আজ ৩ মে, ‘বিশ্ব মুক্ত গণমাধ্যম দিবস’। বিশ্বজুড়ে সংবাদপত্রের স্বাধীনতা পরিমাপ এবং সাংবাদিকতার মৌলিক নীতিমালা রক্ষায় প্রতি বছর এই দিনটি পালন করা হয়। ১৯৯৩ সালে জাতিসংঘের সাধারণ সভায় এই দিনটিকে স্বীকৃতি দেওয়া হয়। এ বছর দিবসটির মূল প্রতিপাদ্য হলো সংবাদপত্রের স্বাধীনতা রক্ষা এবং তথ্যের অবাধ প্রবাহ নিশ্চিত করা।
বর্তমান প্রেক্ষাপট ও বাংলাদেশ: ২০২৬ সালের বিশ্ব মুক্ত গণমাধ্যম সূচকে বাংলাদেশের অবস্থান নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। আন্তর্জাতিক বিভিন্ন সংস্থার রিপোর্ট অনুযায়ী, গণমাধ্যমের স্বাধীনতায় বাংলাদেশ গত বছরের তুলনায় কিছুটা পিছিয়ে বর্তমানে ১৫২তম স্থানে অবস্থান করছে। বিশেষ করে ডিজিটাল নিরাপত্তা এবং তথ্যের সঠিক প্রবাহ নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে সাংবাদিকদের বিভিন্ন চ্যালেঞ্জের সম্মুখীন হতে হচ্ছে।
দিবসটির গুরুত্ব: গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভ হিসেবে পরিচিত গণমাধ্যম যদি স্বাধীনভাবে কাজ করতে না পারে, তবে সুশাসন বাধাগ্রস্ত হয়। বিশ্ব মুক্ত গণমাধ্যম দিবস আমাদের মনে করিয়ে দেয় যে, সত্য প্রকাশের লড়াইয়ে সাংবাদিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা রাষ্ট্র ও সমাজের দায়িত্ব।
বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশেও আজ বিভিন্ন কর্মসূচির মধ্য দিয়ে দিবসটি পালিত হচ্ছে। সাংবাদিক সংগঠনগুলো সেমিনার, র্যালি এবং আলোচনা সভার মাধ্যমে সংবাদপত্রের স্বাধীনতা নিশ্চিত করার দাবি জানাচ্ছেন।


























