ঢাকা ০৯:৪৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo চানাচুর তৈরিতে ভয়াবহ অনিয়ম, পায়ে মাড়িয়ে খামির ও পোড়া তেল Logo সাইফুজ্জামান চৌধুরীর সম্পদ: এফবিআইয়ের তথ্য দুদকে Logo বেসরকারি ব্যাংকে নিয়োগে নতুন নিয়ম, পরীক্ষা বাধ্যতামূলক Logo রামুতে ১৫ একর জমি পেল বাফুফে, এগোচ্ছে ফিফার প্রকল্প Logo পাকিস্তান দলের পরিবর্তন নিয়ে নিজের মতামত জানিয়েছেন শোয়েব আখতার Logo কবজির চোট কাটিয়ে ইউএস ওপেনের কোয়ার্টার ফাইনালে আলকারাজ Logo পাকিস্তান দল নিয়ে শোয়েব আখতারের বিস্ফোরক মন্তব্য Logo রোনালদোকে ছাড়িয়ে মেসির পাশে রাফিনিয়া, বার্সার হয়ে গড়লেন দুর্দান্ত রেকর্ড Logo ১২ বছর পর ইংল্যান্ড দলে ফিরলেন পিটারসেন, বিশ্বকাপের আগে বড় দায়িত্ব Logo পাকিস্তান ক্রিকেটে সাহস ও লড়াই নেই, কড়া সমালোচনায় ডি ভিলিয়ার্স

স্পেন বিশ্বকাপ ফাইনালে, ফ্রান্সকে হারিয়ে ১৬ বছর পর নতুন ইতিহাস

  • ডেস্ক নিউজ
  • Update Time : ০৪:০২:৩৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৫ জুলাই ২০২৬
  • ৫৪৭

ঐতিহাসিক জয়ের পর স্প্যানিশ ফুটবলারদের উচ্ছ্বাস। ছবি: সংগৃহীত

স্পেন বিশ্বকাপ ফাইনাল নিশ্চিত করে এক যুগেরও বেশি সময় পর আবারও বিশ্ব ফুটবলের সবচেয়ে বড় মঞ্চে জায়গা করে নিয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের ডালাসে অনুষ্ঠিত সেমিফাইনালে শক্তিশালী ফ্রান্সকে ২-০ গোলে হারিয়ে দারুণ এক জয় তুলে নেয় স্প্যানিশরা। শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত বল দখল, আক্রমণ এবং রক্ষণে আধিপত্য দেখিয়ে ম্যাচটি নিজেদের নিয়ন্ত্রণে রাখে স্পেন।

ম্যাচের ২০তম মিনিটে লামিন ইয়ামালকে বক্সের ভেতরে ফাউল করলে পেনাল্টি পায় স্পেন। স্পট কিক থেকে মিকেল ওইয়ারজাবাল নির্ভুল শটে দলকে এগিয়ে দেন। এই গোলের পর ম্যাচের গতি আরও বাড়িয়ে দেয় স্পেন। অন্যদিকে, কিলিয়ান এমবাপ্পে, ওসমান দেম্বেলে ও ব্র্যাডলি বারকোলাদের নিয়ে গড়া ফ্রান্সের আক্রমণভাগ স্প্যানিশ রক্ষণ ভাঙতে ব্যর্থ হয়।

বিরতির পরও আক্রমণের ধার বজায় রাখে স্পেন। ৫৮তম মিনিটে দানি ওলমোর দারুণ পাস থেকে পেদ্রো পোরো গোল করে ব্যবধান ২-০ করেন। এরপর ফ্রান্স কয়েকটি সুযোগ তৈরি করলেও গোলরক্ষক উনাই সিমোন দুর্দান্ত সেভ করে দলকে এগিয়ে রাখেন। এমবাপ্পের একাধিক আক্রমণ এবং ফ্রি-কিকও স্পেনের জালে পৌঁছাতে পারেনি।

এই জয়ের মাধ্যমে ২০১০ সালে বিশ্বকাপ জয়ের পর প্রথমবারের মতো আবারও বিশ্বকাপের ফাইনালে উঠল স্পেন। দীর্ঘ ১৬ বছরের অপেক্ষা শেষে বড় মঞ্চে ফিরে আসা দলটি এখন শিরোপা জয়ের স্বপ্ন দেখছে। অন্যদিকে, টানা তিনটি বিশ্বকাপের ফাইনাল খেলার সুযোগ হাতছাড়া করল ফ্রান্স। তারা এখন তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচে খেলবে।

পুরো ম্যাচে স্পেনের মিডফিল্ড ও রক্ষণ ছিল অসাধারণ। বল দখলে আধিপত্য, দ্রুত পাসিং এবং সংগঠিত আক্রমণ ফ্রান্সকে চাপে রাখে। লামিন ইয়ামাল, পেদ্রি, ফাবিয়ান রুইজ এবং দানি ওলমোর সমন্বিত পারফরম্যান্স স্পেনকে এনে দেয় গুরুত্বপূর্ণ জয়।

এখন ফুটবলপ্রেমীদের নজর ফাইনালের দিকে। দ্বিতীয় সেমিফাইনালে ইংল্যান্ড ও আর্জেন্টিনার মধ্যকার বিজয়ী দলের মুখোমুখি হবে স্পেন। দুর্দান্ত ছন্দে থাকা স্প্যানিশরা বিশ্বকাপের শিরোপা ঘরে তুলতে পারবে কি না, সেটিই এখন সবচেয়ে বড় প্রশ্ন।

জনপ্রিয় সংবাদ

চানাচুর তৈরিতে ভয়াবহ অনিয়ম, পায়ে মাড়িয়ে খামির ও পোড়া তেল

স্পেন বিশ্বকাপ ফাইনালে, ফ্রান্সকে হারিয়ে ১৬ বছর পর নতুন ইতিহাস

Update Time : ০৪:০২:৩৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৫ জুলাই ২০২৬

স্পেন বিশ্বকাপ ফাইনাল নিশ্চিত করে এক যুগেরও বেশি সময় পর আবারও বিশ্ব ফুটবলের সবচেয়ে বড় মঞ্চে জায়গা করে নিয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের ডালাসে অনুষ্ঠিত সেমিফাইনালে শক্তিশালী ফ্রান্সকে ২-০ গোলে হারিয়ে দারুণ এক জয় তুলে নেয় স্প্যানিশরা। শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত বল দখল, আক্রমণ এবং রক্ষণে আধিপত্য দেখিয়ে ম্যাচটি নিজেদের নিয়ন্ত্রণে রাখে স্পেন।

ম্যাচের ২০তম মিনিটে লামিন ইয়ামালকে বক্সের ভেতরে ফাউল করলে পেনাল্টি পায় স্পেন। স্পট কিক থেকে মিকেল ওইয়ারজাবাল নির্ভুল শটে দলকে এগিয়ে দেন। এই গোলের পর ম্যাচের গতি আরও বাড়িয়ে দেয় স্পেন। অন্যদিকে, কিলিয়ান এমবাপ্পে, ওসমান দেম্বেলে ও ব্র্যাডলি বারকোলাদের নিয়ে গড়া ফ্রান্সের আক্রমণভাগ স্প্যানিশ রক্ষণ ভাঙতে ব্যর্থ হয়।

আরও পড়ুন  নকআউটেই মুখোমুখি হচ্ছে ব্রাজিল-আর্জেন্টিনা?

বিরতির পরও আক্রমণের ধার বজায় রাখে স্পেন। ৫৮তম মিনিটে দানি ওলমোর দারুণ পাস থেকে পেদ্রো পোরো গোল করে ব্যবধান ২-০ করেন। এরপর ফ্রান্স কয়েকটি সুযোগ তৈরি করলেও গোলরক্ষক উনাই সিমোন দুর্দান্ত সেভ করে দলকে এগিয়ে রাখেন। এমবাপ্পের একাধিক আক্রমণ এবং ফ্রি-কিকও স্পেনের জালে পৌঁছাতে পারেনি।

এই জয়ের মাধ্যমে ২০১০ সালে বিশ্বকাপ জয়ের পর প্রথমবারের মতো আবারও বিশ্বকাপের ফাইনালে উঠল স্পেন। দীর্ঘ ১৬ বছরের অপেক্ষা শেষে বড় মঞ্চে ফিরে আসা দলটি এখন শিরোপা জয়ের স্বপ্ন দেখছে। অন্যদিকে, টানা তিনটি বিশ্বকাপের ফাইনাল খেলার সুযোগ হাতছাড়া করল ফ্রান্স। তারা এখন তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচে খেলবে।

আরও পড়ুন  ২০৩০ বিশ্বকাপ: সরাসরি অংশ নেওয়া ৬ দেশের গুরুত্বপূর্ণ তথ্য

পুরো ম্যাচে স্পেনের মিডফিল্ড ও রক্ষণ ছিল অসাধারণ। বল দখলে আধিপত্য, দ্রুত পাসিং এবং সংগঠিত আক্রমণ ফ্রান্সকে চাপে রাখে। লামিন ইয়ামাল, পেদ্রি, ফাবিয়ান রুইজ এবং দানি ওলমোর সমন্বিত পারফরম্যান্স স্পেনকে এনে দেয় গুরুত্বপূর্ণ জয়।

এখন ফুটবলপ্রেমীদের নজর ফাইনালের দিকে। দ্বিতীয় সেমিফাইনালে ইংল্যান্ড ও আর্জেন্টিনার মধ্যকার বিজয়ী দলের মুখোমুখি হবে স্পেন। দুর্দান্ত ছন্দে থাকা স্প্যানিশরা বিশ্বকাপের শিরোপা ঘরে তুলতে পারবে কি না, সেটিই এখন সবচেয়ে বড় প্রশ্ন।

আরও পড়ুন  সিউটায় অভিবাসী সংকটের মাঝেই ১৫ ‘যৌন নিপীড়নে’র ঘটনায় তদন্তে পুলিশ