ঢাকা ০৪:০২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৪ অগাস্ট ২০২৬, ২০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo রাজনীতি, প্রেম আর হাসির গল্প—আগস্টে চরকিতে নতুন ৩ কনটেন্ট Logo ১৫ টাকার চাল কর্মসূচি: ৫৫ লাখ পরিবার পাচ্ছে খাদ্য সহায়তা Logo বাংলাদেশ-দক্ষিণ কোরিয়া সিইপিএ, দর-কষাকষি শেষ, চুক্তি সই শিগগিরই Logo গাজা চুক্তি নিয়ে ট্রাম্পের সঙ্গে মতবিরোধে নেতানিয়াহু Logo গ্যাস সংকটে উৎপাদন কমেছে: ছুটি বাড়াচ্ছে শিল্পকারখানা Logo পাট রপ্তানিতে বড় লক্ষ্য: ৫ বছরে দ্বিগুণ আয়ের পরিকল্পনা Logo এআই ডেটা সেন্টারে যুদ্ধের হুমকি: কেন সহজ টার্গেট হয়ে উঠছে? Logo স্বর্ণের দাম আবার ঊর্ধ্বমুখী, আজ কত টাকায় মিলছে এক ভরি? Logo ৯ আগস্ট চট্টগ্রামে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী, থাকছে বড় কর্মসূচি Logo বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রদল-ছাত্রশিবির সংঘর্ষ, রাত পর্যন্ত মুখোমুখি অবস্থান

বেন গিভিরের হুঁশিয়ারি: ‘পুরো লেবানন পুড়িয়ে ফেলার দাবি’

  • ডেস্ক নিউজ
  • Update Time : ০৭:৪৮:৪৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৯ জুন ২০২৬
  • ৫৩৩

ইসরায়েলের মন্ত্রী ইতামার বেন গিভিরের মন্তব্য | ছবি: সংগৃহীত

বেন গিভিরের হুঁশিয়ারি ঘিরে নতুন করে উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতি। লেবাননে হামলায় চার ইসরায়েলি সেনা নিহত হওয়ার পর ইসরায়েলের জাতীয় নিরাপত্তামন্ত্রী ইতামার বেন গিভির লেবাননকে লক্ষ্য করে কঠোর মন্তব্য করেন।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে বেন গিভির বলেন, লেবাননের বিরুদ্ধে আরও কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ার প্রয়োজন রয়েছে। তার এই মন্তব্যের পর আন্তর্জাতিক মহলে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, লেবাননের ভূখণ্ডে হিজবুল্লাহর বিস্ফোরক ডিভাইস হামলায় চার ইসরায়েলি সেনা নিহত হওয়ার পরই তিনি এই প্রতিক্রিয়া জানান। ঘটনাটি ইসরায়েলি রাজনীতিতে নতুন করে সামরিক পদক্ষেপের দাবি জোরালো করেছে।

বেন গিভির দীর্ঘদিন ধরে লেবাননে বড় পরিসরের সামরিক অভিযানের পক্ষে অবস্থান নিয়ে আসছেন। এর আগেও তিনি বৈরুতসহ বিভিন্ন এলাকায় হামলার আহ্বান জানিয়েছিলেন।

তার বক্তব্যের পর ইসরায়েলের অর্থমন্ত্রী বেজালেল স্মোট্রিচও কঠোর প্রতিক্রিয়া জানান। তিনি বলেন, বর্তমান পরিস্থিতিতে আরও শক্ত অবস্থান নেওয়ার সময় এসেছে।

এদিকে দক্ষিণ লেবাননের বিভিন্ন এলাকায় ইসরায়েলি বাহিনীর উপস্থিতি রয়েছে বলে জানা গেছে। প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু ওই এলাকা থেকে সেনা প্রত্যাহারের বিষয়ে এখনো কোনো স্পষ্ট ঘোষণা দেননি।

লেবানন ও ইসরায়েলের মধ্যে দীর্ঘদিনের উত্তেজনা সাম্প্রতিক ঘটনাগুলোর কারণে আরও বেড়েছে। সীমান্ত এলাকায় সংঘর্ষ, পাল্টাপাল্টি হামলা এবং রাজনৈতিক বক্তব্য পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলছে।

বিশ্লেষকদের মতে, এমন কঠোর মন্তব্য সংঘাত আরও বাড়িয়ে দিতে পারে। সাধারণ মানুষ ও বেসামরিক জনগণের ওপর এর প্রভাব নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করা হচ্ছে।

মধ্যপ্রাচ্যের এই সংকট নিয়ে এখন আন্তর্জাতিক মহলের নজর ইসরায়েল ও লেবাননের পরবর্তী পদক্ষেপের দিকে। দুই দেশের সিদ্ধান্তই নির্ধারণ করবে পরিস্থিতি কোন দিকে যাবে।

রাজনীতি, প্রেম আর হাসির গল্প—আগস্টে চরকিতে নতুন ৩ কনটেন্ট

বেন গিভিরের হুঁশিয়ারি: ‘পুরো লেবানন পুড়িয়ে ফেলার দাবি’

Update Time : ০৭:৪৮:৪৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৯ জুন ২০২৬

বেন গিভিরের হুঁশিয়ারি ঘিরে নতুন করে উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতি। লেবাননে হামলায় চার ইসরায়েলি সেনা নিহত হওয়ার পর ইসরায়েলের জাতীয় নিরাপত্তামন্ত্রী ইতামার বেন গিভির লেবাননকে লক্ষ্য করে কঠোর মন্তব্য করেন।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে বেন গিভির বলেন, লেবাননের বিরুদ্ধে আরও কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ার প্রয়োজন রয়েছে। তার এই মন্তব্যের পর আন্তর্জাতিক মহলে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।

আরও পড়ুন  এখন থেকে যুক্তরাষ্ট্রের কাছে বাধা হিসেবে বিবেচিত হবে ইসরায়েল: বিশ্লেষক

প্রতিবেদন অনুযায়ী, লেবাননের ভূখণ্ডে হিজবুল্লাহর বিস্ফোরক ডিভাইস হামলায় চার ইসরায়েলি সেনা নিহত হওয়ার পরই তিনি এই প্রতিক্রিয়া জানান। ঘটনাটি ইসরায়েলি রাজনীতিতে নতুন করে সামরিক পদক্ষেপের দাবি জোরালো করেছে।

বেন গিভির দীর্ঘদিন ধরে লেবাননে বড় পরিসরের সামরিক অভিযানের পক্ষে অবস্থান নিয়ে আসছেন। এর আগেও তিনি বৈরুতসহ বিভিন্ন এলাকায় হামলার আহ্বান জানিয়েছিলেন।

তার বক্তব্যের পর ইসরায়েলের অর্থমন্ত্রী বেজালেল স্মোট্রিচও কঠোর প্রতিক্রিয়া জানান। তিনি বলেন, বর্তমান পরিস্থিতিতে আরও শক্ত অবস্থান নেওয়ার সময় এসেছে।

আরও পড়ুন  হরমুজে ভারতীয় নাবিক নিহত, ইরানের কাছে দিল্লির প্রতিবাদ

এদিকে দক্ষিণ লেবাননের বিভিন্ন এলাকায় ইসরায়েলি বাহিনীর উপস্থিতি রয়েছে বলে জানা গেছে। প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু ওই এলাকা থেকে সেনা প্রত্যাহারের বিষয়ে এখনো কোনো স্পষ্ট ঘোষণা দেননি।

লেবানন ও ইসরায়েলের মধ্যে দীর্ঘদিনের উত্তেজনা সাম্প্রতিক ঘটনাগুলোর কারণে আরও বেড়েছে। সীমান্ত এলাকায় সংঘর্ষ, পাল্টাপাল্টি হামলা এবং রাজনৈতিক বক্তব্য পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলছে।

আরও পড়ুন  আল-আকসা মসজিদের ইমাম আটক করল ইসরায়েল

বিশ্লেষকদের মতে, এমন কঠোর মন্তব্য সংঘাত আরও বাড়িয়ে দিতে পারে। সাধারণ মানুষ ও বেসামরিক জনগণের ওপর এর প্রভাব নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করা হচ্ছে।

মধ্যপ্রাচ্যের এই সংকট নিয়ে এখন আন্তর্জাতিক মহলের নজর ইসরায়েল ও লেবাননের পরবর্তী পদক্ষেপের দিকে। দুই দেশের সিদ্ধান্তই নির্ধারণ করবে পরিস্থিতি কোন দিকে যাবে।