ঢাকা ১০:০৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৯ জুন ২০২৬, ৫ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo কোন শাক কেন খাবেন? ১২ শাকের অবিশ্বাস্য স্বাস্থ্যগুণ জানুন Logo বিশ্বকাপ প্রস্তুতিতে নতুন চিন্তা, বিষধর প্রাণী নিয়ে সতর্ক জার্মান ফুটবলাররা Logo মাত্র ২০ মিনিট প্রকৃতিতে বদলে যাবে আপনার শরীর ও মন! Logo সংস্কার বাস্তবায়নে ছাড় নয়: এনসিপির কঠোর বার্তা Logo কোলস্ল সালাদ বানানোর সহজ রেসিপি, স্বাদ হবে রেস্টুরেন্টের মতো Logo বেন গিভিরের হুঁশিয়ারি: ‘পুরো লেবানন পুড়িয়ে ফেলার দাবি’ Logo শিশুর অতিরিক্ত ঘাম কি রোগের লক্ষণ? যেসব সংকেত জানতেই হবে Logo মাছের বাজারে আগুন, রাজধানীতে স্বস্তি কেবল সবজিতে Logo টাইগারদের বীরোচিত লড়াই, ৭ রানের জয়ে সিরিজ নিশ্চিত করলো অস্ট্রেলিয়া Logo ভারত-মিয়ানমার সীমান্তে বেড়া নির্মাণ, কী চ্যালেঞ্জ সামনে?

বেন গিভিরের হুঁশিয়ারি: ‘পুরো লেবানন পুড়িয়ে ফেলার দাবি’

  • ডেস্ক নিউজ
  • Update Time : ০৭:৪৮:৪৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৯ জুন ২০২৬
  • ৫১২

ইসরায়েলের মন্ত্রী ইতামার বেন গিভিরের মন্তব্য | ছবি: সংগৃহীত

বেন গিভিরের হুঁশিয়ারি ঘিরে নতুন করে উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতি। লেবাননে হামলায় চার ইসরায়েলি সেনা নিহত হওয়ার পর ইসরায়েলের জাতীয় নিরাপত্তামন্ত্রী ইতামার বেন গিভির লেবাননকে লক্ষ্য করে কঠোর মন্তব্য করেন।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে বেন গিভির বলেন, লেবাননের বিরুদ্ধে আরও কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ার প্রয়োজন রয়েছে। তার এই মন্তব্যের পর আন্তর্জাতিক মহলে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, লেবাননের ভূখণ্ডে হিজবুল্লাহর বিস্ফোরক ডিভাইস হামলায় চার ইসরায়েলি সেনা নিহত হওয়ার পরই তিনি এই প্রতিক্রিয়া জানান। ঘটনাটি ইসরায়েলি রাজনীতিতে নতুন করে সামরিক পদক্ষেপের দাবি জোরালো করেছে।

বেন গিভির দীর্ঘদিন ধরে লেবাননে বড় পরিসরের সামরিক অভিযানের পক্ষে অবস্থান নিয়ে আসছেন। এর আগেও তিনি বৈরুতসহ বিভিন্ন এলাকায় হামলার আহ্বান জানিয়েছিলেন।

তার বক্তব্যের পর ইসরায়েলের অর্থমন্ত্রী বেজালেল স্মোট্রিচও কঠোর প্রতিক্রিয়া জানান। তিনি বলেন, বর্তমান পরিস্থিতিতে আরও শক্ত অবস্থান নেওয়ার সময় এসেছে।

এদিকে দক্ষিণ লেবাননের বিভিন্ন এলাকায় ইসরায়েলি বাহিনীর উপস্থিতি রয়েছে বলে জানা গেছে। প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু ওই এলাকা থেকে সেনা প্রত্যাহারের বিষয়ে এখনো কোনো স্পষ্ট ঘোষণা দেননি।

লেবানন ও ইসরায়েলের মধ্যে দীর্ঘদিনের উত্তেজনা সাম্প্রতিক ঘটনাগুলোর কারণে আরও বেড়েছে। সীমান্ত এলাকায় সংঘর্ষ, পাল্টাপাল্টি হামলা এবং রাজনৈতিক বক্তব্য পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলছে।

বিশ্লেষকদের মতে, এমন কঠোর মন্তব্য সংঘাত আরও বাড়িয়ে দিতে পারে। সাধারণ মানুষ ও বেসামরিক জনগণের ওপর এর প্রভাব নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করা হচ্ছে।

মধ্যপ্রাচ্যের এই সংকট নিয়ে এখন আন্তর্জাতিক মহলের নজর ইসরায়েল ও লেবাননের পরবর্তী পদক্ষেপের দিকে। দুই দেশের সিদ্ধান্তই নির্ধারণ করবে পরিস্থিতি কোন দিকে যাবে।

জনপ্রিয় সংবাদ

কোন শাক কেন খাবেন? ১২ শাকের অবিশ্বাস্য স্বাস্থ্যগুণ জানুন

বেন গিভিরের হুঁশিয়ারি: ‘পুরো লেবানন পুড়িয়ে ফেলার দাবি’

Update Time : ০৭:৪৮:৪৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৯ জুন ২০২৬

বেন গিভিরের হুঁশিয়ারি ঘিরে নতুন করে উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতি। লেবাননে হামলায় চার ইসরায়েলি সেনা নিহত হওয়ার পর ইসরায়েলের জাতীয় নিরাপত্তামন্ত্রী ইতামার বেন গিভির লেবাননকে লক্ষ্য করে কঠোর মন্তব্য করেন।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে বেন গিভির বলেন, লেবাননের বিরুদ্ধে আরও কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ার প্রয়োজন রয়েছে। তার এই মন্তব্যের পর আন্তর্জাতিক মহলে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।

আরও পড়ুন  সীমান্তে কাঁটাতারের বেড়া দিতে ৪৫ দিনের মধ্যে জমি পাবে বিএসএফ: শুভেন্দুর বড় ঘোষণা

প্রতিবেদন অনুযায়ী, লেবাননের ভূখণ্ডে হিজবুল্লাহর বিস্ফোরক ডিভাইস হামলায় চার ইসরায়েলি সেনা নিহত হওয়ার পরই তিনি এই প্রতিক্রিয়া জানান। ঘটনাটি ইসরায়েলি রাজনীতিতে নতুন করে সামরিক পদক্ষেপের দাবি জোরালো করেছে।

বেন গিভির দীর্ঘদিন ধরে লেবাননে বড় পরিসরের সামরিক অভিযানের পক্ষে অবস্থান নিয়ে আসছেন। এর আগেও তিনি বৈরুতসহ বিভিন্ন এলাকায় হামলার আহ্বান জানিয়েছিলেন।

তার বক্তব্যের পর ইসরায়েলের অর্থমন্ত্রী বেজালেল স্মোট্রিচও কঠোর প্রতিক্রিয়া জানান। তিনি বলেন, বর্তমান পরিস্থিতিতে আরও শক্ত অবস্থান নেওয়ার সময় এসেছে।

আরও পড়ুন  কোয়েল মল্লিক রাজ্যসভার সদস্য হিসেবে শপথ নিলেন, রাজনীতিতে নতুন অধ্যায়

এদিকে দক্ষিণ লেবাননের বিভিন্ন এলাকায় ইসরায়েলি বাহিনীর উপস্থিতি রয়েছে বলে জানা গেছে। প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু ওই এলাকা থেকে সেনা প্রত্যাহারের বিষয়ে এখনো কোনো স্পষ্ট ঘোষণা দেননি।

লেবানন ও ইসরায়েলের মধ্যে দীর্ঘদিনের উত্তেজনা সাম্প্রতিক ঘটনাগুলোর কারণে আরও বেড়েছে। সীমান্ত এলাকায় সংঘর্ষ, পাল্টাপাল্টি হামলা এবং রাজনৈতিক বক্তব্য পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলছে।

আরও পড়ুন  এক বছরে সুইস ব্যাংকে বাংলাদেশিদের অর্থ ৪১ শতাংশ বেড়েছে

বিশ্লেষকদের মতে, এমন কঠোর মন্তব্য সংঘাত আরও বাড়িয়ে দিতে পারে। সাধারণ মানুষ ও বেসামরিক জনগণের ওপর এর প্রভাব নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করা হচ্ছে।

মধ্যপ্রাচ্যের এই সংকট নিয়ে এখন আন্তর্জাতিক মহলের নজর ইসরায়েল ও লেবাননের পরবর্তী পদক্ষেপের দিকে। দুই দেশের সিদ্ধান্তই নির্ধারণ করবে পরিস্থিতি কোন দিকে যাবে।