ঢাকা ১০:৩২ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৯ জুন ২০২৬, ৫ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo তেলের দাম আরও কমল বিশ্ববাজারে Logo সন্ধ্যার মধ্যে দেশের ১৬টি অঞ্চলে ঝড়ো হাওয়া ও বজ্রবৃষ্টির পূর্বাভাস Logo শেরপুরে ৩৩ টন সরকারি চাল জব্দ, গ্রেফতার গুদাম মালিক Logo ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সাবেক সংসদ সদস্য হারুন-আল-রশীদের ইন্তেকাল। Logo উত্তরা ব্যাংকের ৩০ শতাংশ লভ্যাংশ অনুমোদন Logo শিপিং খাতে বড় সুযোগ ,বাংলাদেশ ব্যাংক জাহাজ ইজারার ভাড়া পরিশোধ সহজ করল Logo ডিবি সদস্যদের ওপর হামলা: নারায়ণগঞ্জে ৩ পুলিশ সদস্যকে পিটুনি, এসআই গুরুতর আহত Logo হাঁটু প্রতিস্থাপনের সুবিধা ও ঝুঁকি, যা জানা জরুরি Logo হারুন অর রশীদ মারা গেছেন: বিএনপির সাবেক প্রতিমন্ত্রী ও পাঁচবারের এমপি আর নেই Logo পাস্তা সালাদ: স্বাস্থ্যকর ও সুস্বাদু ঘরোয়া সালাদ

তেলের দাম আরও কমল বিশ্ববাজারে

আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম কমছে

বিশ্ববাজারে অপরিশোধিত তেলের দাম আবারও কমেছে। যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান -এর মধ্যে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরের পর হরমুজ প্রণালি পুনরায় তেলবাহী জাহাজ চলাচলের জন্য খুলে দেওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হওয়ায় বাজারে ইতিবাচক প্রভাব পড়েছে। সরবরাহ বাড়ার প্রত্যাশায় আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাজারে তেলের দামে নিম্নমুখী প্রবণতা দেখা যাচ্ছে।

কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম -এর এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মধ্যপ্রাচ্যের সাম্প্রতিক কূটনৈতিক অগ্রগতি বিনিয়োগকারীদের আস্থা বাড়িয়েছে। বিশেষ করে হরমুজ প্রণালি ঘিরে অনিশ্চয়তা কমে আসার ফলে তেলের বাজারে চাপ কমতে শুরু করেছে।

শুক্রবার (১৯ জুন) আন্তর্জাতিক বাজারে ব্রেন্ট ক্রুড তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি ৫৪ সেন্ট বা ০.৬৮ শতাংশ কমে ৭৮.৩১ ডলারে নেমে এসেছে। একই সময়ে যুক্তরাষ্ট্রের ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট বা ডব্লিউটিআই তেলের দাম ৪৬ সেন্ট বা ০.৬০ শতাংশ কমে ব্যারেলপ্রতি ৭৬.১৪ ডলারে লেনদেন হয়েছে।

বিশ্লেষকদের মতে, তেলের বাজারে মূল্য নির্ধারণে সরবরাহ ও চাহিদার ভারসাম্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। হরমুজ প্রণালি দিয়ে তেল পরিবহণ স্বাভাবিক হলে মধ্যপ্রাচ্য থেকে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে জ্বালানি সরবরাহ সহজ হবে। ফলে বাজারে অতিরিক্ত সরবরাহের সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।

হরমুজ প্রণালি বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি করিডোর হিসেবে পরিচিত। প্রতিদিন বিশ্বের উল্লেখযোগ্য পরিমাণ অপরিশোধিত তেল এই প্রণালি দিয়ে পরিবহন করা হয়। তাই এখানে কোনো ধরনের উত্তেজনা বা বাধা সৃষ্টি হলে বিশ্ববাজারে তেলের দাম দ্রুত বেড়ে যায়।

সাম্প্রতিক মাসগুলোতে মধ্যপ্রাচ্যের ভূরাজনৈতিক উত্তেজনার কারণে তেলের বাজারে অস্থিরতা তৈরি হয়েছিল। বিনিয়োগকারীরা আশঙ্কা করছিলেন, হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচল বাধাগ্রস্ত হলে বৈশ্বিক সরবরাহ ব্যবস্থা ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। সেই আশঙ্কার প্রভাবেই তেলের দাম কয়েক দফা বৃদ্ধি পেয়েছিল।

তবে নতুন সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরের ফলে পরিস্থিতি পরিবর্তনের আভাস পাওয়া যাচ্ছে। যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান উভয় পক্ষই চুক্তি স্বাক্ষরের বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। দুই দেশের প্রতিনিধিরা সরাসরি বৈঠক না করে ডিজিটাল প্রযুক্তির মাধ্যমে ইলেকট্রনিক পদ্ধতিতে চুক্তিতে সই করেছেন।

আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, দীর্ঘদিনের উত্তেজনার পর এই চুক্তি মধ্যপ্রাচ্যে স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনতে সহায়ক হতে পারে। বিশেষ করে জ্বালানি খাতে এর ইতিবাচক প্রভাব বিশ্ব অর্থনীতির জন্য গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।

সমঝোতা স্মারকে হরমুজ প্রণালি পুনরায় উন্মুক্ত করার বিষয়টি উল্লেখ করা হয়েছে। পাশাপাশি ইরানের ওপর আরোপিত কিছু আর্থিক ও অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা শিথিল করার বিষয়েও নীতিগত সম্মতি দেওয়া হয়েছে। এতে দেশটির তেল রপ্তানির সুযোগ আরও বাড়তে পারে।

বিশ্লেষকদের ধারণা, নিষেধাজ্ঞা শিথিল হলে ইরান আন্তর্জাতিক বাজারে তেল রপ্তানি বাড়াতে সক্ষম হবে। এর ফলে বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহে নতুন গতি আসবে এবং বাজারে প্রতিযোগিতা বৃদ্ধি পাবে। অতিরিক্ত সরবরাহ তেলের দাম কমার অন্যতম কারণ হতে পারে।

বিশ্ব অর্থনীতিতে জ্বালানি পণ্যের দাম অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়। তেলের মূল্য কমলে পরিবহন ব্যয় হ্রাস পায় এবং অনেক দেশের শিল্প উৎপাদন খরচ কমে আসে। ফলে মূল্যস্ফীতির ওপরও ইতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে।

উন্নয়নশীল দেশগুলোর জন্য তেলের দাম কমা বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ। কারণ এসব দেশ বিপুল পরিমাণ জ্বালানি আমদানি করে থাকে। আন্তর্জাতিক বাজারে দাম কমলে আমদানি ব্যয় হ্রাস পায় এবং বৈদেশিক মুদ্রার ওপর চাপ কিছুটা কমে।

বাংলাদেশসহ তেল আমদানিনির্ভর দেশগুলোও এই পরিস্থিতি থেকে উপকৃত হতে পারে। আন্তর্জাতিক বাজারে দাম দীর্ঘ সময় নিম্নমুখী থাকলে স্থানীয় জ্বালানি খাতেও এর ইতিবাচক প্রভাব পড়ার সম্ভাবনা রয়েছে। যদিও অভ্যন্তরীণ বাজারে মূল্য সমন্বয় বিভিন্ন নীতিগত বিষয়ের ওপর নির্ভর করে।

এদিকে বিনিয়োগকারীরা এখন হরমুজ প্রণালিতে বাস্তবিক অর্থে জাহাজ চলাচল কত দ্রুত স্বাভাবিক হয়, সেদিকে নজর রাখছেন। একই সঙ্গে ইরানের ওপর নিষেধাজ্ঞা শিথিলের প্রক্রিয়া কীভাবে বাস্তবায়িত হয়, সেটিও বাজারের জন্য গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হয়ে উঠেছে।

অর্থনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, বর্তমান পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে আগামী সপ্তাহগুলোতেও আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দামের ওপর নিম্নমুখী চাপ বজায় থাকতে পারে। তবে ভূরাজনৈতিক পরিস্থিতির পরিবর্তন হলে বাজারে নতুন করে অস্থিরতা তৈরি হওয়ার সম্ভাবনাও উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না।

বিশ্ববাজারে তেলের দাম কমার এই ধারা আন্তর্জাতিক অর্থনীতি, জ্বালানি খাত এবং আমদানিনির্ভর দেশগুলোর জন্য ইতিবাচক বার্তা হিসেবে দেখা হচ্ছে। ইরান-যুক্তরাষ্ট্র সমঝোতার সফল বাস্তবায়ন হলে বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে আরও স্থিতিশীলতা ফিরে আসতে পারে।

জনপ্রিয় সংবাদ

তেলের দাম আরও কমল বিশ্ববাজারে

তেলের দাম আরও কমল বিশ্ববাজারে

Update Time : ১০:১৯:৫৩ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৯ জুন ২০২৬

বিশ্ববাজারে অপরিশোধিত তেলের দাম আবারও কমেছে। যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান -এর মধ্যে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরের পর হরমুজ প্রণালি পুনরায় তেলবাহী জাহাজ চলাচলের জন্য খুলে দেওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হওয়ায় বাজারে ইতিবাচক প্রভাব পড়েছে। সরবরাহ বাড়ার প্রত্যাশায় আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাজারে তেলের দামে নিম্নমুখী প্রবণতা দেখা যাচ্ছে।

কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম -এর এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মধ্যপ্রাচ্যের সাম্প্রতিক কূটনৈতিক অগ্রগতি বিনিয়োগকারীদের আস্থা বাড়িয়েছে। বিশেষ করে হরমুজ প্রণালি ঘিরে অনিশ্চয়তা কমে আসার ফলে তেলের বাজারে চাপ কমতে শুরু করেছে।

শুক্রবার (১৯ জুন) আন্তর্জাতিক বাজারে ব্রেন্ট ক্রুড তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি ৫৪ সেন্ট বা ০.৬৮ শতাংশ কমে ৭৮.৩১ ডলারে নেমে এসেছে। একই সময়ে যুক্তরাষ্ট্রের ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট বা ডব্লিউটিআই তেলের দাম ৪৬ সেন্ট বা ০.৬০ শতাংশ কমে ব্যারেলপ্রতি ৭৬.১৪ ডলারে লেনদেন হয়েছে।

বিশ্লেষকদের মতে, তেলের বাজারে মূল্য নির্ধারণে সরবরাহ ও চাহিদার ভারসাম্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। হরমুজ প্রণালি দিয়ে তেল পরিবহণ স্বাভাবিক হলে মধ্যপ্রাচ্য থেকে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে জ্বালানি সরবরাহ সহজ হবে। ফলে বাজারে অতিরিক্ত সরবরাহের সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।

আরও পড়ুন  গোলরক্ষক নাকি চীনের মহাপ্রাচীর

হরমুজ প্রণালি বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি করিডোর হিসেবে পরিচিত। প্রতিদিন বিশ্বের উল্লেখযোগ্য পরিমাণ অপরিশোধিত তেল এই প্রণালি দিয়ে পরিবহন করা হয়। তাই এখানে কোনো ধরনের উত্তেজনা বা বাধা সৃষ্টি হলে বিশ্ববাজারে তেলের দাম দ্রুত বেড়ে যায়।

সাম্প্রতিক মাসগুলোতে মধ্যপ্রাচ্যের ভূরাজনৈতিক উত্তেজনার কারণে তেলের বাজারে অস্থিরতা তৈরি হয়েছিল। বিনিয়োগকারীরা আশঙ্কা করছিলেন, হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচল বাধাগ্রস্ত হলে বৈশ্বিক সরবরাহ ব্যবস্থা ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। সেই আশঙ্কার প্রভাবেই তেলের দাম কয়েক দফা বৃদ্ধি পেয়েছিল।

তবে নতুন সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরের ফলে পরিস্থিতি পরিবর্তনের আভাস পাওয়া যাচ্ছে। যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান উভয় পক্ষই চুক্তি স্বাক্ষরের বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। দুই দেশের প্রতিনিধিরা সরাসরি বৈঠক না করে ডিজিটাল প্রযুক্তির মাধ্যমে ইলেকট্রনিক পদ্ধতিতে চুক্তিতে সই করেছেন।

আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, দীর্ঘদিনের উত্তেজনার পর এই চুক্তি মধ্যপ্রাচ্যে স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনতে সহায়ক হতে পারে। বিশেষ করে জ্বালানি খাতে এর ইতিবাচক প্রভাব বিশ্ব অর্থনীতির জন্য গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।

আরও পড়ুন  ইরান-যুক্তরাষ্ট্র চুক্তি: খসড়ায় ঐকমত্যের ইঙ্গিত

সমঝোতা স্মারকে হরমুজ প্রণালি পুনরায় উন্মুক্ত করার বিষয়টি উল্লেখ করা হয়েছে। পাশাপাশি ইরানের ওপর আরোপিত কিছু আর্থিক ও অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা শিথিল করার বিষয়েও নীতিগত সম্মতি দেওয়া হয়েছে। এতে দেশটির তেল রপ্তানির সুযোগ আরও বাড়তে পারে।

বিশ্লেষকদের ধারণা, নিষেধাজ্ঞা শিথিল হলে ইরান আন্তর্জাতিক বাজারে তেল রপ্তানি বাড়াতে সক্ষম হবে। এর ফলে বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহে নতুন গতি আসবে এবং বাজারে প্রতিযোগিতা বৃদ্ধি পাবে। অতিরিক্ত সরবরাহ তেলের দাম কমার অন্যতম কারণ হতে পারে।

বিশ্ব অর্থনীতিতে জ্বালানি পণ্যের দাম অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়। তেলের মূল্য কমলে পরিবহন ব্যয় হ্রাস পায় এবং অনেক দেশের শিল্প উৎপাদন খরচ কমে আসে। ফলে মূল্যস্ফীতির ওপরও ইতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে।

উন্নয়নশীল দেশগুলোর জন্য তেলের দাম কমা বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ। কারণ এসব দেশ বিপুল পরিমাণ জ্বালানি আমদানি করে থাকে। আন্তর্জাতিক বাজারে দাম কমলে আমদানি ব্যয় হ্রাস পায় এবং বৈদেশিক মুদ্রার ওপর চাপ কিছুটা কমে।

আরও পড়ুন  জ্বালানি তেলের দাম কমার বড় আপডেট জানুন

বাংলাদেশসহ তেল আমদানিনির্ভর দেশগুলোও এই পরিস্থিতি থেকে উপকৃত হতে পারে। আন্তর্জাতিক বাজারে দাম দীর্ঘ সময় নিম্নমুখী থাকলে স্থানীয় জ্বালানি খাতেও এর ইতিবাচক প্রভাব পড়ার সম্ভাবনা রয়েছে। যদিও অভ্যন্তরীণ বাজারে মূল্য সমন্বয় বিভিন্ন নীতিগত বিষয়ের ওপর নির্ভর করে।

এদিকে বিনিয়োগকারীরা এখন হরমুজ প্রণালিতে বাস্তবিক অর্থে জাহাজ চলাচল কত দ্রুত স্বাভাবিক হয়, সেদিকে নজর রাখছেন। একই সঙ্গে ইরানের ওপর নিষেধাজ্ঞা শিথিলের প্রক্রিয়া কীভাবে বাস্তবায়িত হয়, সেটিও বাজারের জন্য গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হয়ে উঠেছে।

অর্থনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, বর্তমান পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে আগামী সপ্তাহগুলোতেও আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দামের ওপর নিম্নমুখী চাপ বজায় থাকতে পারে। তবে ভূরাজনৈতিক পরিস্থিতির পরিবর্তন হলে বাজারে নতুন করে অস্থিরতা তৈরি হওয়ার সম্ভাবনাও উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না।

বিশ্ববাজারে তেলের দাম কমার এই ধারা আন্তর্জাতিক অর্থনীতি, জ্বালানি খাত এবং আমদানিনির্ভর দেশগুলোর জন্য ইতিবাচক বার্তা হিসেবে দেখা হচ্ছে। ইরান-যুক্তরাষ্ট্র সমঝোতার সফল বাস্তবায়ন হলে বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে আরও স্থিতিশীলতা ফিরে আসতে পারে।