ্ঠী সম্পর্কে বড় তথ্য Logo আরিফিন শুভ–কেয়া পায়েল জুটি নিশ্চিত! নতুন চমক ‘হ্যাপিলি ম্যারিড’

জব্দ ৭৬ হাজার কোটি টাকার সম্পদ: শেখ হাসিনা পরিবার ও ১০ শিল্পগোষ্ঠী সম্পর্কে বড় তথ্য

জব্দ ৭৬ হাজার কোটি টাকার সম্পদ নিয়ে বিএফআইইউর তথ্য প্রকাশ। ছবি: সংগৃহীত

জব্দ ৭৬ হাজার কোটি টাকার সম্পদ নিয়ে দেশের আর্থিক অঙ্গনে নতুন আলোচনা শুরু হয়েছে। বাংলাদেশ ফিন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট (বিএফআইইউ) জানিয়েছে, সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও তাঁর পরিবারের পাশাপাশি ১০টি বড় শিল্পগোষ্ঠীর দেশে ও বিদেশে থাকা মোট প্রায় ৭৬ হাজার কোটি টাকার সম্পদ আদালতের মাধ্যমে জব্দ করা হয়েছে। বিষয়টি জানানো হয় বাংলাদেশ ব্যাংকে অনুষ্ঠিত বিএফআইইউর বার্ষিক প্রতিবেদন প্রকাশ অনুষ্ঠানে।

বিএফআইইউর তথ্য অনুযায়ী, জব্দ হওয়া সম্পদের মধ্যে প্রায় ৫৭ হাজার কোটি টাকার সম্পদ দেশের ভেতরে রয়েছে। বাকি প্রায় ১৯ হাজার কোটি টাকার সম্পদ বিদেশে বিভিন্ন প্রক্রিয়ার মাধ্যমে জব্দ করা হয়েছে। তবে কোন ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের কত পরিমাণ সম্পদ জব্দ হয়েছে, সে বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করা হয়নি।

সংস্থাটির প্রধান ইখতিয়ার উদ্দিন মোহাম্মদ মামুন জানান, বিদেশে চলে যাওয়া অর্থ ও সম্পদ উদ্ধারে সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলো সমন্বিতভাবে কাজ করছে। তাঁর আশা, চলতি বছরের শেষ নাগাদ সম্পদ উদ্ধারের বিষয়ে আরও ইতিবাচক অগ্রগতির খবর জানানো সম্ভব হবে।

২০২৪ সালের গণ-অভ্যুত্থানের পর ক্ষমতার পরিবর্তনের প্রেক্ষাপটে শেখ হাসিনা পরিবার এবং কয়েকটি বড় শিল্পগোষ্ঠীর বিরুদ্ধে ঘুষ, দুর্নীতি, প্রতারণা, জালিয়াতি, কর ও শুল্ক ফাঁকি, মুদ্রা পাচার এবং অর্থ পাচারের অভিযোগে তদন্ত শুরু হয়। তদন্তে সহযোগিতা করছে সিআইডি, দুদক, জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) এবং সমন্বয় করছে বিএফআইইউ।

অনুসন্ধানের আওতায় থাকা শিল্পগোষ্ঠীগুলোর মধ্যে রয়েছে এস আলম গ্রুপ, বেক্সিমকো গ্রুপ, নাবিল গ্রুপ, সামিট গ্রুপ, ওরিয়ন গ্রুপ, জেমকন গ্রুপ, নাসা গ্রুপ, বসুন্ধরা গ্রুপ, সিকদার গ্রুপ ও আরামিট গ্রুপ। সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলো আর্থিক লেনদেন, সম্পদের উৎস এবং বিদেশে অর্থ স্থানান্তরের বিভিন্ন তথ্য যাচাই করছে।

এক প্রশ্নের জবাবে বিএফআইইউ প্রধান বলেন, তদন্তের ক্ষেত্রে কোনো ব্যক্তি, দল বা সরকারের পরিচয় নয়, বরং সন্দেহজনক আর্থিক লেনদেনই প্রধান বিবেচ্য বিষয়। তিনি জানান, যে কারও বিরুদ্ধে সন্দেহজনক লেনদেনের তথ্য পাওয়া গেলে আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। একই নীতিতে বর্তমান বা ভবিষ্যতের যেকোনো দায়িত্বশীল ব্যক্তির ক্ষেত্রেও তদন্ত পরিচালিত হতে পারে বলে তিনি উল্লেখ করেন।


জনপ্রিয় সংবাদ

বঙ্গোপসাগরে নতুন লঘুচাপ সৃষ্টি হয়েছে, চার বন্দরে ৩ নম্বর সতর্কসংকেত জারি

জব্দ ৭৬ হাজার কোটি টাকার সম্পদ: শেখ হাসিনা পরিবার ও ১০ শিল্পগোষ্ঠী সম্পর্কে বড় তথ্য

Update Time : ০৩:০১:৩৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৫ জুলাই ২০২৬

জব্দ ৭৬ হাজার কোটি টাকার সম্পদ নিয়ে দেশের আর্থিক অঙ্গনে নতুন আলোচনা শুরু হয়েছে। বাংলাদেশ ফিন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট (বিএফআইইউ) জানিয়েছে, সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও তাঁর পরিবারের পাশাপাশি ১০টি বড় শিল্পগোষ্ঠীর দেশে ও বিদেশে থাকা মোট প্রায় ৭৬ হাজার কোটি টাকার সম্পদ আদালতের মাধ্যমে জব্দ করা হয়েছে। বিষয়টি জানানো হয় বাংলাদেশ ব্যাংকে অনুষ্ঠিত বিএফআইইউর বার্ষিক প্রতিবেদন প্রকাশ অনুষ্ঠানে।

বিএফআইইউর তথ্য অনুযায়ী, জব্দ হওয়া সম্পদের মধ্যে প্রায় ৫৭ হাজার কোটি টাকার সম্পদ দেশের ভেতরে রয়েছে। বাকি প্রায় ১৯ হাজার কোটি টাকার সম্পদ বিদেশে বিভিন্ন প্রক্রিয়ার মাধ্যমে জব্দ করা হয়েছে। তবে কোন ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের কত পরিমাণ সম্পদ জব্দ হয়েছে, সে বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করা হয়নি।

আরও পড়ুন  শেখ হাসিনার বক্তব্য প্রচারে আদালতের নির্দেশনা মেনে চলার আহ্বান

সংস্থাটির প্রধান ইখতিয়ার উদ্দিন মোহাম্মদ মামুন জানান, বিদেশে চলে যাওয়া অর্থ ও সম্পদ উদ্ধারে সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলো সমন্বিতভাবে কাজ করছে। তাঁর আশা, চলতি বছরের শেষ নাগাদ সম্পদ উদ্ধারের বিষয়ে আরও ইতিবাচক অগ্রগতির খবর জানানো সম্ভব হবে।

২০২৪ সালের গণ-অভ্যুত্থানের পর ক্ষমতার পরিবর্তনের প্রেক্ষাপটে শেখ হাসিনা পরিবার এবং কয়েকটি বড় শিল্পগোষ্ঠীর বিরুদ্ধে ঘুষ, দুর্নীতি, প্রতারণা, জালিয়াতি, কর ও শুল্ক ফাঁকি, মুদ্রা পাচার এবং অর্থ পাচারের অভিযোগে তদন্ত শুরু হয়। তদন্তে সহযোগিতা করছে সিআইডি, দুদক, জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) এবং সমন্বয় করছে বিএফআইইউ।

আরও পড়ুন  জনসংখ্যা ১ কোটিতে সীমাবদ্ধ রাখতে কেন গণভোটে যাচ্ছে সুইজারল্যান্ড

অনুসন্ধানের আওতায় থাকা শিল্পগোষ্ঠীগুলোর মধ্যে রয়েছে এস আলম গ্রুপ, বেক্সিমকো গ্রুপ, নাবিল গ্রুপ, সামিট গ্রুপ, ওরিয়ন গ্রুপ, জেমকন গ্রুপ, নাসা গ্রুপ, বসুন্ধরা গ্রুপ, সিকদার গ্রুপ ও আরামিট গ্রুপ। সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলো আর্থিক লেনদেন, সম্পদের উৎস এবং বিদেশে অর্থ স্থানান্তরের বিভিন্ন তথ্য যাচাই করছে।

এক প্রশ্নের জবাবে বিএফআইইউ প্রধান বলেন, তদন্তের ক্ষেত্রে কোনো ব্যক্তি, দল বা সরকারের পরিচয় নয়, বরং সন্দেহজনক আর্থিক লেনদেনই প্রধান বিবেচ্য বিষয়। তিনি জানান, যে কারও বিরুদ্ধে সন্দেহজনক লেনদেনের তথ্য পাওয়া গেলে আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। একই নীতিতে বর্তমান বা ভবিষ্যতের যেকোনো দায়িত্বশীল ব্যক্তির ক্ষেত্রেও তদন্ত পরিচালিত হতে পারে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

আরও পড়ুন  ফরিদপুরে সরকারি রাস্তা দখলের অভিযোগ, ভোগান্তিতে শতাধিক পরিবার