ঢাকা ০৫:০৬ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৫ জুলাই ২০২৬, ৩০ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :

স্পেন বিশ্বকাপ ফাইনালে, ফ্রান্সকে হারিয়ে ১৬ বছর পর নতুন ইতিহাস

  • ডেস্ক নিউজ
  • Update Time : ০৪:০২:৩৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৫ জুলাই ২০২৬
  • ৫১৫

ঐতিহাসিক জয়ের পর স্প্যানিশ ফুটবলারদের উচ্ছ্বাস। ছবি: সংগৃহীত

স্পেন বিশ্বকাপ ফাইনাল নিশ্চিত করে এক যুগেরও বেশি সময় পর আবারও বিশ্ব ফুটবলের সবচেয়ে বড় মঞ্চে জায়গা করে নিয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের ডালাসে অনুষ্ঠিত সেমিফাইনালে শক্তিশালী ফ্রান্সকে ২-০ গোলে হারিয়ে দারুণ এক জয় তুলে নেয় স্প্যানিশরা। শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত বল দখল, আক্রমণ এবং রক্ষণে আধিপত্য দেখিয়ে ম্যাচটি নিজেদের নিয়ন্ত্রণে রাখে স্পেন।

ম্যাচের ২০তম মিনিটে লামিন ইয়ামালকে বক্সের ভেতরে ফাউল করলে পেনাল্টি পায় স্পেন। স্পট কিক থেকে মিকেল ওইয়ারজাবাল নির্ভুল শটে দলকে এগিয়ে দেন। এই গোলের পর ম্যাচের গতি আরও বাড়িয়ে দেয় স্পেন। অন্যদিকে, কিলিয়ান এমবাপ্পে, ওসমান দেম্বেলে ও ব্র্যাডলি বারকোলাদের নিয়ে গড়া ফ্রান্সের আক্রমণভাগ স্প্যানিশ রক্ষণ ভাঙতে ব্যর্থ হয়।

বিরতির পরও আক্রমণের ধার বজায় রাখে স্পেন। ৫৮তম মিনিটে দানি ওলমোর দারুণ পাস থেকে পেদ্রো পোরো গোল করে ব্যবধান ২-০ করেন। এরপর ফ্রান্স কয়েকটি সুযোগ তৈরি করলেও গোলরক্ষক উনাই সিমোন দুর্দান্ত সেভ করে দলকে এগিয়ে রাখেন। এমবাপ্পের একাধিক আক্রমণ এবং ফ্রি-কিকও স্পেনের জালে পৌঁছাতে পারেনি।

এই জয়ের মাধ্যমে ২০১০ সালে বিশ্বকাপ জয়ের পর প্রথমবারের মতো আবারও বিশ্বকাপের ফাইনালে উঠল স্পেন। দীর্ঘ ১৬ বছরের অপেক্ষা শেষে বড় মঞ্চে ফিরে আসা দলটি এখন শিরোপা জয়ের স্বপ্ন দেখছে। অন্যদিকে, টানা তিনটি বিশ্বকাপের ফাইনাল খেলার সুযোগ হাতছাড়া করল ফ্রান্স। তারা এখন তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচে খেলবে।

পুরো ম্যাচে স্পেনের মিডফিল্ড ও রক্ষণ ছিল অসাধারণ। বল দখলে আধিপত্য, দ্রুত পাসিং এবং সংগঠিত আক্রমণ ফ্রান্সকে চাপে রাখে। লামিন ইয়ামাল, পেদ্রি, ফাবিয়ান রুইজ এবং দানি ওলমোর সমন্বিত পারফরম্যান্স স্পেনকে এনে দেয় গুরুত্বপূর্ণ জয়।

এখন ফুটবলপ্রেমীদের নজর ফাইনালের দিকে। দ্বিতীয় সেমিফাইনালে ইংল্যান্ড ও আর্জেন্টিনার মধ্যকার বিজয়ী দলের মুখোমুখি হবে স্পেন। দুর্দান্ত ছন্দে থাকা স্প্যানিশরা বিশ্বকাপের শিরোপা ঘরে তুলতে পারবে কি না, সেটিই এখন সবচেয়ে বড় প্রশ্ন।

জনপ্রিয় সংবাদ

সুস্থ বার্ধক্য জানুন বয়স বাড়লেও ভালো থাকার বৈজ্ঞানিক উপায়

স্পেন বিশ্বকাপ ফাইনালে, ফ্রান্সকে হারিয়ে ১৬ বছর পর নতুন ইতিহাস

Update Time : ০৪:০২:৩৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৫ জুলাই ২০২৬

স্পেন বিশ্বকাপ ফাইনাল নিশ্চিত করে এক যুগেরও বেশি সময় পর আবারও বিশ্ব ফুটবলের সবচেয়ে বড় মঞ্চে জায়গা করে নিয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের ডালাসে অনুষ্ঠিত সেমিফাইনালে শক্তিশালী ফ্রান্সকে ২-০ গোলে হারিয়ে দারুণ এক জয় তুলে নেয় স্প্যানিশরা। শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত বল দখল, আক্রমণ এবং রক্ষণে আধিপত্য দেখিয়ে ম্যাচটি নিজেদের নিয়ন্ত্রণে রাখে স্পেন।

ম্যাচের ২০তম মিনিটে লামিন ইয়ামালকে বক্সের ভেতরে ফাউল করলে পেনাল্টি পায় স্পেন। স্পট কিক থেকে মিকেল ওইয়ারজাবাল নির্ভুল শটে দলকে এগিয়ে দেন। এই গোলের পর ম্যাচের গতি আরও বাড়িয়ে দেয় স্পেন। অন্যদিকে, কিলিয়ান এমবাপ্পে, ওসমান দেম্বেলে ও ব্র্যাডলি বারকোলাদের নিয়ে গড়া ফ্রান্সের আক্রমণভাগ স্প্যানিশ রক্ষণ ভাঙতে ব্যর্থ হয়।

আরও পড়ুন  জিম্বাবুয়ে বনাম বাংলাদেশ: ২-০ ব্যবধানে সিরিজ হারলো টাইগাররা

বিরতির পরও আক্রমণের ধার বজায় রাখে স্পেন। ৫৮তম মিনিটে দানি ওলমোর দারুণ পাস থেকে পেদ্রো পোরো গোল করে ব্যবধান ২-০ করেন। এরপর ফ্রান্স কয়েকটি সুযোগ তৈরি করলেও গোলরক্ষক উনাই সিমোন দুর্দান্ত সেভ করে দলকে এগিয়ে রাখেন। এমবাপ্পের একাধিক আক্রমণ এবং ফ্রি-কিকও স্পেনের জালে পৌঁছাতে পারেনি।

এই জয়ের মাধ্যমে ২০১০ সালে বিশ্বকাপ জয়ের পর প্রথমবারের মতো আবারও বিশ্বকাপের ফাইনালে উঠল স্পেন। দীর্ঘ ১৬ বছরের অপেক্ষা শেষে বড় মঞ্চে ফিরে আসা দলটি এখন শিরোপা জয়ের স্বপ্ন দেখছে। অন্যদিকে, টানা তিনটি বিশ্বকাপের ফাইনাল খেলার সুযোগ হাতছাড়া করল ফ্রান্স। তারা এখন তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচে খেলবে।

আরও পড়ুন  ব্রাজিলকে ৭ গোল দেওয়া দেশগুলো: বিশ্ব ফুটবলের অবিশ্বাস্য রেকর্ড

পুরো ম্যাচে স্পেনের মিডফিল্ড ও রক্ষণ ছিল অসাধারণ। বল দখলে আধিপত্য, দ্রুত পাসিং এবং সংগঠিত আক্রমণ ফ্রান্সকে চাপে রাখে। লামিন ইয়ামাল, পেদ্রি, ফাবিয়ান রুইজ এবং দানি ওলমোর সমন্বিত পারফরম্যান্স স্পেনকে এনে দেয় গুরুত্বপূর্ণ জয়।

এখন ফুটবলপ্রেমীদের নজর ফাইনালের দিকে। দ্বিতীয় সেমিফাইনালে ইংল্যান্ড ও আর্জেন্টিনার মধ্যকার বিজয়ী দলের মুখোমুখি হবে স্পেন। দুর্দান্ত ছন্দে থাকা স্প্যানিশরা বিশ্বকাপের শিরোপা ঘরে তুলতে পারবে কি না, সেটিই এখন সবচেয়ে বড় প্রশ্ন।

আরও পড়ুন  রেকর্ডগড়া গোলে তুরস্ককে বিদায় করে নকআউটের লড়াইয়ে প্যারাগুয়ে