ঢাকা ১০:২২ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৫ জুলাই ২০২৬, ৩১ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo সেমিফাইনাল ম্যাচের রাতে ঝটপট বানান স্প্যানিশ অমলেট Logo কাতারের সাবেক আমির: গভীর শোকে তারেক রহমানের বার্তা হস্তান্তর Logo বিশ্বকাপে রোবট কুকুর, কী পারে চার পায়ের এই প্রযুক্তি Logo কুফা ভক্ত টয়া! আর্জেন্টিনা সমর্থন নিয়ে চমকপ্রদ স্বীকারোক্তি Logo কন্যাসন্তান জন্মের পর স্ত্রী-সন্তানকে ফেলে গেলেন বাবা Logo মার্কিন অবরোধ ভাঙতে ২৩ গোপন জাহাজ, কী করছে ইরান? Logo শেখ হাসিনার আপিলের সুযোগ নেই, দেশে ফিরলেই গ্রেপ্তার: নাহিদের দাবি Logo সরাইলে ২০ কিমি যানজট, ঘণ্টার পর ঘণ্টা আটকে হাজারো মানুষ Logo বাংলাদেশ বনাম জিম্বাবুয়ে: হতাশাজনক হারে টি-টোয়েন্টি সিরিজ শুরু Logo গর্ভাবস্থায় যেসব খাবার এড়িয়ে চলতে বলছেন গাইনোকোলজিস্ট

বাংলাদেশ বনাম জিম্বাবুয়ে: হতাশাজনক হারে টি-টোয়েন্টি সিরিজ শুরু

  • ডেস্ক নিউজ
  • Update Time : ০৮:৫৮:১০ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৫ জুলাই ২০২৬
  • ৫৫১

বাংলাদেশ বনাম জিম্বাবুয়ে প্রথম টি-টোয়েন্টিতে হতাশাজনক এক পরাজয় দিয়ে সিরিজ শুরু করেছে টাইগাররা। বুলাওয়েতে অনুষ্ঠিত ম্যাচে ১৭১ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে ৩২ রানে হেরে যায় বাংলাদেশ। শেষ তিন ওভারে হাতে পাঁচ উইকেট থাকলেও মাত্র ৮ রানে শেষ পাঁচ ব্যাটারকে হারিয়ে জয় থেকে ছিটকে পড়ে সফরকারীরা। এর ফলে চলতি সফরে টেস্ট ও ওয়ানডের পর টি-টোয়েন্টিতেও জিম্বাবুয়ের কাছে হার দেখতে হলো বাংলাদেশকে।

টস জিতে প্রথমে বোলিংয়ের সিদ্ধান্ত নেন ভারপ্রাপ্ত অধিনায়ক তাওহিদ হৃদয়। নিয়মিত অধিনায়ক লিটন দাস চোটের কারণে খেলতে না পারায় নেতৃত্বের দায়িত্ব পালন করেন হৃদয়। শুরুতে জিম্বাবুয়ের দুই ওপেনার দ্রুত রান তুলে বাংলাদেশের বোলারদের চাপে ফেলে দেন। তবে মাঝের ওভারে দুর্দান্ত বোলিং করে ম্যাচে ফেরার ইঙ্গিত দেন নাহিদ রানা।

বাংলাদেশের হয়ে বল হাতে সবচেয়ে উজ্জ্বল ছিলেন নাহিদ রানা। চার ওভারে মাত্র ২৬ রান দিয়ে চারটি উইকেট শিকার করেন এই তরুণ পেসার। ইনিংসের ১৮তম ওভারে টানা দুই বলে দুই উইকেট নিয়ে জিম্বাবুয়ের রান তোলার গতি কমিয়ে দেন তিনি। এছাড়া মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন দুটি গুরুত্বপূর্ণ উইকেট তুলে নেন। তবুও রায়ান বার্ল ও ব্রেড ইভান্সের শেষ দিকের ঝড়ো ব্যাটিংয়ে জিম্বাবুয়ে নির্ধারিত ২০ ওভারে ১৭০ রান সংগ্রহ করে।

১৭১ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরুতেই ধাক্কা খায় বাংলাদেশ। দুই ওপেনার সাইফ হাসান ও তানজিদ হাসান দ্রুত সাজঘরে ফিরে গেলে চাপে পড়ে দল। এরপর তাওহিদ হৃদয় ও ইয়াসির আলী কিছুটা প্রতিরোধ গড়ে তোলেন। তাদের জুটিতে জয়ের আশা জাগলেও হৃদয় ১৪ রান করে আউট হলে আবারও চাপে পড়ে বাংলাদেশ।

দীর্ঘ তিন বছর পর টি-টোয়েন্টি দলে ফিরে ইয়াসির আলী দুর্দান্ত একটি অর্ধশতক তুলে নেন। একপ্রান্ত আগলে রেখে দলকে জয়ের পথে রাখার চেষ্টা করেন তিনি। শেষ তিন ওভারে বাংলাদেশের প্রয়োজন ছিল ৪১ রান, হাতে ছিল পাঁচ উইকেট। সেই সময়ও ম্যাচে ফিরতে পারত টাইগাররা। কিন্তু শেষ মুহূর্তে ব্যাটিং ধসে মাত্র ৮ রানে শেষ পাঁচ উইকেট হারিয়ে ৩২ রানের পরাজয় মেনে নিতে হয়।

এই হারে সিরিজে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে গেল জিম্বাবুয়ে। বাংলাদেশের সামনে এখন ঘুরে দাঁড়ানোর সুযোগ দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টিতে। ব্যাটিংয়ের ধারাবাহিকতা, পাওয়ার প্লেতে ভালো শুরু এবং শেষের ওভারে চাপ সামলানো—এই তিনটি দিকেই উন্নতি আনতে হবে টাইগারদের। অন্যদিকে নাহিদ রানার বোলিং ও ইয়াসির আলীর ফিফটি বাংলাদেশের জন্য ইতিবাচক দিক হিসেবে দেখা যাচ্ছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

সেমিফাইনাল ম্যাচের রাতে ঝটপট বানান স্প্যানিশ অমলেট

বাংলাদেশ বনাম জিম্বাবুয়ে: হতাশাজনক হারে টি-টোয়েন্টি সিরিজ শুরু

Update Time : ০৮:৫৮:১০ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৫ জুলাই ২০২৬

বাংলাদেশ বনাম জিম্বাবুয়ে প্রথম টি-টোয়েন্টিতে হতাশাজনক এক পরাজয় দিয়ে সিরিজ শুরু করেছে টাইগাররা। বুলাওয়েতে অনুষ্ঠিত ম্যাচে ১৭১ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে ৩২ রানে হেরে যায় বাংলাদেশ। শেষ তিন ওভারে হাতে পাঁচ উইকেট থাকলেও মাত্র ৮ রানে শেষ পাঁচ ব্যাটারকে হারিয়ে জয় থেকে ছিটকে পড়ে সফরকারীরা। এর ফলে চলতি সফরে টেস্ট ও ওয়ানডের পর টি-টোয়েন্টিতেও জিম্বাবুয়ের কাছে হার দেখতে হলো বাংলাদেশকে।

টস জিতে প্রথমে বোলিংয়ের সিদ্ধান্ত নেন ভারপ্রাপ্ত অধিনায়ক তাওহিদ হৃদয়। নিয়মিত অধিনায়ক লিটন দাস চোটের কারণে খেলতে না পারায় নেতৃত্বের দায়িত্ব পালন করেন হৃদয়। শুরুতে জিম্বাবুয়ের দুই ওপেনার দ্রুত রান তুলে বাংলাদেশের বোলারদের চাপে ফেলে দেন। তবে মাঝের ওভারে দুর্দান্ত বোলিং করে ম্যাচে ফেরার ইঙ্গিত দেন নাহিদ রানা।

আরও পড়ুন  বিশ্বকাপে শেষ ৩২ নিশ্চিত ১৯ দল, বিদায় ৮ দেশের

বাংলাদেশের হয়ে বল হাতে সবচেয়ে উজ্জ্বল ছিলেন নাহিদ রানা। চার ওভারে মাত্র ২৬ রান দিয়ে চারটি উইকেট শিকার করেন এই তরুণ পেসার। ইনিংসের ১৮তম ওভারে টানা দুই বলে দুই উইকেট নিয়ে জিম্বাবুয়ের রান তোলার গতি কমিয়ে দেন তিনি। এছাড়া মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন দুটি গুরুত্বপূর্ণ উইকেট তুলে নেন। তবুও রায়ান বার্ল ও ব্রেড ইভান্সের শেষ দিকের ঝড়ো ব্যাটিংয়ে জিম্বাবুয়ে নির্ধারিত ২০ ওভারে ১৭০ রান সংগ্রহ করে।

আরও পড়ুন  আপনি বাংলাদেশের ক্রিকেটের জন্য আলোর দিশারি হবেন

১৭১ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরুতেই ধাক্কা খায় বাংলাদেশ। দুই ওপেনার সাইফ হাসান ও তানজিদ হাসান দ্রুত সাজঘরে ফিরে গেলে চাপে পড়ে দল। এরপর তাওহিদ হৃদয় ও ইয়াসির আলী কিছুটা প্রতিরোধ গড়ে তোলেন। তাদের জুটিতে জয়ের আশা জাগলেও হৃদয় ১৪ রান করে আউট হলে আবারও চাপে পড়ে বাংলাদেশ।

দীর্ঘ তিন বছর পর টি-টোয়েন্টি দলে ফিরে ইয়াসির আলী দুর্দান্ত একটি অর্ধশতক তুলে নেন। একপ্রান্ত আগলে রেখে দলকে জয়ের পথে রাখার চেষ্টা করেন তিনি। শেষ তিন ওভারে বাংলাদেশের প্রয়োজন ছিল ৪১ রান, হাতে ছিল পাঁচ উইকেট। সেই সময়ও ম্যাচে ফিরতে পারত টাইগাররা। কিন্তু শেষ মুহূর্তে ব্যাটিং ধসে মাত্র ৮ রানে শেষ পাঁচ উইকেট হারিয়ে ৩২ রানের পরাজয় মেনে নিতে হয়।

আরও পড়ুন  জ্যাকবস ঝড়ে বাংলাদেশ হার: সিরিজ জিততে পারল না টাইগাররা

এই হারে সিরিজে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে গেল জিম্বাবুয়ে। বাংলাদেশের সামনে এখন ঘুরে দাঁড়ানোর সুযোগ দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টিতে। ব্যাটিংয়ের ধারাবাহিকতা, পাওয়ার প্লেতে ভালো শুরু এবং শেষের ওভারে চাপ সামলানো—এই তিনটি দিকেই উন্নতি আনতে হবে টাইগারদের। অন্যদিকে নাহিদ রানার বোলিং ও ইয়াসির আলীর ফিফটি বাংলাদেশের জন্য ইতিবাচক দিক হিসেবে দেখা যাচ্ছে।